ইসিকে পকেটমার মলম পার্টি নিয়েও কাজ করতে হয়: সিইসি
jugantor
ইসিকে পকেটমার মলম পার্টি নিয়েও কাজ করতে হয়: সিইসি

  যুগান্তর রিপোর্ট  

১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নুরুল হুদা বলেছেন, বৈশ্বিক চিন্তা করলেও আমাদের কাজ করতে হয় স্থানীয়ভাবে। আমাদের মলম পার্টি, পকেটমার, পাতি নেতাদের নিয়ে কাজ করতে হয়।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নুরুল হুদা বলেছেন, বৈশ্বিক চিন্তা করলেও আমাদের কাজ করতে হয় স্থানীয়ভাবে। আমাদের মলম পার্টি, পকেটমার, পাতি নেতাদের নিয়ে কাজ করতে হয়।

তিনি বলেন, গুলিস্তান ও মহল্লায় হকারদের কাছ থেকে টাকা নেয়া ব্যক্তিরাও কিছুদিন পর পাতি নেতা, উপনেতা, নেতা ও কমিশনার হয়ে যায়। হু নোজ (কে জানে) যে একদিন এমপি হবেন না।

আমাদের পকেটমার, মলম পার্টি, ব্যাগ টানা পার্টি, ক্যাসিনো মেম্বার নিয়ে কাজ করতে হয়।

রোববার আগারগাঁওয়ের নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউটে ৪৯ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সিইসি এসব কথা বলেন।

ওই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনী ব্যবস্থাপনা নিয়ে ৫টি ‘নি’ তত্ত্ব দেন। এগুলো হচ্ছে- সুষ্ঠু নির্বাচন ব্যবস্থাপনার নিশ্চয়তা, নিরপেক্ষতা, নিরাপত্তা, নিয়মনীতি ও নিয়ন্ত্রণ কমিশনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ।

এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার জন্য আমরা প্রস্তুতি রয়েছি। নতুন কর্মকর্তাদের উদ্দেশে সিইসি বলেন, সেই রাজনৈতিক ব্যক্তিদের, যারা সবকিছু নিয়ে কাজ করেন, তাদের সামাল দেয়ার দায়িত্ব আপনাদের।

এই দায়িত্ব আর কারও ওপর দেয়া হয়নি। তার মানে সমাজের সর্বস্তরের সংমিশ্রণগুলো আপনারা একসঙ্গে পেয়ে যাচ্ছেন। এটা একটা বিরাট চ্যালেঞ্জের বিষয়। সেই চ্যালেঞ্জগুলোকে মোকাবেলা করার উপায় হল- চেষ্টা, দক্ষতা ও একাগ্রতা আর আপনাদের ব্যক্তিত্ব।

সিইসি নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) ব্যবহারের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়াদের সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ইভিএম এখন টক অব দ্য কান্ট্রি। এটা নিয়ে অনেক কথা বলা হয়। বলা হয়, সুইজারল্যান্ডে তো পেপার ভোট হয়।

কিন্তু সেখানে যুদ্ধের মতো (আমাদের দেশের মতো) বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করতে হয় না। পুলিশ, আর্মি সবাইকে নামাতে হয় না। পোস্টারে আকাশ দেখা যায় না, বাতাস আসে না। সেই দেশে তো এমন হয় না।

তাই বলে কি আমাদের এখানে নির্বাচন করতে হবে না। সেভাবেই নির্বাচন করতে হবে। তিনি বলেন, কেন ইভএম? ইভিএমের ফলেই এখন আর সেই দশটা হুন্ডা, বিশটা গুণ্ডার যুগ নেই। এদের ভাড়া করতে প্রার্থীদের যেতে হবে না।

যারা ভোট ছিনতাই করবে, এদের কাছে যেতে হবে না। আর নির্বাচনে যারা দায়িত্বে থাকে, তাদের পেছনে যারা টাকা ঢালে, তাদের কাছেও যেতে হবে না। একমাত্র ইভিএমই পারে ভোটারদের কাছে প্রার্থীদের নিয়ে যেতে।

ঢাকার দুই সিটি নির্বাচনে কম ভোট পড়ার কারণ উল্লেখ করে নুরুল হুদা বলেন, বিরাট বিরাট মিছিল, পোস্টারে ঢাকা সয়লাব হয়ে গিয়েছিল।

আমি ভেবেছিলাম ৮০ শতাংশ ভোট হবে। কিন্তু উল্টো হল। মনে হয়, এটা আমার ধারণা যে, প্রার্থীরা ভোটারের কাছে না গিয়ে রাস্তায় গিয়েছে। আসল যে সম্পত্তি যেখানে, ভোট দেবেন যারা, তাদের কাছে যায়নি, ভোট কম পড়ার এটা একটা কারণ।

সিইসি বলেন, আমাদের দেশে অনেক সময় বলা হয়, আমেরিকা এমন করে, সুইজারল্যান্ড, জার্মানিতে এইরকম হয়। আমাদের এখানে হয় না কেন? সেদিন একটা পলিটিক্যাল পার্টি এসছিল, আমি অত্যন্ত নিচু গলায় বললাম কানেকানে, আগে সুইজারল্যান্ড হতে হবে, তারপরে বলতে হবে। ইউ মাস্ট থিঙ্ক গ্লোবালি, বাট অ্যাক্ট লোকালি।

ওই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মাহবুব তালুকদার পাঁচ ‘নি’ তত্ত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনী ব্যবস্থাপনাকে আমি ৫টি ‘নি’ দিয়ে সংজ্ঞায়িত করার চেষ্টা করেছি। প্রথম ‘নি’ হচ্ছে ‘নিয়শ্চয়তা’- এটা নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়ার নিশ্চয়তা।

এ নিশ্চয়তার অর্থ ভোটার ও রাজনৈতিক দলের আস্থা সৃষ্টি। দ্বিতীয় ‘নি’ হচ্ছে ‘নিরপেক্ষতা’- নির্বিঘ্নে ভোট প্রদান ও ভোট কার্যক্রম চালানোর প্রতিশ্রুতি। কমিশনের পক্ষে এই নিরপেক্ষতা অপরিহার্য।

তৃতীয় ‘নি’ হচ্ছে ‘নিরাপত্তা’- এই নিরাপত্তা ভোটার, রাজনৈতিক দল ও অন্যান্য অংশীজনের নিরাপত্তার প্রতিশ্রুতি। এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কার্যকরভাবে নির্বাচনকালে কমিশনের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে নিয়ে আসা দরকার।

চতুর্থ ‘নি’ হচ্ছে ‘নিয়মনীতি’। নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সবাইকে কঠোরভাবে বিধিবিধান পরিচালনের আওতায় আনা প্রয়োজন। পঞ্চম ‘নি’ হচ্ছে ‘নিয়ন্ত্রণ’। নির্বাচন অবশ্যই নির্বাচন কমিশনের নিয়ন্ত্রণে থাকতে হবে।

স্বনিয়ন্ত্রণই নির্বাচন কমিশনের মূলকথা। তিনি বলেন, নির্বাচনী ব্যবস্থাপনায় নিশ্চয়তা, নিরপেক্ষতা, নিরাপত্তা, নিয়মনীতি ও নিয়ন্ত্রণ কমিশনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার জন্য আমরা প্রস্তুতি রয়েছি।

কেএম নুরুল হুদার নেতৃত্বাধীন বর্তমানে নির্বাচন কমিশনের মেয়াদ তিন বছর পূর্ণ হল উল্লেখ করে মাহবুব তালুকদার বলেন, এই তিন বছরে অনেক অর্জন রয়েছে। আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে রয়েছে বিসর্জন।

তিনি বলেন, সংবিধান বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনকে যে অপরিমেয় ক্ষমতা দিয়েছে, পৃথিবীর খুব কম দেশের কমিশন, এমনকি ভারতের নির্বাচন কমিশনও এমন ক্ষমতার অধিকারী নয়।

বর্তমান নির্বাচন কমিশন তার ক্ষমতার কতটুকু প্রয়োগ করতে পেরেছে, তা সময়ই বিচার করতে পারবে।

ইসি সচিব মো. আলমগীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে নির্বাচন কমিশনার রফিকুল ইসলাম, বেগম কবিতা খানম ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শাহাদাত হোসেন চৌধুরীসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ইসিকে পকেটমার মলম পার্টি নিয়েও কাজ করতে হয়: সিইসি

 যুগান্তর রিপোর্ট 
১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নুরুল হুদা বলেছেন, বৈশ্বিক চিন্তা করলেও আমাদের কাজ করতে হয় স্থানীয়ভাবে। আমাদের মলম পার্টি, পকেটমার, পাতি নেতাদের নিয়ে কাজ করতে হয়।
ফাইল ছবি

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নুরুল হুদা বলেছেন, বৈশ্বিক চিন্তা করলেও আমাদের কাজ করতে হয় স্থানীয়ভাবে। আমাদের মলম পার্টি, পকেটমার, পাতি নেতাদের নিয়ে কাজ করতে হয়।

তিনি বলেন, গুলিস্তান ও মহল্লায় হকারদের কাছ থেকে টাকা নেয়া ব্যক্তিরাও কিছুদিন পর পাতি নেতা, উপনেতা, নেতা ও কমিশনার হয়ে যায়। হু নোজ (কে জানে) যে একদিন এমপি হবেন না।

আমাদের পকেটমার, মলম পার্টি, ব্যাগ টানা পার্টি, ক্যাসিনো মেম্বার নিয়ে কাজ করতে হয়।

রোববার আগারগাঁওয়ের নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউটে ৪৯ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সিইসি এসব কথা বলেন।

ওই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনী ব্যবস্থাপনা নিয়ে ৫টি ‘নি’ তত্ত্ব দেন। এগুলো হচ্ছে- সুষ্ঠু নির্বাচন ব্যবস্থাপনার নিশ্চয়তা, নিরপেক্ষতা, নিরাপত্তা, নিয়মনীতি ও নিয়ন্ত্রণ কমিশনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ।

এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার জন্য আমরা প্রস্তুতি রয়েছি। নতুন কর্মকর্তাদের উদ্দেশে সিইসি বলেন, সেই রাজনৈতিক ব্যক্তিদের, যারা সবকিছু নিয়ে কাজ করেন, তাদের সামাল দেয়ার দায়িত্ব আপনাদের।

এই দায়িত্ব আর কারও ওপর দেয়া হয়নি। তার মানে সমাজের সর্বস্তরের সংমিশ্রণগুলো আপনারা একসঙ্গে পেয়ে যাচ্ছেন। এটা একটা বিরাট চ্যালেঞ্জের বিষয়। সেই চ্যালেঞ্জগুলোকে মোকাবেলা করার উপায় হল- চেষ্টা, দক্ষতা ও একাগ্রতা আর আপনাদের ব্যক্তিত্ব।

সিইসি নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) ব্যবহারের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়াদের সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ইভিএম এখন টক অব দ্য কান্ট্রি। এটা নিয়ে অনেক কথা বলা হয়। বলা হয়, সুইজারল্যান্ডে তো পেপার ভোট হয়।

কিন্তু সেখানে যুদ্ধের মতো (আমাদের দেশের মতো) বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করতে হয় না। পুলিশ, আর্মি সবাইকে নামাতে হয় না। পোস্টারে আকাশ দেখা যায় না, বাতাস আসে না। সেই দেশে তো এমন হয় না।

তাই বলে কি আমাদের এখানে নির্বাচন করতে হবে না। সেভাবেই নির্বাচন করতে হবে। তিনি বলেন, কেন ইভএম? ইভিএমের ফলেই এখন আর সেই দশটা হুন্ডা, বিশটা গুণ্ডার যুগ নেই। এদের ভাড়া করতে প্রার্থীদের যেতে হবে না।

যারা ভোট ছিনতাই করবে, এদের কাছে যেতে হবে না। আর নির্বাচনে যারা দায়িত্বে থাকে, তাদের পেছনে যারা টাকা ঢালে, তাদের কাছেও যেতে হবে না। একমাত্র ইভিএমই পারে ভোটারদের কাছে প্রার্থীদের নিয়ে যেতে।

ঢাকার দুই সিটি নির্বাচনে কম ভোট পড়ার কারণ উল্লেখ করে নুরুল হুদা বলেন, বিরাট বিরাট মিছিল, পোস্টারে ঢাকা সয়লাব হয়ে গিয়েছিল।

আমি ভেবেছিলাম ৮০ শতাংশ ভোট হবে। কিন্তু উল্টো হল। মনে হয়, এটা আমার ধারণা যে, প্রার্থীরা ভোটারের কাছে না গিয়ে রাস্তায় গিয়েছে। আসল যে সম্পত্তি যেখানে, ভোট দেবেন যারা, তাদের কাছে যায়নি, ভোট কম পড়ার এটা একটা কারণ।

সিইসি বলেন, আমাদের দেশে অনেক সময় বলা হয়, আমেরিকা এমন করে, সুইজারল্যান্ড, জার্মানিতে এইরকম হয়। আমাদের এখানে হয় না কেন? সেদিন একটা পলিটিক্যাল পার্টি এসছিল, আমি অত্যন্ত নিচু গলায় বললাম কানেকানে, আগে সুইজারল্যান্ড হতে হবে, তারপরে বলতে হবে। ইউ মাস্ট থিঙ্ক গ্লোবালি, বাট অ্যাক্ট লোকালি। 

ওই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মাহবুব তালুকদার পাঁচ ‘নি’ তত্ত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনী ব্যবস্থাপনাকে আমি ৫টি ‘নি’ দিয়ে সংজ্ঞায়িত করার চেষ্টা করেছি। প্রথম ‘নি’ হচ্ছে ‘নিয়শ্চয়তা’- এটা নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়ার নিশ্চয়তা।

এ নিশ্চয়তার অর্থ ভোটার ও রাজনৈতিক দলের আস্থা সৃষ্টি। দ্বিতীয় ‘নি’ হচ্ছে ‘নিরপেক্ষতা’- নির্বিঘ্নে ভোট প্রদান ও ভোট কার্যক্রম চালানোর প্রতিশ্রুতি। কমিশনের পক্ষে এই নিরপেক্ষতা অপরিহার্য।

তৃতীয় ‘নি’ হচ্ছে ‘নিরাপত্তা’- এই নিরাপত্তা ভোটার, রাজনৈতিক দল ও অন্যান্য অংশীজনের নিরাপত্তার প্রতিশ্রুতি। এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কার্যকরভাবে নির্বাচনকালে কমিশনের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে নিয়ে আসা দরকার।

চতুর্থ ‘নি’ হচ্ছে ‘নিয়মনীতি’। নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সবাইকে কঠোরভাবে বিধিবিধান পরিচালনের আওতায় আনা প্রয়োজন। পঞ্চম ‘নি’ হচ্ছে ‘নিয়ন্ত্রণ’। নির্বাচন অবশ্যই নির্বাচন কমিশনের নিয়ন্ত্রণে থাকতে হবে।

স্বনিয়ন্ত্রণই নির্বাচন কমিশনের মূলকথা। তিনি বলেন, নির্বাচনী ব্যবস্থাপনায় নিশ্চয়তা, নিরপেক্ষতা, নিরাপত্তা, নিয়মনীতি ও নিয়ন্ত্রণ কমিশনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার জন্য আমরা প্রস্তুতি রয়েছি।

কেএম নুরুল হুদার নেতৃত্বাধীন বর্তমানে নির্বাচন কমিশনের মেয়াদ তিন বছর পূর্ণ হল উল্লেখ করে মাহবুব তালুকদার বলেন, এই তিন বছরে অনেক অর্জন রয়েছে। আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে রয়েছে বিসর্জন।

তিনি বলেন, সংবিধান বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনকে যে অপরিমেয় ক্ষমতা দিয়েছে, পৃথিবীর খুব কম দেশের কমিশন, এমনকি ভারতের নির্বাচন কমিশনও এমন ক্ষমতার অধিকারী নয়।

বর্তমান নির্বাচন কমিশন তার ক্ষমতার কতটুকু প্রয়োগ করতে পেরেছে, তা সময়ই বিচার করতে পারবে।

ইসি সচিব মো. আলমগীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে নির্বাচন কমিশনার রফিকুল ইসলাম, বেগম কবিতা খানম ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শাহাদাত হোসেন চৌধুরীসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন