আইসিটির প্রশ্নও ফাঁস

সাড়ে ৪শ’ মোবাইল ফোন নম্বর বন্ধ

পরীক্ষার দিন আড়াই ঘণ্টা মোবাইলে ইন্টারনেটের গতি কমিয়ে রাখা হবে * ট্রেজারি থেকে বেরোনোর আগেই প্রশ্ন ফাঁস হয়ে যাচ্ছে -আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের * রোববার দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে গ্রেফতার ১৪ * মূল হোতারা ধরাছোঁয়ার বাইরে * আইসিটি-হাদিস পরীক্ষায় বহিষ্কার ৫০ জন

  যুগান্তর রিপোর্ট ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের জন্য অভিযোগে সাড়ে ৪শ’ মোবাইল ফোন নম্বর বন্ধ করে দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশন (বিটিআরসি)। এছাড়া প্রশ্ন ফাঁস রোধে পরীক্ষার দিন সকাল ৮টা থেকে সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত আড়াই ঘণ্টা মোবাইল ফোনে ইন্টারনেটের গতি কমিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। রোববার রাতে বিটিআরসি সূত্র যুগান্তরকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। তবে আইএসপিগুলোকে ইন্টারনেট বন্ধের কোনো নির্দেশনা দেয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (আইএসপিএবি) সভাপতি এমএ হাকিম। রোববারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়ের প্রশ্নপত্রও ফাঁস হয়েছে। অন্যদিকে প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে গঠিত পর্যালোচনা কমিটি এক সপ্তাহ পর রোববার বৈঠকে বসে। কমিটি প্রশ্ন ফাঁসের ব্যাপারে জনগণের কাছে তথ্য আহ্বান করেছে। বিশেষ করে এ ব্যাপারে তথ্য দিয়ে সহায়তার জন্য সাংবাদিকদের আহ্বান জানানোর সিদ্ধান্ত হয়।

আগাম ঘোষণা দিয়ে একের পর এক প্রশ্নপত্র ফাঁস করা হলেও মূল হোতাদের ধরতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। রোববার দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে গ্রেফতার ১৪ জনকে গণমাধ্যমের সামনে হাজির করেছে ডিএমপির গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। এ সময় ডিবি স্বীকার করেছে, মূল হোতাদের পর্যন্ত পুলিশ পৌঁছতে পারেনি।

তিনটি শিক্ষা বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকরা বলছেন, প্রশ্ন ফাঁসের ধরন দেখে মনে হচ্ছে, শুধু ট্রেজারি থেকে কেন্দ্রে নেয়ার সময়েই নয়, এর আগেও প্রশ্ন ফাঁস হয়ে যায়। কেননা, ইংরেজি প্রথমপত্রের পরীক্ষার আগে দুটি সেটই ফাঁস করা হয়। গণিতের প্রশ্ন পরীক্ষার আগের রাতেই অনেকে পেয়েছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। রোববার নওগাঁয় গ্রেফতার কোচিং শিক্ষকরাও আগের রাতে প্রশ্ন সংগ্রহ ও শিক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছানোর কথা স্বীকার করেছেন। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের একজন সাবেক চেয়ারম্যান যুগান্তরকে বলেন, বোর্ড থেকে সকাল সাড়ে ৭টায় বলে দেয়া হয় কোন সেটে পরীক্ষা হবে। এর আগে প্রশ্নপত্রের সঠিক সেট ফাঁস হওয়া সম্ভব নয়। সে ক্ষেত্রে দুটি সেট ফাঁস হলে মনে করতে হবে, ট্রেজারির আগের পর্বে প্রশ্ন ফাঁস হয়ে থাকে। তিনি আরও বলেন, দায়মুক্তি নয়, রোগের চিকিৎসার লক্ষ্যেই ট্রেজারির আগে ও পরের উভয় পর্বকে সন্দেহে রেখে ব্যাপক গোয়েন্দা এবং প্রযুক্তিগত অনুসন্ধান চালিয়ে মূল হোতা ধরতে হবে। নইলে এ রোগ সারবে না।

তবে রোববার ব্রিফিংয়ে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার আবদুল বাতেন দাবি করেন, প্রশ্ন যখন কেন্দ্র থেকে পরীক্ষার হলে যায় সে সময় কেউ এর ছবি তুলে আসামিদের কাছে পাঠায়। এ সময়টা পরীক্ষার ৩০-৪০ মিনিট আগে। এর আগে যেসব প্রশ্ন ফাঁস হওয়ার কথা শোনা যায় সেগুলো ভুয়া। পরীক্ষার কেন্দ্র থেকে কারা প্রশ্নের ছবি তুলে ফাঁস করছে, কারা এ চক্রের সঙ্গে জড়িত তাদের কাছে যাওয়া খুব কঠিন।

আইসিটির প্রশ্নও ফাঁস : আগের সাতটি বিষয়ের মতোই রোববারে অনুষ্ঠিত আইসিটি পরীক্ষার প্রশ্নপত্রও ফাঁস হয়েছে। এর সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ঢাকা ও ঢাকার বাইরের বিভিন্ন জেলা থেকে এদিন কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এদের মধ্যে আছে নওগাঁর দুই কোচিং সেন্টারের শিক্ষকসহ সাতজন। তারা দাবি করেছে, পরীক্ষার আগের রাতে অথবা পরীক্ষার দিন সকালে প্রশ্নপত্র সংগ্রহ করেন। এরপর শিক্ষার্থীদের প্রশ্নপত্র নেয়ার জন্য প্রস্তাব দিতেন। গ্রেফতারকৃতরা হলেন- পত্মীতলার নজিপুর পৌরসভায় অবস্থিত আশীর্বাদ কোচিংয়ের শিক্ষক আনোয়ার হোসেন, রেসিডেন্সিয়াল কোচিংয়ের শিক্ষক আল মামুন, শিক্ষার্থী জাহিদ হাসান, মর্তুজা আহমেদ, প্রভাত কুমার মহন্ত, জহিরুল ইসলাম ও ইসরাফিল আলম। সংবাদ সম্মেলনে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুর রফিক জানান, আগের রাতে প্রশ্নসহ এদের আটক করা হয়। রোববার পরীক্ষা শেষে মূল প্রশ্নপত্রের সঙ্গে ফাঁস হওয়া প্রশ্নের হুবহু মিল পাওয়া যায়।

প্রশ্ন ফাঁস প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক তপন কুমার সরকার যুগান্তরকে বলেন, আপনার মতো আমিও শুনেছি।

ময়মনসিংহে গ্রেফতার ৮ : প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগে ময়মনসিংহ থেকে চার অভিভাবক ও তিন শিক্ষার্থীসহ আটজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এর মধ্যে ৫ জনের নাম জানা গেছে। তারা হলেন- অভিভাবক আরিফুল ইসলাম, রাকিব মিয়া, রফিকুল ইসলাম, সৌরভ বর্মণ এবং ইসরাত জাহান। অভিযোগ পাওয়া গেছে, শনিবার গণিত পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে আটকরা জড়িত। তাদের বিরুদ্ধে তিনটি পৃথক মামলা হয়েছে।

মোট গ্রেফতার ৬০ : প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে জড়িত থাকার দায়ে রোববার পর্যন্ত সারা দেশে অন্তত ৬০ জন গ্রেফতার হয়েছে। এর মধ্যে শনিবার ঢাকায় গভ. ল্যাবরেটরি স্কুলের সামনে থেকে এক পরীক্ষার্থী এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রকে গ্রেফতার করা হয়। কেন্দ্রের বাইরে তারা মোবাইলে প্রশ্নের সমাধান দেখছিল।

তথ্য আহ্বান পর্যালোচনা কমিটির : প্রথম দু’দিনের পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের পর ব্যাপক সমালোচনার মুখে ৪ ফেব্রুয়ারি শিক্ষা মন্ত্রণালয় একজন সচিবের নেতৃত্বে একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় পর্যালোচনা কমিটি গঠন করা হয়। কিন্তু কমিটি শনিবার পর্যন্ত কোনো চিঠিই পায়নি। এ নিয়ে যুগান্তরসহ একটি জাতীয় দৈনিক রোববার প্রতিবেদন প্রকাশের পর তড়িঘড়ি করে রোববার দুপুরের দিকে নোটিশ জারি করা হয়। বিকাল ৪টায় ওই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগের সচিব মো. আলমগীর। বৈঠক সূত্র জানায়, প্রশ্ন ফাঁস হয়ে থাকলে কখন হয়েছে, এতে কী পরিমাণ শিক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, ফাঁসের কথিত অভিযোগের ভিত্তি বিশেষ করে মোবাইল ফোনে কথিত প্রশ্নের যে স্ক্রিন শট দেয়া হয়েছে তাতে যে সময় উল্লেখ আছে তা মোবাইল সেট না ফেসবুকের- তা যাচাই-বাছাই করবে কমিটি। কমিটি প্রশ্ন ফাঁসের ব্যাপারে জনগণের কাছে তথ্য আহ্বান করেছে। বিশেষ করে এ ব্যাপারে তথ্য দিয়ে সহায়তার জন্য সাংবাদিকদের আহ্বান জানানোর সিদ্ধান্ত হয়। সূত্র জানায়, বৈঠক থেকে আইনশৃঙ্খলা ও গোয়েন্দা সংস্থা এবং তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের কাজ ভাগ করে দেয়া হয়েছে। এ ফাঁকে গ্রেফতারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদের তথ্যও মেলানো হবে। এসব নিয়ে রোববার বিকাল ৪টায় ফের বৈঠকে বসবে তদন্ত কমিটি। সোমবার কমিটি প্রতিবেদন দাখিল করবে।

সূত্র আরও জানায়, অতীতে প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় করা মামলায় শুধু পুলিশ বাদী হতো। ভবিষ্যতে মামলায় বাদী পক্ষের অনুপস্থিতিতে যাতে কোনো আসামি ছাড় না পায় সে লক্ষ্যেই বোর্ডগুলো পক্ষভুক্ত হবে। পাশাপাশি বোর্ডগুলো তহবিল তৈরি করে আইনজীবী নিয়োগ করবে।

এ প্রসঙ্গে কারিগরি সচিব যুগান্তরকে বলেন, বৈঠক বিস্তারিত আলাপ-আলোচনা হয়েছে। রোববারের বৈঠকের আগে এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট করে কিছু বলা যাচ্ছে না। আমরা অনুসন্ধান ও পর্যালোচনা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি। পাশাপাশি অপরাধীদের উপযুক্ত শাস্তির বিষয়টি জোরালো আলোচনায় আছে।

প্রশ্ন ফাঁসে সাড়ে ৪শ’ মোবাইল ফোন নম্বর চিহ্নিত : সূত্র জানায়, গোয়েন্দা সংস্থার একটি প্রতিবেদন তদন্ত কমিটির সামনে উপস্থাপন করা হয়। তাতে সাড়ে ৪শ’ সন্দেহজনক মোবাইল ফোন নম্বর আছে। ওইসব নম্বরের মাধ্যমে কথিত ফাঁসকৃত প্রশ্নপত্র চালাচালি হয়েছে। এরই মধ্যে মোবাইল নম্বরগুলো বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এছাড়াও চিহ্নিত নম্বরের মালিকদের খোঁজখবর নিতে শুরু করেছে গোয়েন্দা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

অষ্টম দিনে বহিষ্কার ৫০ : রোববার এসএসসিতে আইসিটি এবং দাখিলে হাদিস শরিফ পরীক্ষা ছিল। এ দুই ধারার পরীক্ষায় এদিন ৫০ জন বহিষ্কৃত হয়। এর মধ্যে এসএসসিতে ১২ জন, বাকিরা দাখিলের শিক্ষার্থী। কারিগরি বোর্ডে কেউ বহিষ্কার হয়নি।

ডিবির সংবাদ সম্মেলন : ট্রেজারি থেকে পরীক্ষার হলে নেয়ার সময় অসাধু কেউ প্রশ্নের ছবি তুলে ফাঁস করে বলে দাবি করেছেন ডিবির যুগ্ম কমিশনার আবদুল বাতেন। শনিবার দিনভর অভিযানে ১৪ জনকে গ্রেফতার করে ডিবি। এ ঘটনায় পৃথক থানায় চারটি মামলা হয়েছে। দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করে এসব তথ্য জানান ডিবির যুগ্ম কমিশনার। গ্রেফতাররা হচ্ছেন- রাহাত ইসলাম, সালাহউদ্দিন, সুজন, জাহিদ হোসেন, সুফল রায় ওরফে শাওন, আল-আমিন, সাইদুল ইসলাম, আবির ইসলাম নোমান, আমান উল্লাহ, বরকত উল্লাহ, আহসান উল্লাহ, শাহাদাৎ হোসেন ওরফে স্বপন, ফাহিম ইসলাম এবং তাহসিব রহমান। এদের মধ্যে আমান উল্লাহ, আহসান উল্লাহ এবং বরকত উল্লাহ ৩ ভাই। তারা প্রতিদিন ফেসবুকে ঘোষণা দিয়ে প্রশ্ন ফাঁস করেছে। আহসান সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী। তাদের কাছ থেকে একটি ল্যাপটপ, ২৩টি স্মার্টফোন এবং ২ লাখ ২ হাজার ৪০০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে আবদুল বাতেন বলেন, আসামিরা পরীক্ষার আগের দিন ভুয়া প্রশ্নপত্র ফাঁস করে শিক্ষার্থীদের আস্থা অর্জন করে। পরদিন পরীক্ষা শুরুর ৩০-৪০ মিনিট আগে কেন্দ্র থেকে বিভিন্নভাবে প্রশ্ন সংগ্রহ করে সেগুলো ফেসবুক, মেসেঞ্জার, ইমো এবং হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ থেকে শিক্ষার্থীদের কাছে ছড়িয়ে দেয়। বিনিময়ে তারা বিকাশ ও রকেটের মাধ্যমে ৫০০ থেকে ২ হাজার টাকা করে আদায় করে।

এছাড়া রাজধানীর পূর্ব রাজাবাজার এলাকা থেকে রোববার প্রশ্ন ফাঁস চক্রের সদস্য আনিসুর রহমানকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-২।

উত্তরপত্র মূল্যায়নে ত্র“টিতে বরিশালে ৬৯ পরীক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা : বরিশাল ব্যুরো জানায়, ২০১৭ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তরপত্র মূল্যায়নে বিভিন্ন ধরনের ভুলত্রুটি থাকায় ৬৯ পরীক্ষকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে বরিশাল শিক্ষা বোর্ড। রোববার বোর্ডের ওয়েবসাইটে এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আনোয়ারুল আজিম জানিয়েছেন, উত্তরপত্র মূল্যায়নে ভুলত্রুটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনে অবহেলার শামিল, তাই এসব পরীক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

 

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter