সড়ক আইন প্রয়োগে বাড়াবাড়ি হবে না: ওবায়দুল কাদের
jugantor
সড়ক আইন প্রয়োগে বাড়াবাড়ি হবে না: ওবায়দুল কাদের

  যুগান্তর রিপোর্ট  

২২ নভেম্বর ২০১৯, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

নতুন সড়ক পরিবহন আইনে অসঙ্গতি থাকলে তা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, পরিবহন ধর্মঘট আর নেই। তাই যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটার কোনো কারণ নেই। কথাবার্তা হয়ে গেছে। নতুন আইন প্রয়োগে কোনো অহেতুক বাড়াবাড়ি হবে না। বাড়াবাড়িটা না হলে সমস্যা হবে না।

আওয়ামী লীগের ২১তম জাতীয় কাউন্সিল প্রস্তুতি কমিটির সাংস্কৃতিক উপকমিটির সভা শেষে বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের এ কথা বলেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনা করে আমরা আইনের বিধিমালাও প্রণয়ন করছি।

সেটাও আমরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখব। পরিস্থিতি এখন আর অস্বাভাবিক হওয়ার কোনো কারণ নেই। সবকিছুই আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হয়েছে। ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যান মালিক-শ্রমিকদেরও ধন্যবাদ জানাচ্ছি যে, তারা জনস্বার্থে ধর্মঘট তুলেছে।

সড়ক আইনের বিধিমালা হলেই সব সমস্যার সমাধান হবে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, আইনটাই সবকিছু নয়, বিধি তৈরি হচ্ছে, প্রায় শেষ পর্যায়ে। বিধি পেলে আর কোনো সংকট থাকবে না। জেব্রা ক্রসিং, সাইন অ্যান্ড সিগন্যাল এগুলো বিধিতে আছে। মূল বিষয়টা হল শৃঙ্খলা: সড়কে ও পরিবহনে শৃঙ্খলা ফেরাতে হবে। সেটা হচ্ছে আমাদের টার্গেট, আর সেটাই আমাদের ফোকাস।

সরকার দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ- বিএনপি নেতাদের এমন সমালোচনার জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি তাদের নেতিবাচক রাজনীতির কারণে নাজুক অবস্থায় নিপতিত। এখন নেতাকর্মীদের চাঙ্গা রাখার জন্য তাদের অনেক মিথ্যাচার করতে হয়। সরকারবিরোধী কথাবার্তা বলতে হয়। এসব বলার জন্যই বলছে। বিরোধিতার জন্যই বিরোধিতা করছে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, তারা (বিএনপি) জানে জনগণের রায় নিয়ে ক্ষমতায় আসা তাদের পক্ষে সম্ভব নয়, এ জন্য তারা এখন চক্রান্তের পথ বেছে নিয়েছে। তাদের এখন কাজই হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে গুজব সৃষ্টি করা। গুজবের ডালপালা ব্যবহার করে দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করা।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বাংলাদেশে অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্র বলতে যা বোঝায়, তার চর্চা আওয়ামী লীগ ছাড়া অন্য কোনো দল করে বলে আমার জানা নেই। বড় দলগুলো তো করেই না। কোনো দলের নাম উল্লেখ না করে মন্ত্রী বলেন, দুটি বড় দলে দেখা যায়, সেক্রেটারি সকালে আছে, তো বিকালে নেই। কোনো পদে যে কাউকে যে কোনো সময়ই তারা নিয়ে আসতে পারে। এটা আমাদের দলে সম্ভব না।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আমাদের দলের সভাপতির কাছে কিছু দায়িত্ব দেয়া আছে। তিনি যেটা করেন, সেটাও তিনি নির্বাহী কমিটিতে পাস করান। আমাদের যে নির্বাহী কমিটি আছে, সেটা ছাড়া তিনি পাস করাতে পারেন না। গঠনতন্ত্রে যদি কোনো পরিবর্তন আনতে চান, সেটা কাউন্সিল ছাড়া সম্ভব না।

জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন, ওয়ার্ড নির্বাচনেও একটা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া আমরা অনুসরণ করি।

এবারের কাউন্সিলে সাংস্কৃতিক আয়োজন বেশি সময়ের জন্য করা হবে না বলে জানান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। তিনি বলেন, সম্মেলনের চেয়ে দল মুজিববর্ষ আয়োজনকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।

এর আগে অনুষ্ঠিত সাংস্কৃতিক উপকমিটির সভায় সভাপতিত্ব করেন চেয়ারম্যান আতাউর রহমান। উপস্থিত ছিলেন উপকমিটির সদস্য সচিব ও আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, সংসদ সদস্য ও চিত্রনায়ক আকবর হোসেন খান পাঠান (ফারুক), উপকমিটির সদস্য সাইফুল আজম, লিয়াকত আলী, আহকামুল্লাহ, আশরাফুল আলম, মেহের আফরোজ, জায়েদ খান, এসডি রুবেল, নুরুল আলম পাঠান প্রমুখ।

সড়ক আইন প্রয়োগে বাড়াবাড়ি হবে না: ওবায়দুল কাদের

 যুগান্তর রিপোর্ট 
২২ নভেম্বর ২০১৯, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

নতুন সড়ক পরিবহন আইনে অসঙ্গতি থাকলে তা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, পরিবহন ধর্মঘট আর নেই। তাই যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটার কোনো কারণ নেই। কথাবার্তা হয়ে গেছে। নতুন আইন প্রয়োগে কোনো অহেতুক বাড়াবাড়ি হবে না। বাড়াবাড়িটা না হলে সমস্যা হবে না।

আওয়ামী লীগের ২১তম জাতীয় কাউন্সিল প্রস্তুতি কমিটির সাংস্কৃতিক উপকমিটির সভা শেষে বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের এ কথা বলেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনা করে আমরা আইনের বিধিমালাও প্রণয়ন করছি।

সেটাও আমরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখব। পরিস্থিতি এখন আর অস্বাভাবিক হওয়ার কোনো কারণ নেই। সবকিছুই আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হয়েছে। ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যান মালিক-শ্রমিকদেরও ধন্যবাদ জানাচ্ছি যে, তারা জনস্বার্থে ধর্মঘট তুলেছে।

সড়ক আইনের বিধিমালা হলেই সব সমস্যার সমাধান হবে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, আইনটাই সবকিছু নয়, বিধি তৈরি হচ্ছে, প্রায় শেষ পর্যায়ে। বিধি পেলে আর কোনো সংকট থাকবে না। জেব্রা ক্রসিং, সাইন অ্যান্ড সিগন্যাল এগুলো বিধিতে আছে। মূল বিষয়টা হল শৃঙ্খলা: সড়কে ও পরিবহনে শৃঙ্খলা ফেরাতে হবে। সেটা হচ্ছে আমাদের টার্গেট, আর সেটাই আমাদের ফোকাস।

সরকার দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ- বিএনপি নেতাদের এমন সমালোচনার জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি তাদের নেতিবাচক রাজনীতির কারণে নাজুক অবস্থায় নিপতিত। এখন নেতাকর্মীদের চাঙ্গা রাখার জন্য তাদের অনেক মিথ্যাচার করতে হয়। সরকারবিরোধী কথাবার্তা বলতে হয়। এসব বলার জন্যই বলছে। বিরোধিতার জন্যই বিরোধিতা করছে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, তারা (বিএনপি) জানে জনগণের রায় নিয়ে ক্ষমতায় আসা তাদের পক্ষে সম্ভব নয়, এ জন্য তারা এখন চক্রান্তের পথ বেছে নিয়েছে। তাদের এখন কাজই হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে গুজব সৃষ্টি করা। গুজবের ডালপালা ব্যবহার করে দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করা।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বাংলাদেশে অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্র বলতে যা বোঝায়, তার চর্চা আওয়ামী লীগ ছাড়া অন্য কোনো দল করে বলে আমার জানা নেই। বড় দলগুলো তো করেই না। কোনো দলের নাম উল্লেখ না করে মন্ত্রী বলেন, দুটি বড় দলে দেখা যায়, সেক্রেটারি সকালে আছে, তো বিকালে নেই। কোনো পদে যে কাউকে যে কোনো সময়ই তারা নিয়ে আসতে পারে। এটা আমাদের দলে সম্ভব না।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আমাদের দলের সভাপতির কাছে কিছু দায়িত্ব দেয়া আছে। তিনি যেটা করেন, সেটাও তিনি নির্বাহী কমিটিতে পাস করান। আমাদের যে নির্বাহী কমিটি আছে, সেটা ছাড়া তিনি পাস করাতে পারেন না। গঠনতন্ত্রে যদি কোনো পরিবর্তন আনতে চান, সেটা কাউন্সিল ছাড়া সম্ভব না।

জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন, ওয়ার্ড নির্বাচনেও একটা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া আমরা অনুসরণ করি।

এবারের কাউন্সিলে সাংস্কৃতিক আয়োজন বেশি সময়ের জন্য করা হবে না বলে জানান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। তিনি বলেন, সম্মেলনের চেয়ে দল মুজিববর্ষ আয়োজনকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।

এর আগে অনুষ্ঠিত সাংস্কৃতিক উপকমিটির সভায় সভাপতিত্ব করেন চেয়ারম্যান আতাউর রহমান। উপস্থিত ছিলেন উপকমিটির সদস্য সচিব ও আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, সংসদ সদস্য ও চিত্রনায়ক আকবর হোসেন খান পাঠান (ফারুক), উপকমিটির সদস্য সাইফুল আজম, লিয়াকত আলী, আহকামুল্লাহ, আশরাফুল আলম, মেহের আফরোজ, জায়েদ খান, এসডি রুবেল, নুরুল আলম পাঠান প্রমুখ।