৩১ জেলে হত্যা মামলার আসামি বন্দুকযুদ্ধে নিহত

আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার

  চট্টগ্রাম ব্যুরো ২৭ জানুয়ারি ২০২০, ০০:০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

প্রতীকী ছবি

৩১ জেলে হত্যা মামলার আসামি মোরশেদ আলম র‌্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন। শনিবার রাতে বাঁশখালী উপজেলার বাণীগ্রাম লটমণি পাহাড়ে এ বন্দুকযুদ্ধ হয়। ঘটনাস্থল থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি থ্রি কোয়ার্টারগান, দুটি ওয়ানশুটারগান, ১৯ রাউন্ড গুলি ও ৩টি রামদা জব্দ করা হয়েছে।

মোরশেদ বাঁশখালী উপজেলার চাম্বল এলাকার ছিদ্দিক আহমেদের ছেলে। পুলিশের দাবি, তিনি ৩১ জেলে খুনের মামলাসহ ২১ মামলার আসামি। তার বিরুদ্ধে মামলার পাশাপাশি চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের বিভিন্ন থানায় অর্ধশতাধিক জিডিও আছে।

র‌্যাব জানায়, শনিবার রাতে লটমণি পাহাড়ে অভিযানে গেলে মোরশেদ ও তার বাহিনীর লোকজন র‌্যাবকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এ সময় র‌্যাবও ডাকাতদের লক্ষ্য করে পাল্টা গুলি ছুড়লে ঘটনাস্থল থেকে মোরশেদের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার হয়। কক্সবাজারের কুতুবদিয়া ও চট্টগ্রামের আনোয়ারা-বাঁশখালীতে বঙ্গোপসাগর উপকূলের বিভিন্ন এলাকায় মোরশেদ দুর্ধর্ষ ডাকাত হিসেবে পরিচিত। ২০১৩ সালের ২৪ মার্চ কুতুবদিয়া থানার জাহাজখালীতে বঙ্গোপসাগরের গভীর সমুদ্রে মাছ ধরার ট্রলারে ডাকাতি করতে যায় মোরশেদ বাহিনী। বাধা দিলে ওই ট্রলারের মাঝিমাল্লাসহ ৩১ জেলেকে হত্যা করে পানিতে ফেলে দেয় ডাকাতরা। ওই ডাকাতি মামলার অন্যতম আসামি মোরশেদ। মূলত ৩১ জনকে খুনের পর চট্টগ্রাম-কক্সবাজারে মোরশেদ বাহিনীর নাম ছড়িয়ে পড়ে।

অভিযোগ আছে, একই বছরের ২০ জুলাই বাঁশখালীতে মোরশেদ বাহিনী গুলি করে খুন করে চাম্বল বাজার ব্যবসায়ী কমিটির সভাপতি বুজুরুছ মেহের চৌধুরীকে। এ হত্যাকাণ্ডের পর মোরশেদকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্রসহ গ্রেফতার করে

পুলিশ। ২০১৯ সালের ১০ মার্চ তিনি জামিনে মুক্তি পান। র‌্যাবের জোন সহকারী পরিচালক এএসপি কাজী মো. তারেক আজিজ যুগান্তরকে জানিয়েছেন, মোরশেদ বাঁশখালী উপকূলের একজন চিহ্নিত সন্ত্রাসী। টেকনাফে বন্দুকযুদ্ধে যুবক নিহত : টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি, টেকনাফে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে মো. নাসির ওরফে মুন্না নামে এক যুবক নিহত হয়েছে। এ সময় পুলিশের ৩ সদস্য আহত হন। ঘটনাস্থল থেকে ১০ হাজার পিস ইয়াবা, ৩টি দেশীয় অস্ত্র, ১২ ও ১৬ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করা হয়। পুলিশের দাবি, নিহত যুবক চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী গ্রুপের সদস্য। টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ জানান, রোববার ভোরে টেকনাফ থানার পুলিশ মিয়ানমার থেকে ইয়াবার চালান আসার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হোয়াইক্যং নয়াবাজারের পূর্বে নাফ নদীর কিনারা সংলগ্ন লবণ মাঠে অবস্থান নেয়। একদল মাদক কারবারি পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি করে। পুলিশও আত্মরক্ষার্থে বেশ কিছুক্ষণ গুলি করলে মাদক কারবারিরা পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থল তল্লাশি করে ইয়াক, অস্ত্রসহ গুলিবিদ্ধ এক ব্যক্তিতে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য উপজেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়ার পর গুলিবিদ্ধ মাদক কারবারি হোয়াইক্যং পূর্ব সাতঘরিয়া পাড়ার জালাল আহমদের ছেলে মো. নাসির ওরফে মুন্নাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত