রাফিকে পুড়িয়ে হত্যা

শামীম কেরোসিন মনিসহ ২ নারী বোরকা কেনেন

  ফেনী প্রতিনিধি ০৮ জুলাই ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা মামলায় রোববার কেরোসিন ও বোরকা বিক্রেতা এবং বোরকার দোকানদার সাক্ষ্য দিয়েছেন। রোববার তাদের জেরাও করা হয়েছে।
ফাইল ছবি

মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা মামলায় রোববার কেরোসিন ও বোরকা বিক্রেতা এবং বোরকার দোকানদার সাক্ষ্য দিয়েছেন। রোববার তাদের জেরাও করা হয়েছে।

নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মামুনুর রশিদের আদালতে আজ নুসরাতের ছোট ভাই রাশেদুল হাসান রায়হান ও আরেক দোকানদার জহিরুল ইসলামের জেরার দিন ধার্য রয়েছে। বৃহস্পতিবার মাদ্রাসার নৈশপ্রহরী মোস্তফার সাক্ষ্যগ্রহণ ও জেরা শেষ হয়। মোট ৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হল।

পরে মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবী এম শাহজাহান সাজু বলেন, রোববার তিনজনের সাক্ষ্যগ্রহণ ও জেরা শেষ হয়েছে। সাক্ষ্যগ্রহণকালে কেরোসিন বিক্রেতা লোকমান হোসেন লিটন আদালতকে জানান, আমার দোকান থেকে শাহাদাত হোসেন শামীম ঘটনার দুই দিন আগে পলিথিনে করে কেরোসিন ক্রয় করেন।

আলামত হিসেবে জব্দ করা পলিথিন আমারই দোকানের। অন্যদিকে বোরকার দোকানদার জসিম উদ্দিন ও দোকানের কর্মচারী হেলাল উদ্দিন ফরহাদ আদালতে বলেন, ঘটনার দুই দিন আগে আমাদের দোকান থেকে কামরুল নাহার মনিসহ দুই নারী কালো রঙের বোরকা ক্রয় করেন। তার মধ্যে মনিকে তারা চিনতে পেরেছেন।

আসামি পক্ষে সিনিয়র আইজীবী গিয়াস উদ্দিন নান্নু, কামরুল হাসান, কাজী বুলবুল আহম্মেদ সোহাগসহ আসামি পক্ষের প্রায় ২০ জন আইনজীবী সাক্ষীদের জেরা করেন। তারা বলেন, সাক্ষীদের কথায় অনেক গরমিল রয়েছে। আমরা আদালতকে তাদের এই গরমিলের বক্তব্য ধরিয়ে দিয়েছি। বলেছি তাদের কথায় কোনো সত্যতা নেই।

এর আগে রোববার বেলা ১১টার দিকে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে মামলার সব আসামিকে ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে আনা হয়। বেলা সাড়ে ১১টায় শুরু হয় রাফিকে পুড়িয়ে হত্যার কাজে ব্যবহৃত কেরোসিন বিক্রেতা লিটন, দুপুর ২টায় বোকরা বিক্রেতা হেলাল ও দোকানদার জসিমের সাক্ষ্য।

এর আগে ২৭ জুন মামলার বাদী ও প্রথম সাক্ষী নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান নোমানের সাক্ষ্য নেয়া হয়। পরে তাকে জেরা করেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা, জেরা শেষ হয় ৩০ জুন। ৬ এপ্রিল ফেনীর সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসায় আলিম পরীক্ষা কেন্দ্রে গেলে নুসরাতকে ছাদে ডেকে নিয়ে তার শরীরে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়। ১০ এপ্রিল ঢাকার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নুসরাতের মৃত্যু হয়।

ঘটনাপ্রবাহ : পরীক্ষা কেন্দ্রে ছাত্রীর গায়ে আগুন

আরও
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×