বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার হত্যা: মামলা বদলির আদেশ
jugantor
বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার হত্যা: মামলা বদলির আদেশ

  যুগান্তর রিপোর্ট  

১৪ জানুয়ারি ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আবরার ফাহাদ

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ রাব্বী হত্যা মামলাটি বিচারের জন্য প্রস্তুত হওয়ায় তা বদলির আদেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম মো. কায়সারুল ইসলাম এ আদেশ দেন। শিগগিরই মামলাটির বিচারের জন্য নথিপত্র ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে পাঠানো হবে।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হেমায়েত উদ্দিন খান হিরণ যুগান্তরকে বলেন, এদিন মামলাটিতে পলাতক আসামিদের আদালতে হাজির হতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ধার্য ছিল।

পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করা হয়েছে। এরপর মামলাটি বিচারের জন্য প্রস্তুত হওয়ায় তা এখতিয়ার সম্পন্ন জজ আদালতে বদলির আদেশ দেয়া হয়েছে।

আদালত সূত্র জানায়, ১৩ নভেম্বর আদালতে এ মামলার চার্জশিট দাখিল করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। ২৫ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দেয়া হয়। এর মধ্যে ১১ আসামি সরাসরি হত্যাকাণ্ডে অংশ নেয়। বাকি ১৪ জন বিভিন্নভাবে সম্পৃক্ততার কারণে চার্জশিটে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

১৮ নভেম্বর আদালত মামলার চার্জশিট (অভিযোগপত্র) গ্রহণ করে পলাতক চার আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। এরপর পুলিশ তাদের গ্রেফতার করতে পারেনি বলে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করে। এ পরিপ্রেক্ষিতে ৩ ডিসেম্বর আদালত পলাতক চার আসামির সম্পদ ক্রোকের আদেশ দেন।

একই সঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে হুলিয়া জারি করেন। তবে আসামিদের ব্যক্তিগত কোনো সম্পদ না থাকায় সম্পত্তি ক্রোক করা যায়নি বলে পুলিশ আদালতকে জানায়। পরে আদালত আসামিদের হাজির হতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির আদেশ দেন।

এরই মধ্যে ১২ জানুয়ারি (রোববার) পলাতক আসামি মোর্শেদ অমত্য ইসলাম আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। আদালত জামিন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। বর্তমানে এ মামলায় তিন আসামি পলাতক রয়েছেন। তারা হল- বুয়েট শিক্ষার্থী মোর্শেদুজ্জামান জিসান, এহতেশামুল রাব্বি তানিম ও মোস্তবা রাফিদ।

মামলার চার্জশিটে বলা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন অভিযোগ এনে আবরারকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করে। আবরার নিহতের ঘটনায় তার বাবা মো. বরকত উল্লাহ বাদী হয়ে ৭ অক্টোবর রাজধানীর চকবাজার থানায় মামলাটি করেন।

চার্জশিটে অভিযুক্ত ২৫ জনের মধ্যে এজাহারভুক্ত ১৯ জন এবং তদন্তে আগত ৬ জন রয়েছেন। এজাহারভুক্ত ১৯ জনের মধ্যে ১৬ জন এবং তদন্তে আগত ৬ জনের মধ্যে ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়া অভিযুক্তদের মধ্যে আটজন আদালতে দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।

বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার হত্যা: মামলা বদলির আদেশ

 যুগান্তর রিপোর্ট 
১৪ জানুয়ারি ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
আবরার ফাহাদ
আবরার ফাহাদ। ফাইল ছবি

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ রাব্বী হত্যা মামলাটি বিচারের জন্য প্রস্তুত হওয়ায় তা বদলির আদেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম মো. কায়সারুল ইসলাম এ আদেশ দেন। শিগগিরই মামলাটির বিচারের জন্য নথিপত্র ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে পাঠানো হবে।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হেমায়েত উদ্দিন খান হিরণ যুগান্তরকে বলেন, এদিন মামলাটিতে পলাতক আসামিদের আদালতে হাজির হতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ধার্য ছিল।

পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করা হয়েছে। এরপর মামলাটি বিচারের জন্য প্রস্তুত হওয়ায় তা এখতিয়ার সম্পন্ন জজ আদালতে বদলির আদেশ দেয়া হয়েছে।

আদালত সূত্র জানায়, ১৩ নভেম্বর আদালতে এ মামলার চার্জশিট দাখিল করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। ২৫ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দেয়া হয়। এর মধ্যে ১১ আসামি সরাসরি হত্যাকাণ্ডে অংশ নেয়। বাকি ১৪ জন বিভিন্নভাবে সম্পৃক্ততার কারণে চার্জশিটে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

১৮ নভেম্বর আদালত মামলার চার্জশিট (অভিযোগপত্র) গ্রহণ করে পলাতক চার আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। এরপর পুলিশ তাদের গ্রেফতার করতে পারেনি বলে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করে। এ পরিপ্রেক্ষিতে ৩ ডিসেম্বর আদালত পলাতক চার আসামির সম্পদ ক্রোকের আদেশ দেন।

একই সঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে হুলিয়া জারি করেন। তবে আসামিদের ব্যক্তিগত কোনো সম্পদ না থাকায় সম্পত্তি ক্রোক করা যায়নি বলে পুলিশ আদালতকে জানায়। পরে আদালত আসামিদের হাজির হতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির আদেশ দেন।

এরই মধ্যে ১২ জানুয়ারি (রোববার) পলাতক আসামি মোর্শেদ অমত্য ইসলাম আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। আদালত জামিন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। বর্তমানে এ মামলায় তিন আসামি পলাতক রয়েছেন। তারা হল- বুয়েট শিক্ষার্থী মোর্শেদুজ্জামান জিসান, এহতেশামুল রাব্বি তানিম ও মোস্তবা রাফিদ।

মামলার চার্জশিটে বলা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন অভিযোগ এনে আবরারকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করে। আবরার নিহতের ঘটনায় তার বাবা মো. বরকত উল্লাহ বাদী হয়ে ৭ অক্টোবর রাজধানীর চকবাজার থানায় মামলাটি করেন।

চার্জশিটে অভিযুক্ত ২৫ জনের মধ্যে এজাহারভুক্ত ১৯ জন এবং তদন্তে আগত ৬ জন রয়েছেন। এজাহারভুক্ত ১৯ জনের মধ্যে ১৬ জন এবং তদন্তে আগত ৬ জনের মধ্যে ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়া অভিযুক্তদের মধ্যে আটজন আদালতে দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : বুয়েট ছাত্রের রহস্যজনক মৃত্যু

১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০