চ্যারিটেবল মামলায় খালেদা জিয়ার আপিল

বিচারিক আদালতের সব নথি হাইকোর্টে

  যুগান্তর রিপোর্ট ২১ জুন ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

ফাইল ছবি
ফাইল ছবি

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে বিচারিক আদালতের দেয়া সাজার সংশ্লিষ্ট সব নথি হাইকোর্টে এসেছে। সুপ্রিমকোর্টের স্পেশাল অফিসার ব্যারিস্টার মো. সাইফুর রহমান যুগান্তরকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে গত ৩০ এপ্রিল সাজার বিরুদ্ধে খালেদা জিয়ার আপিল শুনানির জন্য এ মামলার সব নথি তলব করেছিলেন হাইকোর্ট। আদালতের আদেশ মোতাবেক বৃহস্পতিবার বিকালে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক ড. আখতারুজ্জামানের আদালত থেকে এ নথি হাইকোর্টে পাঠানো হয়।

এদিকে খালেদা জিয়ার আইনজীবী ব্যারিস্টার এহসানুর রহমান বৃহস্পতিবার যুগান্তরকে বলেন, আদালতের নির্দেশে এই মামলার যাবতীয় কাগজপত্র হাইকোর্টে এসেছে। এখন এ মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন শুনানির জন্য আমাদের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট বেঞ্চে উপস্থাপন করা হবে। আশা করছি আগামী সপ্তাহে জামিনের আবেদনটি শুনানির জন্য কার্যতালিকায় থাকবে।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে আসা প্রায় সোয়া ৩ কোটি টাকা আত্মসাতের দায়ে খালেদা জিয়াসহ চার আসামির সবাইকে সাত বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দিয়ে গত বছর ২৯ অক্টোবর রায় হয়। পাশাপাশি তাদের ১০ লাখ টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়। আর ট্রাস্টের নামে কেনা কাকরাইলের ৪২ কাঠা জমি রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত ঘোষণা করা হয় রায়ে।

ঢাকার পঞ্চম বিশেষ জজ আখতারুজ্জামান এ মামলার রায় ঘোষণা করেছিলেন। রায়ের সত্যায়িত অনুলিপি হাতে পাওয়ার চারদিন পর গত বছর ১৮ নভেম্বর হাইকোর্টে আপিল করেন খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা। ৬৩৮ পৃষ্ঠার মূল রায়সহ প্রায় ৭০০ পৃষ্ঠার এই আপিলের সঙ্গে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনও করা হয়।

গত ৩০ এপ্রিল খালেদা জিয়াকে দেয়া দণ্ড বাতিল ও খালাস চেয়ে খালেদা জিয়ার করা আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেন হাইকোর্ট। পাশাপাশি বিচারিক আদালতের রায়ে দেয়া অর্থদণ্ড স্থগিত এবং সম্পত্তি জব্দের আদেশে স্থিতাবস্থা দিয়েছেন আদালত। তবে এই মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনটি শোনেনি আদালত। জামিনের আবেদনটি নথিভুক্ত করে দুই মাসের মধ্যে মামলার নথি তলব করা হয়। নথি পাওয়ার পর জামিনের বিষয়ে বিবেচনা করা হবে। বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি এসএম কুদ্দুছ জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

ওইদিন শুনানিতে জামিনের বিষয়ে আদালত বলেন, সাত বছরের সাজার মামলায় আমরা জামিন দেই না, তা না। যেহেতু অন্য একটি মামলায় উচ্চতর আদালত সাজা বাড়িয়ে দিয়েছেন। ওই মামলায় জামিন না হলে তিনি মুক্তি পাবেন না। ফলে বিষয়টি জরুরি দেখছি না। নথি আসুক, তখন জামিনের আবেদনটি দেখা হবে। এ মামলায় রেকর্ড না দেখে বেইল দিচ্ছি না।

খালেদা জিয়ার আইনজীবী জয়নুল তখন বলেন, আবেদনটি একটু শোনেন মাই লর্ড, না শুনলে আমরা হতাশ হব। তখন বিচারপতি ওবায়দুল হাসান বলেন, না, শুনতে পারব না। শুনলে আদেশ দিতে হবে।

খালেদা জিয়াসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন ১৮ জুলাই : সাবেক নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খানের মিছিলে বোমা হামলার মামলায় খালেদা জিয়াসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দেয়ার জন্য আগামী ১৮ জুলাই দিন ধার্য করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার মামলার প্রতিবেদন দেয়ার দিন ছিল। এদিন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তা দেননি। এ জন্য ঢাকার মহানগর হাকিম দেবদাস চন্দ্র অধিকারী পরবর্তী ওইদিন ধার্য করেন।

২০১৫ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খানের নেতৃত্বে ২০ হাজার মানুষ খালেদা জিয়ার কার্যালয় ঘোরাওয়ের উদ্দেশ্যে রওনা হলে আসামিরা সেখানে বোমা নিক্ষেপ করেন।

আরও পড়ুন

'কোভিড-১৯' সর্বশেষ আপডেট

# আক্রান্ত সুস্থ মৃত
বাংলাদেশ ১৬৪ ৩৩ ১৭
বিশ্ব ১৩,৪৬,৯৭৪ ২,৭৮,৬৯৮ ৭৪,৭০২
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত