অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সমস্যার সমাধান করছি: মৌলভীবাজার পৌরসভার মেয়র
jugantor
যুগান্তরের সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকার
অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সমস্যার সমাধান করছি: মৌলভীবাজার পৌরসভার মেয়র

  হোসাইন আহমদ, মৌলভীবাজার  

২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মেয়র আলহাজ মো. ফজলুর রহমান
মেয়র আলহাজ মো. ফজলুর রহমান। ছবি: যুগান্তর

মৌলভীবাজার পৌরসভার যাত্রা শুরু ১৮৮৭ সালে। ৯টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত পৌরসভাটির আয়তন ১০.৩৬ বর্গ কিলোমিটার। এখানে ১ লাখ ২০ হাজার লোকের বাস। মোট ভোটার ৩৫ হাজার ৯৯ জন।

এর মধ্যে পুুরুষ ১৮ হাজার ৯৮৬ জন এবং নারী ১৬ হাজার ১১৩ জন। ১৯৯৩ সালের ১৯ ডিসেম্বর পৌরসভাটি ‘ক’ শ্রেণিতে উন্নীত হয়। বর্তমানে মেয়রের দায়িত্ব পালন করছেন আলহাজ মো. ফজলুর রহমান। ২০১৬ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন নিয়ে বিএনপি প্রার্থী অলিউর রহমানকে পরাজিত করে তিনি মেয়র নির্বাচিত হন।

দায়িত্ব পালনের সাড়ে ৩ বছরে তিনি উন্নয়নমূলক অনেক কাজ করেছেন। শতাধিক দেয়াল ভেঙে শহরের একাধিক রাস্তা প্রশস্ত করেছেন। জ্যেষ্ঠ নাগরিকদের জন্য বিনোদন পার্ক নির্মাণ করেছেন। সাবেক মেয়রের রেখে যাওয়া ১৩ কোটি টাকার ঋণ পরিশোধ করেছেন। তার পরও রয়ে গেছে অনেক সমস্যা।

পৌরসভার প্রধান রোড এম সাইফুর রহমান রোডে যানজট লেগেই থাকে। শহরের পশ্চিমাঞ্চলের মানুষ জলাবদ্ধতার সমস্যা থেকে মুক্তি পায়নি। শহরে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড হয়। দু’টি খুনের ঘটনায় মেয়র সমালোচিত হয়েছেন। দেয়াল ভাঙার কারণেও সমালোচিত তিনি। পৌরসভার অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার মান ভালো নয়।

জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি সৈয়দ শাহাব উদ্দিন আহমদের অভিযোগ, ‘স্বজনপ্রীতির ঊর্ধ্বে উঠে উন্নয়ন করতে হবে। দুর্বলের ওপর আঘাত এনে রাস্তা প্রশস্ত করার প্রয়োজন নেই। দেখা গেছে, কারও দেয়াল ভাঙা হয়েছে, আবার কয়েকজনের ভাঙা হয়নি।

কুদালিছড়া খননে পৌরসভার পূর্ব অঞ্চলের মানুষের উপকার হয়েছে। কিন্তু পশ্চিম অঞ্চলের মানুষ জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পায়নি।’

একজন পৌরবাসী বলেন, ‘অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ঠিকমতো পাঠদান হচ্ছে না। এ কারণে শিক্ষার্থীরা কোচিংমুখী হয়ে পড়ছে।’

এসব অভিযোগের জবাব দিতে ও নিজের সফলতার কথা জানাতে যুগান্তরের মুখোমুখি হয়েছিলেন পৌরমেয়র আলহাজ মো. ফজলুর রহমান। তিনি বলেন, ‘১৩ কোটি টাকার ঋণের বোঝা নিয়ে মেয়রের দায়িত্ব নিয়েছিলাম। সেই ঋণ পরিশোধ করার পাশাপাশি উন্নয়নমূলক অনেক কাজ করেছি।

দেড় কোটি টাকা ব্যয়ে পৌর জনমিলন কেন্দে সিনিয়র সিটিজেনদের জন্য বিনোদন কেন্দ্র স্থাপন করেছি। সেখানে সিনিয়র নাগরিকরা বিনোদনের পাশাপাশি চিকিৎসা সেবাও নিতে পারবেন। পাশাপাশি তাদের জন্য বড় একটি লাইব্রেরি গড়ে তোলা হয়েছে। বিনোদন কেন্দ্রটির সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে নানা জাতের ফুলের গাছ লাগানো হয়েছে।’

মেয়ের বলেন, ‘২০১৮ ও ২০১৯ সালে পৌর শহরে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়নি। এর একমাত্র কারণ সব নাগরিকের সহযোগিতায় শহরের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত কুদালিছড়া খনন করেছি। এটা খননের আগে প্রতি বছরই শহরে জলাবদ্ধতা হতো। অল্প বৃষ্টিতেই রাস্তায় পানি জমে যেত।

কিন্তু ছড়াটি খননের পর থেকে একদিনের জন্যও জলাবদ্ধতা হয়নি। পৌর এলাকার রাস্তা প্রশস্ত করার জন্য অনেক রাস্তার পার্শ্ববর্তী বাড়ির সীমানা প্রাচীর ও দেয়াল ভেঙেছি।

এখন ৮ ফুটের রাস্তা ১২ ফুট, ১০ ফুটের রাস্তা ১৪ ফুট ও ১৪ ফুটের রাস্তা ১৮ ফুট হয়েছে। প্রতিটি রাস্তায় দুটি গাড়ি অনায়াসে যাতায়াত করতে পারে। কলেজ শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের জন্য কোর্ট এলাকা থেকে কলেজ পর্যন্ত ফুটপাত নির্মাণ করেছি।’

তিনি বলেন, ‘শহরের কুসুমবাগ এলাকার যানজট নিরসনে সিএনজি স্ট্যান্ড স্থানান্তর করা হয়েছে। এখন ওই এলাকা অনেকটাই যানজটমুক্ত। বাসাবাড়ি থেকে ময়লা অপসারণে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছি। প্রতিদিন সকালেই গাড়ি দিয়ে শ্রমিকরা বাসাবাড়ির ময়লা নিয়ে যায়।’

ফজলুর রহমান বলেন, ‘দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে জনগণের গুরুত্ব অনুযায়ী আগে যেটা প্রয়োজন সেটা করেছি। বাকি কাজগুলো ধারাবাহিকভাবে করছি। আশা করি মেয়াদের মধ্যে বাকি কাজ সম্পন্ন করতে পারব।’

এক প্রশ্নের জবাবে মেয়র বলেন, ‘পৌরসভার বহুতল অফিস ভবন নির্মাণের জন্য বিশেষ প্রকল্প গ্রহণ করেছি। শহরের সৌন্দর্য বর্ধনে বিলবোর্ড উচ্ছেদ করা হয়েছে। পৌরসভার অনুমতি ব্যতীত কোনো জায়গায়ই বিলবোর্ড লাগাতে দেয়া হচ্ছে না।

এছাড়া টাউন ঈদগাহ, পশ্চিম বাজার পৌর মার্কেট, মসজিদ, মন্দির, বিদ্যালয় ও মাদ্রাসার ভবন উন্নয়নে আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। পৌরসভাকে সবার বাসযোগ্য সুন্দর ও আধুনিক মডেল পৌরসভা গড়তে চেষ্টা করে যাচ্ছি।’

শিক্ষার মানোন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘শিক্ষার মানোন্নয়নে পৌরসভার সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানদের নিয়ে মতবিনিময় করেছি। শিক্ষকদের উপস্থিতি ও ঠিকমতো পাঠদান নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে।’

সিনিয়র-জুনিয়র দ্বন্দ্বের জেরে ছাত্রলীগ নেতা মোহাম্মদ আলী শাহবাব ও সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছাত্রলীগ কর্মী নাহিদ আহমদ মাহি খুনের ঘটনা ও সেন্ট্রাল রোডে রাতের আঁধারে দু’টি বাসার সীমানাপ্রাচীর ভাংচুরসহ কয়েকটি কারণে মেয়র সমালোচিত হয়েছেন। এ ব্যাপারে মেয়র বলেন, ‘যারাই খুনি তাদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে। অপরাধীদের কোনো ছাড় দেয়া হবে না।’

তিনি বলেন, ‘আমি পৌরবাসীর সেবক। নিজের চেয়ার এবং দলীয় পদবির অপব্যবহার করে কখনও নীতিবহির্ভূত কাজ করিনি। দলীয় কারণে আজ পর্যন্ত কাউকে হয়রানি করিনি।’

আগামী নির্বাচনে প্রার্থী হবেন কিনা জানতে চাইলে মেয়র বলেন, ‘দল মনোনয়ন দিলে প্রার্থী হবো।’

যুগান্তরের সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকার

অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সমস্যার সমাধান করছি: মৌলভীবাজার পৌরসভার মেয়র

 হোসাইন আহমদ, মৌলভীবাজার 
২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
মেয়র আলহাজ মো. ফজলুর রহমান
মেয়র আলহাজ মো. ফজলুর রহমান। ছবি: যুগান্তর

মৌলভীবাজার পৌরসভার যাত্রা শুরু ১৮৮৭ সালে। ৯টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত পৌরসভাটির আয়তন ১০.৩৬ বর্গ কিলোমিটার। এখানে ১ লাখ ২০ হাজার লোকের বাস। মোট ভোটার ৩৫ হাজার ৯৯ জন।

এর মধ্যে পুুরুষ ১৮ হাজার ৯৮৬ জন এবং নারী ১৬ হাজার ১১৩ জন। ১৯৯৩ সালের ১৯ ডিসেম্বর পৌরসভাটি ‘ক’ শ্রেণিতে উন্নীত হয়। বর্তমানে মেয়রের দায়িত্ব পালন করছেন আলহাজ মো. ফজলুর রহমান। ২০১৬ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন নিয়ে বিএনপি প্রার্থী অলিউর রহমানকে পরাজিত করে তিনি মেয়র নির্বাচিত হন।

দায়িত্ব পালনের সাড়ে ৩ বছরে তিনি উন্নয়নমূলক অনেক কাজ করেছেন। শতাধিক দেয়াল ভেঙে শহরের একাধিক রাস্তা প্রশস্ত করেছেন। জ্যেষ্ঠ নাগরিকদের জন্য বিনোদন পার্ক নির্মাণ করেছেন। সাবেক মেয়রের রেখে যাওয়া ১৩ কোটি টাকার ঋণ পরিশোধ করেছেন। তার পরও রয়ে গেছে অনেক সমস্যা।

পৌরসভার প্রধান রোড এম সাইফুর রহমান রোডে যানজট লেগেই থাকে। শহরের পশ্চিমাঞ্চলের মানুষ জলাবদ্ধতার সমস্যা থেকে মুক্তি পায়নি। শহরে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড হয়। দু’টি খুনের ঘটনায় মেয়র সমালোচিত হয়েছেন। দেয়াল ভাঙার কারণেও সমালোচিত তিনি। পৌরসভার অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার মান ভালো নয়।

জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি সৈয়দ শাহাব উদ্দিন আহমদের অভিযোগ, ‘স্বজনপ্রীতির ঊর্ধ্বে উঠে উন্নয়ন করতে হবে। দুর্বলের ওপর আঘাত এনে রাস্তা প্রশস্ত করার প্রয়োজন নেই। দেখা গেছে, কারও দেয়াল ভাঙা হয়েছে, আবার কয়েকজনের ভাঙা হয়নি।

কুদালিছড়া খননে পৌরসভার পূর্ব অঞ্চলের মানুষের উপকার হয়েছে। কিন্তু পশ্চিম অঞ্চলের মানুষ জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পায়নি।’

একজন পৌরবাসী বলেন, ‘অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ঠিকমতো পাঠদান হচ্ছে না। এ কারণে শিক্ষার্থীরা কোচিংমুখী হয়ে পড়ছে।’

এসব অভিযোগের জবাব দিতে ও নিজের সফলতার কথা জানাতে যুগান্তরের মুখোমুখি হয়েছিলেন পৌরমেয়র আলহাজ মো. ফজলুর রহমান। তিনি বলেন, ‘১৩ কোটি টাকার ঋণের বোঝা নিয়ে মেয়রের দায়িত্ব নিয়েছিলাম। সেই ঋণ পরিশোধ করার পাশাপাশি উন্নয়নমূলক অনেক কাজ করেছি।

দেড় কোটি টাকা ব্যয়ে পৌর জনমিলন কেন্দে সিনিয়র সিটিজেনদের জন্য বিনোদন কেন্দ্র স্থাপন করেছি। সেখানে সিনিয়র নাগরিকরা বিনোদনের পাশাপাশি চিকিৎসা সেবাও নিতে পারবেন। পাশাপাশি তাদের জন্য বড় একটি লাইব্রেরি গড়ে তোলা হয়েছে। বিনোদন কেন্দ্রটির সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে নানা জাতের ফুলের গাছ লাগানো হয়েছে।’

মেয়ের বলেন, ‘২০১৮ ও ২০১৯ সালে পৌর শহরে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়নি। এর একমাত্র কারণ সব নাগরিকের সহযোগিতায় শহরের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত কুদালিছড়া খনন করেছি। এটা খননের আগে প্রতি বছরই শহরে জলাবদ্ধতা হতো। অল্প বৃষ্টিতেই রাস্তায় পানি জমে যেত।

কিন্তু ছড়াটি খননের পর থেকে একদিনের জন্যও জলাবদ্ধতা হয়নি। পৌর এলাকার রাস্তা প্রশস্ত করার জন্য অনেক রাস্তার পার্শ্ববর্তী বাড়ির সীমানা প্রাচীর ও দেয়াল ভেঙেছি।

এখন ৮ ফুটের রাস্তা ১২ ফুট, ১০ ফুটের রাস্তা ১৪ ফুট ও ১৪ ফুটের রাস্তা ১৮ ফুট হয়েছে। প্রতিটি রাস্তায় দুটি গাড়ি অনায়াসে যাতায়াত করতে পারে। কলেজ শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের জন্য কোর্ট এলাকা থেকে কলেজ পর্যন্ত ফুটপাত নির্মাণ করেছি।’

তিনি বলেন, ‘শহরের কুসুমবাগ এলাকার যানজট নিরসনে সিএনজি স্ট্যান্ড স্থানান্তর করা হয়েছে। এখন ওই এলাকা অনেকটাই যানজটমুক্ত। বাসাবাড়ি থেকে ময়লা অপসারণে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছি। প্রতিদিন সকালেই গাড়ি দিয়ে শ্রমিকরা বাসাবাড়ির ময়লা নিয়ে যায়।’

ফজলুর রহমান বলেন, ‘দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে জনগণের গুরুত্ব অনুযায়ী আগে যেটা প্রয়োজন সেটা করেছি। বাকি কাজগুলো ধারাবাহিকভাবে করছি। আশা করি মেয়াদের মধ্যে বাকি কাজ সম্পন্ন করতে পারব।’

এক প্রশ্নের জবাবে মেয়র বলেন, ‘পৌরসভার বহুতল অফিস ভবন নির্মাণের জন্য বিশেষ প্রকল্প গ্রহণ করেছি। শহরের সৌন্দর্য বর্ধনে বিলবোর্ড উচ্ছেদ করা হয়েছে। পৌরসভার অনুমতি ব্যতীত কোনো জায়গায়ই বিলবোর্ড লাগাতে দেয়া হচ্ছে না।

এছাড়া টাউন ঈদগাহ, পশ্চিম বাজার পৌর মার্কেট, মসজিদ, মন্দির, বিদ্যালয় ও মাদ্রাসার ভবন উন্নয়নে আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। পৌরসভাকে সবার বাসযোগ্য সুন্দর ও আধুনিক মডেল পৌরসভা গড়তে চেষ্টা করে যাচ্ছি।’

শিক্ষার মানোন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘শিক্ষার মানোন্নয়নে পৌরসভার সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানদের নিয়ে মতবিনিময় করেছি। শিক্ষকদের উপস্থিতি ও ঠিকমতো পাঠদান নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে।’

সিনিয়র-জুনিয়র দ্বন্দ্বের জেরে ছাত্রলীগ নেতা মোহাম্মদ আলী শাহবাব ও সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছাত্রলীগ কর্মী নাহিদ আহমদ মাহি খুনের ঘটনা ও সেন্ট্রাল রোডে রাতের আঁধারে দু’টি বাসার সীমানাপ্রাচীর ভাংচুরসহ কয়েকটি কারণে মেয়র সমালোচিত হয়েছেন। এ ব্যাপারে মেয়র বলেন, ‘যারাই খুনি তাদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে। অপরাধীদের কোনো ছাড় দেয়া হবে না।’

তিনি বলেন, ‘আমি পৌরবাসীর সেবক। নিজের চেয়ার এবং দলীয় পদবির অপব্যবহার করে কখনও নীতিবহির্ভূত কাজ করিনি। দলীয় কারণে আজ পর্যন্ত কাউকে হয়রানি করিনি।’

আগামী নির্বাচনে প্রার্থী হবেন কিনা জানতে চাইলে মেয়র বলেন, ‘দল মনোনয়ন দিলে প্রার্থী হবো।’