কনজারভেটিভ পার্টির বিপুল জয়: বাংলাদেশ-ব্রিটেনের সম্পর্কে হেরফের হবে না

  মাসুদ করিম ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯, ০০:০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

বরিস জনসনের নেতৃত্বে কনজারভেটিভ পার্টি বিপুল বিজয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে ব্রিটেনের সম্পর্কের কোনো হেরফের হবে না- এমন আভাস দিচ্ছেন কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, ব্রিটেনে ক্ষমতার ধারাবাহিকতা থাকায় সম্পর্ক একই থাকবে। বাংলাদেশ ও ব্রিটেন সবসময় সুসম্পর্ক বজায় রেখে চলে।

ব্রিটেনে ভোটের ফল প্রকাশের ঘোষণা বড় পর্দায় সরাসরি দেখাতে শুক্রবার সকালে ঢাকায় ব্রিটিশ হাইকমিশনারের বাসভবনে এক মিলনমেলার আয়োজন করা হয়েছিল।

এতে ঢাকায় ব্রিটিশ হাই কমিশনার রবার্ট ডিকসন আগত অতিথিদের স্বাগত জানান। সেখানে বাংলাদেশে বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, দেশি কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞ, সাংবাদিকসহ সমাজের বিভিন্নস্তরের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বড় পর্দায় ফলাফল প্রকাশের সঙ্গে উপস্থিত ব্যক্তিরা নানা আলোচনায় ফলাফল বিশ্লেষণে মুখর ছিলেন। আড্ডার ফাঁকে রবাট ডিকসন যুগান্তরকে বলেন, বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে সম্পর্কে কোনো প্রভাব পড়বে না। এ দুই বন্ধুদেশের মধ্যে সহযোগিতাও একই থাকবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবাই একমত হন যে, বরিস জনসনের নেতৃত্বে কনজারভেটিভ পার্টির অবস্থান শক্ত হওয়ায় ব্রেক্সিট এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। ইইউ থেকে ব্রিটেন বেরিয়ে যাচ্ছে এটা নিশ্চিত। এখন বিচ্ছেদের নতুন সময় নির্ধারণ হবে। ইইউর সঙ্গে ব্রিটেনের সম্পর্কের নতুন ধরন নির্ধারণ হবে আলোচনার মাধ্যমে।

বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে সেতুবন্ধ হিসেবে কাজ করে দেশটিতে বাংলাদেশি ডায়াসপোরা। পাঁচ লাখের বেশি বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক ওই দেশে আছেন। বাংলাদেশিরা সাধারণত লেবার পার্টির সমথর্ক।

ঢাকায় ব্রিটিশ হাইকমিশনে আনন্দ আয়োজনে সবার নজর ছিল বাংলাদেশি ডায়াসপোরার ফলাফলের প্রতি। প্রথমে আসে বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র টিউলিপ সিদ্দিকীর জয়ের খবর। লেবার পার্টির এ ভরাডুবির সময়ে টিউলিপসহ চারজনের বিজয়ে আনন্দের বন্যা বয়ে যায়। রুশনারা আলী, রুপা হক এবং নতুন মুখ আফসানা বেগমও জয়ী হন।

বিশ্বে এখন উগ্র জাতীয়তাবাদী, অভিবাসনবিরোধী কট্টরপন্থীদের জয়জয়কার । ট্রাম্প ও মোদির পর এবার বরিস জনসন আবারও অনেক বেশি আসন পেয়ে বিজয়ী হওয়ায় ব্রিটেনে এখন জনসনের একতরফা কর্তৃত্ব থাকবে।

কনজারভেটিভ পার্টিতে তার কিছু বিরোধী লোক ছিল। এখন সবাই চুপসে যাবে। জনসনই সর্বেসর্বা। ব্রেক্সিট না থাকায় ইইউ বাংলাদেশের রফতানি বাণিজ্যে যে জিরো ট্যারিফ দিচ্ছে, সেটার জন্য বাংলাদেশকে যুক্তরাজ্যের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় আলোচনা করতে হবে।

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত