অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০২০: স্টলে স্টলে হরেক রকম বইয়ের সম্ভার
jugantor
অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০২০: স্টলে স্টলে হরেক রকম বইয়ের সম্ভার

  হক ফারুক আহমেদ  

১০ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

অমর একুশে গ্রন্থমেলায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান হরেক রকম বই নিয়ে হাজির হয়েছে। এর মধ্যে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আছে সৃজনশীল সব প্রকাশনা সংস্থা। তবে বইয়ের সম্ভারে কোনো অংশেই পিছিয়ে নেই বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ। সেখানে বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানকে স্টল ও প্যাভিলিয়ন দেয়া হয়েছে।

বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে শিশু একাডেমির স্টল ঘুরে দেখা যায়, সেখানে বাচ্চাদের পাঠ উপযোগী অনেক বই রয়েছে। এর মধ্যে ‘শিশু বিশ্বকোষ’, ‘বাংলা অভিধান’, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার লেখা ‘আমাদের ছোট রাসেল সোনা’, ‘ছোটদের বিজ্ঞান কোষ’, ‘মুক্তিযুদ্ধের কিশোর গল্প’ বেশ ভালো বিক্রি হচ্ছে। ইসলামী ফাউন্ডেশনের বেশি বিক্রীত বইয়ের মধ্যে রয়েছে ‘বুখারি শরিফ’, ‘আখলাকুল নবী’, ‘আল কোরআনুল করিম’, ‘নক্ষত্রতুল্য সাহাবায়ে কারাম’। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর স্টলে আছে পরিসংখ্যান বিষয়ক নানা বই। জাতীয় জাদুঘরে থেকে প্রকাশিত ‘আলোকচিত্রে সেকালের ঢাকা’, ‘বাংলাদেশের দারুশিল্প’, ‘ট্রেডিশনাল জামদানী’ বইগুলোর কাটতি ভালো। স্পর্শ ব্রেইল প্রকাশ করেছে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের জন্য ব্রেইল সংস্করণে নতুন ১৫টি বই। মেলা চলাকালে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীরা এখানকার যে কোনো বই পড়তে পারেন। বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে আছে বঙ্গবন্ধু বিষয়ক নানা বই। সেন্টার ফর রিচার্স অ্যান্ড ইনফরমেশন প্রকাশ করেছে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে গ্রাফিক নভেল ‘মুজিব’র সপ্তম খণ্ড। এবারের গ্রাফিক নভেলটির নাম ‘অ্যাকশন ডে’। উন্মাদ এনেছে তাদের মাসিক রম্য ম্যাগাজিনের ৩৫০তম সংখ্যা। কবি নজরুল ইনস্টিটিউটে পাওয়া যাচ্ছে নজরুল বিষয়ক নানা বই। ডাক বিভাগের স্টলে রয়েছে হরেক রকমের ডাকটিকিট, পোস্টকার্ড, বিশেষ খাম। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশনা সংস্থায় রয়েছে মূলত গবেষণা বিষয়ক বই। বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটিতেও রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ সব বই। তাদের প্রকাশিত বইগুলোর মধ্যে বাংলাপিডিয়া, জুনিয়র বাংলাপিডিয়া, বাংলাদেশের ইতিহাস ভালো বিক্রি হচ্ছে।

মূলমঞ্চের আয়োজন : বিকালে গ্রন্থমেলার মূলমঞ্চে অনুষ্ঠিত হয় মিল্টন বিশ্বাস রচিত উপন্যাসে বঙ্গবন্ধু শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠান। প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রশান্ত মৃধা। আলোচনায় অংশ নেন পাপড়ি রহমান ও মোজাফ্ফর হোসেন। লেখকের বক্তব্য প্রদান করেন মিল্টন বিশ্বাস। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আনোয়ারা সৈয়দ হক। সন্ধ্যায় ছিল কবিকণ্ঠে কবিতাপাঠ, আবৃত্তি এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

আলোচকরা বলেন, বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে লিখিত উপন্যাসগুলোকে শৈল্পিক ও ঐতিহাসিক দুটি দৃষ্টিকোণ থেকেই দেখার অবকাশ রয়েছে। বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশের ইতিহাস সমার্থক। তিনি (বঙ্গবন্ধু) হলেন সেই মহামানব যার মধ্যদিয়ে আমরা স্বদেশকে উপলব্ধি করতে পারি। বাংলার ইতিহাসের এ মহান নেতাকে ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে রেখে উপন্যাসের ভাষ্য নির্মাণ এবং সব ধরনের শিল্প মাধ্যমে তার গৌরবগাথা তুলে ধরা একান্ত প্রয়োজন।

সভাপতির বক্তব্যে আনোয়ারা সৈয়দ হক বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালি হৃদয়ের এত কাছের একজন মানুষ যে, তাকে নিয়ে সাহিত্য রচনায় স্বতঃস্ফূর্তভাবেই আবেগের বহিঃপ্রকাশ ঘটে। তবে এই আবেগের স্রোত এড়িয়ে নির্মোহভাবে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে উপন্যাস লিখতে হবে এবং আমাদের নতুন প্রজন্মের কাছে বঙ্গবন্ধুর কীর্তিময় জীবনগাথা সাহিত্য ও শিল্পের মাধ্যমে পৌঁছে দিতে হবে।

কবিকণ্ঠে কবিতা পাঠ করেন কবি হালিম আজাদ, শাকিরা পারভীন, বায়তুল্লাহ কাদেরী এবং নাজমুল হুসাইন বিদ্যুৎ। আবৃত্তি করেন আবৃত্তিশিল্পী রফিকুল ইসলাম, ডালিয়া আহমেদ, শুচিতা সপর্যা। সংগীত পরিবেশন করেন ফকির আজমল শাহ, আনোয়ার হোসেন, কাঙালিনি সুফিয়া, আমজাদ দেওয়ান, মমতা দাসী বাউল এবং প্রশান্ত সরকার। আজ লেখক বলছি অনুষ্ঠানে নিজেদের নতুন বই নিয়ে আলোচনা করেন পারভেজ হোসেন, ওবায়েদ আকাশ, মোস্তফা হোসেইন এবং খায়রুল বাবুই।

নতুন বই : বাংলা একাডেমির জনসংযোগ উপবিভাগ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, রোববার মেলায় নতুন বই এসেছে ১১৬টি। এরমধ্যে অন্যপ্রকাশ এনেছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ‘তারুণ্যের আলোয়’, পাঞ্জেরী পাবলিকেশন্স এনেছে মোনায়েম সরকারের ‘লাইফ অ্যান্ড টাইমস অব দি ফাদার অব দি নেশন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান’, পাঞ্জেরী থেকে সৈয়দ মনজুরুল ইসলামের ‘উপন্যাস ত্রয়ী’, অবসর থেকে গোলাম মুরশিদের ‘রবীন্দ্রনাথের নারী-ভাবনা’, বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত বঙ্গবন্ধু বিষয়ক বই মিল্টন বিশ্বাসের বই ‘উপন্যাসে বঙ্গবন্ধু’, পাঞ্জেরী পাবলিকেশন্স থেকে এসেছে শরীফুল হাসানের শিশুতোষ বই ‘জোজোর কাণ্ড’, মিজান পাবলিশার্স এনেছে বঙ্গবন্ধু বিষয়ক কবীর চৌধুরীর লেখা ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বাঙালি জাতীয়তাবাদ’, কথা প্রকাশ এনেছে সনৎকুমার সাহার ইতিহাস বিষয়ক বই ‘ইতিহাসের প্রেক্ষাপটে : রেনেসাঁ থেকে সমাজতন্ত্র’, রোদেলা প্রকাশনী এনেছে স্বকৃত নোমানের সুফিদর্শনের বই ‘মুসলিম মনন ও দর্শন অগ্রনায়কেরা’, আগামী থেকে ড. মোহাম্মদ আমীনের ‘বাংলা সাহিত্য ও ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস’, একই প্রকাশনী থেকে আল মাসুমের ‘আপত্তি সত্ত্বেও’, অবসর এনেছে আবদুল মান্নান সৈয়দের ‘দশ দিগন্তের স্রষ্টা’, সময় প্রকাশন এনেছে ধ্রুব এষের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক বই ‘অনু ও ছয় দফা খাতা’, অন্বেষা থেকে এসেছে দীপন নন্দীর ‘একুশের স্মৃতি’।

আজকের মেলা : আজ অমর একুশে গ্রন্থমেলার ৯ম দিন। চলবে বেলা ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত। বিকালে গ্রন্থমেলার মূলমঞ্চে অনুষ্ঠিত হবে দিব্যদ্যুতি সরকার রচিত বঙ্গবন্ধুর কারাজীবন শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠান। প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন রাশিদ আসকারী। আলোচনায় অংশ নেবেন সাহিদা বেগম ও আশফাক হোসেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন আবুল মোমেন।

অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০২০: স্টলে স্টলে হরেক রকম বইয়ের সম্ভার

 হক ফারুক আহমেদ 
১০ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

অমর একুশে গ্রন্থমেলায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান হরেক রকম বই নিয়ে হাজির হয়েছে। এর মধ্যে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আছে সৃজনশীল সব প্রকাশনা সংস্থা। তবে বইয়ের সম্ভারে কোনো অংশেই পিছিয়ে নেই বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ। সেখানে বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানকে স্টল ও প্যাভিলিয়ন দেয়া হয়েছে।

বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে শিশু একাডেমির স্টল ঘুরে দেখা যায়, সেখানে বাচ্চাদের পাঠ উপযোগী অনেক বই রয়েছে। এর মধ্যে ‘শিশু বিশ্বকোষ’, ‘বাংলা অভিধান’, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার লেখা ‘আমাদের ছোট রাসেল সোনা’, ‘ছোটদের বিজ্ঞান কোষ’, ‘মুক্তিযুদ্ধের কিশোর গল্প’ বেশ ভালো বিক্রি হচ্ছে। ইসলামী ফাউন্ডেশনের বেশি বিক্রীত বইয়ের মধ্যে রয়েছে ‘বুখারি শরিফ’, ‘আখলাকুল নবী’, ‘আল কোরআনুল করিম’, ‘নক্ষত্রতুল্য সাহাবায়ে কারাম’। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর স্টলে আছে পরিসংখ্যান বিষয়ক নানা বই। জাতীয় জাদুঘরে থেকে প্রকাশিত ‘আলোকচিত্রে সেকালের ঢাকা’, ‘বাংলাদেশের দারুশিল্প’, ‘ট্রেডিশনাল জামদানী’ বইগুলোর কাটতি ভালো। স্পর্শ ব্রেইল প্রকাশ করেছে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের জন্য ব্রেইল সংস্করণে নতুন ১৫টি বই। মেলা চলাকালে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীরা এখানকার যে কোনো বই পড়তে পারেন। বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে আছে বঙ্গবন্ধু বিষয়ক নানা বই। সেন্টার ফর রিচার্স অ্যান্ড ইনফরমেশন প্রকাশ করেছে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে গ্রাফিক নভেল ‘মুজিব’র সপ্তম খণ্ড। এবারের গ্রাফিক নভেলটির নাম ‘অ্যাকশন ডে’। উন্মাদ এনেছে তাদের মাসিক রম্য ম্যাগাজিনের ৩৫০তম সংখ্যা। কবি নজরুল ইনস্টিটিউটে পাওয়া যাচ্ছে নজরুল বিষয়ক নানা বই। ডাক বিভাগের স্টলে রয়েছে হরেক রকমের ডাকটিকিট, পোস্টকার্ড, বিশেষ খাম। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশনা সংস্থায় রয়েছে মূলত গবেষণা বিষয়ক বই। বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটিতেও রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ সব বই। তাদের প্রকাশিত বইগুলোর মধ্যে বাংলাপিডিয়া, জুনিয়র বাংলাপিডিয়া, বাংলাদেশের ইতিহাস ভালো বিক্রি হচ্ছে।

মূলমঞ্চের আয়োজন : বিকালে গ্রন্থমেলার মূলমঞ্চে অনুষ্ঠিত হয় মিল্টন বিশ্বাস রচিত উপন্যাসে বঙ্গবন্ধু শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠান। প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রশান্ত মৃধা। আলোচনায় অংশ নেন পাপড়ি রহমান ও মোজাফ্ফর হোসেন। লেখকের বক্তব্য প্রদান করেন মিল্টন বিশ্বাস। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আনোয়ারা সৈয়দ হক। সন্ধ্যায় ছিল কবিকণ্ঠে কবিতাপাঠ, আবৃত্তি এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

আলোচকরা বলেন, বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে লিখিত উপন্যাসগুলোকে শৈল্পিক ও ঐতিহাসিক দুটি দৃষ্টিকোণ থেকেই দেখার অবকাশ রয়েছে। বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশের ইতিহাস সমার্থক। তিনি (বঙ্গবন্ধু) হলেন সেই মহামানব যার মধ্যদিয়ে আমরা স্বদেশকে উপলব্ধি করতে পারি। বাংলার ইতিহাসের এ মহান নেতাকে ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে রেখে উপন্যাসের ভাষ্য নির্মাণ এবং সব ধরনের শিল্প মাধ্যমে তার গৌরবগাথা তুলে ধরা একান্ত প্রয়োজন।

সভাপতির বক্তব্যে আনোয়ারা সৈয়দ হক বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালি হৃদয়ের এত কাছের একজন মানুষ যে, তাকে নিয়ে সাহিত্য রচনায় স্বতঃস্ফূর্তভাবেই আবেগের বহিঃপ্রকাশ ঘটে। তবে এই আবেগের স্রোত এড়িয়ে নির্মোহভাবে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে উপন্যাস লিখতে হবে এবং আমাদের নতুন প্রজন্মের কাছে বঙ্গবন্ধুর কীর্তিময় জীবনগাথা সাহিত্য ও শিল্পের মাধ্যমে পৌঁছে দিতে হবে।

কবিকণ্ঠে কবিতা পাঠ করেন কবি হালিম আজাদ, শাকিরা পারভীন, বায়তুল্লাহ কাদেরী এবং নাজমুল হুসাইন বিদ্যুৎ। আবৃত্তি করেন আবৃত্তিশিল্পী রফিকুল ইসলাম, ডালিয়া আহমেদ, শুচিতা সপর্যা। সংগীত পরিবেশন করেন ফকির আজমল শাহ, আনোয়ার হোসেন, কাঙালিনি সুফিয়া, আমজাদ দেওয়ান, মমতা দাসী বাউল এবং প্রশান্ত সরকার। আজ লেখক বলছি অনুষ্ঠানে নিজেদের নতুন বই নিয়ে আলোচনা করেন পারভেজ হোসেন, ওবায়েদ আকাশ, মোস্তফা হোসেইন এবং খায়রুল বাবুই।

নতুন বই : বাংলা একাডেমির জনসংযোগ উপবিভাগ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, রোববার মেলায় নতুন বই এসেছে ১১৬টি। এরমধ্যে অন্যপ্রকাশ এনেছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ‘তারুণ্যের আলোয়’, পাঞ্জেরী পাবলিকেশন্স এনেছে মোনায়েম সরকারের ‘লাইফ অ্যান্ড টাইমস অব দি ফাদার অব দি নেশন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান’, পাঞ্জেরী থেকে সৈয়দ মনজুরুল ইসলামের ‘উপন্যাস ত্রয়ী’, অবসর থেকে গোলাম মুরশিদের ‘রবীন্দ্রনাথের নারী-ভাবনা’, বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত বঙ্গবন্ধু বিষয়ক বই মিল্টন বিশ্বাসের বই ‘উপন্যাসে বঙ্গবন্ধু’, পাঞ্জেরী পাবলিকেশন্স থেকে এসেছে শরীফুল হাসানের শিশুতোষ বই ‘জোজোর কাণ্ড’, মিজান পাবলিশার্স এনেছে বঙ্গবন্ধু বিষয়ক কবীর চৌধুরীর লেখা ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বাঙালি জাতীয়তাবাদ’, কথা প্রকাশ এনেছে সনৎকুমার সাহার ইতিহাস বিষয়ক বই ‘ইতিহাসের প্রেক্ষাপটে : রেনেসাঁ থেকে সমাজতন্ত্র’, রোদেলা প্রকাশনী এনেছে স্বকৃত নোমানের সুফিদর্শনের বই ‘মুসলিম মনন ও দর্শন অগ্রনায়কেরা’, আগামী থেকে ড. মোহাম্মদ আমীনের ‘বাংলা সাহিত্য ও ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস’, একই প্রকাশনী থেকে আল মাসুমের ‘আপত্তি সত্ত্বেও’, অবসর এনেছে আবদুল মান্নান সৈয়দের ‘দশ দিগন্তের স্রষ্টা’, সময় প্রকাশন এনেছে ধ্রুব এষের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক বই ‘অনু ও ছয় দফা খাতা’, অন্বেষা থেকে এসেছে দীপন নন্দীর ‘একুশের স্মৃতি’।

আজকের মেলা : আজ অমর একুশে গ্রন্থমেলার ৯ম দিন। চলবে বেলা ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত। বিকালে গ্রন্থমেলার মূলমঞ্চে অনুষ্ঠিত হবে দিব্যদ্যুতি সরকার রচিত বঙ্গবন্ধুর কারাজীবন শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠান। প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন রাশিদ আসকারী। আলোচনায় অংশ নেবেন সাহিদা বেগম ও আশফাক হোসেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন আবুল মোমেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : বইমেলা-২০২০