ফের মালয়েশিয়া যাওয়ার সময় ১০ রোহিঙ্গা উদ্ধার
jugantor
দুই দালাল আটক
ফের মালয়েশিয়া যাওয়ার সময় ১০ রোহিঙ্গা উদ্ধার

  টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি  

১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

উদ্ধার হওয়া রোহিঙ্গা

ফের সমুদ্রপথে মালয়েশিয়া পাড়ি দেয়ার ঠিক আগ মুহূর্তে ১০ জন রোহিঙ্গাকে উদ্ধার ও দুই দালালকে আটক করা হয়েছে। পুলিশ কক্সবাজারের টেকনাফে অভিযান চালিয়ে সাবরাং উপকূল থেকে বৃহস্পতিবার রাতে রোহিঙ্গাদের উদ্ধার করা হয়। তারা সবাই মালয়েশিয়াগামী ট্রলারে উঠার অপেক্ষায় ছিল। সমুদ্র পাড়ি দিয়ে অবৈধভাবে মালয়েশিয়া যাওয়ার সময় ১৩৮ রোহিঙ্গা বোঝাই ট্রলারডুবির দু’দিন যেতে না যেতেই নতুন করে রোহিঙ্গারা একই দেশে এই পথে পাড়ি জমাচ্ছিল। মঙ্গলবারের ওই ট্রলারডুবির ঘটনায় ১৫ জনের লাশ পাওয়া গেলেও এখনও নিখোঁজ ৫০ জন।

টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ জানান, ‘একটি মানব পাচার চক্র বাংলাদেশে বসবাসকারী কিছু রোহিঙ্গাকে অবৈধভাবে সাগরপথে মালয়েশিয়া পাচারের জন্য টেকনাফের সাবরাং এলাকায় জড়ো করে। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে আমরা রাতেই ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে নৌকার জন্য অপেক্ষমাণ নারী-শিশুসহ ১০ জনকে উদ্ধার করি। এ সময় আটক করা হয় দুই দালালকে। উদ্ধার রোহিঙ্গাদের আদালতের মাধ্যমে স্ব স্ব ক্যাম্পে ফেরত পাঠানো হবে।’

ধৃত দুই দালালের মধ্যে একজনের নাম ইউনুচ মাঝি (৪০)। তিনি মঙ্গলবারের মালয়েশিয়াগামী ট্রলারডুবির ঘটনায় করা মামলার পলাতক আসামি। তিনি টেকনাফ সদরের মিঠাপানির ছড়া এলাকার বশির আহম্মদের ছেলে। মঙ্গলবার ১৩৮ যাত্রী নিয়ে সাগরপথে মালয়েশিয়া যাত্রাকালে সেন্টমার্টিনের অদূরে পাথরের সঙ্গে ধাক্কা লেগে একটি ট্রলারডুবির ঘটনা ঘটে। পরদিন কোস্টগার্ড বাদী হয়ে ১৯ জনকে আসামি করে টেকনাফ থানায় মামলা করে। ওই মামলায় পুলিশ ৮ জনকে আটক করে জেলে পাঠিয়েছে।

দুই দালাল আটক

ফের মালয়েশিয়া যাওয়ার সময় ১০ রোহিঙ্গা উদ্ধার

 টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি 
১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
উদ্ধার হওয়া রোহিঙ্গা
উদ্ধার হওয়া রোহিঙ্গা। ফাইল ছবি

ফের সমুদ্রপথে মালয়েশিয়া পাড়ি দেয়ার ঠিক আগ মুহূর্তে ১০ জন রোহিঙ্গাকে উদ্ধার ও দুই দালালকে আটক করা হয়েছে। পুলিশ কক্সবাজারের টেকনাফে অভিযান চালিয়ে সাবরাং উপকূল থেকে বৃহস্পতিবার রাতে রোহিঙ্গাদের উদ্ধার করা হয়। তারা সবাই মালয়েশিয়াগামী ট্রলারে উঠার অপেক্ষায় ছিল। সমুদ্র পাড়ি দিয়ে অবৈধভাবে মালয়েশিয়া যাওয়ার সময় ১৩৮ রোহিঙ্গা বোঝাই ট্রলারডুবির দু’দিন যেতে না যেতেই নতুন করে রোহিঙ্গারা একই দেশে এই পথে পাড়ি জমাচ্ছিল। মঙ্গলবারের ওই ট্রলারডুবির ঘটনায় ১৫ জনের লাশ পাওয়া গেলেও এখনও নিখোঁজ ৫০ জন।

টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ জানান, ‘একটি মানব পাচার চক্র বাংলাদেশে বসবাসকারী কিছু রোহিঙ্গাকে অবৈধভাবে সাগরপথে মালয়েশিয়া পাচারের জন্য টেকনাফের সাবরাং এলাকায় জড়ো করে। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে আমরা রাতেই ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে নৌকার জন্য অপেক্ষমাণ নারী-শিশুসহ ১০ জনকে উদ্ধার করি। এ সময় আটক করা হয় দুই দালালকে। উদ্ধার রোহিঙ্গাদের আদালতের মাধ্যমে স্ব স্ব ক্যাম্পে ফেরত পাঠানো হবে।’

ধৃত দুই দালালের মধ্যে একজনের নাম ইউনুচ মাঝি (৪০)। তিনি মঙ্গলবারের মালয়েশিয়াগামী ট্রলারডুবির ঘটনায় করা মামলার পলাতক আসামি। তিনি টেকনাফ সদরের মিঠাপানির ছড়া এলাকার বশির আহম্মদের ছেলে। মঙ্গলবার ১৩৮ যাত্রী নিয়ে সাগরপথে মালয়েশিয়া যাত্রাকালে সেন্টমার্টিনের অদূরে পাথরের সঙ্গে ধাক্কা লেগে একটি ট্রলারডুবির ঘটনা ঘটে। পরদিন কোস্টগার্ড বাদী হয়ে ১৯ জনকে আসামি করে টেকনাফ থানায় মামলা করে। ওই মামলায় পুলিশ ৮ জনকে আটক করে জেলে পাঠিয়েছে।

 

ঘটনাপ্রবাহ : রোহিঙ্গা বর্বরতা