ঢাকার দুই সিটি নির্বাচন, প্রার্থীর মানের অবনতি

সুজনের সংবাদ সম্মেলন: হত্যাসহ বিভিন্ন মামলার আসামি ২০৮ প্রার্থী * ৭৪০ প্রার্থীর মধ্যে ৩৫৪ জন এসএসসির নিচে ও ৬৬ স্নাতকোত্তর * আচরণবিধি লংঘনের ঘটনায় ইসি কঠোর নয় * সব দলের সম্মতি ছাড়া ইভিএম ব্যবহার সঠিক হয়নি

  যুগান্তর রিপোর্ট ২৬ জানুয়ারি ২০২০, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

সুজন

ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে প্রার্থীদের সামগ্রিক মানের অবনতি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছে সুজন (সুশাসনের জন্য নাগরিক)। সংস্থাটির মতে, ৭৪০ জন মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীর মধ্যে ২০৮ জনের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগে মামলা রয়েছে। এর মধ্যে ৪০ কাউন্সিলর প্রার্থী হত্যা মামলার আসামি। শিক্ষাগত যোগ্যতায় ৩৫৪ জন এসএসসির নিচে ও ৬৬ জন স্নাতকোত্তর পাস। আর ৪৪ জন প্রার্থী ঋণগ্রহীতা এবং ৫৪২ জন পেশায় ব্যবসায়ী।

শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে সুজনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক দিলীপ কুমার সরকার এসব তথ্য প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, দুই সিটি নির্বাচনের ৭৪৯ জন প্রার্থীর মধ্যে ৭৪০ জনের হলফনামা বিশ্লেষণ করে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, ঢাকার দুই সিটিতে ২০১৫ সালের তুলনায় এবারের নির্বাচনে ওয়ার্ড ও ভোটার সংখ্যা বাড়লেও কমেছে প্রার্থী সংখ্যা। এতে প্রতিযোগিতা কমেছে। বড় দলগুলো আইন লংঘন করে রাজনৈতিকভাবে প্রার্থী সমর্থন দেয়ায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তারা। এছাড়া সবার সম্মতি ছাড়া নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন বক্তারা। নির্বাচনে আচরণবিধি লংঘনের অভিযোগ উঠলেও নির্বাচন কমিশন এ ব্যাপারে কঠোর নয়। এতে বড় ধরনের অঘটন ঘটে যেতে পারে বলেও শঙ্কা প্রকাশ করেন তারা। এতে সভাপতিত্ব করেন সুজন সভাপতি এম হাফিজউদ্দিন খান।

সুজন সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, নির্বাচনে প্রার্থীদের মানের অবনতি হচ্ছে। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সংখ্যা কমছে। প্রতিযোগিতা কমছে। এর ফলে ভোটাররা যোগ্য ব্যক্তিকে জনপ্রতিনিধি বাছাইয়ের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তিনি বলেন, নির্বাচনে ব্যবসায়ীদের আধিক্য দেখা যাচ্ছে। রাজনীতি ব্যবসায় পরিণত হচ্ছে। রাজনীতি ধনাঢ্য হওয়ার সুযোগ তৈরি করে দিচ্ছে। আচরণবিধি প্রতিপালন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আচরণবিধি লংঘনের ঘটনা ঘটছে। মাঠে ৪৩ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট থাকলেও তাদের কার্যক্রম দৃশ্যমান নয়। তারা এমন কোনো কার্যক্রম করছেন না যাতে সরকারি দল রুষ্ট হয়।

ইভিএম ব্যবহার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ভারতের তুলনায় ১১ গুণ বেশি দামে ইভিএম কেনা হয়েছে। এ মেশিনে অডিট ট্রেইল বা ভিভিপ্যাট নেই। ফলে ভোটাররা যাকে ভোট দিয়েছেন তার পক্ষে ভোট পড়েছে কিনা বা প্রয়োজনে পুনর্গণনার সুযোগ নেই। ভিভিপ্যাট না থাকায় ইভিএম ম্যানুপুলেট করা যায়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পড়েন সুজনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক দিলীপ কুমার সরকার। তিনি বলেন, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র ও কাউন্সিলর মিলিয়ে ৭৪৯ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তবে কয়েকজনের হলফনামা ইসির ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়নি। আবার একজনের জায়গায় আরেকজনের হলফনামা প্রকাশ করা হয়েছে। সুজন প্রাপ্ত ৭৪০ জনের হলফনামা বিশ্লেষণ করে তথ্য উপস্থাপন করেছে।

সুজনের তথ্য অনুযায়ী, দুই সিটিতে বর্তমানে ২০৮ প্রার্থীর বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে। এর মধ্যে ৪০ জনের বিরুদ্ধে ৩০২ ধারা বা হত্যা মামলা রয়েছে; যারা সবাই কাউন্সিলর প্রার্থী। আর অতীতে মামলা ছিল ৯৭ জনের বিরুদ্ধে। ঢাকা উত্তর সিটির ৬ জন মেয়র প্রার্থীর মধ্যে শুধু বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির প্রার্থী আহাম্মদ সাজেদুল হকের বিরুদ্ধে অতীতে একটি মামলা ছিল। পরে তা থেকে তিনি অব্যাহতি পেয়েছেন। আর কোনো প্রার্থীর বিরুদ্ধে কখনও মামলা দায়ের হয়নি। অন্যদিকে ঢাকা দক্ষিণের ৭ জন মেয়র প্রার্থীর মধ্যে ৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা আছে। ৩ জনের বিরুদ্ধে অতীতে মামলা ছিল। এছাড়া ৩০২ ধারায় ১ জনের বিরুদ্ধে বর্তমানে মামলা আছে।

আওয়ামী লীগের ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপসের বিরুদ্ধে অতীতে দুটি মামলা দায়ের হলেও হাইকোর্ট থেকে তা খারিজ হয়ে যায়। বিএনপির ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেনের বিরুদ্ধে দুটি মামলা রয়েছে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. আবদুর রহমানের বিরুদ্ধে অতীতে দুটি মামলা ছিল; যা থেকে তিনি অব্যাহতি পেয়েছেন। ন্যাশনাল পিপল্স পার্টির প্রার্থী মো. বাহারানে সুলতান বাহারের বিরুদ্ধে বর্তমানে দুটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে; যার মধ্যে একটি ৩০২ ধারার মামলা। অতীতে তার বিরুদ্ধে ৩টি মামলা থাকলেও সেগুলো থেকে খালাসপ্রাপ্ত হয়েছেন।

মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীদের বিরুদ্ধে সামগ্রিক মামলার তথ্য তুলে ধরে সুজন জানিয়েছে, ঢাকা উত্তর সিটি মোট ৩৩১ জন প্রার্থীর মধ্যে ৯৯ জনের বিরুদ্ধে বর্তমানে এবং ৪৪ জনের বিরুদ্ধে অতীতে মামলা ছিল। ২১ জনের বিরুদ্ধে মামলা আছে। ৩০২ ধারায় ২৩ জনের বিরুদ্ধে বর্তমানে মামলা আছে। এ ধারায় অতীতে ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা ছিল।

দিলীপ সরকার বলেন, ঢাকা উত্তর সিটিতে কাউন্সিলর প্রার্থীদের মধ্যে মামলার আধিক্য লক্ষ্য করা যায়। ২০১৫ সালের নির্বাচনে সব প্রার্থীর মধ্যে বর্তমান মামলার শতকরা হার ১৯ দশমিক ৬২ ভাগ ছিল। এ নির্বাচনে মামলা রয়েছে ২৯ দশমিক ৯১ ভাগ। এ কথা বলা অত্যুক্তি হবে না যে, মামলাপ্রবণ ব্যক্তিদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের হার ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। এটা কি রাজনীতিতে অপরাধ প্রবণতা বৃদ্ধির লক্ষণ?

অপরদিকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মোট ৪০৯ প্রার্থীর মধ্যে ১০৯ জনের বিরুদ্ধে বর্তমানে মামলা রয়েছে। আর ৫০ জনের বিরুদ্ধে অতীতে মামলা ছিল এবং ২৬ জনের মামলা আছে। এছাড়া ৩০২ ধারায় ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে। এ ধারায় ১২ জনের বিরুদ্ধে অতীতে মামলা ছিল এবং ১ জনের বিরুদ্ধে মামলা আছে।

সুজন জানিয়েছে, ঢাকা উত্তর সিটিতে মেয়র ও কাউন্সিলর মিলিয়ে ১৫৬ জন ও দক্ষিণ সিটিতে ১৯৮ জন সব মিলিয়ে ৩৫৪ জনের শিক্ষাগত যোগ্যতা এসএসসির নিচে। তারা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের গণ্ডি পেরোতে পারেননি। এর মধ্যে ঢাকা উত্তরের ৬ জন মেয়র প্রার্থীর মধ্যে ৫ জনই উচ্চশিক্ষিত। এদের মধ্যে ২ জনের শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতকোত্তর ও ৩ জনের স্নাতক। তবে ১ জন প্রার্থীর প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা নেই। তিনি প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক দলের প্রার্থী শাহীন খান।

তিনি শিক্ষাগত যোগ্যতার ঘরে ‘স্বশিক্ষিত’ উল্লেখ করেছেন। দক্ষিণ সিটির ৭ জন মেয়র প্রার্থীর মধ্যে ৩ জন উচ্চশিক্ষিত। এদের মধ্যে ২ জনের শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতকোত্তর ও ১ জনের স্নাতক। তবে ৩ জন প্রার্থীর প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা নেই। তারা হচ্ছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. আবদুর রহমান, ন্যাশনাল পিপল্স পার্টির মো. বাহারানে সুলতান বাহার ও জাতীয় পার্টির প্রার্থী মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন। তারা শিক্ষাগত যোগ্যতার ঘরে ‘স্বশিক্ষিত’ উল্লেখ করেছেন।

সব প্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ঢাকা উত্তর সিটির তথ্যপ্রাপ্ত ৩৩১ জনের মধ্যে ১৫৬ জন এসএসসির নিচে, ৪৭ জন এসএসসি, ৪৫ জন এইচএসসি, ৪৮জন স্নাতক ও ৩৫ জন স্নাতকোত্তর পাস। আর দক্ষিণ সিটির ৪০৯ জনের মধ্যে ১৯৮ জন এসএসসির নিচে, ৬৮ জন এসএসসি, ৫৭ জন এইচএসসি, ৪৮ জন স্নাতক ও ৩১ জন স্নাতকোত্তর। বাকিদের তথ্য হলফনামায় উল্লেখ নেই।

সুজন বলছে, মেয়র প্রার্থীদের মধ্যে উচ্চশিক্ষিতের হার বেশি হলেও কাউন্সিলর প্রার্থীদের মধ্যে স্বল্পশিক্ষিতের হার বেশি। ২০১৫ সালের তুলনায় ২০২০ সালে স্বল্পশিক্ষিত প্রার্থীর হার বেড়েছে, কমেছে উচ্চশিক্ষিত প্রার্থীর সংখ্যা।

ব্যবসায়ীদের আধিক্য : সুজনের মতে, ঢাকার দুই সিটি নির্বাচনে ব্যবসায়ীদের আধিক্য বেশি রয়েছে। ঢাকা উত্তর সিটির ৩৩১ জনের মধ্যে ২৪১ জনই ব্যবসায়ী। বাকিদের মধ্যে ৩ জন কৃষি, ২৩ জন চাকরি, ৩ জন আইনজীবী, ২২ জন গৃহিণী ও ২৪ জন অন্যান্য পেশার রয়েছেন। অপরদিকে ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে ৪০৯ জনের ৩০১ জনই ব্যবসায়ী। এছাড়া ৪ জন কৃষি, ২৪ জন চাকরি, ১০ জন আইনজীবী, ৩২ জন গৃহিণী ও ১৭ জন অন্যান্য পেশাজীবী। দুই সিটিতে ৩৬ জন তাদের পেশা উল্লেখ করেননি। সুজন বলছে, পেশাগত বিবেচনায় ২০১৫ সালের তুলনায় এবার ব্যবসায়ী প্রার্থীর হার আরও বেড়েছে।

কোটির বেশি আয় ১০ প্রার্থীর : সুজন জানিয়েছে, ঢাকার দুই সিটিতে বছরে এক কোটি বা তার বেশি আয় করেন এমন প্রার্থীর সংখ্যা ১০ জন। ঢাকা উত্তরের ৬ জন মেয়র প্রার্থীর মধ্যে বছরে ৫ লাখ টাকার নিচে আয় করেন ২ জন, ৫ থেকে ২৫ লাখ টাকা আয় করেন ১ জন এবং কোটি টাকার অধিক আয় করেন ২ জন। প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক দলের প্রার্থী শাহীন খানের পেশা ব্যবস্যা হলেও তিনি কোনো আয় দেখাননি। উত্তরের মেয়র প্রার্থীদের মধ্যে বছরে সর্বোচ্চ ৪ কোটি ১২ লাখ ৭৩ হাজার ৩৯১ টাকা আয় করেন বিএনপির তাবিথ আউয়াল।

আওয়ামী লীগের মো. আতিকুল ইসলামও বছরে কোটি টাকার অধিক আয় করেন। তার বার্ষিক আয় ১ কোটি ২৯ লাখ ৬৮ হাজার ৭৩৫ টাকা। এ সিটির ২৪৮ কাউন্সিলর প্রাথীর মধ্যে ১৩৬ জন বছরে ৫ লাখ টাকার কম আয় করেন। বছরে কোটি টাকার ওপরে আয় করেন ৫ জন। ৭৭ জন সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর প্রার্থীর মধ্যেও ৪৯ জন বছরে ৫ লাখ টাকার কম আয় করেন।

অপরদিকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ৭ জন মেয়র প্রার্থীর মধ্যে বছরে ৫ লাখ টাকার কম আয় করেন ২ জন, ৫ থেকে ২৫ লাখ টাকা আয় করেন ১ জন, ৫০ লাখ থেকে ১ কোটি টাকা আয় করেন ১ জন এবং কোটি টাকার বেশি আয় করেন ১ জন। দক্ষিণের মেয়র প্রার্থীদের মধ্যে বছরে সর্বোচ্চ ৯ কোটি ৮১ লাখ ৩৮ হাজার ৪৬ টাকা আয় করেন আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস। আর বিএনপির ইশরাক হোসেনের বার্ষিক আয় ৯১ লাখ ৫৮ হাজার ৫০৮ টাকা।

এ সিটির ৩২০ ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থীর মধ্যে ১৯০ জন বছরে ৫ লাখ টাকার কম আয় করেন। বছরে কোটি টাকার ওপরে আয় করেন ১ জন। ৮২ জন সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর প্রার্থীর মধ্যে ৪৫ জনের আয় বছরে ৫ লাখ টাকার কম। সুজনের মতে, ঢাকা উত্তর সিটিতে কোটিপতি প্রার্থীর সংখ্যা বেড়েছে, তবে কমেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে।

সম্পদ ও ঋণ : সুজনের তথ্য অনুযায়ী, ১৩ জন প্রার্থীর বা তার নির্ভরশীলদের সম্পদ ৫ কোটি টাকার ওপরে। এক কোটি থেকে ৫ কোটি টাকার সম্পদ রয়েছে ৬৯ জন প্রার্থীর। অপরদিকে ২২০ জন প্রার্থীর সম্পদ ৫ লাখ টাকার কম রয়েছে। দায়দেনা ঋণ নেয়ার দিক থেকে ঢাকা উত্তর সিটিতে ২৮ জন ও দক্ষিণ সিটিতে ১৬ জন প্রার্থী রয়েছেন। দুই সিটির সব প্রার্থীই করদাতা হিসেবে নিজেদের উল্লেখ করেছেন।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

 
×