ঘুষ কেলেঙ্কারি

ডিআইজি মিজানের গাড়ি চালক ও দেহরক্ষীকে দুদকে জিজ্ঞাসাবাদ

  যুগান্তর রিপোর্ট ০৯ জুলাই ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

দুদক
দুদক। ফাইল ছবি

দুদক পরিচালক (সাময়িক বরখাস্ত) খন্দকার এনামুল বাছিরের সঙ্গে ৪০ লাখ টাকা ঘুষ লেনদেনের ঘটনায় পুলিশের বিতর্কিত ডিআইজি (সাময়িক বরখাস্ত) মিজানুর রহমানের গাড়িচালক ও দেহরক্ষীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।

সোমবার দুদকের পরিচালক শেখ মো. ফানাফিল্লার নেতৃত্বে তিন সদস্যের টিম গাড়ি চালক এনামুল ও দেহরক্ষী হৃদয়কে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। মিজানের গৃহকর্মী সাদ্দামকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে আগামীকাল। একই দিন দুদকের পরিচালক বাছিরকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

সূত্র জানায়, দুদক টিমের জিজ্ঞাসাবাদে ডিআইজি মিজানের গাড়িচালক ও দেহরক্ষী অকপটে ঘুষ লেনদেনের সব ঘটনা খুলে বলেছেন। লেনদেন প্রক্রিয়ায় তাদের ব্যবহার করা হয়েছিল। মিজানই সেই তথ্য মিডিয়াকে বলেছিলেন। তার কথার সূত্র ধরে দু’জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে সত্যতা মিলেছে।

কোথায় কখন বাছির ও মিজান দেখা করেছেন, কতবার বৈঠক করেছেন, দেহরক্ষীর নামে কেনা সিম কিভাবে বাছিরকে ব্যবহার করার সুযোগ দেয়া হয়েছে সব কিছুই তারা জানিয়েছে বলে জানা গেছে। এদিন মিজানকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নোটিশ করা হলেও তিনি জেলে চলে যাওয়ায় ওই নোটিশের আর কোনো কার্যকারিতা নেই।

এ অবস্থায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে কিনা তা এখনও বলা যাচ্ছে না। দুদক বলছে, তিনি নিজেই গণমাধ্যমের কাছে ঘুষের স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। এ কারণে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন নাও হতে পারে।

এর আগে ১ জুলাই অবৈধ সম্পদ ও মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে দুদকের করা মামলায় মিজানের আগাম জামিনের আবেদন খারিজ করে তাকে গ্রেফতারের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। গ্রেফতারের পর তাকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আদালতে সোপর্দ করতে ডিএমপি পুলিশের প্রতি নির্দেশনা দেয়া হয়। ওই দিনই তাকে গ্রেফতার করে শাহবাগ থানা পুলিশ। পরের দিন আদালতে তোলা হলে তার জামিন নামঞ্জুর করে জেলে পাঠানো হয়।

২৪ জুন ডিআইজি মিজান, তার স্ত্রী রত্না রহমান, ভাই মাহবুবুর রহমান ও ভাগ্নে মাহমুদুল হাসানের বিরুদ্ধে দুদকের করা অবৈধ সম্পদের মামলার তদন্ত শুরু হলে মিজান হাইকোর্টে আগাম জামিনের জন্য চেষ্টা চালান। তবে তার ঠিকানা শেষ পর্যন্ত কারাগারেই হয়।

দুদকের মামলায় মিজানসহ চার আসামির বিরুদ্ধে ৩ কোটি ২৮ লাখ ৬৮ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন ও ৩ কোটি ৭ লাখ ৫ হাজার টাকার সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলায় ২০০৪ সালের দুদক আইনের ২৬(২) ও ২৭(১) ধারা, ২০১২ সালের মানি লন্ডারিং আইনের ৪(২) ধারা এবং দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় অভিযোগ আনা হয়।

ওই মামলায় তার ভাগ্নেও জেলে গেছে। তবে তার ভাই মাহবুব পলাতক। আর স্ত্রী রত্না দেশ ছেড়েছেন।

ঘটনাপ্রবাহ : ডিআইজি মিজান

আরও
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×