জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন বসছে আজ

উঠছে চাকরিতে প্রবেশ ও অবসরের বয়সসীমা বাড়ানোর প্রস্তাব

  সংসদ রিপোর্টার ২৪ এপ্রিল ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন বসছে আজ

একাদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন আজ বুধবার বসছে। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বিকাল ৫টায় অধিবেশন শুরু হবে। ৩ এপ্রিল রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এ অধিবেশন আহ্বান করেন।

সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদের (১) দফায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ অধিবেশন আহ্বান করেন রাষ্ট্রপতি। তবে এই অধিবেশন কতদিন চলবে তা জানা যায়নি। অধিবেশন শুরুর এক ঘণ্টা আগে সংসদের কার্য উপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। কমিটির প্রধান হিসেবে স্পিকার এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন।

একাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন ৩০ জানুয়ারি শুরু হয়। ২৬ কার্যদিবস চলা সে অধিবেশন শেষ হয় ১১ মার্চ। সংবিধান অনুযায়ী একটি অধিবেশন শেষ হওয়ার পর ৬০ দিনের মধ্যে আরেকটি অধিবেশন আহ্বানের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

এজন্যই জুনে বাজেট অধিবেশন শুরুর আগে মূলত নিয়ম রক্ষার্থে এই অধিবেশন আহ্বান করা হয়েছে। সংসদ সচিবালয় জানিয়েছে, এ অধিবেশন পাঁচ কার্যদিবস চলতে পারে। দেশের তরুণ সমাজের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণের লক্ষ্যে সরকারি চাকরিতে ঢোকার বয়সসীমা বাড়াতে সংসদ অধিবেশন সিদ্ধান্ত প্রস্তাব আনা হতে পারে এ অধিবেশনে।

অধিবেশনে এ প্রস্তাবটি আনবেন ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি ও ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য রাশেদ খান মেনন।

এ প্রস্তাবে তিনি সরকারি চাকরিতে ঢোকার বয়সসীমা ৩৫ বছর ও অবসর গ্রহণের বয়সসীমা ৬২ বছরের প্রস্তাব করবেন। ইতিমধ্যে সংসদের আইন শাখা-২ এ সিদ্ধান্ত প্রস্তাবটি জমা দিয়েছেন তিনি। সংসদে সিদ্ধান্ত প্রস্তাবটি গৃহীত হলে এ নিয়ে সরকারের কাজ করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। বর্তমানে চাকরিতে প্রবেশের বয়স সর্বোচ্চ ৩০ বছর এবং মুক্তিযোদ্ধা কোটায় তা ৩২ বছর। আর অবসরে যাওয়ার বয়সসীমা ৬০ বছর এবং মুক্তিযোদ্ধা কোটায় ৬১ বছর।

অধিবেশন চলাকালীন বৃহস্পতিবার বেসরকারি দিবস হিসেবে রাখা হয়।

এদিন মন্ত্রী নন, শুধু সংসদ সদস্যদের বিল ও সিদ্ধান্ত প্রস্তাব আনা হয়। তবে স্পিকার ইচ্ছা করলে এসব কাজ স্থগিত রাখতে পারেন। অধিবেশন সংক্ষিপ্ত হওয়ায় এ প্রস্তাব নাও উঠতে পারে। এমনটি হলে বাজেট অধিবেশনে এটি উত্থাপন হবে।

সংসদের আইন শাখা-২ এর সূত্র জানায়, এমপিদের আনা সিদ্ধান্ত প্রস্তাবে মন্ত্রী একমত না হলে তিনি ব্যাখ্যা করে সেই সিদ্ধান্ত প্রস্তাবটি প্রত্যাহারের অনুরোধ করেন। আর গ্রহণের হলে গ্রহণ করেন। তবে সিদ্ধান্ত প্রস্তাব গ্রহণ বা প্রত্যাখ্যান- দুটোই ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোটে দিয়ে পাস করে নিতে হয়। ফলে এটি এক ধরনের আইনও বলা যায়।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×