বরিশালে মহানগর আ’লীগের সম্মেলন আজ: কাউন্সিলরদের ভোটে কমিটি ঘোষণার দাবি তৃণমূলের
jugantor
বরিশালে মহানগর আ’লীগের সম্মেলন আজ: কাউন্সিলরদের ভোটে কমিটি ঘোষণার দাবি তৃণমূলের

  আকতার ফারুক শাহিন, বরিশাল ব্যুরো  

০৮ ডিসেম্বর ২০১৯, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আয়োজন প্রায় ২০ হাজার মানুষের। সব প্রস্তুতিও সম্পন্ন। সেজেছে বরিশাল মহানগরী। প্রধান প্রধান সড়কই কেবল নয়, বিমানবন্দর থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরের অনুষ্ঠানস্থল বঙ্গবন্ধু উদ্যান পর্যন্ত নির্মিত হয়েছে শত শত তোরণ। সবমিলিয়ে প্রস্তুত বরিশাল। আজ রোববার অনুষ্ঠিত হচ্ছে মহানগর আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য আমির হোসেন আমু এমপির। প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখবেন পার্বত্য শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক আলহাজ আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ। বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকবেন দলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আবদুর রহমান ও কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আফম বাহাউদ্দিন নাছিম।

প্রায় ৭ বছর পর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এ সম্মেলন নিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে যেমন সৃষ্টি হয়েছে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা, তেমনি আলাদা একটি দাবিও উঠেছে। প্রকাশ্য কাউন্সিলের ভোটে মহানগর আওয়ামী লীগের কমিটি ঘোষণার দাবি তুলেছেন সবাই। অনেকের শঙ্কা, বরিশাল থেকে ঢাকায় গেলেই নানা লবিং-তদবিরে উল্টে যেতে পারে গণদাবির বিষয়টি। মহানগর আওয়ামী লীগের বর্তমান সভাপতি অ্যাডভোকেট গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলালের বক্তব্যও অনেকটা তেমনই। তিনিও চান বরিশালের সম্মেলন থেকেই ঘোষণা হোক বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব। এসবের পাশাপাশি কারা আসছেন মহানগরের নেতৃত্বে তাই নিয়েও চলছে আলোচনা। এখন পর্যন্ত সাধারণ সম্পাদক পদে একক সমর্থন নিয়ে এগিয়ে আছেন মহানগর আওয়ামী লীগের বর্তমান যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ। অপরদিকে সভাপতি পদে আসতে চাইছেন বর্তমান সভাপতিসহ আরও বেশ কয়েকজন।

আজ রোববার ৮ ডিসেম্বর বরিশাল মুক্ত দিবস। মূলত সেই মুক্ত দিবসের ভাবনা থেকে একইদিনে আয়োজন করা হয়েছে মহানগর আওয়ামী লীগের সম্মেলন। এমনটাই জানিয়েছেন নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট একেএমএ জাহাঙ্গীর। ২০১২ সালের ২৭ ডিসেম্বর সর্বশেষ অনুষ্ঠিত হয় বরিশাল জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের সম্মেলন। সেই সম্মেলনে জেলার পাশাপাশি সাবেক মেয়র মরহুম শওকত হোসেন হিরনকে সভাপতি ও অ্যাডভোকেট আফজালুল করিমকে সাধারণ সম্পাদক করে গঠিত হয় মহানগর আওয়ামী লীগের কমিটি। সেই কমিটি কখনই পূর্ণাঙ্গ রূপ পায়নি। মাঝে শওকত হোসেন হিরনের মৃত্যু হলে মহানগর আওয়ামী লীগ পরিণত হয় এক নেতার দলে। ২০১৬ সালে সেই পরিস্থিতির বদল ঘটে।

ওই বছরের ২০ অক্টোবর কেন্দ্র থেকে অ্যাডভোকেট গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলালকে সভাপতি ও অ্যাডভোকেট একেএমএ জাহাঙ্গীরকে সাধারণ সম্পাদক করে ঘোষিত হয় মহানগর আওয়ামী লীগের কমিটি। কোনোরকম সম্মেলন ছাড়াই ঘোষিত সেই কমিটিতে সাধারণ সম্পাদক পদে সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহকে না পেয়ে হতাশ ছিল নেতাকর্মীরা। সেই সময় বরিশাল মহানগরীর ৩০টি ওয়ার্ডের নেতাকর্মীরা তাদের যৌথ স্বাক্ষরে সাদিক আবদুল্লাহকে মহানগরের সাধারণ সম্পাদক চেয়ে একাধিকবার চিঠি দিয়েছিল হাইকমান্ডের কাছে। ওই কমিটির ঠিক তিন বছর পর আজ রোববার অনুষ্ঠিত হচ্ছে নয়া ত্রিবার্ষিক সম্মেলন। সম্মেলন সফল করতে শুক্রবার রাতে সবকটি ওয়ার্ডে অনুষ্ঠিত হয় মিছিল-সমাবেশ।

সভাপতি পদে যাদের নাম শোনা যাচ্ছে তারা হলেন- বর্তমান সভাপতি অ্যাডভোকেট গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলাল, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট একেএমএ জাহাঙ্গীর, সহসভাপতি আফজালুল করিম প্রমুখ। অপরদিকে সাধারণ সম্পাদক পদে সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ ছাড়া আর কেউ প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছা পোষণ করেননি। মহানগরের বর্তমান সভাপতি অ্যাডভোকেট গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলাল বলেন, মেয়র সাদিক একজন সার্বক্ষণিক দলীয় কর্মী। প্রায় ১০ বছর ধরে দলকে সংগঠিত ও শক্তিশালী করেছে সে। তাছাড়া মাত্র ১ মাসের মধ্যে সে যেভাবে বরিশালের ৩০টি ওয়ার্ডের সম্মেলন সম্পন্ন করে ত্রিবার্ষিক সম্মেলনকে সফলের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে এসেছে সেখানে সাধারণ সম্পাদক পদে তারই আসা উচিত বলে আমরা মনে করি।

৩৭১ জন কাউন্সিলরেরও এতে কোনো আপত্তি আছে বলে আমার মনে হয় না। কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মহানগর আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্য সম্পাদক নিরব হোসেন টুটুল বলেন, আজ থেকে ৩ বছর আগে নগরীর সবগুলো ওয়ার্ডের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহকে মহানগরের সাধারণ সম্পাদক করার দাবি জানিয়ে কেন্দ্রে চিঠি দিয়েছিল। আমাদের সেই দাবি পূরণ হয়নি। নতুন সম্মেলনকে ঘিরে তাই আমরা আশায় বুক বেঁধেছি। এবার নিশ্চয়ই আমাদের আশা পূরণ হবে।

সব আলোচনা ছাপিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে যে দাবিটি সবচেয়ে বেশি উঠছে সেটি হচ্ছে কাউন্সিলরদের সরাসরি ভোটে নেতৃত্ব নির্বাচন এবং সম্মেলনস্থলেই তার প্রকাশ্য ঘোষণা। ১৪নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সিটি কাউন্সিলর তৌহিদুর রহমান সাবিদ যুগান্তরকে বলেন, বিভিন্ন সময়ে সম্মেলনে কাউন্সিলরদের সঙ্গে আমার যে কথা হয়েছে তাতে এটি আসলে এখন সময়ের দাবি। সম্মেলনস্থলে বসে কাউন্সিলররা তাদের সরাসরি ভোটে যদি নেতা নির্বাচন করতে পারে তবে সেটাই হবে এই সম্মেলনের সবচেয়ে বড় পাওয়া। তাছাড়া কেন্দ্রীয় নেতারা তাৎক্ষণিক ভোটে নির্বাচিত নেতৃত্বের ঘোষণা দিয়ে গেলেই হবে দেশের সবচেয়ে বৃহত্তম ও প্রাচীন এই দলের পরিপূর্ণ গণতন্ত্রচর্চার প্রকাশ। সেক্ষেত্রে যিনিই নেতৃত্বে আসবেন তাকেই আমরা মেনে নেব।

বরিশালে মহানগর আ’লীগের সম্মেলন আজ: কাউন্সিলরদের ভোটে কমিটি ঘোষণার দাবি তৃণমূলের

 আকতার ফারুক শাহিন, বরিশাল ব্যুরো 
০৮ ডিসেম্বর ২০১৯, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আয়োজন প্রায় ২০ হাজার মানুষের। সব প্রস্তুতিও সম্পন্ন। সেজেছে বরিশাল মহানগরী। প্রধান প্রধান সড়কই কেবল নয়, বিমানবন্দর থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরের অনুষ্ঠানস্থল বঙ্গবন্ধু উদ্যান পর্যন্ত নির্মিত হয়েছে শত শত তোরণ। সবমিলিয়ে প্রস্তুত বরিশাল। আজ রোববার অনুষ্ঠিত হচ্ছে মহানগর আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য আমির হোসেন আমু এমপির। প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখবেন পার্বত্য শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক আলহাজ আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ। বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকবেন দলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আবদুর রহমান ও কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আফম বাহাউদ্দিন নাছিম।

প্রায় ৭ বছর পর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এ সম্মেলন নিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে যেমন সৃষ্টি হয়েছে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা, তেমনি আলাদা একটি দাবিও উঠেছে। প্রকাশ্য কাউন্সিলের ভোটে মহানগর আওয়ামী লীগের কমিটি ঘোষণার দাবি তুলেছেন সবাই। অনেকের শঙ্কা, বরিশাল থেকে ঢাকায় গেলেই নানা লবিং-তদবিরে উল্টে যেতে পারে গণদাবির বিষয়টি। মহানগর আওয়ামী লীগের বর্তমান সভাপতি অ্যাডভোকেট গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলালের বক্তব্যও অনেকটা তেমনই। তিনিও চান বরিশালের সম্মেলন থেকেই ঘোষণা হোক বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব। এসবের পাশাপাশি কারা আসছেন মহানগরের নেতৃত্বে তাই নিয়েও চলছে আলোচনা। এখন পর্যন্ত সাধারণ সম্পাদক পদে একক সমর্থন নিয়ে এগিয়ে আছেন মহানগর আওয়ামী লীগের বর্তমান যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ। অপরদিকে সভাপতি পদে আসতে চাইছেন বর্তমান সভাপতিসহ আরও বেশ কয়েকজন।

আজ রোববার ৮ ডিসেম্বর বরিশাল মুক্ত দিবস। মূলত সেই মুক্ত দিবসের ভাবনা থেকে একইদিনে আয়োজন করা হয়েছে মহানগর আওয়ামী লীগের সম্মেলন। এমনটাই জানিয়েছেন নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট একেএমএ জাহাঙ্গীর। ২০১২ সালের ২৭ ডিসেম্বর সর্বশেষ অনুষ্ঠিত হয় বরিশাল জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের সম্মেলন। সেই সম্মেলনে জেলার পাশাপাশি সাবেক মেয়র মরহুম শওকত হোসেন হিরনকে সভাপতি ও অ্যাডভোকেট আফজালুল করিমকে সাধারণ সম্পাদক করে গঠিত হয় মহানগর আওয়ামী লীগের কমিটি। সেই কমিটি কখনই পূর্ণাঙ্গ রূপ পায়নি। মাঝে শওকত হোসেন হিরনের মৃত্যু হলে মহানগর আওয়ামী লীগ পরিণত হয় এক নেতার দলে। ২০১৬ সালে সেই পরিস্থিতির বদল ঘটে।

ওই বছরের ২০ অক্টোবর কেন্দ্র থেকে অ্যাডভোকেট গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলালকে সভাপতি ও অ্যাডভোকেট একেএমএ জাহাঙ্গীরকে সাধারণ সম্পাদক করে ঘোষিত হয় মহানগর আওয়ামী লীগের কমিটি। কোনোরকম সম্মেলন ছাড়াই ঘোষিত সেই কমিটিতে সাধারণ সম্পাদক পদে সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহকে না পেয়ে হতাশ ছিল নেতাকর্মীরা। সেই সময় বরিশাল মহানগরীর ৩০টি ওয়ার্ডের নেতাকর্মীরা তাদের যৌথ স্বাক্ষরে সাদিক আবদুল্লাহকে মহানগরের সাধারণ সম্পাদক চেয়ে একাধিকবার চিঠি দিয়েছিল হাইকমান্ডের কাছে। ওই কমিটির ঠিক তিন বছর পর আজ রোববার অনুষ্ঠিত হচ্ছে নয়া ত্রিবার্ষিক সম্মেলন। সম্মেলন সফল করতে শুক্রবার রাতে সবকটি ওয়ার্ডে অনুষ্ঠিত হয় মিছিল-সমাবেশ।

সভাপতি পদে যাদের নাম শোনা যাচ্ছে তারা হলেন- বর্তমান সভাপতি অ্যাডভোকেট গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলাল, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট একেএমএ জাহাঙ্গীর, সহসভাপতি আফজালুল করিম প্রমুখ। অপরদিকে সাধারণ সম্পাদক পদে সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ ছাড়া আর কেউ প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছা পোষণ করেননি। মহানগরের বর্তমান সভাপতি অ্যাডভোকেট গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলাল বলেন, মেয়র সাদিক একজন সার্বক্ষণিক দলীয় কর্মী। প্রায় ১০ বছর ধরে দলকে সংগঠিত ও শক্তিশালী করেছে সে। তাছাড়া মাত্র ১ মাসের মধ্যে সে যেভাবে বরিশালের ৩০টি ওয়ার্ডের সম্মেলন সম্পন্ন করে ত্রিবার্ষিক সম্মেলনকে সফলের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে এসেছে সেখানে সাধারণ সম্পাদক পদে তারই আসা উচিত বলে আমরা মনে করি।

৩৭১ জন কাউন্সিলরেরও এতে কোনো আপত্তি আছে বলে আমার মনে হয় না। কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মহানগর আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্য সম্পাদক নিরব হোসেন টুটুল বলেন, আজ থেকে ৩ বছর আগে নগরীর সবগুলো ওয়ার্ডের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহকে মহানগরের সাধারণ সম্পাদক করার দাবি জানিয়ে কেন্দ্রে চিঠি দিয়েছিল। আমাদের সেই দাবি পূরণ হয়নি। নতুন সম্মেলনকে ঘিরে তাই আমরা আশায় বুক বেঁধেছি। এবার নিশ্চয়ই আমাদের আশা পূরণ হবে।

সব আলোচনা ছাপিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে যে দাবিটি সবচেয়ে বেশি উঠছে সেটি হচ্ছে কাউন্সিলরদের সরাসরি ভোটে নেতৃত্ব নির্বাচন এবং সম্মেলনস্থলেই তার প্রকাশ্য ঘোষণা। ১৪নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সিটি কাউন্সিলর তৌহিদুর রহমান সাবিদ যুগান্তরকে বলেন, বিভিন্ন সময়ে সম্মেলনে কাউন্সিলরদের সঙ্গে আমার যে কথা হয়েছে তাতে এটি আসলে এখন সময়ের দাবি। সম্মেলনস্থলে বসে কাউন্সিলররা তাদের সরাসরি ভোটে যদি নেতা নির্বাচন করতে পারে তবে সেটাই হবে এই সম্মেলনের সবচেয়ে বড় পাওয়া। তাছাড়া কেন্দ্রীয় নেতারা তাৎক্ষণিক ভোটে নির্বাচিত নেতৃত্বের ঘোষণা দিয়ে গেলেই হবে দেশের সবচেয়ে বৃহত্তম ও প্রাচীন এই দলের পরিপূর্ণ গণতন্ত্রচর্চার প্রকাশ। সেক্ষেত্রে যিনিই নেতৃত্বে আসবেন তাকেই আমরা মেনে নেব।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন