জাতিসংঘ হাইকমিশনার

রোহিঙ্গাসহ রাষ্ট্রহীনদের সংকট নিরসনে চাই জরুরি পদক্ষেপ

জাতীয়তাবাদের আবির্ভাবে ঝুঁকি বাড়ছে

  বাসস ০৯ অক্টোবর ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

রোহিঙ্গাসহ রাষ্ট্রহীনদের সংকট নিরসনে চাই জরুরি পদক্ষেপ

মিয়ানমারের রোহিঙ্গা ও ভারতের আসামে রাষ্ট্রহীন হওয়ার ঝুঁকিতে থাকা বাসিন্দাসহ বিশ্বের নানা প্রান্তে লাখ লাখ মানুষের নাগরিকত্ব সমস্যার সমাধানে জরুরি পদক্ষেপ প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেছেন জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনার ফিলিপ্পো গ্র্যান্ডি।

তিনি বলেন, এ ধরনের সংকট নিরসনে নেয়া প্রচেষ্টা দ্বিগুণ বাড়াতে হবে। জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থার (ইউএনএইচসিআর) বার্ষিক নির্বাহী কমিটির বৈঠকের শুরুতে সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় স্থানীয় সময় সোমবার তিনি এসব কথা বলেন।

জাতিসংঘ হাইকমিশনার হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, এসব মানুষকে রক্ষা করতে না পারলে তাদের জীবন বিপন্ন ও জাতীয়তা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। গ্র্যান্ডি বলেন, রাষ্ট্রহীন মানুষদের বিরুদ্ধে কয়েকটি দেশের ব্যবস্থা গ্রহণ বেড়েছে। এর অর্থ হচ্ছে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় রাষ্ট্রহীন মানুষের উচ্ছেদ চেষ্টা ঠেকানোর প্রচেষ্টায় মারাত্মক সংকটের কাছাকাছি উপনীত হচ্ছে।

পাঁচ বছর আগেও এ বিষয়ে জনসচেতনতা সৃষ্টির তেমন চেষ্টা ছিল না। তবে এখন পরিস্থিতি পাল্টাচ্ছে। তিনি বলেন, ক্ষতিকর জাতীয়তাবাদের আবির্ভাব এবং উদ্বাস্তু ও অভিবাসনবিরোধী মনোভাবের উদ্ভব আন্তর্জাতিকভাবে শক্তিশালী হওয়ায় উল্টো আরও ঝুঁকি বাড়ছে।

ইউএনএইচসিআরের ওই বিশেষ সেশনে যোগদানকারী সদস্য রাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা ২০২৪ সালের মধ্যে রাষ্ট্রহীনতার সংকট অবসানে আরও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

রাষ্ট্রহীনদের মর্যাদাসংক্রান্ত জাতিসংঘ কনভেনশন ১৯৫৪ এবং রাষ্ট্রহীনদের সংখ্যা হ্রাসের ওপর জাতিসংঘ কনভেনশন ১৯৬১- এ দুটি প্রবন্ধ রচিত হয়। ইউএনএইচসিআর ২০২৪ সালের মধ্যে রাষ্ট্রহীনতা সংকটের অবসানে ২০১৪ সালে একটি প্রচার শুরু করে। প্রচারের প্রথম পাঁচ মাসে রাষ্ট্রহীন ২ লাখ ২০ হাজারের বেশি মানুষ কিরগিজস্তান এবং কেনিয়া, তাজিকিস্তান ও থাইল্যান্ডে স্থান পায়।

বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে কিরগিজস্তান জুলাইয়ে রাষ্ট্রহীনদের বিষয়ে একটি প্রস্তাব গ্রহণের ঘোষণা দিয়েছে। মাদাগাস্কার এবং সিয়েরালিয়নে সন্তানের সঙ্গে বাবা-মার নাগরিকত্ব দেয়ার বিধান রেখে নাগরিক আইন সংস্কার করা হয়। ২৫টি দেশে এখনও এ ধরনের আইন কার্যকর করা প্রায় অসম্ভব। বিশ্বে রাষ্ট্রহীন নাগরিকের সংখ্যা বৃদ্ধির কারণগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×