বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদ সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ৩১তম
jugantor
বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদ সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ৩১তম
দেশে উগ্রবাদের ঝুঁকি কমেছে -মনিরুল ইসলাম

  যুগান্তর রিপোর্ট  

২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদ সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ৩১তম

উগ্রবাদ বা জঙ্গিবাদ মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়াকে সতর্কভাবে সংবাদ পরিবেশনের আহ্বান জানিয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার ও কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম (সিটিটিসি) প্রধান বলেন, গ্লোবাল টেরোরিজম ইনডেক্সে সন্ত্রাসবাদের ঝুঁকি থেকে ছয় ধাপ কমে বাংলাদেশ ৩১ নম্বরে এসেছে। সবার একাগ্রতায় ধীরে ধীরে বাংলাদেশে উগ্রবাদের ঝুঁকি কমছে। এতে আছে মিডিয়ার ভূমিকা, প্রশাসনের দক্ষতাসহ বেশকিছু উপকরণ।

শনিবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে সেন্টার ফর সোশ্যাল অ্যাডভোকেসি অ্যান্ড রিসার্চ ফাউন্ডেশন (সিসার্ফ) আয়োজিত ‘উগ্রবাদ রোধে গণমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি একথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি ও দৃষ্টি আকর্ষণ করাটাই সন্ত্রাসবাদীদের কাছে মুখ্য। তারা ম্যাক্সিমাম মিডিয়া কভারেজকে টার্গেট করে আক্রমণের চেষ্টা করে থাকে। এক্ষেত্রে টেরোরিজম দমনে মিডিয়ার সহযোগিতা পুলিশের জরুরি।

মিডিয়া প্রচার পাওয়া নিয়ে অতীতের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড সম্পর্কে মনিরুল ইসলাম বলেন, ২০০৫ সালে তাদের উপস্থিতি মানুষের মধ্যে জানান দিতে দেশের ৬৩ জেলায় সিরিজ বোমা হামলা চালিয়েছিল। তারা মিডিয়ার প্রয়োজন মনে করে কয়েকটি কারণে। যেমন- দায় স্বীকার, জনগণকে তাদের অস্তিত্ব জানানো, আতঙ্কিত করা, ত্রাস সৃষ্টি করাসহ তাদের মেসেজ পৌঁছে দিতে।

মিডিয়ার মাধ্যমে তারা হামলার কারণ প্রচার করছে। প্রচারের মাধ্যমে তাদের সাপোর্টারদের কাছে মেসেজ পৌঁছে দেয়া ও পটেনশিয়াল সাপোর্টারদের দলে ভেড়ানোর কাজ করছে। তারা টার্গেট হিসেবে সিম্বলিক ও আইকনিক টার্গেটকে বেছে নেয়। এক্ষেত্রে তারা নারীদেরও ব্যবহার করে থাকে।

তিনি আরও বলেন, সন্ত্রাসবাদীরা যেভাবে প্রচার চায় সেভাবে প্রচার না পেলে মিডিয়ার বিপক্ষে চলে যায়। এক্ষেত্রে তারা সংবাদকর্মীদেরও টার্গেট করে থাকে। আমরা মিডিয়ার ভূমিকাকে অনেক বড় করে দেখি। আমরা মানুষকে সতর্ক বা সচেতন করতে মিডিয়ার সহযোগিতা নিয়ে থাকি।

বিশ্বে যারা কাউন্টার টেরোরিজম নিয়ে কাজ করেন তারা মিডিয়ার বিভিন্ন প্রিকশনস দিয়েছেন উল্লেখ করে মনিরুল ইসলাম বলেন, প্রিকশনসগুলোতে সন্ত্রাসবাদ নিয়ে প্রচার বিমুখ থাকতে বলা হয়েছে, সন্ত্রাসীদের মিডিয়ায় প্রচারের মাধ্যমে ভিলেন হিসেবে উপস্থাপন করা যাতে কেউ উৎসাহিত না হয়, যে কোনো সন্ত্রাসী দমন অভিযান লাইভ টেলিকাস্ট না করা, হোস্টেজ সিচুয়েশনে প্রচারের ক্ষেত্রে হোস্টেজদের পরিচয়সহ নানা কিছু প্রচার না করা এবং সন্ত্রাসবাদের বিপক্ষে জনমত গঠন করা। জনগণকে ইনফর্ম করতে মিডিয়ার দায়িত্ব রয়েছে। সেক্ষেত্রে সবকিছু বিবেচনা করতে হবে।

তিনি জানান, গ্লোবাল টেরোরিজম ইনডেক্সে ঝুঁকির দিক থেকে বিশ্বের অন্যান্য দেশের চেয়ে বাংলাদেশ এগিয়ে আছে। ২০১৭ সালে বাংলাদেশ ছিল ২১তম দেশ। ওই সময় পাকিস্তান ও ভারত ১০ এর মধ্যে ছিল। ২০১৮ সালে এসে যে রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়, সেখানেও বাংলাদেশের অবস্থান দাঁড়ায় ২৫-এ।

অর্থাৎ আরও চার ধাপ এগিয়ে যায়। ২০১৯ সালের প্রতিবেদনে এসে বাংলাদেশ আর ছয় ধাপ এগিয়ে ৩১তম হয়। যেখানে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যসহ বিশ্বের অনেক দেশই পেছনে আছে।

অস্ট্রেলিয়ার সিডনিভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইন্সটিটিউট ফর ইকোনমিকস অ্যান্ড পিস (আইইপি) বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদ সূচক নিয়ে প্রতিবছর প্রতিবেদন প্রকাশ করে। স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও অলাভজনক প্রতিষ্ঠান আইইপি মানুষের ভালো থাকা ও অগ্রগতির ক্ষেত্রে ইতিবাচক ও অর্জনযোগ্য পদক্ষেপ হিসেবে বিশ্বজুড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার পক্ষে কাজ করে।

আইইপি এবার ২৩টি গুণগত ও পরিমাণগত নির্দেশকের ভিত্তিতে বিশ্বের ১৬৩টি দেশের পরিস্থিতি নিয়ে তৈরি করে বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদ সূচক-২০১৯। এসব দেশের জনসংখ্যা বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ৯৯ দশমিক ৭ শতাংশ বলে জানানো হয়ে প্রতিবেদনে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশ ওই ১৬৩টি দেশের মধ্যে ৩১তম অবস্থানে রয়েছে। বাংলাদেশের স্কোর ৫ দশমিক ২০৮। অর্থাৎ এ দেশে সন্ত্রাসবাদের প্রভাব মাঝারি মাত্রার।

মনিরুল ইসলাম বলেন, কাজ করতে গিয়ে দেখেছি, ১৫ থেকে ৩০ বছর বয়সী তরুণরাই উগ্রবাদে বেশি জড়িয়েছে। এ কারণে আমরা সারা দেশে পাড়া-মহল্লায় সব জায়গায় পোস্টার ও বিলবোর্ড লাগিয়েছি। পরিবার, স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসা বিশ্ববিদ্যালয়সহ সব প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছি। উগ্রবাদে জড়ানোর বিষয়টি প্রথম তাদের কাছেই ধরা পড়ে।

তিনি বলেন, ধর্মীয় বক্তাদের নিয়েও আমরা কাজ করছি। তবে ধর্মীয় বক্তারা ওয়াজ মাহফিলে নারী ও অন্যান্য ধর্মকে নিয়ে বিদ্বেষমূলক বক্তব্য দেন। সেটি যেন করতে না পারেন সেজন্য আমরা কাজ করছি।

‘উগ্রবাদ রোধে গণমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন দেশের বিভিন্ন ইলেকট্রনিক মিডিয়ার নীতিনির্ধারক ব্যক্তিরা। এ সময় উগ্রবাদ রোধে গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে কথা বলেন এটিএন বাংলার সিইও জই মামুন, জিটিভির প্রধান সম্পাদক সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা, ৭১ টিভির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল হক বাবু প্রমুখ।

সেন্টার ফর সোশ্যাল অ্যাডভোকেসি অ্যান্ড রিসার্চ ফাউন্ডেশন (সিসার্ফ) আয়োজনে বাংলাদেশ পুলিশের সন্ত্রাস দমন ও আন্তর্জাতিক অপরাধ প্রতিরোধ কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের অর্থায়নে ‘উগ্রবাদ রোধে গণমাধ্যমের ভূমিকা শীর্ষক মতবিনিময় সভা’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মতবিনিময় সভার পরিচালনা করেন সিসার্ফ প্রধান শবনম আজিম।

বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদ সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ৩১তম

দেশে উগ্রবাদের ঝুঁকি কমেছে -মনিরুল ইসলাম
 যুগান্তর রিপোর্ট 
২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদ সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ৩১তম
ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার ও কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম

উগ্রবাদ বা জঙ্গিবাদ মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়াকে সতর্কভাবে সংবাদ পরিবেশনের আহ্বান জানিয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার ও কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম (সিটিটিসি) প্রধান বলেন, গ্লোবাল টেরোরিজম ইনডেক্সে সন্ত্রাসবাদের ঝুঁকি থেকে ছয় ধাপ কমে বাংলাদেশ ৩১ নম্বরে এসেছে। সবার একাগ্রতায় ধীরে ধীরে বাংলাদেশে উগ্রবাদের ঝুঁকি কমছে। এতে আছে মিডিয়ার ভূমিকা, প্রশাসনের দক্ষতাসহ বেশকিছু উপকরণ।

শনিবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে সেন্টার ফর সোশ্যাল অ্যাডভোকেসি অ্যান্ড রিসার্চ ফাউন্ডেশন (সিসার্ফ) আয়োজিত ‘উগ্রবাদ রোধে গণমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি একথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি ও দৃষ্টি আকর্ষণ করাটাই সন্ত্রাসবাদীদের কাছে মুখ্য। তারা ম্যাক্সিমাম মিডিয়া কভারেজকে টার্গেট করে আক্রমণের চেষ্টা করে থাকে। এক্ষেত্রে টেরোরিজম দমনে মিডিয়ার সহযোগিতা পুলিশের জরুরি।

মিডিয়া প্রচার পাওয়া নিয়ে অতীতের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড সম্পর্কে মনিরুল ইসলাম বলেন, ২০০৫ সালে তাদের উপস্থিতি মানুষের মধ্যে জানান দিতে দেশের ৬৩ জেলায় সিরিজ বোমা হামলা চালিয়েছিল। তারা মিডিয়ার প্রয়োজন মনে করে কয়েকটি কারণে। যেমন- দায় স্বীকার, জনগণকে তাদের অস্তিত্ব জানানো, আতঙ্কিত করা, ত্রাস সৃষ্টি করাসহ তাদের মেসেজ পৌঁছে দিতে।

মিডিয়ার মাধ্যমে তারা হামলার কারণ প্রচার করছে। প্রচারের মাধ্যমে তাদের সাপোর্টারদের কাছে মেসেজ পৌঁছে দেয়া ও পটেনশিয়াল সাপোর্টারদের দলে ভেড়ানোর কাজ করছে। তারা টার্গেট হিসেবে সিম্বলিক ও আইকনিক টার্গেটকে বেছে নেয়। এক্ষেত্রে তারা নারীদেরও ব্যবহার করে থাকে।

তিনি আরও বলেন, সন্ত্রাসবাদীরা যেভাবে প্রচার চায় সেভাবে প্রচার না পেলে মিডিয়ার বিপক্ষে চলে যায়। এক্ষেত্রে তারা সংবাদকর্মীদেরও টার্গেট করে থাকে। আমরা মিডিয়ার ভূমিকাকে অনেক বড় করে দেখি। আমরা মানুষকে সতর্ক বা সচেতন করতে মিডিয়ার সহযোগিতা নিয়ে থাকি।

বিশ্বে যারা কাউন্টার টেরোরিজম নিয়ে কাজ করেন তারা মিডিয়ার বিভিন্ন প্রিকশনস দিয়েছেন উল্লেখ করে মনিরুল ইসলাম বলেন, প্রিকশনসগুলোতে সন্ত্রাসবাদ নিয়ে প্রচার বিমুখ থাকতে বলা হয়েছে, সন্ত্রাসীদের মিডিয়ায় প্রচারের মাধ্যমে ভিলেন হিসেবে উপস্থাপন করা যাতে কেউ উৎসাহিত না হয়, যে কোনো সন্ত্রাসী দমন অভিযান লাইভ টেলিকাস্ট না করা, হোস্টেজ সিচুয়েশনে প্রচারের ক্ষেত্রে হোস্টেজদের পরিচয়সহ নানা কিছু প্রচার না করা এবং সন্ত্রাসবাদের বিপক্ষে জনমত গঠন করা। জনগণকে ইনফর্ম করতে মিডিয়ার দায়িত্ব রয়েছে। সেক্ষেত্রে সবকিছু বিবেচনা করতে হবে।

তিনি জানান, গ্লোবাল টেরোরিজম ইনডেক্সে ঝুঁকির দিক থেকে বিশ্বের অন্যান্য দেশের চেয়ে বাংলাদেশ এগিয়ে আছে। ২০১৭ সালে বাংলাদেশ ছিল ২১তম দেশ। ওই সময় পাকিস্তান ও ভারত ১০ এর মধ্যে ছিল। ২০১৮ সালে এসে যে রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়, সেখানেও বাংলাদেশের অবস্থান দাঁড়ায় ২৫-এ।

অর্থাৎ আরও চার ধাপ এগিয়ে যায়। ২০১৯ সালের প্রতিবেদনে এসে বাংলাদেশ আর ছয় ধাপ এগিয়ে ৩১তম হয়। যেখানে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যসহ বিশ্বের অনেক দেশই পেছনে আছে।

অস্ট্রেলিয়ার সিডনিভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইন্সটিটিউট ফর ইকোনমিকস অ্যান্ড পিস (আইইপি) বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদ সূচক নিয়ে প্রতিবছর প্রতিবেদন প্রকাশ করে। স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও অলাভজনক প্রতিষ্ঠান আইইপি মানুষের ভালো থাকা ও অগ্রগতির ক্ষেত্রে ইতিবাচক ও অর্জনযোগ্য পদক্ষেপ হিসেবে বিশ্বজুড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার পক্ষে কাজ করে।

আইইপি এবার ২৩টি গুণগত ও পরিমাণগত নির্দেশকের ভিত্তিতে বিশ্বের ১৬৩টি দেশের পরিস্থিতি নিয়ে তৈরি করে বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদ সূচক-২০১৯। এসব দেশের জনসংখ্যা বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ৯৯ দশমিক ৭ শতাংশ বলে জানানো হয়ে প্রতিবেদনে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশ ওই ১৬৩টি দেশের মধ্যে ৩১তম অবস্থানে রয়েছে। বাংলাদেশের স্কোর ৫ দশমিক ২০৮। অর্থাৎ এ দেশে সন্ত্রাসবাদের প্রভাব মাঝারি মাত্রার।

মনিরুল ইসলাম বলেন, কাজ করতে গিয়ে দেখেছি, ১৫ থেকে ৩০ বছর বয়সী তরুণরাই উগ্রবাদে বেশি জড়িয়েছে। এ কারণে আমরা সারা দেশে পাড়া-মহল্লায় সব জায়গায় পোস্টার ও বিলবোর্ড লাগিয়েছি। পরিবার, স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসা বিশ্ববিদ্যালয়সহ সব প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছি। উগ্রবাদে জড়ানোর বিষয়টি প্রথম তাদের কাছেই ধরা পড়ে।

তিনি বলেন, ধর্মীয় বক্তাদের নিয়েও আমরা কাজ করছি। তবে ধর্মীয় বক্তারা ওয়াজ মাহফিলে নারী ও অন্যান্য ধর্মকে নিয়ে বিদ্বেষমূলক বক্তব্য দেন। সেটি যেন করতে না পারেন সেজন্য আমরা কাজ করছি।

‘উগ্রবাদ রোধে গণমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন দেশের বিভিন্ন ইলেকট্রনিক মিডিয়ার নীতিনির্ধারক ব্যক্তিরা। এ সময় উগ্রবাদ রোধে গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে কথা বলেন এটিএন বাংলার সিইও জই মামুন, জিটিভির প্রধান সম্পাদক সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা, ৭১ টিভির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল হক বাবু প্রমুখ।

সেন্টার ফর সোশ্যাল অ্যাডভোকেসি অ্যান্ড রিসার্চ ফাউন্ডেশন (সিসার্ফ) আয়োজনে বাংলাদেশ পুলিশের সন্ত্রাস দমন ও আন্তর্জাতিক অপরাধ প্রতিরোধ কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের অর্থায়নে ‘উগ্রবাদ রোধে গণমাধ্যমের ভূমিকা শীর্ষক মতবিনিময় সভা’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মতবিনিময় সভার পরিচালনা করেন সিসার্ফ প্রধান শবনম আজিম।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন