বাংলাদেশিদের চীন থেকে আনতে টাকার অভাব নেই: অর্থমন্ত্রী
jugantor
বাংলাদেশিদের চীন থেকে আনতে টাকার অভাব নেই: অর্থমন্ত্রী

  যুগান্তর রিপোর্ট  

১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আ হ ম মুস্তফা কামাল

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, নভেল করোনাভাইরাস আক্রান্ত চীন থেকে বাংলাদেশিদের ফিরিয়ে আনার টাকার অভাব নেই। এখানে বোধহয় ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে।

বুধবার শেরেবাংলা নগরের নিজ দফতরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন অর্থমন্ত্রী। এ ছাড়া সৌদি আরব থেকে বড় বিনিয়োগ আসছে বলেও জানান তিনি। সৌদি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক করেন অর্থমন্ত্রী।

বৈঠক শেষে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বের কারণে সৌদি আরবের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক এখন অনন্য উচ্চতায়। যত দিন যাচ্ছে সৌদি আরবের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক শক্তিশালী হচ্ছে। আরামকো বাংলাদেশে বিশাল বিনিয়োগ করবে। তবে বিনিয়োগের পরিমাণ এখনই বলা যাবে না। এ ছাড়া অনেক বিষয়ে চুক্তিও হয়ে গেছে।

অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব মনোয়ার আহমেদ, সৌদি শ্রম মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী মাহির আবদুল রাহমান গাসিম, আরামকোর বিজনেস ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজার এক্সপার্ট জুলিও সি হেজেলমেয়ার মোসেস প্রমুখ।

চীন থেকে বাংলাদেশের নাগরিকদের ফিরিয়ে আনা প্রসঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য সম্পর্কে অর্থমন্ত্রীর কাছে জানতে চান সাংবাদিকরা। এ প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, টাকার অভাবের কথা তিনি (পররাষ্ট্রমন্ত্রী) কখনও বলেননি। তিনি যেটা বলতে চেয়েছেন, প্রথমেই ৩০০-র বেশি লোক আমরা নিয়ে এলাম। সেখানে টাকার ব্যাপারটা ছিল না। কিন্তু চীনের উহানে ক্যাপ্টেন, ক্রু যারা বিমানে করে গেলেন, তাদের এখন আর কোথাও যেতে দিচ্ছে না। এমনকি এয়ারক্রাফটও কোথাও যেতে দিচ্ছে না। এভাবে বন্ধ হয়ে গেলে তো আমরা কাজ করতে পারব না। সে জন্য উই আর টেকিং সাম টাইম (আমরা একটু সময় নিচ্ছি)। টাকার অভাব- এসব কোনো ব্যাপার নয়।

সৌদি আরবে জনশক্তি পাঠানো প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশ মালয়েশিয়ায় জনশক্তি পাঠাচ্ছে। একইভাবে সৌদি আরবেও দক্ষ জনশক্তি পাঠানো হবে। তাদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক অনেক দিনের। যার পেছনে রয়েছে দু’দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ মনোভাব ও আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্ব। বাংলাদেশ এখন বন্ধুত্বের ঊর্ধ্বে টেকসই উন্নয়নের জন্য কার্যকর অংশীদারিত্ব ধরে রাখার দিকে নজর দিচ্ছে। বাংলাদেশ তার দ্বিপাক্ষিক বন্ধু দেশ এবং উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে অব্যাহত ও বর্ধিত সমর্থন প্রত্যাশা করছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ এবং সৌদি আরবের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের পরে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার জন্য একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। সেই চুক্তির ভিত্তিতে একটি যৌথ কমিশন (জেসি) প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। কমিশনের এবারের সভায় বাংলাদেশের নেতৃত্বে রয়েছেন অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব মনোয়ার আহমেদ।

সৌদি আরবের ৪০ সদস্যের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে রয়েছেন দেশটির শ্রম ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী মাহির আবদুল রহমান গাসিম। অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশ এবার এমন একটা সময়ে এই যৌথ কমিশনের অধিবেশনের আয়োজন করেছে, যখন দেশ উন্নয়নের পথে অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে চলেছে। গোটা জাতি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদ্যাপন করছে।

বাংলাদেশিদের চীন থেকে আনতে টাকার অভাব নেই: অর্থমন্ত্রী

 যুগান্তর রিপোর্ট 
১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
আ হ ম মুস্তফা কামাল
আ হ ম মুস্তফা কামাল। ফাইল ছবি

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, নভেল করোনাভাইরাস আক্রান্ত চীন থেকে বাংলাদেশিদের ফিরিয়ে আনার টাকার অভাব নেই। এখানে বোধহয় ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে।

বুধবার শেরেবাংলা নগরের নিজ দফতরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন অর্থমন্ত্রী। এ ছাড়া সৌদি আরব থেকে বড় বিনিয়োগ আসছে বলেও জানান তিনি। সৌদি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক করেন অর্থমন্ত্রী।

বৈঠক শেষে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বের কারণে সৌদি আরবের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক এখন অনন্য উচ্চতায়। যত দিন যাচ্ছে সৌদি আরবের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক শক্তিশালী হচ্ছে। আরামকো বাংলাদেশে বিশাল বিনিয়োগ করবে। তবে বিনিয়োগের পরিমাণ এখনই বলা যাবে না। এ ছাড়া অনেক বিষয়ে চুক্তিও হয়ে গেছে।

অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব মনোয়ার আহমেদ, সৌদি শ্রম মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী মাহির আবদুল রাহমান গাসিম, আরামকোর বিজনেস ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজার এক্সপার্ট জুলিও সি হেজেলমেয়ার মোসেস প্রমুখ।

চীন থেকে বাংলাদেশের নাগরিকদের ফিরিয়ে আনা প্রসঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য সম্পর্কে অর্থমন্ত্রীর কাছে জানতে চান সাংবাদিকরা। এ প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, টাকার অভাবের কথা তিনি (পররাষ্ট্রমন্ত্রী) কখনও বলেননি। তিনি যেটা বলতে চেয়েছেন, প্রথমেই ৩০০-র বেশি লোক আমরা নিয়ে এলাম। সেখানে টাকার ব্যাপারটা ছিল না। কিন্তু চীনের উহানে ক্যাপ্টেন, ক্রু যারা বিমানে করে গেলেন, তাদের এখন আর কোথাও যেতে দিচ্ছে না। এমনকি এয়ারক্রাফটও কোথাও যেতে দিচ্ছে না। এভাবে বন্ধ হয়ে গেলে তো আমরা কাজ করতে পারব না। সে জন্য উই আর টেকিং সাম টাইম (আমরা একটু সময় নিচ্ছি)। টাকার অভাব- এসব কোনো ব্যাপার নয়।

সৌদি আরবে জনশক্তি পাঠানো প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশ মালয়েশিয়ায় জনশক্তি পাঠাচ্ছে। একইভাবে সৌদি আরবেও দক্ষ জনশক্তি পাঠানো হবে। তাদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক অনেক দিনের। যার পেছনে রয়েছে দু’দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ মনোভাব ও আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্ব। বাংলাদেশ এখন বন্ধুত্বের ঊর্ধ্বে টেকসই উন্নয়নের জন্য কার্যকর অংশীদারিত্ব ধরে রাখার দিকে নজর দিচ্ছে। বাংলাদেশ তার দ্বিপাক্ষিক বন্ধু দেশ এবং উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে অব্যাহত ও বর্ধিত সমর্থন প্রত্যাশা করছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ এবং সৌদি আরবের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের পরে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার জন্য একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। সেই চুক্তির ভিত্তিতে একটি যৌথ কমিশন (জেসি) প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। কমিশনের এবারের সভায় বাংলাদেশের নেতৃত্বে রয়েছেন অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব মনোয়ার আহমেদ।

সৌদি আরবের ৪০ সদস্যের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে রয়েছেন দেশটির শ্রম ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী মাহির আবদুল রহমান গাসিম। অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশ এবার এমন একটা সময়ে এই যৌথ কমিশনের অধিবেশনের আয়োজন করেছে, যখন দেশ উন্নয়নের পথে অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে চলেছে। গোটা জাতি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদ্যাপন করছে।

 

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস