ভারি বৃষ্টিতে সিলেট অঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা

  যুগান্তর রিপোর্ট ৩০ জুন ২০১৯, ০০:০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

ভারতের পূর্বাঞ্চলের কয়েকটি রাজ্যে ও বাংলাদেশের ভেতরে ভারি বৃষ্টিপাতের কারণে চার নদীর পানি বিপদসীমার ওপরে প্রবাহিত হচ্ছে। এগুলো হচ্ছে ঝালুখালী, সুরমা, সোমেশ্বরী ও পুরাতন সুরমা।

এছাড়া যমুনা এবং গঙ্গা-পদ্মা নদীর পানিও বাড়ছে। এসব কারণে একদিকে সিলেটসহ কয়েকটি জেলায় স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টির প্রবণতা অব্যাহত থাকলে নদ-নদীতে পানি আরও বাড়বে। সে ক্ষেত্রে বন্যা পরিস্থিতি বড় আকার ধারণ করতে পারে।

বুয়েটের পানি ও বন্যা ব্যবস্থা ইন্সটিটিউটের অধ্যাপক ড. একেএম সাইফুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, কয়েকদিন ধরে ভারতের চেরাপুঞ্জি, ধ্রুবি ও কৈলাশ্বরে ব্যাপক বৃষ্টি হচ্ছে। বাংলাদেশের সুনামগঞ্জ অঞ্চলেও বৃষ্টির প্রবণতা বেড়েছে। এ কারণে এই বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।

তিনি বলেন, এপ্রিল থেকে আমরা ধারাবাহিকভাবে তাপপ্রবাহের মধ্যে আছি। এমনটি হলে ভূমি উত্তপ্ত থাকে। এই পরিস্থিতি বেশি বৃষ্টিপাতের পক্ষে সহায়ক। এসবই জলবায়ু পরিবর্তনের কুফলের অংশ। বাংলাদেশের বন্যা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও সতর্ক করে থাকে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র (এফএফডব্লিউসি)।

শনিবার সংস্থাটির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ব্রহ্মপুত্র (সুরমার ভারতের অংশ) ও সুরমা নদী ছাড়া দেশের সব প্রধান নদীর পানি সমতল বাড়ছে। গঙ্গা-পদ্মা নদীর পানি সমতল আগামী ৪৮ ঘণ্টা পর্যন্ত বাড়তে থাকবে। আর যমুনার পানি বাড়তে থাকবে আগামী ২৪ ঘণ্টা। তবে ব্রহ্মপুত্রের পানি আগামী ২৪ ঘণ্টা স্থিতিশীল থাকবে। কিন্তু উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কুশিয়ারা এবং মনু নদীর পানি সমতল আগামী ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত বাড়বে। এতে সিলেট ও সুনামগঞ্জের নিুাঞ্চলে আগামী ২৪ ঘণ্টায় স্বল্পমেয়াদি বন্যা বিরাজ করতে পারে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড দেশে ৯৪ স্টেশনে পানির সমতল পর্যবেক্ষণ করে। এরমধ্যে দেখা যায়, শনিবার ৬৪ পয়েন্টেই পানি বেড়েছে। হ্রাস পেয়েছে ২৭ স্টেশনে। বিপদসীমার ওপরে প্রবাহিত নদীর মধ্যে সবচেয়ে উপরে আছে ঝালুখালী। এটি বিপদসীমার ১১২ সেন্টিমিটার ওপরে আছে। সুরমা বইছে ৫৩ সেন্টিমিটার ওপরে। সোমেশ্বরী বইছে ৩৫ সেন্টিমিটার ওপরে।

আরও খবর

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত