ওসির কক্ষে বহিষ্কৃত যুবলীগ নেতার জন্মদিন পালন
jugantor
ওসির কক্ষে বহিষ্কৃত যুবলীগ নেতার জন্মদিন পালন
রাজশাহীতে তোলপাড়

  রাজশাহী ব্যুরো  

১১ ডিসেম্বর ২০১৯, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রাজশাহী মহানগরীর চন্দ্রিমা থানার ওসির কক্ষে ধুমধাম করে এক বহিষ্কৃত যুবলীগ নেতা কাম ওয়ার্ড কাউন্সিলরের জন্মদিন পালনের ঘটনায় তোলপাড় চলছে।

এ নিয়ে রাজশাহী মহানগর পুলিশের ভেতরেও চলছে তোলপাড়। ৮ ডিসেম্বর রাতে চন্দ্রিমা থানার নিজ কক্ষে ধুমধাম করে এ জন্মদিন পালন করেন থানার ওসি গোলাম মোস্তফা। ওসির কক্ষে তার জন্মদিন পালনের ছবিটি সোমবার নিজেই ফেসবুকে পোস্ট করেন মহানগর যুবলীগের বহিষ্কৃত সাংগঠনিক সম্পাদক ও রাসিকের ১৯নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর তৌহিদুল ইসলাম সুমন।

তার বাড়ি নগরীর শিরোইল কলোনীতে। ফেসবুকে পোস্টের পরপরই ছবিটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। আরএমপির চন্দ্রিমা থানাটি ১৯নং ওয়ার্ডে।

থানায় গিয়ে জন্মদিনের কেককাটা ও জন্মদিন উদযাপন প্রসঙ্গে বহিষ্কৃত যুবলীগ নেতা ও ওয়ার্ড কাউন্সিলর সুমন বলেন, ওইদিন ওসি সাহেব কীভাবে যেন জানতে পারেন আমার জন্মদিন। তার আমন্ত্রণে থানায় গিয়ে দেখি তিনি জন্মদিন পালনের আয়োজন করেছেন।

থানায় কারও জন্মদিন পালনের এ আয়োজন প্রসঙ্গে চন্দ্রিমা থানার ওসির মোবাইল নম্বরে ফোন করলে ফোনটি ধরেন ওসি (তদন্ত) শরিফুল ইসলাম। তিনি যুগান্তরকে বলেন, ওসি স্যার ব্যস্ত আছেন। তবে ওসির কক্ষে বহিষ্কৃত যুবলীগ নেতার জন্মদিন পালন প্রসঙ্গে ওসি (তদন্ত) বলেন, ওইদিন চন্দ্রিমা থানা কমিউনিটি পুলিশের সভা ছিল। সুমন সাহেব থানা কমিউনিটি পুলিশের সভাপতি। সেই উপলক্ষে কেককাটা হয়েছে। কেক কেটে কারও জন্মদিন পালন করা হয়নি।

সাবেক যুবলীগ নেতা সুমনের ফেসবুকে পোস্ট করা বক্তব্যের বিষয়ে জানতে চাইলে ওসি (তদন্ত) আরও বলেন, তিনি এটুকুই জানেন। এর বেশি ওসি সাহেব বলতে পারবেন। তবে যখন ওসি গোলাম মোস্তফা কেকের টুকরো সাবেক যুবলীগ নেতার মুখে গুঁজে দিচ্ছেন তখন ওসি (তদন্ত) শরিফুলও করতালি দিচ্ছিলেন। এ বিষয়ে তিনি বলেন, আমি ছিলাম কিনা মনে পড়ছে না।

এলাকাবাসী ও মহানগর যুবলীগের একাধিক সূত্র জানায়, বছরখানেক আগে যুবলীগ নেতা তৌহিদুল হক সুমন এলাকার এক কিশোরকে বলাৎকার করেন। এ বলাৎকারের একাধিক ছবি ফেসবুকে ভাইরাল হলে তাকে যুবলীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়।

ওসির কক্ষে ঘটা করে কেক কেটে জন্মদিন পালনের বিষয়টি ওসির অসদাচরণ কিনা জানতে চাইলে আরএমপির মুখপাত্র এডিসি গোলাম রুহুল কুদ্দুশ যুগান্তরকে বলেন, বিষয়টি আরএমপির ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে এসেছে। তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ওসির কক্ষে বহিষ্কৃত যুবলীগ নেতার জন্মদিন পালন

রাজশাহীতে তোলপাড়
 রাজশাহী ব্যুরো 
১১ ডিসেম্বর ২০১৯, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রাজশাহী মহানগরীর চন্দ্রিমা থানার ওসির কক্ষে ধুমধাম করে এক বহিষ্কৃত যুবলীগ নেতা কাম ওয়ার্ড কাউন্সিলরের জন্মদিন পালনের ঘটনায় তোলপাড় চলছে।

এ নিয়ে রাজশাহী মহানগর পুলিশের ভেতরেও চলছে তোলপাড়। ৮ ডিসেম্বর রাতে চন্দ্রিমা থানার নিজ কক্ষে ধুমধাম করে এ জন্মদিন পালন করেন থানার ওসি গোলাম মোস্তফা। ওসির কক্ষে তার জন্মদিন পালনের ছবিটি সোমবার নিজেই ফেসবুকে পোস্ট করেন মহানগর যুবলীগের বহিষ্কৃত সাংগঠনিক সম্পাদক ও রাসিকের ১৯নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর তৌহিদুল ইসলাম সুমন।

তার বাড়ি নগরীর শিরোইল কলোনীতে। ফেসবুকে পোস্টের পরপরই ছবিটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। আরএমপির চন্দ্রিমা থানাটি ১৯নং ওয়ার্ডে।

থানায় গিয়ে জন্মদিনের কেককাটা ও জন্মদিন উদযাপন প্রসঙ্গে বহিষ্কৃত যুবলীগ নেতা ও ওয়ার্ড কাউন্সিলর সুমন বলেন, ওইদিন ওসি সাহেব কীভাবে যেন জানতে পারেন আমার জন্মদিন। তার আমন্ত্রণে থানায় গিয়ে দেখি তিনি জন্মদিন পালনের আয়োজন করেছেন।

থানায় কারও জন্মদিন পালনের এ আয়োজন প্রসঙ্গে চন্দ্রিমা থানার ওসির মোবাইল নম্বরে ফোন করলে ফোনটি ধরেন ওসি (তদন্ত) শরিফুল ইসলাম। তিনি যুগান্তরকে বলেন, ওসি স্যার ব্যস্ত আছেন। তবে ওসির কক্ষে বহিষ্কৃত যুবলীগ নেতার জন্মদিন পালন প্রসঙ্গে ওসি (তদন্ত) বলেন, ওইদিন চন্দ্রিমা থানা কমিউনিটি পুলিশের সভা ছিল। সুমন সাহেব থানা কমিউনিটি পুলিশের সভাপতি। সেই উপলক্ষে কেককাটা হয়েছে। কেক কেটে কারও জন্মদিন পালন করা হয়নি।

সাবেক যুবলীগ নেতা সুমনের ফেসবুকে পোস্ট করা বক্তব্যের বিষয়ে জানতে চাইলে ওসি (তদন্ত) আরও বলেন, তিনি এটুকুই জানেন। এর বেশি ওসি সাহেব বলতে পারবেন। তবে যখন ওসি গোলাম মোস্তফা কেকের টুকরো সাবেক যুবলীগ নেতার মুখে গুঁজে দিচ্ছেন তখন ওসি (তদন্ত) শরিফুলও করতালি দিচ্ছিলেন। এ বিষয়ে তিনি বলেন, আমি ছিলাম কিনা মনে পড়ছে না।

এলাকাবাসী ও মহানগর যুবলীগের একাধিক সূত্র জানায়, বছরখানেক আগে যুবলীগ নেতা তৌহিদুল হক সুমন এলাকার এক কিশোরকে বলাৎকার করেন। এ বলাৎকারের একাধিক ছবি ফেসবুকে ভাইরাল হলে তাকে যুবলীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়।

ওসির কক্ষে ঘটা করে কেক কেটে জন্মদিন পালনের বিষয়টি ওসির অসদাচরণ কিনা জানতে চাইলে আরএমপির মুখপাত্র এডিসি গোলাম রুহুল কুদ্দুশ যুগান্তরকে বলেন, বিষয়টি আরএমপির ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে এসেছে। তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।