অক্সিজেন ছাড়াই গভীর পানিতে ডুবুরি!
jugantor
অক্সিজেন ছাড়াই গভীর পানিতে ডুবুরি!

  যুগান্তর ডেস্ক  

১৫ অক্টোবর ২০১৯, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

গভীর পানিতে উদ্ধার কাজে নামা ডুবুরিদের সঙ্গে অক্সিজেনের সিলিন্ডার থাকলেও পদে পদে থাকে মৃত্যুভয়। সেক্ষেত্রে অক্সিজেনের সিলিন্ডার ছাড়া পানিতে উদ্ধার কাজে নামা অনেকটা আত্মহত্যারই শামিল। অথচ এক জার্মান নারী এই কাজটিই করে যাচ্ছেন অনায়াসে! অন্যদের এতে উদ্বুদ্ধ করতে প্রশিক্ষণও দিচ্ছেন তিনি।

এক দশক ধরে ফ্রি-ডাইভার হিসেবে অক্সিজেন ট্যাংক ছাড়াই গভীর পানিতে নামছেন আনা ফন ব্যোটিশার। বিশ্বের অন্যতম সেরা এই ডুবুরি বলছেন, ফ্রি-ডাইভিংয়ের বিশেষত্ব হল, সেই সময় সম্পূর্ণ নিজের ওপর ভরসা করতে হয়।

প্রকৃতির সঙ্গে একাই বোঝাপড়া করতে হয়। ফ্রি-ডাইভারদের নিঃশ্বাস-প্রশ্বাসের এক বিশেষ কৌশল রপ্ত করতে হয়, যাতে একবার দম নিয়েই অনেকটা সময় ধরে পানির গভীরে ডুব দেয়া যায়। আনা বলেন, ডুব দেয়ার আগে ফুসফুসের মধ্যে যতটা সম্ভব অক্সিজেন জমা করার চেষ্টা করেন।

কিছু ডুবুরি নিজেদের ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করার চেষ্টা করেন। ফলে তাদের শরীরে ক্ষতির ঝুঁকি সৃষ্টি হয়। আনা ‘ক্রসফিট’ নামে এক কঠিন ব্যায়ামের মাধ্যমে নিজের ক্ষমতার সীমা বুঝতে পারেন। তিনি বলেন, পেশির অবস্থা এমন হতে হবে, যা বেশি অক্সিজেন ছাড়াও পানির নিচে সক্রিয় থাকতে পারে। ডয়চে ভেলে।

অক্সিজেন ছাড়াই গভীর পানিতে ডুবুরি!

 যুগান্তর ডেস্ক 
১৫ অক্টোবর ২০১৯, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

গভীর পানিতে উদ্ধার কাজে নামা ডুবুরিদের সঙ্গে অক্সিজেনের সিলিন্ডার থাকলেও পদে পদে থাকে মৃত্যুভয়। সেক্ষেত্রে অক্সিজেনের সিলিন্ডার ছাড়া পানিতে উদ্ধার কাজে নামা অনেকটা আত্মহত্যারই শামিল। অথচ এক জার্মান নারী এই কাজটিই করে যাচ্ছেন অনায়াসে! অন্যদের এতে উদ্বুদ্ধ করতে প্রশিক্ষণও দিচ্ছেন তিনি।

এক দশক ধরে ফ্রি-ডাইভার হিসেবে অক্সিজেন ট্যাংক ছাড়াই গভীর পানিতে নামছেন আনা ফন ব্যোটিশার। বিশ্বের অন্যতম সেরা এই ডুবুরি বলছেন, ফ্রি-ডাইভিংয়ের বিশেষত্ব হল, সেই সময় সম্পূর্ণ নিজের ওপর ভরসা করতে হয়।

প্রকৃতির সঙ্গে একাই বোঝাপড়া করতে হয়। ফ্রি-ডাইভারদের নিঃশ্বাস-প্রশ্বাসের এক বিশেষ কৌশল রপ্ত করতে হয়, যাতে একবার দম নিয়েই অনেকটা সময় ধরে পানির গভীরে ডুব দেয়া যায়। আনা বলেন, ডুব দেয়ার আগে ফুসফুসের মধ্যে যতটা সম্ভব অক্সিজেন জমা করার চেষ্টা করেন।

কিছু ডুবুরি নিজেদের ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করার চেষ্টা করেন। ফলে তাদের শরীরে ক্ষতির ঝুঁকি সৃষ্টি হয়। আনা ‘ক্রসফিট’ নামে এক কঠিন ব্যায়ামের মাধ্যমে নিজের ক্ষমতার সীমা বুঝতে পারেন। তিনি বলেন, পেশির অবস্থা এমন হতে হবে, যা বেশি অক্সিজেন ছাড়াও পানির নিচে সক্রিয় থাকতে পারে। ডয়চে ভেলে।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন