শার্শায় গৃহবধূ ধর্ষণ: পিবিআইর তদন্ত শুরু, ডিএনএ টেস্টের উদ্যোগ

  যশোর ব্যুরো ০৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

ধর্ষণ

যশোরের শার্শায় গৃহবধূ ধর্ষণ মামলার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। শুক্রবার মামলাসংক্রান্ত যাবতীয় নথি হাতে পেয়েই কাজ শুরু করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

মামলায় চার আসামির মধ্যে তিনজন গ্রেফতার হয়েছে। অপর আসামি কে তা নিয়ে আছে ধূম্রজাল। ভিকটিম প্রথমে বলেছিলেন, প্রধান অভিযুক্ত এসআই খায়রুলকে চিনতে পারেননি। পরে দাবি করেছেন, ভয়ে এসআইর নাম বলেননি। ফলে মামলার অপর আসামি শনাক্ত করাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ। এজন্য ডিএনএ টেস্টের উদ্যোগ নিয়েছে পিবিআই। এ বিষয়ে আদালতে আবেদন করা হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে পিবিআই যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এমকেএইচ জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, মামলার ডকেট হাতে পেয়েছি। ইতিমধ্যে আমরা তদন্ত শুরু করেছি। অপরাধী শনাক্তে ডিএনএ টেস্টসহ যা যা প্রয়োজন সব কিছুই করা হবে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শেখ মোনায়েম হোসেন বলেন, ভিকটিমের সোয়াপ কালেকশন করে ডিএনএ প্রোফাইলের জন্যে সিআইডি হেডকোয়ার্টারে পাঠানো হয়েছে। তদন্তের অংশ হিসেবে ডাক্তারি পরীক্ষায় পাওয়া ধর্ষণের আলামতের সঙ্গে গ্রেফতার তিনজনের ডিএনএ টেস্ট করাতে আদালতে আবেদন করা হয়েছে।

প্রধান অভিযুক্ত এসআই খায়রুল আলম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটি তদন্তের বিষয়। তদন্তে কারও যদি সম্পৃক্ততা থাকে, তাহলে পরবর্তীতে আপনাদের জানানো হবে।

যশোরের পুলিশ সুপার মঈনুল হক বলেন, তদন্ত কমিটির তিন কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেয়ার কথা আছে। সেই হিসাবে রোববার (আজ) তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেবে তদন্ত কমিটি। তদন্তে প্রমাণিত হলে এসআই খায়রুলের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

জানা যায়, ২ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে শার্শা উপজেলার লক্ষ্মণপুর এলাকায় ওই গৃহবধূর বাড়িতে যায় এসআই খায়রুল, সোর্স কামরুলসহ চারজন। তারা ওই গৃহবধূর কাছে পঞ্চাশ হাজার টাকা দাবি করে।

টাকা না দেয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে এসআই খায়রুল ও কামরুল তাকে ধর্ষণ করে বলে ওই গৃহবধূ অভিযোগ করেন। ৩ সেপ্টেম্বর ভিকটিম শার্শা থানায় তিনজনের নাম উল্লেখসহ (কামরুল, আবদুল লতিফ, আবদুল কাদের) অজ্ঞাতনামা আরও একজনের নামে মামলা করেন। বৃহস্পতিবার পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের নির্দেশে মামলাটি পিবিআইতে পাঠানো হয়।

শার্শা থানার ওসি মশিউর বদলি : শার্শা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এম মশিউর রহমানকে বদলি করা হয়েছে। শনিবার তাকে যশোর পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। তার স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন বরিশাল মেট্রোপলিটনের ইন্সপেক্টর আতাউর রহমান। শনিবার রাতে যশোরের পুলিশ সুপার মঈনুল হক বলেন, নিয়মিত বদলির অংশ হিসেবে এম মশিউর রহমানকে বদলি করা হয়েছে। তার বদলির সঙ্গে গৃহবধূ ধর্ষণ মামলা সংক্রান্ত কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×