‘ক্যাসিনো সম্রাটের’ সহযোগী জাকির ভোলায় গ্রেফতার
jugantor
‘ক্যাসিনো সম্রাটের’ সহযোগী জাকির ভোলায় গ্রেফতার

  ভোলা প্রতিনিধি  

৩১ অক্টোবর ২০১৯, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

জাকির হোসেন

আলোচিত ‘ক্যাসিনো সম্রাট’খ্যাত যুবলীগের বহিষ্কৃত সভাপতি ইসমাইল হোসেন সম্রাটের সহযোগী ও ব্যবসায়িক পার্টনার জাকির হোসেনকে (৪৫) গ্রেফতার করেছে র‌্যাব।

ভোলা জেলা শহরের চরনোয়াবাদ এলাকা থেকে মঙ্গলবার বিকালে গ্রেফতার করে রাতেই তাকে থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

এ সময় তার কাছ থেকে বিদেশি পিস্তল, ৪ রাউন্ড গুলি, ৪ বোতল বিদেশি মদ ও কিছু নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদক আইনে ভোলা সদর থানায় দুটি মামলা করা হয়েছে। ঢাকার শান্তিনগরে থাকতেন জাকির হোসেন।

ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান শুরুর পর তিনি ঢাকা থেকে পালিয়ে ভোলায় তার নানা শ্বশুর আবদুর রহিমের বাড়িতে আশ্রয় নেন। অস্ত্র মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে এসআই মনিরুল ইসলাম এবং মাদক মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে এসআই রিপন সাহাকে নিযুক্ত করা হয়েছে। দুই মামলায় ৫ দিন করে রিমান্ড চাওয়া হয়েছে।

বুধবার দুপুরে জাকিরকে ভোলার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এনজি আজমের আদালতে হাজির করা হয়েছে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তারা দুই মামলায়ই তাকে ৫ দিন করে রিমান্ড চেয়ে আদালতে আবেদন করেন। তবে রিমান্ড শুনানি হয়নি। পরে তাকে জেলহাজতে পাঠিয়ে দেয়া হয়।

ভোলা থানার ওসি এনায়েত হোসেন বলেছেন, ঢাকাসহ সারা দেশে ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান শুরুর পরই জাকির ভোলা সদরের চরনোয়াবাদ পাসপোর্ট অফিস সংলগ্ন তার নানা শ্বশুর আবদুর রহিমের বাড়িতে আশ্রয় নেন।

সোমবার সন্ধ্যার পর জাকিরের স্ত্রী তার বাচ্চাকে নিয়ে লঞ্চে ঢাকায় যাচ্ছিলেন। খবর পেয়ে প্রথমে তাকে লঞ্চ থেকে নামিয়ে আনা হয় এবং জাকিরের স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদে যুবলীগের সভাপতি সম্রাটের সহযোগী জাকিরের অবস্থান শনাক্ত করা হয়।

পরে আয়েশাকে নিয়ে জাকিরের নানা শ্বশুর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করা হয়। ভোলা মডেল থানার ওসি এনায়েত হোসেন জানান, মঙ্গলবার রাতে র‌্যাব সদস্যরা গ্রেফতার জাকিরকে থানায় সোপর্দ করেছে।

জাকিরের বাড়ি রাজধানীর পল্টন থানার শান্তিনগরে। তার বাবার নাম আবদুল মান্নান। ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান শুরু হলে গণমাধ্যমে ঢাকায় তার ৬টি ফ্ল্যাট ছাড়াও কোটি কোটি টাকার সম্পদসহ বিভিন্ন কাহিনী প্রকাশ পায়।

ঢাকায় ঠিকাদারি ব্যবসা ছাড়াও কাকরাইলে বিপাশা নামে একটি রেস্টুরেন্ট রয়েছে তার। কিন্তু ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান শুরুর পর থেকেই রেস্টুরেন্টটি বন্ধ রয়েছে। ৭-৮ বছর ধরে সম্রাটের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে উঠেছে।

‘ক্যাসিনো সম্রাটের’ সহযোগী জাকির ভোলায় গ্রেফতার

 ভোলা প্রতিনিধি 
৩১ অক্টোবর ২০১৯, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
জাকির হোসেন
জাকির হোসেন। ছবি-যুগান্তর

আলোচিত ‘ক্যাসিনো সম্রাট’খ্যাত যুবলীগের বহিষ্কৃত সভাপতি ইসমাইল হোসেন সম্রাটের সহযোগী ও ব্যবসায়িক পার্টনার জাকির হোসেনকে (৪৫) গ্রেফতার করেছে র‌্যাব।

ভোলা জেলা শহরের চরনোয়াবাদ এলাকা থেকে মঙ্গলবার বিকালে গ্রেফতার করে রাতেই তাকে থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

এ সময় তার কাছ থেকে বিদেশি পিস্তল, ৪ রাউন্ড গুলি, ৪ বোতল বিদেশি মদ ও কিছু নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদক আইনে ভোলা সদর থানায় দুটি মামলা করা হয়েছে। ঢাকার শান্তিনগরে থাকতেন জাকির হোসেন।

ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান শুরুর পর তিনি ঢাকা থেকে পালিয়ে ভোলায় তার নানা শ্বশুর আবদুর রহিমের বাড়িতে আশ্রয় নেন। অস্ত্র মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে এসআই মনিরুল ইসলাম এবং মাদক মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে এসআই রিপন সাহাকে নিযুক্ত করা হয়েছে। দুই মামলায় ৫ দিন করে রিমান্ড চাওয়া হয়েছে।

বুধবার দুপুরে জাকিরকে ভোলার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এনজি আজমের আদালতে হাজির করা হয়েছে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তারা দুই মামলায়ই তাকে ৫ দিন করে রিমান্ড চেয়ে আদালতে আবেদন করেন। তবে রিমান্ড শুনানি হয়নি। পরে তাকে জেলহাজতে পাঠিয়ে দেয়া হয়।

ভোলা থানার ওসি এনায়েত হোসেন বলেছেন, ঢাকাসহ সারা দেশে ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান শুরুর পরই জাকির ভোলা সদরের চরনোয়াবাদ পাসপোর্ট অফিস সংলগ্ন তার নানা শ্বশুর আবদুর রহিমের বাড়িতে আশ্রয় নেন।

সোমবার সন্ধ্যার পর জাকিরের স্ত্রী তার বাচ্চাকে নিয়ে লঞ্চে ঢাকায় যাচ্ছিলেন। খবর পেয়ে প্রথমে তাকে লঞ্চ থেকে নামিয়ে আনা হয় এবং জাকিরের স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদে যুবলীগের সভাপতি সম্রাটের সহযোগী জাকিরের অবস্থান শনাক্ত করা হয়।

পরে আয়েশাকে নিয়ে জাকিরের নানা শ্বশুর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করা হয়। ভোলা মডেল থানার ওসি এনায়েত হোসেন জানান, মঙ্গলবার রাতে র‌্যাব সদস্যরা গ্রেফতার জাকিরকে থানায় সোপর্দ করেছে।

জাকিরের বাড়ি রাজধানীর পল্টন থানার শান্তিনগরে। তার বাবার নাম আবদুল মান্নান। ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান শুরু হলে গণমাধ্যমে ঢাকায় তার ৬টি ফ্ল্যাট ছাড়াও কোটি কোটি টাকার সম্পদসহ বিভিন্ন কাহিনী প্রকাশ পায়।

ঢাকায় ঠিকাদারি ব্যবসা ছাড়াও কাকরাইলে বিপাশা নামে একটি রেস্টুরেন্ট রয়েছে তার। কিন্তু ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান শুরুর পর থেকেই রেস্টুরেন্টটি বন্ধ রয়েছে। ৭-৮ বছর ধরে সম্রাটের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে উঠেছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : ক্যাসিনোয় অভিযান