অমর একুশে গ্রন্থমেলা: আত্মোন্নয়নমূলক বইয়ে আগ্রহ বাড়ছে
jugantor
অমর একুশে গ্রন্থমেলা: আত্মোন্নয়নমূলক বইয়ে আগ্রহ বাড়ছে

  হক ফারুক আহমেদ  

১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

এবার একুশের গ্রন্থমেলায় আত্মোন্নয়নমূলক বইয়ের বেশ কাটতি। এ ধারার বই বিক্রির পাশাপাশি আলোচনায় লেখকরাও। জনপ্রিয় লেখকদের কেউ কেউ এ ধারার বই লিখেছেন। তবে অনেকের মতে, এ ধরনের বই সাহিত্যের বইয়ের বাজার নষ্ট করছে। অনেকে আবার উল্টোটাও বলছেন। তাদের মতে, আজ যে পাঠক আত্মোন্নয়নের বই কিনছেন কাল সেই-ই হয়তো সাহিত্যের বই কিনবেন।

আত্মোন্নয়নমূলক বই সাহিত্যের সঙ্গে সাংঘর্ষিক কিনা এমন প্রশ্নের উত্তরে জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক ইমদাদুল হক মিলন যুগান্তরকে বলেন, খারাপ বই ছাড়া কোনো বই-ই সাহিত্যের জন্য ক্ষতিকর নয়। আত্মউন্নয়নমূলক বই সাহিত্যের সঙ্গে সাংঘর্ষিক নয়। এ ধরনের বই আমরাও জীবনের একটা সময়ে পড়েছি। তবে খেয়াল রাখতে হবে এ ধরনের বই সুলিখিত, সুসম্পাদিত হতে হবে।

তিনি আরও বলেন, বইয়ের বিক্রি নির্ভর করে পাঠকের রুচি ও প্রয়োজনের ওপর। যে পাঠক সাহিত্য পছন্দ করে তিনি সাহিত্যের বইই কিনবেন। যিনি আত্মোন্নয়নমূলক বই কিনতে চান তিনি সেটাই কিনবেন। জনপ্রিয় লেখক আনিসুল হক আত্মোন্নয়নমূলক বইয়ের পাঠ ও সাহিত্যের পাঠ নিয়ে বলেন, ‘পাঠককে অবশ্যই সাহিত্যের বই পড়তে হবে। গল্প, কবিতা কিংবা উপন্যাস পড়তে হবে। কারণ এ ধরনের ফিকশনের বই মানুষকে সংবেদনশীল করে তোলে। প্রকৃত মানুষ করে তোলে। বর্তমানে অনেক অভিভাবকই সন্তানের ক্যারিয়ারের কথা চিন্তা করে তাদের হাতে আত্মোন্নয়নমূলক বই তুলে দিচ্ছেন। অনেক তরুণ আবার ভবিষ্যৎ কর্মচিন্তার কথা ভেবে নিজেই এ ধরনের বই কেনায় আগ্রহী হচ্ছে। তবে এ ধরনের বই কখনও মানুষের হৃদয়ের শুশ্রূষা করতে পারে না। আর আত্মোন্নয়নমূলক বই পড়ে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার হলেও হৃদয়ের পরিচর্যাহীন এসব মানুষের হৃদয় হবে শুষ্ক।’

আত্মোন্নয়নমূলক বই এবং এর বাজার প্রসঙ্গে ইত্যাদি গ্রন্থ প্রকাশের প্রকাশক আদিত্য অন্তর বলেন, আত্মোন্নয়নমূলক বইয়ের বাজার সৃষ্টি হয়েছে। তবে বাজারে এ ধরনের প্রকাশনার নামে অনেক মানহীন বইও আসছে। এদিকে নজর দিতে হবে। আত্মোন্নয়নমূলক বইয়ের মধ্যে অনেকেই যারা গল্পের ছলে বিষয়গুলো উত্থাপন করেন তারা আগামীতে ভালো করবেন। আর সুলিখিত আত্মউন্নয়নের বইয়ের পাঠক যে আগামীতে সাহিত্যের পাঠক হবে না তা বলা যায় না।

আত্মোন্নয়নমূলক বইয়ের প্রতি আগ্রহ প্রসঙ্গে কিশোর পাঠক আহমদ উল্লাহ বলেন, এধরনের বই পড়ে উদ্বুদ্ধ হওয়া যায়। আমার নিজের ক্ষেত্রে এমনটা হয়েছে। একসময় পড়াশোনায় মনোযোগ বসত না। কোনো কিছুতে স্থির হতে পারতাম না। আর সেই সময় এ ধরনের বই পড়ে অনুপ্রাণিত হই। জীবনকে বদলানোর জন্য আত্মনিয়ন্ত্রণের কৌশলগুলো রপ্ত করি।

মেলায় প্রকাশ হওয়া কিছু আত্মোন্নয়নমূলক বইয়ের মধ্যে ঐতিহ্য এনেছে আবদুল কাদেরের অনুলিখনে ‘আত্মোন্নয়ন সিরিজ-১’, একই লেখকের ‘ধনী হবার সহজ উপায়-১’, তাম্রলিপি এনেছে ‘আয়মান সাদিক ও সাদমান সাদিকের ‘কমিউনিকেশন হ্যাকস’ ও ‘স্টুডেন্ট হ্যাকস’, মনিরুদ্দিন তামিম ও সাদমান সাদিকের ‘ব্রেইন বুস্টার’, গোলাম সামদানি ডনের ‘বিষণ্নতাকে জয় করো’, ইত্যাদি গ্রন্থ প্রকাশ এনেছে জাহাঙ্গীর আলম শোভনের ‘লেখাপড়া করে যে : ছাত্রজীবনে কর্মজীবনের প্রস্তুতি’, আদর্শ এনেছে আয়মান সাদিক ও সাকিব বিন রশীদের ‘লোকে কী বলে’, অনন্যা প্রকাশ করেছে মোস্তফা কামালের ‘স্বপ্নবাজ’।

মূলমঞ্চের আয়োজন : সোমবার বিকালে গ্রন্থমেলার মূলমঞ্চে অনুষ্ঠিত হয় অধ্যাপক হারুন-অর-রশিদ রচিত ‘৭ই মার্চের ভাষণ কেন বিশ্ব-ঐতিহ্য সম্পদ : বঙ্গবন্ধু মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠান। এতে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অধ্যাপক মোহাম্মদ সেলিম। আলোচনায় অংশ নেন ড. একেএম শাহনাওয়াজ এবং ড. কুতুব আজাদ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইতিহাসবিদ, বঙ্গবন্ধু অধ্যাপক মুনতাসীর মামুন।

আলোচকরা বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ যেমন উদ্দীপনাময় তেমনি এর ছিল সুনির্দিষ্ট একটি লক্ষ্য- পাকিস্তানি শাসকদের বিরুদ্ধে বাঙালি জাতির বিজয়। নাতিদীর্ঘ অথচ কালোত্তীর্ণ এ ভাষণ সমগ্র বাঙালি জাতিকে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার প্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে। কাব্যিক ব্যঞ্জনাময় এ ভাষণে মানুষের অধিকার আদায়ের কথা, মানবতার কথা উঠে এসেছে। বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ কেন বিশ্ব ঐতিহ্য সম্পদ হল সে বিষয়টি অনুপুঙ্খভাবে বিশ্লেষণ করা হয়েছে এ গ্রন্থে।

মূলমঞ্চে কবিকণ্ঠে কবিতা পাঠ করেন কবি মুজিবুল হক কবীর, আয়শা ঝর্না, চঞ্চল আশরাফ এবং মাজুল হাসান। আবৃত্তি পরিবেশন করেন আবৃত্তিশিল্পী মেহেদী হাসান, তিতাস রোজারিও এবং সিদ্দিকুর রহমান পারভেজ। ছিল সাইমন জাকারিয়ার পরিচালনায় সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘ভাবনগর ফাউন্ডেশন’-এর পরিবেশনা। সঙ্গীত পরিবেশন করেন আলম দেওয়ান, মোক্তার হোসেন, রহিমা খাতুন, শারমিন সুলতানা এবং মো. মাহাবুল ইসলাম।

লেখক বলছি : এদিন লেখক বলছি অনুষ্ঠানে নিজেদের নতুন বই নিয়ে আলোচনা করেন কবি আসলাম সানী, সঞ্জীব পুরোহিত, ফারহানা রহমান এবং আহম্মেদ শরীফ।

নতুন বই : সোমবার মেলায় নতুন বই এসেছে ১৩৫টি। এর মধ্যে অবসর এনেছে হুমায়ূন আহমেদ রচনাসমগ্র পঞ্চদশ খণ্ড, ঐতিহ্য এনেছে পিয়াস মজিদ সম্পাদিত ‘অগ্রন্থিত গদ্য : সৈয়দ শামসুল হক’, পাঞ্জেরী এনেছে আতিউর রহমানের ‘নাই নাই ভয় হবে হবে জয়’, নাগরী এনেছে আবু হাসান শাহরিয়ারের ‘ও হে সাঁকো, নড়ো’ নাগরীঅনন্যা এনেছে হানিফ সংকেতের রম্যরচনা ‘টনক নড়াতে টনিক’, কথাপ্রকাশ এনেছে সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীর ‘ভালো মানুষের জগৎ’, ঐতিহ্য এনেছে গেব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজের অশোক দাস গুপ্ত অনূদিত ‘প্রেম নয়, মৃত্যুই অনিবার্য’, চারুলিপি এনেছে নূরুল ইসলাম নাহিদ ও পিয়াস মজিদ সম্পাদিত বঙ্গবন্ধুর ভাষণের সংকলন ‘জয় বাংলা’, পাঞ্জেরী পাবলিকেশন্স এনেছে মোনায়েম সরকারের ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান’, আবিষ্কার এনেছে এমাজউদ্দীন আহমদের ‘ইসলাম ও উন্নত জীবন ব্যবস্থা’, পুঁথিনিলয় এনেছে সেলিনা হোসেনের ‘পূর্ণ ছবির মগ্নতা’, চারুলিপি এনেছে সৈয়দ শামসুল হকের ‘বঙ্গবন্ধু স্মৃতি সত্তা ভবিষ্যৎ’।

অমর একুশে গ্রন্থমেলা: আত্মোন্নয়নমূলক বইয়ে আগ্রহ বাড়ছে

 হক ফারুক আহমেদ 
১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

এবার একুশের গ্রন্থমেলায় আত্মোন্নয়নমূলক বইয়ের বেশ কাটতি। এ ধারার বই বিক্রির পাশাপাশি আলোচনায় লেখকরাও। জনপ্রিয় লেখকদের কেউ কেউ এ ধারার বই লিখেছেন। তবে অনেকের মতে, এ ধরনের বই সাহিত্যের বইয়ের বাজার নষ্ট করছে। অনেকে আবার উল্টোটাও বলছেন। তাদের মতে, আজ যে পাঠক আত্মোন্নয়নের বই কিনছেন কাল সেই-ই হয়তো সাহিত্যের বই কিনবেন।

আত্মোন্নয়নমূলক বই সাহিত্যের সঙ্গে সাংঘর্ষিক কিনা এমন প্রশ্নের উত্তরে জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক ইমদাদুল হক মিলন যুগান্তরকে বলেন, খারাপ বই ছাড়া কোনো বই-ই সাহিত্যের জন্য ক্ষতিকর নয়। আত্মউন্নয়নমূলক বই সাহিত্যের সঙ্গে সাংঘর্ষিক নয়। এ ধরনের বই আমরাও জীবনের একটা সময়ে পড়েছি। তবে খেয়াল রাখতে হবে এ ধরনের বই সুলিখিত, সুসম্পাদিত হতে হবে। 

তিনি আরও বলেন, বইয়ের বিক্রি নির্ভর করে পাঠকের রুচি ও প্রয়োজনের ওপর। যে পাঠক সাহিত্য পছন্দ করে তিনি সাহিত্যের বইই কিনবেন। যিনি আত্মোন্নয়নমূলক বই কিনতে চান তিনি সেটাই কিনবেন। জনপ্রিয় লেখক আনিসুল হক আত্মোন্নয়নমূলক বইয়ের পাঠ ও সাহিত্যের পাঠ নিয়ে বলেন, ‘পাঠককে অবশ্যই সাহিত্যের বই পড়তে হবে। গল্প, কবিতা কিংবা উপন্যাস পড়তে হবে। কারণ এ ধরনের ফিকশনের বই মানুষকে সংবেদনশীল করে তোলে। প্রকৃত মানুষ  করে তোলে। বর্তমানে অনেক অভিভাবকই সন্তানের ক্যারিয়ারের কথা চিন্তা করে তাদের হাতে আত্মোন্নয়নমূলক বই তুলে দিচ্ছেন। অনেক তরুণ আবার ভবিষ্যৎ কর্মচিন্তার কথা ভেবে নিজেই এ ধরনের বই কেনায় আগ্রহী হচ্ছে। তবে এ ধরনের বই কখনও মানুষের হৃদয়ের শুশ্রূষা করতে পারে না। আর আত্মোন্নয়নমূলক বই পড়ে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার হলেও হৃদয়ের পরিচর্যাহীন এসব মানুষের হৃদয় হবে শুষ্ক।’

আত্মোন্নয়নমূলক বই এবং এর বাজার প্রসঙ্গে ইত্যাদি গ্রন্থ প্রকাশের প্রকাশক আদিত্য অন্তর বলেন, আত্মোন্নয়নমূলক বইয়ের বাজার সৃষ্টি হয়েছে। তবে বাজারে এ ধরনের প্রকাশনার নামে অনেক মানহীন বইও আসছে। এদিকে নজর দিতে হবে। আত্মোন্নয়নমূলক বইয়ের মধ্যে অনেকেই যারা গল্পের ছলে বিষয়গুলো উত্থাপন করেন তারা আগামীতে ভালো করবেন। আর সুলিখিত আত্মউন্নয়নের বইয়ের পাঠক যে আগামীতে সাহিত্যের পাঠক হবে না তা বলা যায় না।   

আত্মোন্নয়নমূলক বইয়ের প্রতি আগ্রহ প্রসঙ্গে কিশোর পাঠক আহমদ উল্লাহ বলেন, এধরনের বই পড়ে উদ্বুদ্ধ হওয়া যায়। আমার নিজের ক্ষেত্রে এমনটা হয়েছে। একসময় পড়াশোনায় মনোযোগ বসত না। কোনো কিছুতে স্থির হতে পারতাম না। আর সেই সময় এ ধরনের বই পড়ে অনুপ্রাণিত হই। জীবনকে বদলানোর জন্য আত্মনিয়ন্ত্রণের কৌশলগুলো রপ্ত করি।

মেলায় প্রকাশ হওয়া কিছু আত্মোন্নয়নমূলক বইয়ের মধ্যে ঐতিহ্য এনেছে আবদুল কাদেরের অনুলিখনে ‘আত্মোন্নয়ন সিরিজ-১’, একই লেখকের ‘ধনী হবার সহজ উপায়-১’, তাম্রলিপি এনেছে ‘আয়মান সাদিক ও সাদমান সাদিকের ‘কমিউনিকেশন হ্যাকস’ ও ‘স্টুডেন্ট হ্যাকস’, মনিরুদ্দিন তামিম ও সাদমান সাদিকের ‘ব্রেইন বুস্টার’, গোলাম সামদানি ডনের ‘বিষণ্নতাকে জয় করো’, ইত্যাদি গ্রন্থ প্রকাশ এনেছে জাহাঙ্গীর আলম শোভনের ‘লেখাপড়া করে যে : ছাত্রজীবনে কর্মজীবনের প্রস্তুতি’, আদর্শ এনেছে আয়মান সাদিক ও সাকিব বিন রশীদের ‘লোকে কী বলে’, অনন্যা প্রকাশ করেছে মোস্তফা কামালের ‘স্বপ্নবাজ’। 

মূলমঞ্চের আয়োজন : সোমবার বিকালে গ্রন্থমেলার মূলমঞ্চে অনুষ্ঠিত হয় অধ্যাপক হারুন-অর-রশিদ রচিত ‘৭ই মার্চের ভাষণ কেন বিশ্ব-ঐতিহ্য সম্পদ : বঙ্গবন্ধু মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠান। এতে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অধ্যাপক মোহাম্মদ সেলিম। আলোচনায় অংশ নেন ড. একেএম শাহনাওয়াজ এবং ড. কুতুব আজাদ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইতিহাসবিদ, বঙ্গবন্ধু অধ্যাপক মুনতাসীর মামুন।

আলোচকরা বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ যেমন উদ্দীপনাময় তেমনি এর ছিল সুনির্দিষ্ট একটি লক্ষ্য- পাকিস্তানি শাসকদের বিরুদ্ধে বাঙালি জাতির বিজয়। নাতিদীর্ঘ অথচ কালোত্তীর্ণ এ ভাষণ সমগ্র বাঙালি জাতিকে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার প্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে। কাব্যিক ব্যঞ্জনাময় এ ভাষণে মানুষের অধিকার আদায়ের কথা, মানবতার কথা উঠে এসেছে। বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ কেন বিশ্ব ঐতিহ্য সম্পদ হল সে বিষয়টি অনুপুঙ্খভাবে বিশ্লেষণ করা হয়েছে এ গ্রন্থে।

মূলমঞ্চে কবিকণ্ঠে কবিতা পাঠ করেন কবি মুজিবুল হক কবীর, আয়শা ঝর্না, চঞ্চল আশরাফ এবং মাজুল হাসান। আবৃত্তি পরিবেশন করেন আবৃত্তিশিল্পী মেহেদী হাসান, তিতাস রোজারিও এবং সিদ্দিকুর রহমান পারভেজ। ছিল সাইমন জাকারিয়ার পরিচালনায় সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘ভাবনগর ফাউন্ডেশন’-এর পরিবেশনা। সঙ্গীত পরিবেশন করেন আলম দেওয়ান, মোক্তার হোসেন, রহিমা খাতুন, শারমিন সুলতানা এবং মো. মাহাবুল ইসলাম। 

লেখক বলছি : এদিন লেখক বলছি অনুষ্ঠানে নিজেদের নতুন বই নিয়ে আলোচনা করেন কবি আসলাম সানী, সঞ্জীব পুরোহিত, ফারহানা রহমান এবং আহম্মেদ শরীফ।      

নতুন বই : সোমবার মেলায় নতুন বই এসেছে ১৩৫টি। এর মধ্যে অবসর এনেছে হুমায়ূন আহমেদ রচনাসমগ্র পঞ্চদশ খণ্ড, ঐতিহ্য এনেছে পিয়াস মজিদ সম্পাদিত ‘অগ্রন্থিত গদ্য : সৈয়দ শামসুল হক’,  পাঞ্জেরী এনেছে আতিউর রহমানের ‘নাই নাই ভয় হবে হবে জয়’, নাগরী এনেছে আবু হাসান শাহরিয়ারের ‘ও হে সাঁকো, নড়ো’ নাগরীঅনন্যা এনেছে হানিফ সংকেতের রম্যরচনা ‘টনক নড়াতে টনিক’, কথাপ্রকাশ এনেছে সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীর ‘ভালো মানুষের জগৎ’, ঐতিহ্য এনেছে গেব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজের অশোক দাস গুপ্ত অনূদিত ‘প্রেম নয়, মৃত্যুই অনিবার্য’, চারুলিপি এনেছে নূরুল ইসলাম নাহিদ ও পিয়াস মজিদ সম্পাদিত বঙ্গবন্ধুর ভাষণের সংকলন ‘জয় বাংলা’, পাঞ্জেরী পাবলিকেশন্স এনেছে মোনায়েম সরকারের ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান’, আবিষ্কার এনেছে এমাজউদ্দীন আহমদের ‘ইসলাম  ও উন্নত জীবন ব্যবস্থা’, পুঁথিনিলয় এনেছে সেলিনা হোসেনের ‘পূর্ণ ছবির মগ্নতা’, চারুলিপি এনেছে সৈয়দ শামসুল হকের ‘বঙ্গবন্ধু স্মৃতি সত্তা ভবিষ্যৎ’।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : বইমেলা-২০২০