ঢাবির ৬৭ শিক্ষার্থী স্থায়ী বহিষ্কার
jugantor
ঢাবির ৬৭ শিক্ষার্থী স্থায়ী বহিষ্কার
২২ জন সাময়িক বহিষ্কার

  ঢাবি প্রতিনিধি  

২৯ জানুয়ারি ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬৭ শিক্ষার্থীকে স্থায়ী এবং ২২ জনকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। এদের মধ্যে ভর্তি পরীক্ষায় ডিজিটাল জালিয়াতি ও অবৈধপন্থায় ভর্তির জন্য ৬৩ জন এবং অবৈধ অস্ত্র ও মাদকদ্রব্যের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে ৪ শিক্ষার্থীকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেটের এক সভায় মঙ্গলবার এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

ভিসি অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় ডিজিটাল জালিয়াতি ও অবৈধপন্থায় ভর্তির অভিযোগে আরও ৯ জন এবং ছিনতাইয়ের অভিযোগে ১৩ জন- মোট ২২ শিক্ষার্থীকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। একইসঙ্গে তাদের কেন স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হবে না- এই মর্মে ৭ কার্যদিবসের মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদানের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

সিন্ডিকেট সূত্র জানায়, স্থায়ীভাবে বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীদের ইতিপূর্বে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়েছিল এবং সাত দিনের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছিল। জবাব সন্তাষজনক না হওয়ায় শৃঙ্খলা পরিষদের সুপারিশক্রমে তাদের স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।

এছাড়া সভায় ঢাবি গ্রন্থাগার ও টিএসসিতে গত বছরের ২৫ অক্টোবর সংঘটিত ঘটনায় ২ শিক্ষার্থীকে ৬ মাসের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ পরীক্ষায় বিভিন্ন সময় অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগে ৩০ শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি দেয়া হয়েছে।

এর বাইরে বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে পিএইচডি থিসিস জালিয়াতির অভিযোগ উত্থাপিত হওয়ায় তাকে প্রশাসনিক ও শিক্ষা কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে এবং এ বিষয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

ঢাবির ৬৭ শিক্ষার্থী স্থায়ী বহিষ্কার

২২ জন সাময়িক বহিষ্কার
 ঢাবি প্রতিনিধি 
২৯ জানুয়ারি ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬৭ শিক্ষার্থীকে স্থায়ী এবং ২২ জনকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। এদের মধ্যে ভর্তি পরীক্ষায় ডিজিটাল জালিয়াতি ও অবৈধপন্থায় ভর্তির জন্য ৬৩ জন এবং অবৈধ অস্ত্র ও মাদকদ্রব্যের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে ৪ শিক্ষার্থীকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেটের এক সভায় মঙ্গলবার এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

ভিসি অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় ডিজিটাল জালিয়াতি ও অবৈধপন্থায় ভর্তির অভিযোগে আরও ৯ জন এবং ছিনতাইয়ের অভিযোগে ১৩ জন- মোট ২২ শিক্ষার্থীকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। একইসঙ্গে তাদের কেন স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হবে না- এই মর্মে ৭ কার্যদিবসের মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদানের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

সিন্ডিকেট সূত্র জানায়, স্থায়ীভাবে বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীদের ইতিপূর্বে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়েছিল এবং সাত দিনের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছিল। জবাব সন্তাষজনক না হওয়ায় শৃঙ্খলা পরিষদের সুপারিশক্রমে তাদের স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।

এছাড়া সভায় ঢাবি গ্রন্থাগার ও টিএসসিতে গত বছরের ২৫ অক্টোবর সংঘটিত ঘটনায় ২ শিক্ষার্থীকে ৬ মাসের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ পরীক্ষায় বিভিন্ন সময় অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগে ৩০ শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি দেয়া হয়েছে।

এর বাইরে বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে পিএইচডি থিসিস জালিয়াতির অভিযোগ উত্থাপিত হওয়ায় তাকে প্রশাসনিক ও শিক্ষা কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে এবং এ বিষয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন