সংসদে প্রশ্নোত্তরে প্রধানমন্ত্রী

রোহিঙ্গাদের দ্রুত পাঠাতে না পারলে নিরাপত্তা ব্যাহত হওয়ার শঙ্কা

  সংসদ রিপোর্টার ২৭ জুন ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

শেখ হাসিনা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ফাইল ছবি

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে সরকার কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। মিয়ানমারে মৌলিক অধিকারবঞ্চিত রোহিঙ্গা অধিবাসীরা স্বাভাবিকভাবেই অসন্তুষ্টিতে ভুগছে। তাদের রয়েছে অনেক অভাব-অভিযোগ।

এদের অতিদ্রুত ফেরত পাঠাতে না পারলে আমাদের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বুধবার জাতীয় সংসদে কিশোরগঞ্জ-২ আসনের এমপি নূর মোহাম্মদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়।

রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়ার প্রেক্ষাপট তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মিয়ানমারের এসব নাগরিক এখানে স্বেচ্ছায় আসেননি। সেদেশের সেনাবাহিনী তাদের জোর করে বাস্তুভিটা থেকে উচ্ছেদ করেছে। নির্মম নির্যাতনের শিকার এসব মানুষের খাদ্য, বাসস্থান ও স্বাস্থ্যসেবাসহ মৌলিক মানবিক সহায়তা অত্যন্ত জরুরি ছিল। এজন্য আমরা তাদের সাময়িকভাবে আশ্রয় দিয়েছি। জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা ও স্থানীয় এনজিও’র সঙ্গে সমন্বয় করে এই বিপুলসংখ্যক নাগরিককে আমরা আশ্রয় ও মানবিক সহায়তা প্রদান করছি।’

রোহিঙ্গা ইস্যুতে মিয়ানমার অপপ্রচার চালাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘রাখাইন রাজ্যে যথাযথ সহায়ক পরিবেশ সৃষ্টির জন্য বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক মহল মিয়ানমারের ওপর চাপ অব্যাহত রেখেছে। আমরা বারবার বিভিন্ন ফোরামে বলেছি, এসব বাস্তুচ্যুত জনগণকে ফেরত নেয়ার বিষয়টি মিয়ানমার সরকারের ওপর বর্তায় এবং তাদেরই উদ্যোগী ভূমিকা গ্রহণ করতে হবে। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, মিয়ানমার সরকারের অনড় অবস্থানের কারণে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি হয়নি। উপরন্তু মিয়ানমার বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মহলে অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছে এবং বলছে- বাংলাদেশের অসহযোগিতায় রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন বিলম্ব হচ্ছে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্ব জনমত ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় অব্যাহতভাবে আমাদের সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে। জাতিসংঘ এ বিষয়ে মানবাধিকার কমিশনে একটি রিপোর্ট পাঠিয়েছে। কিন্তু মিয়ানমার সরকার তাদের এ বিষয়ে কাজ করতে দিচ্ছে না। মিয়ানমারের অসহযোগিতা সত্ত্বেও আমরা দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় দুটি পথই খোলা রেখেছি।’

তিনি বলেন, দ্বিপাক্ষিক চুক্তি অনুযায়ী বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত নাগরিকদের ফিরিয়ে নেয়ার লক্ষ্যে সাম্প্রতিক সময়ে মিয়ানমারে তৈরি ঘরবাড়ি ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা পর্যবেক্ষণের লক্ষ্যে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গত বছর আগস্টে মিয়ানমার সফর করেন। প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া স্বাভাবিক করার জন্য এরই মধ্যে যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের চতুর্থ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এ বৈঠকে দু’দেশের সম্মতিক্রমে দ্রুত প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরুর সম্ভাব্য তারিখ হিসেবে গত বছরের ২৫ নভেম্বর নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু মিয়ানমারের অভ্যন্তরে সহায়ক পরিবেশ সৃষ্টি না হওয়ায় বাস্তুচ্যুত নাগরিকরা স্বেচ্ছায় ফেরত যেতে রাজি হয়নি। ফলে ২৫ নভেম্বর প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরু করা সম্ভব হয়নি।

আমাদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকদের প্রত্যাবাসনের ব্যাপারে দেশটির সঙ্গে তিনটি দ্বিপাক্ষিক চুক্তি সম্পাদন করেছি। চুক্তির একটিতে সুস্পষ্টভাবে বর্ণিত আছে যে, দুই বছরের মধ্যে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে; তথাপি মিয়ানমার সরকার নানা টালবাহানা সৃষ্টি করে এই প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত করছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, চুক্তিতে সুস্পষ্টভাবে বলা আছে, এসব বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার অধিবাসীদের নিরাপত্তা, সম্মান এবং স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসনের দিকে লক্ষ রাখতে হবে। চুক্তির আদর্শ ও মূল বাণী বাস্তবায়নের জন্য মিয়ানমার সরকারকেই উদ্যোগী ভূমিকা নিতে হবে। আশ্বাস দিতে হবে, কেননা মিয়ানমার সরকার নিজেই এ সমস্যা তৈরি করেছে।

তিনি বলেন, বিশ্ব জনমত ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় অব্যাহতভাবে আমাদের সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে। জাতিসংঘ এ বিষয়ে মানবাধিকার কমিশনে একটি রিপোর্ট পাঠিয়েছে। কিন্তু মিয়ানমার সরকার তাদের এ বিষয়ে কাজ করতে দিচ্ছে না। বঙ্গবন্ধুর অনুসৃত পররাষ্ট্রনীতি অনুযায়ী সব বিরোধের শান্তিপূর্ণ নিষ্পত্তির বিষয়ে আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে সমৃদ্ধির পথে হাঁটছে বাংলাদেশ : মাহফুজুর রহমানের প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, দেশি-বিদেশি নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে উন্নয়ন, অগ্রগতি আর সমৃদ্ধির পথে হাঁটছে আজকের বাংলাদেশ। আওয়ামী লীগ সরকারের জনকল্যাণমূলক অর্থনৈতিক উন্নয়ন উদ্যোগ বাস্তবায়নের কারণে বাংলাদেশের এই অদম্য অগ্রযাত্রা সম্ভব হয়েছে। আশির দশকের তলাবিহীন ঝুড়ির অপবাদ কাটিয়ে বাংলাদেশ আজ উন্নয়ন বিস্ময় হয়ে উঠেছে। প্রতিনিয়ত

উন্মোচিত হচ্ছে নতুন নতুন সম্ভাবনার দ্বার। রূপকল্প-২০৪১ বাস্তবায়ন করে ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ হবে উন্নত বিশ্বের সঙ্গে তুলনীয় এক শান্তিপূর্ণ, সমৃদ্ধ, সুখী এবং উন্নত জনপদ। তিনি বলেন, আমাদের অর্থনৈতিক সক্ষমতা এমন পর্যায়ে উন্নীত করতে সক্ষম হয়েছি যে, পদ্মা সেতুর মতো বৃহৎ প্রকল্প নিজেদের অর্থায়নে বাস্তবায়ন করছি।

আমরা ১০টি মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন করছি। ২০৪১ সালে ১৬ হাজার মার্কিন ডলারের বেশি মাথাপিছু আয় নিয়ে বাংলাদেশ একটি উন্নত দেশে পরিণত হবে। সোনার বাংলায় ’দারিদ্র্য’ হবে সুদূর অতীতের কোনো ঘটনা। বিএনপি-জামায়াত জোটের সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, একবিংশ শতাব্দীর শুরুতেই আওয়ামী লীগ সরকারের এই অগ্রযাত্রা থমকে দাঁড়ায়।

২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতায় আসে। আবার দুর্নীতির চক্রে নিপাতিত হয় দেশ। হাওয়া ভবনের নামে তারেক জিয়া চালাতে থাকে লুটপাট। অর্থনৈতিক উন্নয়ন সূচকের প্রায় সবকটিতেই বাংলাদেশ পিছিয়ে পড়তে থাকে।

হাওয়া ভবনের লুটপাটে অগ্রযাত্রা থমকে যায় : মাহফুজুর রহমানের প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার মাধ্যমে দেশের অগ্রগতিকে রুদ্ধ করে দেয়া হয়। এরপর ২১ বছর চলে সামরিক ও স্বৈরশাসকের লুটপাট। এরপর ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর দেশের অগ্রযাত্রা শুরু হয়। তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর নবম জাতীয় সংসদে দুই-তৃতীয়াংশের অধিক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করে। আবার দেশ ও জনগণের কল্যাণে কাজ করার জন্য মনোনিবেশ করি। ২০০৯ সাল থেকে আমাদের অগ্রযাত্রা শুরু হয়।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘২০০৯ সালে দায়িত্ব গ্রহণের পর আওয়ামী লীগ সরকার নির্বাচনী ইশতেহারে দিনবদলের সনদের অঙ্গীকার অনুযায়ী অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনের জন্য দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করে। এ পরিকল্পনার আওতায় দেশের জনগণের অর্থনৈতিক উন্নতি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত মধ্যম আয়ের বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে রূপকল্প-২০২১ ঘোষণা করেছি।’

তিনি বলেন, ‘অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ফলে বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু আয় বর্তমানে ১ হাজার ৯০৯ মার্কিন ডলারে উন্নীত হয়েছে, যা গত বছর ছিল ১ হাজার ৭৫১ ডলার। ২০০৬ সালে মাথাপিছু আয় ছিল মাত্র ৫৪৩ ডলার অর্থাৎ এ সময়ে মাথাপিছু আয় বেড়েছে সাড়ে তিনগুণ।’

মোকাব্বির খানের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের কিছুসংখ্যক শিক্ষার্থী কওমি মাদ্রাসায় লেখাপড়া করছে। কওমি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের কথা বিবেচনায় রেখেই পর্যায়ক্রমে কওমি মাদ্রাসা শিক্ষাকে মূল স্রোতধারায় আনার জন্য বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। দাওরায়ে হাদিসের (তকমিল) সনদকে মাস্টার্স ডিগ্রির (ইসলামিক স্টাডিজ ও আরবি) সমমান প্রদান করে আইন করা হয়েছে। আইনের যথাযথ বাস্তবায়ন ও বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণের ফলে কওমি মাদ্রাসার শিক্ষাব্যবস্থা মূল ধারার শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে সমানতালে এগিয়ে যেতে পারবে।’

বয়স্ক ভাতাভোগীর সংখ্যা ৪০ লাখ : অসীম কুমার উকিলের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে বয়স্ক ভাতাভোগীর সংখ্যা ৪০ লাখ। আগামী অর্থবছরে বয়স্ক ভাতা বৃদ্ধি করে ৪৪ লাখ জনে উন্নীত করা হবে। বয়স্ক ভাতা সহায়তার আওতা সম্প্রসারণ ও ভাতার পরিমাণ পর্যায়ক্রমে আরও বৃদ্ধি করা হবে।

তিনি আরও বলেন, বয়স্ক জনগোষ্ঠী বিশেষ করে বয়স্ক মহিলাদের আর্থসামাজিক উন্নয়ন, সামাজিক নিরাপত্তা বিধান, পরিবার ও সমাজে তাদের মর্যাদা বৃদ্ধি ও চিকিৎসার লক্ষ্যে আওয়ামী লীগ সরকার সর্বপ্রথম ১৯৯৭-১৯৯৮ অর্থবছরে বয়স্ক ভাতা চালু করে। তখন বয়স্ক ভাতার পরিমাণ ছিল জনপ্রতি মাসিক ১০০ টাকা এবং ভাতাভোগীর সংখ্যা ছিল ৪ লাখ ৩ হাজার। আমরা জনপ্রতি মাসিক ভাতার হার ৫০০ টাকায় উন্নীত করেছি।

শেখ হাসিনা বলেন, বিধবা ও স্বামী পরিত্যক্ত দুস্থ মহিলাদের আর্থসামাজিক উন্নয়ন ও সুরক্ষা বিধানের লক্ষ্যে আওয়ামী লীগ সরকার প্রথম বিধবা, স্বামী পরিত্যক্ত, দুস্থ মহিলাদের জন্য ভাতা চালু করে। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ১৪ লাখ বিধবা, স্বামী পরিত্যক্ত, দুস্থ মহিলাকে জনপ্রতি মাসে ৫০০ টাকা হারে ভাতা দেয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, এছাড়া আমরা ২০ থেকে ৫০ বছর পর্যন্ত মহিলাদের দুস্থ উন্নয়ন (ভিজিডি) কর্মসূচির আওতায় অন্তর্ভুক্ত করেছি। এ কর্মসূচির মূল কার্যক্রম হল- মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়াধীন দুস্থ মহিলা উন্নয়ন (ভিজিডি) কর্মসূচি বাংলাদেশের গ্রামীণ দুস্থ মহিলাদের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নয়নে বাস্তবায়িত একটি অন্যতম সামাজিক নিরাপত্তামূলক কার্যক্রম, যা সম্পূর্ণরূপে দুস্থ পরিবার বিশেষত মহিলাদের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করে।

কর্ম-এলাকা ও উপকারভোগীর সংখ্যা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, চলমান ভিজিডি চক্রে দেশের ৪৯২টি উপজেলার ৪ হাজার ৫৬৩টি ইউনিয়নে ১০ লাখ ৪০ হাজার উপকারভোগী মহিলাকে খাদ্য (চাল) দেয়া হচ্ছে। খাদ্য সহায়তা দেয়ার পাশাপাশি উপকারভোগীদের মধ্যে প্রশিক্ষণ (আয়বর্ধক ও সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক) দেয়ার জন্য এনজিও নির্বাচনের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। চলতি অর্থবছরে এ কর্মসূচির মোট বাজেট বরাদ্দ ১ হাজার ৬২০ কোটি টাকা।

ঘটনাপ্রবাহ : রোহিঙ্গা বর্বরতা

আরও
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×