যাত্রী ও গতি বেশি থাকায় দুর্ঘটনায় উপবন এক্সপ্রেস

নিহত ৪ জনের পরিচয় মিলেছে

১৯ ঘণ্টা পর রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক * দুটি তদন্ত কমিটি গঠন, মন্ত্রিসভাকে অবহিত করলেন রেলমন্ত্রী * ট্রেন ছাড়ার পরই শেষ কোচটি ভীষণ দুলছিল -যাত্রীদের অভিযোগ

  মাহবুবুর রহমান রিপন ও আজিজুল ইসলাম, বরমচাল থেকে ২৫ জুন ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

ট্রেন দুর্ঘটনা
ট্রেন দুর্ঘটনা। ছবি: যুগান্তর

সিলেট-আখাউড়া সেকশনের বরমচালে রোববার রাতে দ্বিগুণ যাত্রী নিয়ে ‘উপবন এক্সপ্রেস’ দুর্ঘটনার কবলে পড়লে ৪ জন যাত্রীর মৃত্যু নিশ্চিত করেছে প্রশাসন। এদের মধ্যে তিনজন নারী এবং একজন পুরুষ।

দুর্ঘটনার পর পরই ৭ যাত্রী নিহতের কথা বলা হয়েছিল। শতাধিক আহত যাত্রীকে মৌলভীবাজার, সিলেটসহ আশপাশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। দুর্ঘটনার পরই উদ্ধার অভিযান শুরু হয়।

রোববার সকালে উদ্ধারকারী ট্রেন ঘটনাস্থলে পৌঁছলে পুরোদমে শুরু হয় উদ্ধার কাজ। ক্ষতিগ্রস্ত রেললাইন মেরামতের কাজ শেষে সোমবার সন্ধ্যা থেকে সিলেটের সঙ্গে রেল যোগাযোগ চালুর টার্গেট নিয়ে কয়েকশ’ শ্রমিক কাজে যোগ দেয়।

দিনভর বিরতিহীন কাজ শেষে দুর্ঘটনার ১৯ ঘণ্টা পর সন্ধ্যা ৭টা ১০ মিনিটে ওই পথে রেল চলাচল শুরু হয়। সোমবার সিলেটগামী কয়েকটি ট্রেন কুলাউড়া পর্যন্ত যাতায়াত করেছে।

সকালেই ঘটনাস্থলে ছুটে যান রেল বিভাগের সচিব মোফাজ্জেল হোসেন ও রেলের মহাপরিচালক কাজী মো. রফিকুল ইসলাম। তারা দুর্ঘটনাকে ভয়াবহ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। কারণ ক্ষতিয়ে দেখতে দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

গতকাল থেকেই কমিটি কাজ শুরু করেছে। তাদের তিন দিনের মধ্যে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে। দুর্ঘটনার কারণে সোমবারের জয়ন্তিকা ও কালনী এক্সপ্রেসের যাত্রা বাতিল করা হয়েছে।

মন্ত্রিসভাকে অবহিত করলেন রেলমন্ত্রী : ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে অব্যবস্থাপনার কারণে রেলের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ায় দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে মন্ত্রিপরিষদকে জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন।

সোমবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রিপরিষদের নিয়মিত বৈঠকের পর মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সচিবালয়ে ব্রিফিংয়ে বলেন, বৈঠকের শুরুতেই রেলমন্ত্রী মন্ত্রিপরিষদকে বলেছেন, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ঢাকা ও সিলেটের মধ্যে রেল ও সড়ক যোগাযোগ স্বাভাবিক হবে।

মন্ত্রী বলেছেন, ‘মানুষ হুমড়ি খেয়ে রেলে ওঠে। তাই এ দুর্ঘটনা। রেল সচিব মোফাজ্জেল হোসেন ঘটনাস্থলে আছেন। ঢাকা থেকে সামগ্রিক যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। আহতদের চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।’

মৌলভীবাজারের দুর্ঘটনায় চারজন নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে বলে মন্ত্রিপরিষদকে জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী। তবে হেলে পড়ার বগির নিচে আরও লাশ থাকতে পারে। প্রধানমন্ত্রী রেলের নাজুক ও দুর্বল সেতুগুলো শনাক্ত করে নতুন করে নির্মাণের পরামর্শ দিয়েছেন।

দুই তদন্ত কমিটি : রেল দুর্ঘটনায় দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে রেলপথ মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের জোনাল প্রধান ও বিভাগীয় প্রধান পর্যায়ে এ দুটি কমিটি গঠন করা হয়। উভয় কমিটিকে আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।

কমিটি দুটির মধ্যে জোনাল প্রধান পর্যায়ের কমিটিতে চিফ মেকানিকাল ইঞ্জিনিয়ার (পূর্ব) মো. মিজানুর রহমানকে আহ্বায়ক করা হয়েছে। অন্য সদস্য হলেন চিফ ইঞ্জিনিয়ার (পূর্ব) আবদুল জলিল, চিফ অপারেটিং সুপারিনটেনডেন্ট (সিওপিএস) সুজিত কুমার ও চিফ সিগন্যাল অ্যান্ড টেলিকম অফিসার (পূর্ব) ময়নুল ইসলাম।

বিভাগীয় কর্মকর্তা পর্যায়ের কমিটিতে আহ্বায়ক করা হয়েছে কমলাপুর স্টেশনের ডিটিও মো. ময়নুল ইসলামকে। এ কমিটির অন্যান্য সদস্য হলেন ডিএমই (পূর্ব) চট্টগ্রামের শাহ সুফী নূর মোহাম্মদ, কমলাপুরের ডিএমও ডা. আবদুল আহাদ, ডিএসটিই আবু হেনা মোস্তফা আলম ও ডিইএন ঢাকা-২ আহসান জাবির।

রোববার রাত পৌনে ১২টায় ঢাকাগামী আন্তঃনগর উপবন এক্সপ্রেস ৯নং রেল ব্রিজে দুর্ঘটনার কবলে পড়লেও ক্ষতিগ্রস্ত বগিগুলো রেখে বাকি বগিগুলো নিয়ে ট্রেনটি সোমবার সকালে কমলাপুর স্টেশনে পৌঁছে।

যাত্রীরা বলছিলেন, ট্রেনটি ছাড়ার পর থেকেই সর্বশেষ বগিটি ভীষণ দুলছিল। ট্রেনের গতি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে বগিটি বিপজ্জনক আকার ধারণ করে। ট্রেন থেকে ৬টি কোচ ছিঁড়ে পড়লেও চালক প্রথমে টেরই পাননি।

চিৎকার চেঁচামেচি শুনে আশপাশের শত শত মানুষ ভিড় জমায়। সবশেষ বগির যাত্রী শফিক কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, বিকট শব্দে আমার বগিটি খালে পড়ে যায়। রেলে তিল ধরার ঠাঁই ছিল না।

ভয়ে দাঁড়িয়ে থাকা যাত্রীরা সামনের কোচগুলোতে সরে যেতে থাকেন। কোচটি অনেক পুরনো। দ্রুতগতিতে ট্রেনটি বরমচাল স্টেশন পার হতেই বিকট শব্দে দুটি কোচ ডিগবাজি দিয়ে খালে পড়ে যায়। কোনো মতো বেরিয়ে আসি। প্রশাসন ও রেলের লোকজন আসার আগেই স্থানীয়রা উদ্ধার অভিযানে ঝাঁপিয়ে পড়ে।

একটি কোচ খালে পড়ে গেলেও দুটি কোচ রেললাইনের পাশে এবং অপর তিনটি কোচ লাইনচ্যুত হলেও লাইনের উপরেই দাঁড়িয়ে ছিল। স্থানীয় উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের ডেপুটি কমান্ডার মাসুক মিয়ার বাড়ি দুর্ঘটনাস্থলের পাশেই।

তিনি যুগান্তরকে বলেন, স্থানীয়রা খালে পড়ে যাওয়া কোচ থেকে তিনজন পুরুষের মৃতদেহ উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিসের কাছে হস্তান্তর করে। পরে রেললাইনের পাশে পড়ে থাকা দুটি কোচের নিচ থেকে মাটি খুঁড়ে আরও দুই মহিলার মৃতদেহ বের করে আনে স্থানীয়রা।

যদিও স্থানীয় প্রশাসন মৃতের সংখ্যা ৪ জন বলে জানিয়েছেন। এরা হচ্ছেন কুলাউড়া পৌরসভার বাসিন্দা ও ঠিকাদার আবদুল বারির স্ত্রী মানোয়ারা পারভীন (৪৫)। সিলেটের মোগলাবাজারের আবদুল্লাহপুর গ্রামের আবদুল বারির মেয়ে ফাহমিদা ইয়াসমিন ইভা (২০)।

সানজিদা আক্তার (২০), বাড়ি খুলনার বাগেরহাটে। এরা দু’জনই সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজের নার্সিং ইন্সটিটিউটের ছাত্রী। নিহত চতুর্থ ব্যক্তি হচ্ছেন কাওসার হোসেন নামের এক যুবক, বাড়ি হবিগঞ্জের বাহুবলে। নিহতদের লাশ তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

রেলসেতু নিয়ে ক্ষোভ ছিল আগেই : দীর্ঘদিন ধরেই খালের ওপর নির্মিত এই রেলসেতুটি সংস্কারের দাবি ছিল। স্থানীয়রা এই দাবিতে মাসখানেক আগেও বরমচাল স্টেশন ম্যানেজারের সঙ্গে দেখা করেন।

কিন্তু এ পর্যন্ত সেতুটি সংস্কারের কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি। উপবন এক্সপ্রেসের এক যাত্রী যুগান্তরকে জানান, ট্রেনের গতি ছিল অনেক বেশি, ৬টি কোচ ছিঁড়ে গেলেও চালক টেরই পাননি।

ফায়ার সার্ভিসের সিলেট বিভাগীয় উপ-পরিচালক জানান, রাত ২টা পর্যন্ত তারা ৬ কোচেই তল্লাশি চালিয়ে ভেতরে আর কোনো মৃতদেহ দেখতে পাওয়া যায়নি। রাতেই ঘটনাস্থলে ছুটে যান সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার মেসবাহ উদ্দিন, মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক তোফায়েল ইসলাম এবং মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপার মো. শাহজালাল। সকাল ৯টার দিকে উদ্ধারকারী ট্রেন এসে দুর্ঘনাকবলিত বগিগুলো উদ্ধার করে।

সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঘটনাস্থলে যান রেল বিভাগের সচিব মোফাজ্জেল হোসেন এবং রেলের মহাপরিচালক কাজী রফিকুল আলম। ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে মোফাজ্জেল হোসেন জানান, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে যান চলাচল ব্যাহত হওয়ায় যাত্রীদের সেবা দিতে ঈদে যে ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয় সেটাই আমরা করেছিলাম। বাড়তি তিনটি কোচ সংযুক্ত করা হয়েছিল।

দুর্ঘটনাকে ভয়াবহ হিসেবেই আখ্যায়িত করেন তিনি। তদন্ত কমিটির সদস্য আবদুল জলিল বলেছেন, দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভাব্য সব কারণ আমরা খতিয়ে দেখছি। ঝুঁকিপূর্ণ সেতু, ট্রেনের গতি বেশি হওয়া এবং ট্রেনের শেষ বগিটির অবস্থা খারাপ হওয়াসংক্রান্ত স্থানীয়দের সব অভিযোগ আমলে নিয়েই আমাদের তদন্ত চলবে।

স্থানীয়দের সঙ্গেও কথা বলব। সিলেটে মাজার জিয়ারত করতে ফেরা ট্রেনের ‘ঢ’ বগির যাত্রী পাবনার আল আমিন ও সম্রাট পারভেজ জানান, আমরা ১৪ জন মিলে সিলেটে মাজার জিয়ারতে গিয়েছিলাম।

সড়কপথ বন্ধ থাকায় ট্রেনে ঢাকার ফিরছিলাম। দুর্ঘটনার পর ভয়ে ট্রেন থেকে নেমে পাশের মসজিদে আশ্রয় নেই। মসজিদেই রাত কাটে। ভোর ৭টায় ঢাকার উদ্দেশে রওনা হই।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা : কথা হয় বরমচাল ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ইছহাক চৌধুরী ইমরান, পারভেজ আহমদ, মিরাজ আহমদ, সুলতান আহমদ ও ভাটেরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সৈয়দ একেএম নজরুল ইসলামের সঙ্গে।

তারা জানান, ট্রেনটি বরমচাল স্টেশন অতিক্রমকালে খুব দ্রুত গতিতে চলছিল। বিকট শব্দ শুনতে পেয়ে বুঝে যাই। পরে স্থানীয় কালা মিয়া বাজারের মসজিদের মাইকে ট্রেন দুর্ঘটনার ঘোষণা দেয়া হলে স্থানীয় লোকজন সেখানে ছুটে যায় এবং উদ্ধার কাজে অংশ নেয়।

অনেকে ঘুম থেকে উঠে দুর্ঘটনাস্থলে ছুটে যায়। দুর্ঘটনাকবলিত বগির প্রায় ৩৫ জন যাত্রী রাতে আশ্রয় নেন বরমচাল টিকরা জামে মসজিদে। স্থানীয়রা বলছিলেন, দ্রুতগতি ও অতিরিক্ত যাত্রীর কারণেই ট্রেনটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। তাছাড়া ব্রিজটির অবস্থাও ভালো ছিল না।

ঢাকার উদ্দেশে উপবন এক্সপ্রেস : দুর্ঘটনাস্থলে ৭টি বগি রেখে ৬টি বগি নিয়ে ভোর রাত ৩টায় কিছু যাত্রী নিয়ে আন্তঃনগর উপবন এক্সপ্রেস ঢাকার উদ্দেশে কুলাউড়া স্টেশন ছেড়ে যায়।

এ ছাড়া ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা আন্তঃনগর উদয়ন এক্সপ্রেস ট্রেনটি কুলাউড়া স্টেশনে সিলেটের যাত্রীদের নামিয়ে দেয়। রাতেই রেলওয়ে পুলিশ, কুলাউড়াসহ আশপাশের থানা থেকে পুলিশ, বিজিবি, র‌্যাব ফায়ার সার্ভিসের ১১টি ইউনিট উদ্ধার কাজে অংশ নেয়।

মাঝরাতে উদ্ধারকাজ বন্ধ থাকে। সকালে পুনরায় উদ্ধারকাজ শুরু হয়। কুলাউড়ার রেলের প্রকৌশলী জুয়েল হোসাইন জানান, প্রায় ২০০ মিটার রেলপথ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সকাল থেকে ২ শতাধিক শ্রমিক মেরামত কাজে নামে।

মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপার শাহজালাল জানান, দুর্ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় লোকজন ও জনপ্রতিনিধিরা উদ্ধার কাজে অংশ নেন। পরে জেলার সব থানা থেকে পুলিশ পাঠানো হয়।

মৌলভীবাজারের সিভিল সার্জন শাজাহান কবীর চৌধুরী জানান, চারজনের লাশ পাওয়া গেছে। তিনজন নারী ও একজন পুরুষ। কুলাউড়া ও মৌলভীবাজার হাসপাতালে মোট ৬৭ জন আহত ব্যক্তিকে নিয়ে আসা হয়েছিল। ২০ জনকে সিলেট ওসমানী মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে।

দুর্ঘটনার জন্য দায়ীদের শাস্তি দাবি যাত্রীকল্যাণ সমিতির : ট্রেন দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধান করে দায়ী ব্যক্তিদের দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রীকল্যাণ সমিতি।

এক বিবৃতিতে সংগঠনের মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশ রেলওয়ের পদে পদে অনিয়ম, দুর্নীতি, লুটপাট ও দায়িত্ব পালনে গাফিলতির মহোৎসব চলছে। যাত্রীসেবার মান ও ট্রেনের গতি গাণিতিক হারে নিম্নমুখী হচ্ছে।

ব্রিটিশ নাগরিকদের ট্রেন ভ্রমণে সতর্কতা : মৌলভীবাজারে ট্রেন দুর্ঘটনায় বাংলাদেশে অবস্থানরত ব্রিটিশ নাগরিকদের সতর্ক করেছে দেশটির ফরেন অ্যান্ড কমনওয়েথ অফিস।

ব্রিটিশ সরকারের নিজস্ব ওয়েবসাইটে সোমবার প্রকাশিত ওই সতর্কবাতায় বলা হয়, বাংলাদেশে অনেক পুরনো রেল নেটওয়ার্ক রয়েছে। বাংলাদেশে রেলভ্রমণ অত্যন্ত ধীরগতির। দেশটিতে মাঝে মাধ্যেই ট্রেন লাইনচ্যুতি এবং অন্যান্য দুর্ঘটনা ঘটে। যেখানে অনেকে আহত হন, মৃত্যুর ঘটনাও ঘটে।

ঘটনাপ্রবাহ : কুলাউড়ায় ট্রেন দুর্ঘটনা

আরও
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×