আবজালের দুর্নীতি

স্বাস্থ্য অধিদফতরের ৬ কর্মকর্তাকে দুদকের জিজ্ঞাসাবাদ

প্রকাশ : ১৩ মে ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

  যুগান্তর রিপোর্ট

ফাই্ল ছবি

স্বাস্থ্য অধিদফতরের চিকিৎসা শিক্ষা ও জনশক্তি উন্নয়ন শাখার হিসাবরক্ষক আবজাল হোসেনের দুর্নীতির বিষয়ে অধিদফতরের ছয় কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। রোববার স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালকসহ ছয়জনের বক্তব্য শুনতে অধিদফতরে যায় দুদকের একটি দল।

দুদকের জনসংযোগ বিভাগের কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য যুগান্তরকে জানিয়েছেন, কমিশনের চট্টগ্রাম-২ সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. মাহবুবুল আলম ও সহকারী পরিচালক রতন কুমার দাশের সমন্বয়ে গঠিত ওই দল অভিযোগের বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন।

এই ছয় কর্মকর্তা ও কর্মচারী হলেন- স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ, পরিচালক ডা. মো. আবদুর রশীদ, প্রোগ্রাম ম্যানেজার (পিএম) ডা. মো. ইউনুস, ডেপুটি প্রোগ্রাম ম্যানেজার (ডিপিএম) ডা. কামরুল কিবরিয়া, প্রধান সহকারী আবদুল মালেক ও উচ্চমান সহকারী খায়রুল আলম।

কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের জন্য আসবাবপত্র কেনাকাটা সংক্রান্ত দুর্নীতির বিষয়ে তাদের বক্তব্য শুনতে এর আগে ৮ মে চিঠি পাঠানো হয়েছিল দুদকের পক্ষ থেকে। অভিযোগ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে নথিপত্রও প্রস্তুত রাখতে অনুরোধ করা হয়েছিল ওই চিঠিতে।

রোববার রাজধানীর মহাখালীতে স্বাস্থ্য অধিদফতরের কার্যালয়ে দুদকের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ সাংবাদিকদের বলেন, তিনি দুদককে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করছেন। ঘটনাটি কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের। স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক হলেও সেখানকার দুর্নীতির দায় তার নয়।

এর আগে কক্সবাজার মেডিকেল কলেজে অপ্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি কিনে সরকারের সাড়ে ৩৭ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে গত ২৬ এপ্রিল স্বাস্থ্য অধিদফতরের চিকিৎসা শিক্ষা ও জনশক্তি উন্নয়ন শাখার হিসাবরক্ষক আবজাল হোসেন ও তার স্ত্রীসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক।

মামলার অপর ৮ আসামি হলেন- স্বাস্থ্য অধিদফতরের চিকিৎসা শিক্ষা ও স্বাস্থ্য জনশক্তি উন্নয়ন বিভাগের সাবেক পরিচালক ও লাইন ডিরেক্টর অধ্যাপক ডা. আবদুর রশীদ, কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ সুবাস চন্দ্র সাহা, সাবেক অধ্যক্ষ মোহাম্মদ রেজাউল করিম, কলেজের হিসাবরক্ষক হুররমা আক্তার খুকী, কক্সবাজার জেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা সুকোমল বড়ুয়া, একই দফতরের সাবেক এসএএস সুপার সুরজিত রায় দাশ, পংকজ কুমার বৈদ্য এবং স্বাস্থ্য অধিদফতরের সাবেক উচ্চমান সহকারী খায়রুল আলম।