দৌলতদিয়া ঘাটে পারের অপেক্ষায় কয়েকশ’ গাড়ি

  গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি ২৫ এপ্রিল ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

ফেরি
ফেরি সংকটে বুধবার দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরটে। ছবি: সংগৃহত

দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে গত কয়েক দিন ধরে যানবাহন পারাপারের পরিমাণ বেড়ে গেছে। কিন্তু বাড়েনি ফেরির সংখ্যা। এতে ঘাট এলাকায় তিন দিন ধরে শত শত যানবাহন আটকা পড়েছে। এ সুযোগে দালালদের উৎপাত বেড়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। তারা বাড়তি টাকার বিনিময়ে ‘সিরিয়াল’ আগে-পরে করে দিচ্ছে। তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ ধরনের অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

বুধবার বিকাল ৪টা পর্যন্ত দৌলতদিয়া প্রান্তে প্রায় ৩ কিলোমিটারজুড়ে এবং টার্মিনাল মিলিয়ে অন্তত ৪ শতাধিক যানবাহন নদী পারের অপেক্ষায় আটকে থাকতে দেখা যায়। এর মধ্যে পণ্যবাহী যানবাহনের সংখ্যাই বেশি। আটকে থেকে দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন যানবাহনের যাত্রী, চালক ও পণ্যের ব্যবসায়ীরা। জানা গেছে, আসন্ন মাহে রমজান উপলক্ষে দেশে পণ্যদ্রব্যের সরবরাহে চাঙ্গাভাব সৃষ্টি হয়েছে।

এ কারণে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুট দিয়ে পণ্যবাহী যানবাহন পারাপারের সংখ্যাও বেড়ে গেছে। স্বাভাবিক সময়ে দুই ঘাট দিয়ে যেখানে ১৫-১৬শ’ পণ্যবাহী যানবাহন পার হতো, সেখানে গত কয়েক দিন ধরে পার হচ্ছে প্রায় ২ হাজার পণ্যবাহী যানবাহন।

র সঙ্গে অন্যান্য গাড়ি তো রয়েছেই। যানবাহন বাড়লেও বাড়েনি ফেরি। রুটে মাত্র ৭টি রো রো (বড়) ও ৯টি ছোট ফেরি মিলে ১৬টি ফেরি চলছে। বিকল রয়েছে চন্দ্র মল্লিকা নামের একটি ফেরি। নারায়ণগঞ্জ ডকইয়ার্ডে মেরামতে রয়েছে আরও তিনটি বড় ফেরি।

এ অবস্থায় দুই-এক দিন পর পর কালবৈশাখী ঝড়ে ১-২ ঘণ্টা করে রুটে ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় যানবাহন পারাপারে সমস্যা আরও প্রকট করে তোলে। এতে আটকে পড়া যানবাহনের যাত্রী ও চালকরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। দূরপাল্লার কয়েকশ’ নৈশকোচ প্রায় সারারাত উভয় পারে আটকে থেকে সোমবার সকাল পর্যন্ত নদী পার হয়।

সরেজমিন আলাপকালে কয়েকজন ট্রাকচালক জানান, তারা দুই দিন ধরে সিরিয়ালে আটকে আছেন। দালাল ছাড়া ফেরি টিকিট পাওয়া যাচ্ছে না। ফেরির টিকিট কাটতে দালালদের হাতে বাড়তি দিতে হচ্ছে ৫শ’ থেকে ১ হাজার টাকা। এর বাইরেও যারা গাড়ি প্রতি ১-২ হাজার টাকা দিচ্ছে তারা দালালের সহায়তায় ট্রাফিক পুলিশকে ম্যানেজ করে আগে ফেরিতে ওঠার সুযোগ পাচ্ছে। আমরা এ অবস্থার প্রতিকার চাই।

সামনে রোজা। বাসের সঙ্গে ট্রাক পারাপারের সংখ্যাও বাড়াতে হবে। বিআইডব্লিউটিসি অফিসের ব্যবস্থাপক শফিকুল ইসলাম জানান, জনদুর্ভোগ কমাতে যাত্রীবাহী গাড়িগুলো অগ্রাধিকারভিত্তিতে পার করা হচ্ছে। কাউন্টারে সরকার নির্ধারিত রেটের বাইরে কোনো টাকা নেয়া হয় না। দালালদের ব্যাপারে কোনো অভিযোগ জানা নেই।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×