গ্রিনলাইনকে হাইকোর্ট

টাকা না দিলে কী করতে হবে আমরা জানি

  যুগান্তর রিপোর্ট ১৬ মে ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

এক মাস সময় দেয়া সত্ত্বেও বাসচাপায় পা হারানো রাসেল সরকারকে ক্ষতিপূরণের বাকি ৪৫ লাখ টাকা পরিশোধ না করায় গ্রিনলাইন পরিবহন কর্তৃপক্ষকে হুশিয়ার করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। আদালত বলেছেন, ‘ক্ষতিপূরণের টাকা পরিশোধ করতেই হবে। টাকা না দিলে কী করতে হবে, আমরা জানি। আমাদের সেদিকে যেতে বাধ্য করবেন না। পরে টাকা পরিশোধের জন্য ২২ মে পর্যন্ত সময় দেন হাইকোর্ট। ক্ষতিপূরণের টাকা পরিশোধে পুনরায় সময় চাওয়া হলে বুধবার বিচারপতি এফআরএম নাজমুল আহসান ও বিচারপতি কেএম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে হাইকোর্ট বেঞ্চ এ মন্তব্য করেন। আদালতে পরিবহন কর্তৃপক্ষের পক্ষে সময় আবেদন করেন আইনজীবী মো. ওজি উল্লাহ। রিট আবেদনের শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী খন্দকার শামসুল হক রেজা। আবারও সময় চেয়ে আবেদন করা হলে আদালত বলেন, ‘টাকা না দিয়েই সময় চাচ্ছেন? তা কী হয়! আপনাদের ব্যবসা কি বন্ধ আছে? আমরা কি রিসিভার নিয়োগ দেব? ঈদের ছুটির আগেই ১৮-১৯ মে’র মধ্যে কিছু টাকা পরিশোধ করে আদালতের আদেশ বাস্তবায়ন করুন। আমরা আপনাদের সমস্যা বিবেচনা করছি। অন্যথায় কী করতে হবে তা আমরা জানি। আমাদের সেদিকে যেতে বাধ্য করবেন না। পরে আদালত মামলার পরবর্তী আদেশের জন্য ২২ মে দিন ধার্য করেন। পরে রাসেল সরকার বলেন, আমি লাশ হয়ে আছি। গুরুতর অসুস্থ। ঘাতক চালকের যেন শাস্তি হয়। হাইকোর্টের রায় যেন বাস্তবায়ন হয়। গত ১২ মার্চ রাসেল সরকারকে ৫০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে রাসেলের চিকিৎসা সংক্রান্ত যাবতীয় খরচ গ্রিনলাইন পরিবহন কর্তৃপক্ষকে বহন করতে এবং তার কৃত্রিম পা লাগানোর ব্যবস্থা করতে বলা হয়। এরপর রাসেলকে ৫ লাখ টাকার চেক ও তার কৃত্রিম পা সংযোজন করে পরিবহন কর্তৃপক্ষ। ২০১৮ সালের ২৮ এপ্রিল মেয়র মোহাম্মদ হানিফ ফ্লাইওভারে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে গ্রিনলাইন পরিবহনের বাসচালক ক্ষিপ্ত হয়ে প্রাইভেটকার চালক রাসেল সরকারের ওপর দিয়েই বাস চালিয়ে দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাইভেটকার চালক রাসেল সরকারের (২৩) বাম পা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]om

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×