‘টাক মিলন’কে রিমান্ডে চায় যশোর পুলিশ

  যশোর ব্যুরো ১৫ জানুয়ারি ২০২০, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

জাহিদ হোসেন মিলন
জাহিদ হোসেন মিলন

যশোর জেলা যুবলীগের প্রচার সম্পাদক ব্যাপক সমালোচিত জাহিদ হোসেন মিলন ওরফে ‘টাক মিলন’কে ৭ দিনের রিমান্ড চাচ্ছে পুলিশ।

মঙ্গলবার যশোরের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তাকে হাজির করে রিমান্ড চাওয়া হয়। আদালত রোববার শুনানির দিন ঠিক করে তাকে জেলে পাঠায়। পলাশবাড়ীর ত্রাস ও চাঁদাবাজ ‘টাক মিলনের’ বিরুদ্ধে ক্যাসিনো ব্যবসা করে বিপুল অর্থবিত্তের মালিক হওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

রোববার সন্ধ্যায় সপরিবারে বিদেশ থেকে দেশে আসার সময় শাহজালাল বিমানবন্দন থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। দীর্ঘদিন তিনি পালিয়ে বেড়াচ্ছিলেন।

যশোর গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মারুফ আহমেদ জানান, মঙ্গলবার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মঞ্জুরুল ইসলামের আদালতে মিলনকে হাজির করে ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে। আদালত রোববার শুনানির দিন ধার্য করে তাকে জেলে পাঠায়।

১২ জানুয়ারি দুবাই থেকে স্ত্রী, সন্তান নিয়ে দেশে ফেরার পথে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। সোমবার যশোর গোয়েন্দা পুলিশের কাছে তাকে হস্তান্তর করা হয়।

যশোর পুলিশের মুখপাত্র মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম বলেন, জাহিদের বিরুদ্ধে ৩টি পরোয়ানা রয়েছে। তার বিরুদ্ধে নানা অপরাধের তথ্য ছিল পুলিশ সদর দফতরে। তিনি দুবাই থাকলেও প্রায়ই দেশে আসা-যাওয়ার তথ্য ছিল পুলিশের কাছে। রোববার সন্ধ্যায় দুবাই থেকে ফেরার পথে ইমিগ্রেশন পুলিশ মিলনকে গ্রেফতার করে আমাদের হাতে তুলে দেয়। সোমবার ডিবি পুলিশের কাছে তাকে হস্তান্তর করা হয়। তার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক আইনে অন্তত ১০টি মামলা রয়েছে।

পুলিশ জানায়, ‘টাক মিলন’ যশোর শহরের পালবাড়ী এলাকার ত্রাস হিসেবে পরিচিত। তার বিরুদ্ধে পরিবহন থেকে ব্যাপক চাঁদাবাজির অভিযোগ আছে।

পালবাড়ির রয়েল কমিউনিটি সেন্টারে দীর্ঘদিন ধরে ক্যাসিনো (জুয়া) ব্যবসা চালাচ্ছিলেন তিনি। সারা দেশে ক্যাসিনোবিরোধী ও শুদ্ধি অভিযান শুরু হলে গা ঢাকা দেন তিনি। রোববার স্ত্রী ও সন্তানসহ মিলনকে গ্রেফতার করা হয়। স্ত্রী ও সন্তানকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

২০১৮ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর রাতে শহরের পুরাতন কসবা কাজীপাড়া এলাকার যুবলীগ কর্মী শরিফুল ইসলাম সোহাগকে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা।

এই হত্যাকাণ্ডে মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে টাক মিলনের নাম এসেছে এক আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে। এই মামলার সন্ধিগ্ধ আসামি তিনি। এ ছাড়াও ২০১৯ সালের ২৭ জানুয়ারি রাতে যশোর-৩ আসনের সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদের বাড়িতে বোমা হামলায় জড়িত টাক মিলন। তার নেতৃত্বেই এই হামলা চালানো হয় বলে পুলিশের তদন্তে বেরিয়ে এসেছে। এই দুটি মামলায় আদালতে রিমান্ড আবেদন করবে পুলিশ।

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

 
×