গাইবান্ধায় স্কুলছাত্রী ও টাঙ্গাইলে তরুণীকে ধর্ষণ

কালিহাতীতে ধর্ষকসহ আটক ২

  যুগান্তর ডেস্ক ০৮ মে ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

গাইবান্ধায় স্কুলছাত্রী ও টাঙ্গাইলে তরুণীকে ধর্ষণ
প্রতীকী ছবি

গাইবান্ধায় ধর্ষণের শিকার হয়েছে এক স্কুলছাত্রী। এছাড়া টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে তরুণী ধর্ষিত এবং কালিহাতীতে ধর্ষকসহ দু’জন গ্রেফতার হয়েছে। প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-

গাইবান্ধা : ধর্ষিত স্কুলছাত্রীর বাড়ি সদর উপজেলার কুপতলা ইউনিয়নের পশ্চিম কুপতলা মধ্যপাড়া গ্রামে। সে মধ্যপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণীতে পড়ে। ধর্ষক শাকিল মিয়ার বাবা আইয়ুব খানকে সোমবার রাতে আটক করেছে পুলিশ। শিশুটি পশ্চিম কুপতলা মধ্যপাড়া গ্রামে দাদির বাড়িতে থেকে লালিত হচ্ছিল। রোববার সন্ধ্যায় তাদের চার্জ দেয়া টর্চলাইট নিয়ে আসার জন্য প্রতিবেশী আইয়ুব খানের ঘরে যায় শিশুটি।

এসময় আইয়ুব খানের বখাটে ছেলে শাকিল মিয়া শিশুটিকে ধর্ষণের পর চাকু দেখিয়ে হত্যার হুমকি দেয়। রাতেই স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করা হলে শাকিল মিয়ার পরিবার হুমকি-ধমকি দিয়ে তাদেরকে বিদায় করে দেয়। পরে শিশুটির দাদি চারজনকে আসামি করে সদর থানায় মামলা করেন।

মধুপুর (টাঙ্গাইল) : টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলার পাইস্কা ইউনিয়নের ভাতকুড়ার চরপাড়া গ্রামে তরুণী ধর্ষণের ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। মামলায় একমাত্র আসামি সোহেলকে আটক করেছে পুলিশ। ধর্ষক ওই গ্রামের দিনমজুর আয়নাল হকের ছেলে সোহেল। সে ভাতকুড়ার মোড়ের চা বিক্রেতা। সোমবার সন্ধ্যার দিকে তরুণীকে বাড়ির পাশে পেয়ে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করে সোহেল। মেয়ের বাবা রাতেই থানায় অভিযোগ দেন।

কালিহাতী (টাঙ্গাইল) : কালিহাতীর পারখী ইউনিয়নের পূর্বাসিন্দা গ্রামে স্কুলছাত্রীর ধর্ষক ও সহায়তাকারীকে পুলিশ জেলহাজতে পাঠিয়েছে। আটকরা হল- পারখী ইউনিয়নের পূর্বাসিন্দা গ্রামের রায় মোহনের ছেলে ধর্ষক রাম প্রসাদ ও তার ফুফাতো বোন রত্না রানীকে।

মেয়েটির বাবা তাদের দু’জনকে আসামি করে মামলা করেছেন। তিনি জানান, স্কুলে যাওয়া-আসার পথে মেয়েটিকে ফুঁসলিয়ে প্রেমের ফাঁদে ফেলে রামপ্রসাদ তার ফুফাতো বোন রত্না রানীর ঘরে একাধিকবার ধর্ষণ করে। মেয়েটি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে স্থানীয় ইউপি সদস্য কুদ্দুস, ওই ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের সভাপতি খসরু ও মাতব্বর সাইফুল সালিশের আয়োজন করেন।

সালিশের মাধ্যমে তারা উভয়পক্ষকে ৪ লাখ টাকা জরিমানা করেন। হুমকি দিয়ে মেয়েটির পরিবারকে গ্রামছাড়া করে। সোমবার দৈনিক যুগান্তর পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হলে এলাকায় তোলপাড় হয়। রাতেই পুলিশ ধর্ষকসহ সহায়তাকারীকে গ্রেফতার করে।

ঈশ্বরগঞ্জ (ময়মনসিংহ) : বিয়ের প্রলোভনে কওমি মাদ্রাসার এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে ঈশ্বরগঞ্জ থানায় করা মামলায় ধর্ষকসহ চারজনকে আটক করেছে পুলিশ। মেয়েটি নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার লেঙ্গুরা ইউনিয়নের গৌরীপুর গ্রামের বাসিন্দা। সে ঢাকায় বোন জামাইয়ের বাসায় থেকে মোহাম্মদপুর রায়েরবাজার আদর্শ বালিকা কওমি মাদ্রাসায় লেখাপড়া করত। চার বছর আগে মুঠোফোনে ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার রাজীবপুর ইউনিয়নের মাইজহাটি গ্রামের শামীম মিয়ার সঙ্গে তার পরিচয় হয়। শামীম মিরপুরে একটি কওমি মাদ্রাসার দাওরায়ে হাদিস বিষয়ের ছাত্র। প্রেমের ফাঁদে ফেলে বিয়ের প্রলোভনে ছাত্রীটিকে গাজীপুর মাওনা একটি হোটেলে নিয়ে আপত্তিকর ছবি তোলে এবং এসব ছবি ফেসবুকে ছেড়ে দেয়ার হুমকি দিয়ে শামীম মেয়েটিকে ধর্ষণ করে। ৫ মে শামীম মাদ্রাসার গেট থেকে বিয়ের কথা বলে ছাত্রীকে ঈশ্বরগঞ্জে তার গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসে। বাড়িতে আসার পর কৌশলে সে পালিয়ে যায়। আটক অন্য তিনজন হল মনোয়ারা, আবদুল কুদ্দুস ও রমজানকে আটক করা হয়েছে।

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×