স্বাধীনতা পুরস্কার থেকে বাদ রইজ উদ্দিনের নাম
jugantor
স্বাধীনতা পুরস্কার থেকে বাদ রইজ উদ্দিনের নাম
ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন নয়, অনুষ্ঠান হবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে

  যুগান্তর রিপোর্ট  

১৩ মার্চ ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

এস এম রইজ উদ্দিন আহম্মেদ। ফাইল ছবি

সমালোচনার মুখে অবশেষে স্বাধীনতা পুরস্কার থেকে বাদ দেয়া হয়েছে এসএম রইজ উদ্দিন আহম্মদের নাম। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ বৃহস্পতিবার স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য মনোনীত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সংশোধিত নাম প্রকাশ করেছে। সেখানে রইজ উদ্দিন আহম্মদের নাম নেই।

এছাড়া পুরস্কার প্রদানের অনুষ্ঠান রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে স্থানান্তর করা হয়েছে।

এখন আট বিশিষ্ট ব্যক্তি ও এক প্রতিষ্ঠান পাচ্ছে স্বাধীনতা পুরস্কার। গত ২০ ফেব্রুয়ারি জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২০’-এর জন্য দেশের নয়জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও একটি প্রতিষ্ঠানের নাম ঘোষণা করেছিল মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। তাতে সাহিত্যে মুক্তিযোদ্ধা এসএম রইজ উদ্দিন আহম্মদের নাম ছিল। কিন্তু নাম ঘোষণার পর থেকেই সাবেক এই আমলার সাহিত্যে অবদান নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।

সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকেও অনেকে তীব্র সমালোচনা করে মন্তব্য করেন। এ নিয়ে গণমাধ্যমেও সংবাদ প্রকাশিত হয়। এমন প্রেক্ষাপটে তার নাম বাদ দিয়ে সংশোধিত তালিকা প্রকাশ করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

সংশোধিত তালিকা অনুযায়ী যারা এই পুরস্কার পাচ্ছেন তারা হলেন- স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের জন্য বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী বীরপ্রতীক, মরহুম কমান্ডার (অব.) আবদুর রউফ, শহীদ বুদ্ধিজীবী মুহম্মদ আনোয়ার পাশা ও আজিজুর রহমান; চিকিৎসাবিদ্যায় অধ্যাপক ডা. উবায়দুল কবীর চৌধুরী ও অধ্যাপক ডা. একেএমএ মুক্তাদির; সংস্কৃতিতে কালীপদ দাস ও ফেরদৌসী মজুমদার। এছাড়া শিক্ষায় অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের ভারতেশ্বরী হোমস এবার স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছে।

সংশোধিত তালিকাতে সাহিত্যে কারও নাম উল্লেখ নেই।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী ২৫ মার্চ সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে আনুষ্ঠানিকভাবে এ পুরস্কার হস্তান্তর করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কারোনাভাইরাসের কারণে অনুষ্ঠানটি ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে স্থানান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্র।

স্বাধীনতা পুরস্কার থেকে বাদ রইজ উদ্দিনের নাম

ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন নয়, অনুষ্ঠান হবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে
 যুগান্তর রিপোর্ট 
১৩ মার্চ ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
এস এম রইজ উদ্দিন আহম্মেদ। ফাইল ছবি
এস এম রইজ উদ্দিন আহম্মেদ। ফাইল ছবি

সমালোচনার মুখে অবশেষে স্বাধীনতা পুরস্কার থেকে বাদ দেয়া হয়েছে এসএম রইজ উদ্দিন আহম্মদের নাম। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ বৃহস্পতিবার স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য মনোনীত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সংশোধিত নাম প্রকাশ করেছে। সেখানে রইজ উদ্দিন আহম্মদের নাম নেই।

এছাড়া পুরস্কার প্রদানের অনুষ্ঠান রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে স্থানান্তর করা হয়েছে।

এখন আট বিশিষ্ট ব্যক্তি ও এক প্রতিষ্ঠান পাচ্ছে স্বাধীনতা পুরস্কার। গত ২০ ফেব্রুয়ারি জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২০’-এর জন্য দেশের নয়জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও একটি প্রতিষ্ঠানের নাম ঘোষণা করেছিল মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। তাতে সাহিত্যে মুক্তিযোদ্ধা এসএম রইজ উদ্দিন আহম্মদের নাম ছিল। কিন্তু নাম ঘোষণার পর থেকেই সাবেক এই আমলার সাহিত্যে অবদান নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।

সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকেও অনেকে তীব্র সমালোচনা করে মন্তব্য করেন। এ নিয়ে গণমাধ্যমেও সংবাদ প্রকাশিত হয়। এমন প্রেক্ষাপটে তার নাম বাদ দিয়ে সংশোধিত তালিকা প্রকাশ করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

সংশোধিত তালিকা অনুযায়ী যারা এই পুরস্কার পাচ্ছেন তারা হলেন- স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের জন্য বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী বীরপ্রতীক, মরহুম কমান্ডার (অব.) আবদুর রউফ, শহীদ বুদ্ধিজীবী মুহম্মদ আনোয়ার পাশা ও আজিজুর রহমান; চিকিৎসাবিদ্যায় অধ্যাপক ডা. উবায়দুল কবীর চৌধুরী ও অধ্যাপক ডা. একেএমএ মুক্তাদির; সংস্কৃতিতে কালীপদ দাস ও ফেরদৌসী মজুমদার। এছাড়া শিক্ষায় অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের ভারতেশ্বরী হোমস এবার স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছে।

সংশোধিত তালিকাতে সাহিত্যে কারও নাম উল্লেখ নেই।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী ২৫ মার্চ সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে আনুষ্ঠানিকভাবে এ পুরস্কার হস্তান্তর করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কারোনাভাইরাসের কারণে অনুষ্ঠানটি ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে স্থানান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্র।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন