করোনাভাইরাস: বিমানবন্দরে সব যাত্রীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা হবে

চীন ফেরত এক শিক্ষার্থী রংপুর মেডিকেলে ভর্তি * মৃতের সংখ্যা ৭২২, আক্রান্ত প্রায় ৩২ হাজার * শি-ট্রাম্প ফোনালাপ সাহায্যের প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের * আতঙ্কের কিছু নেই -জাহিদ মালেক

  যুগান্তর রিপোর্ট ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

স্বাস্থ্য

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামার পর সব বিমানযাত্রীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হবে। যে দেশ থেকেই আসুক, স্বাস্থ্য পরীক্ষা ছাড়া কেউ দেশে প্রবেশ করতে পারবে না। নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য স্বাস্থ্য পরীক্ষার বিষয়ে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকারের স্বাস্থ্য বিভাগ।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক করোনাভাইরাসে আতঙ্কিত না হতে দেশবাসীকে পরামর্শ দিয়েছেন। নীলফামারীর ডোমারের চীন ফেরত এক শিক্ষার্থী জ্বর ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। চেষ্টা থাকলেও চীন থেকে ১৭১ জন বাংলাদেশিকে দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আবদুল মোমেন।

এদিকে নতুন এ ভাইরাসে চীনে মৃতের সংখ্যা একদিনে ৮৬ জন বেড়ে ৭২২ জনে পৌঁছেছে। আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩১ হাজার ৭৭৪ জনে। মৃতের সংখ্যা এই হারে বাড়লে কয়েকদিনেই তা সার্স ভাইরাসকে ছাড়িয়ে যাবে। ২০০২-০৩ সালে সার্স ভাইরাসে সারাবিশ্বে ৭৭৪ জনের মৃত্যু হয়েছিল।

শনিবার করোনাভাইরাস পরিস্থিতি নিয়ে আইইডিসিআরের নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানানো হয়। সেখানে বলা হয়, বিশ্বের যে কোনো দেশ থেকে কেউ বাংলাদেশে প্রবেশ করতে চাইলে বন্দরে ‘স্ক্রিনিংয়ের মধ্য দিয়ে যেতে হবে। চীন থেকে ইতিমধ্যে দুই ডজনের বেশি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে করোনাভাইরাস। এতে মৃতের সংখ্যা সাতশ’ ছাড়িয়েছে। আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় বিভিন্ন দেশ সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নিয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে আইইডিসিআরের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা বলেন, চীন ছাড়া আরও কয়েকটি দেশে স্থানীয়ভাবে একজনের দেহ থেকে আরেকজনের দেহে নতুন এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে। এ কারণে বিমানবন্দরে আসা সবগুলো বিমানই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় আনার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, আসলে চীন এবং আরও কয়েকটি দেশের যাত্রীদের এই স্ক্রিনিং কার্যক্রমে আনলেই যথেষ্ট ছিল। কিন্তু আমরা অতিরিক্ত সতর্কতা হিসেবে এটা চালু করেছি। এটা সব দেশের ফ্লাইটের ক্ষেত্রেই শুরু হয়েছে। এতে ভীত হওয়ার কিছু নেই, এটা বাড়তি সতর্কতা। শুক্রবার থেকে এই কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তা কতদিন ধরে চলবে, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে সেই সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানান আইইডিসিআর পরিচালক।

অধ্যাপক ফ্লোরা জানান, নতুন করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের মধ্যে ৮২ শতাংশের মাইল্ড অবস্থা, ১৫ শতাংশ সিভিয়ার আর তিন শতাংশের অবস্থা ক্রিটিক্যাল। অর্থাৎ এই তিন শতাংশেরই আইসিইউ সাপোর্ট দরকার হয়। বিশ্বে এ পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ৩১ হাজার ৪৮১ জন, মারা গেছেন ৬৩৭।

আর চীনসহ মোট আক্রান্ত দেশের সংখ্যা ২৫টি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হংকং, তাইওয়ান এবং ম্যাকাওকে চীনের অন্তর্গত বলে জানিয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ১৭ হাজার রোগীর একটি বিশ্লেষণ করেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে শতকরা ৮২ ভাগ মাইল্ড কেস, শতকরা ১৫ ভাগ সিভিয়ার কেস- যাদের রেসপিরেটরি ডিফিক্যাল্টি আছে এবং শতকরা তিন ভাগ হচ্ছে ক্রিটিক্যাল-যাদের আইসিইইউ (নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র) সাপোর্ট প্রয়োজন হচ্ছে।

তিনি বলেন, এটা দেখেই বুঝতে পারি, করোনা নিয়ে আতঙ্কের কিছু নেই। বেশির ভাগ কেস খুব সাধারণ। আমাদের যে কমন ফ্লু রয়েছে, যেমন জ্বর, কাশি- এসব উপসর্গ নিয়ে ভুগছেন এবং তাদের আসলে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার প্রয়োজন নেই। আবার নতুন রোগীর সংখ্যা পর্যালোচনা করে দেখা যায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী গতকাল নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন তিন হাজার ১৫১ জন যা কিনা তার আগের দিন ছিল তিন হাজার ৬০০ জন। এতে বোঝা যায় এটা কমতে শুরু করেছে। একই সঙ্গে নতুন কোনো দেশ আক্রান্ত হয়নি, এটাও পজিটিভ। এগুলো থেকে বোঝা যায় প্রতিরোধ কার্যক্রম কাজ করছে।

বাংলাদেশের সবগুলো বন্দরে আসা যাত্রীদের স্ক্রিনিং করার সক্ষমতা স্বাস্থ্য অধিদফতরের আছে কিনা জানতে চাইলে অধ্যাপক ফ্লোরা বলেন, বিভিন্ন এয়ারলাইন্স, বন্দর কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সহযোগিতায় এ কাজটি করা হচ্ছে। আমরা এয়ারলাইন্সগুলোর সহযোগিতা নিচ্ছি। ফ্লাইটের মধ্যে যে ডিক্লেয়ারেশন ফরম দেয়া হয়, তাতে এয়ারলাইন্সগুলো সহায়তা করে। আমরা সম্মিলিতভাবেই করছি। যে বন্দরে থার্মাল স্ক্যানার নেই, সেখানে আমরা হ্যান্ডহোল্ড স্ক্যানার দিয়েছি- দুটোর কার্যক্রম একই।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, শনিবার সকাল পর্যন্ত ৮ হাজার ৪৮৪ জনকে স্ক্রিনিং করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত ৫৩ জনের নমুনা পরীক্ষা করলেও কারও দেহে করোনাভাইরাস পাওয়া যায়নি। তাছাড়া চীনের উহান থেকে আসা ৩১২ বাংলাদেশির মধ্যে আশকোনা হজক্যাম্পে থাকা ৩০১ জনের সবাই সুস্থ আছেন। সিএমএইচে থাকা ১১ জনের অবস্থাও ভালো।

আতঙ্কের কিছু নেই- স্বাস্থ্যমন্ত্রী : করোনাভাইরাস নিয়ে আতঙ্কের কিছু নেই বললেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি শনিবার মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেয়ার সময় এ কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, দেশের কোথাও এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়নি। তাই ভয়ের কিছু নেই। কোথাও এ রোগের আশঙ্কা হলে সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে ভর্তির ব্যবস্থাসহ প্রশাসনকে অবহিত করবেন।

পরীক্ষায়ও করোনাভাইরাস সংক্রমণ ধরা পড়ছে না : নতুন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত অনেককে পরীক্ষা করেও সংক্রমণের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না। এমনটি জানিয়েছেন চীনের চিকিৎসকরা। চীনের একাডেমি অব মেডিকেল সায়েন্সের প্রধান ওয়াং চেনকে উদ্ধৃত করে রয়টার্স অনেকের পরীক্ষার ফল ‘ফলস নেগেটিভ‘ আসার কথা জানিয়েছে।

তিনি চীনের টেলিভিশনে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, অসুস্থদের যারা নতুন ধরনের করোনাভাইরাসে সত্যিই আক্রান্ত, টেস্ট করে তাদের মধ্যে ৩০ থেকে ৫০ শতাংশের পজিটিভ পাওয়া যাচ্ছে। এখনও অনেকের লালা পরীক্ষা করে ফলস নেগেটিভ রেজাল্ট পাওয়া যাচ্ছে। যার মানে সত্যিকার অর্থেই যতজন করোনাভাইরাস আক্রান্ত, তার অর্ধেকের ক্ষেত্রে পরীক্ষায় ধরা পড়েনি।

চীনের হুবেই প্রদেশে এখন করোনাভাইরাস শনাক্তে সিটিস্ক্যান শুরু করেছে। বলা হচ্ছে, এই পরীক্ষায় দ্রুত রোগ শনাক্ত সম্ভব। সার্সের চেয়ে ভয়াবহ হিসেবে আবির্ভূত নতুন ধরনের করোনাভাইরাসে মৃতের সংখ্যা সাতশ’ ছাড়িয়েছে বলে জানিয়েছে রয়টার্স। হুবাই প্রদেশে শুক্রবার আক্রান্তের সংখ্যা আগের দিনের চেয়ে বেশি হারে বেড়েছে।

হুবেইর কর্মকর্তা শনিবার ওই প্রদেশে আরও ৮১ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন। এর মধ্যে ৬৭ জনই উহানের। পুরো চীনে মৃতের সংখ্যা একদিনে ৮৬ জন বেড়ে ৭২২ জনে পৌঁছেছে। আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩১ হাজার ৭৭৪। মৃতের সংখ্যা এই হারে বাড়লে কয়েকদিনেই সার্স ভাইরাসকে ছাড়িয়ে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ২০০২-০৩ সালে সার্স ভাইরাসে সারাবিশ্বে ৭৭৪ জনের মৃত্যু হয়েছিল। করোনাভাইরাসে এ পর্যন্ত মৃতদের মধ্যে হংকং ও ফিলিপিন্সের দু’জন ছাড়া বাকি সব চীনা নাগরিক। চীন ছাড়া ২৭টি দেশের ৩৩২ জনের মধ্যে এই ভাইরাস সংক্রমণ ধরা পড়েছে।

চীন ফেরত শিক্ষার্থী রংপুর মেডিকেলে ভর্তি : করোনাভাইরাসে আক্রান্ত সন্দেহে নীলফামারীর ডোমারের চীন ফেরত এক শিক্ষার্থী জ্বর ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। ওই শিক্ষার্থীর নাম তাশদীদ হোসেন (২৫)। শনিবার দুপুরে হাসপাতালে ভর্তির পরপরই তাকে আইসোলেশন ওয়ার্ডে নেয়া হয়।

তবে পরীক্ষা-নিরীক্ষার উপযুক্ত ব্যবস্থা না থাকায় ঢাকার রোগতত্ত্ব ও রোগ নির্ণয় ইন্সটিটিউটকে ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানিয়ে জরুরি বার্তা পাঠানো হয়েছে। তার দেহ থেকে রক্ত, কফসহ বিভিন্ন নমুনা সংগ্রহ করে এরই মধ্যে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। সন্দেহভাজন রোগীকে বিশেষ ব্যবস্থায় একটি আইসোলেশন ওয়ার্ডে রাখা হয়েছে। চিকিৎসক ও নার্স ছাড়া কাউকেই সেখানে যেতে দেয়া হচ্ছে না।

রংপুর মেডিকেলের অতিরিক্ত পরিচালক ডা. মোকাদ্দেম হোসেন বলেন, তাশদীদ হোসেন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত কিনা চিকিৎসকরা এখনও নিশ্চিত নন। রমেক হাসপাতালে পরীক্ষা-নিরীক্ষার কোনো ব্যবস্থা না থাকায় বিষয়টি আইডিসিআরকে জানানো হয়েছে।

আমরা তাকে বিশেষ ব্যবস্থায় হাসপাতালের একটি ওয়ার্ডে রেখে সেবা দিচ্ছি। সেই ওয়ার্ডে ডাক্তার ও নার্স ছাড়া কাউকে প্রবেশ করতে দেয়া হচ্ছে না। রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালের অধ্যক্ষ ডা. নুরুন্নবী লাইজু জানান, আবিদ হোসেন নামে চীন ফেরত এক ব্যক্তি জ্বর ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে এলে তাকে আইসোলেশন বিভাগে ভর্তি করা হয়েছে।

তিনি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত কিনা চিকিৎসকরা এখনও নিশ্চিত নন। বিষয়টি জাতীয় রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইন্সটিটিউটে (আইডিসিআর) জানানো হয়েছে। সন্ধ্যায় করোনা (আসুলেশন) ইউনিটে আসেন রংপুর জেলা সিভিল সার্জন হিরম্ব কুমার রায়। তিনি জানান, চীন ফেরত ওই শিক্ষার্থীকে প্রাথমিকভাবে করোনাভাইরাস আক্রান্ত সন্দেহে আমরা ভর্তি নিয়ে ট্রিটমেন্ট দিচ্ছি। ঢাকা থেকে ৬ সদস্যের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের একটি টিম রওনা দিয়েছে। তারা আসার পর সবকিছু স্পষ্ট হবে।

করোনা প্রতিরোধে হংকংয়ের নতুন নিয়ম : করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব রুখতে নতুন পদক্ষেপ হাতে নিয়েছে হংকং। তা হচ্ছে চীনের মূল ভূখণ্ড থেকে আগত যে কাউকেই দুই সপ্তাহ কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে। পর্যটকদের হোটেলের কক্ষে নিজেদের একাকী রাখা হবে বা সরকার পরিচালিত কেন্দ্রগুলোতে যেতে হবে।

আর হংকংয়ের বাসিন্দা, যারা চীন থেকে ফিরবে, তাদের এই সময়ের মধ্যে নিজেদের বাড়ি থেকে বের না হওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এই নিয়ম যে লঙ্ঘন করবে তাদের জেল এবং জরিমানা গুনতে হবে। হংকংয়ে এখনও পর্যন্ত ২৬ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া গেছে এবং একজন ব্যক্তি মারা গেছেন।

চীনের হুবেইতে বাংলাদেশিদের খাবারের সংকট নেই : চীনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মাহবুব উজ জামান বলেছেন, হুবেই প্রদেশে থাকা বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের কোনো খাদ্যসংকট নেই। তাই সেখানে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের আতঙ্কিত না হয়ে শান্ত থাকতে ও ধৈর্যের সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবেলার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

শনিবার বেইজিং থেকে এক ভিডিও বার্তায় রাষ্ট্রদূত সে দেশে থাকা বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের প্রতি এ আহ্বান জানান। করোনাভাইরাস সংক্রমণের প্রেক্ষাপটে বেইজিংয়ে বাংলাদেশ দূতাবাস বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য কী কী পদক্ষেপ নিয়েছে এবং সেখানকার বর্তমান পরিস্থিতি কী তা জানাতে রাষ্ট্রদূত গণমাধ্যমে ভিডিও বার্তা পাঠান।

রাষ্ট্রদূত বলেন, চীন থেকে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়টি একটি চলমান প্রক্রিয়া, যেখানে দুই দেশের সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সমন্বিতভাবে কাজ করছে। বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের ফেরত পাঠানোর বিষয়ে দূতাবাসের একক কোনো ক্ষমতা নেই।

করোনাভাইরাস নিয়ে শি-ট্রাম্প ফোনালাপ, সাহায্যের প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের : করোনাভাইরাস সংক্রমণ নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলেছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ফোনে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে শি বলেছেন, আমরা নিশ্চিত, মহামারী আমরা রুখবই।

চীনের অর্থনীতিও থেমে থাকবে না। ট্রাম্পকে শি বলেন, এই পরিস্থিতিতে যা পদক্ষেপ নেবেন, আশা করি ভেবে করবেন। একাধিক রাষ্ট্র চীনের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করেছে। তাদের সিদ্ধান্তকে ধিক্কার জানিয়ে ট্রাম্পকে যথাযোগ্য সিদ্ধান্ত নেয়ার আবেদন জানান তিনি। এসময় ট্রাম করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়তে চীন ও আক্রান্ত অন্য দেশগুলোকে ১০ কোটি ডলার পর্যন্ত সাহায্যের প্রস্তাব দেন।

'কোভিড-১৯' সর্বশেষ আপডেট

# আক্রান্ত সুস্থ মৃত
বাংলাদেশ ৬১ ২৬
বিশ্ব ১০,১৫,৮৫০ ২,১২,৯৯১ ৫৩,২১৬
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

 
×