জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলা

খালেদা জিয়াকে ১৩ মার্চ পর্যন্ত জামিন

  যুগান্তর রিপোর্ট ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার অস্থায়ী জামিন ১৩ মার্চ পর্যন্ত বাড়িয়েছেন আদালত। এর মধ্যে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন না হলে তাকে আদালতে হাজিরের আবেদনের আদেশও একই দিন দেয়া হবে। সোমবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক ড. মো. আখতারুজ্জামান এ আদেশ দেন।

বেলা সোয়া ১১টায় আদালতের কার্যক্রমের শুরুতে খালেদা জিয়ার পক্ষে অস্থায়ী জামিন আবেদন করেন তার আইনজীবীরা। এরপর দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল আদালতকে বলেন, বৃহস্পতিবার খালেদা জিয়াকে আদালতে হাজির করতে প্রোডাকশন ওয়ারেন্টের আবেদন করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি এক মামলায় কারাগারে আছেন। এ মামলার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য তাকে আদালতে হাজির করা হোক। অপরদিকে খালেদা জিয়ার আইনজীবী আবদুর রেজ্জাক খান বলেন, মঙ্গলবার ও বুধবার ঢাকা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন। ১ মার্চ সুপ্রিমকোর্টের ব্রেকআপ পার্টি। এ ছাড়া হাইকোর্ট ১৫ দিনের মধ্যে নিু আদালতের রায়ের (জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলা) নথিপত্র দাখিল করতে বলেছেন। সে অনুসারে ১৫তম দিন হয় ৭ মার্চ। এরপর যে কোনো দিন তারিখ দিলে ভালো হয়। তা না হলে আমাদের জটিলতা তৈরি হবে। তিনি আরও বলেন, উনি (খালেদা জিয়া) আদালতের কাস্টডিতেই আছে। উনার আর প্রোডাকশন ওয়ারেন্টের প্রয়োজন নেই।

প্রত্যুত্তরে মোশাররফ হোসেন কাজল বলেন, উচ্চতর আদালতে কখন কি হয় তা অনিশ্চিত। খালেদা জিয়া রোববার পর্যন্ত জামিনে ছিলেন। সোমবার তার জামিনের মেয়াদ শেষ। আর আসামি যখন জেলে আছেন তখন তাকে হাজির করতে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট দিতেই হবে। এখন আর আসামির জামিনের সুযোগ নেই। এমতাবস্থায় প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট দেয়া ছাড়া আর কোনো উপায় নেই।

উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত ১৩ ও ১৪ মার্চ মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেন এবং ১৩ মার্চ পর্যন্ত খালেদা জিয়ার অস্থায়ী জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন। আর এর মধ্যে যদি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন না হয় তবে ওই দিনই (১৩ মার্চ) দুদকের প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারির আবেদনের ওপর আদেশও দেয়া হবে বলে জানান আদালত।

খালেদা জিয়ার আইনজীবী হিসেবে আদালতে উপস্থিত ছিলেন- আমিনুল ইসলাম, মাসুদ আহমেদ তালুকদার, জিয়া উদ্দিন জিয়া, জাকির হোসেন ভূঁইয়া, এম হেলাল উদ্দিন প্রমুখ।

আদালত সূত্র জানায়, এর আগে ২২ ফেব্রুয়ারি এ মামলায় খালেদা জিয়ার প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারির আবেদন করেন দুদকের আইনজীবী। এরও আগে চলতি বছরের ৩০ জানুয়ারি এ মামলায় খালেদা জিয়াসহ সব আসামির সর্বোচ্চ সাজা অর্থাৎ ৭ বছর কারাদণ্ড চায় দুদক প্রসিকিউশন।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগে ২০১০ সালের ৮ আগস্ট রাজধানীর তেজগাঁও থানায় মামলাটি করে দুদক। খালেদা জিয়া ছাড়া মামলায় অপর আসামিরা হলেন- তার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছ চৌধুরীর তৎকালীন সহকারী একান্ত সচিব জিয়াউল ইসলাম মুন্না ও ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান। হারিছ চৌধুরী পলাতক, তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে। অপর দুই আসামি জামিনে আছেন।

 

 

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter
.