বিএনপির ‘ঈদ উপহার’ নিয়ে জেলা নেতাদের ক্ষোভ
jugantor
বিএনপির ‘ঈদ উপহার’ নিয়ে জেলা নেতাদের ক্ষোভ

  তারিকুল ইসলাম  

১১ মে ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আন্দোলন-সংগ্রাম করতে গিয়ে সারা দেশে যারা নিহত, গুম ও পঙ্গু হয়েছেন তাদের পরিবারকে এবারও ‘ঈদ উপহার’ দিয়েছে বিএনপি। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে এ উপহার দেয়া হয়।

তবে মাত্র আড়াই হাজার টাকার উপহার নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো হতাশা প্রকাশ করেছে। আবার টাকা ঠিকভাবে বণ্টন না করায় এবং মামলার আসামি ও সড়ক দুর্ঘটনায় আহতদের টাকা দেয়ায় জেলা নেতাদের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে। অনেক স্থানে বিএনপির জেলা কমিটির নেতাদের বাদ দিয়ে অন্যদের দিয়ে উপহার দেয়া হয়েছে। এতে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তরা বাদ পড়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাতক্ষীরা ও বরিশালসহ বেশ কয়েকটি জেলার নেতাদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।

দলীয় সূত্র জানায়, এ বছর সারা দেশে ৮৬৭ পরিবারকে ঈদ উপহার দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে বিএনপির ৩৩৩ জন, যুবদলের ২৫২ জন, ছাত্রদলের ২৩১ জন এবং স্বেচ্ছাসেবক দলের ৫১ জন রয়েছে। উপহারের টাকা বণ্টনের বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শহীদুল ইসলাম বাবুল যুগান্তরকে বলেন, ছাত্রদলের উপহার তাদের কেন্দ্রীয় নেতাদের দেয়া হয়েছে। জেলা ছাত্রদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের মাধ্যমে নিজ জেলায় উপহার দেয়া হয়েছে। একইভাবে বিএনপি ও অন্যসব অঙ্গসংগঠনেরও জেলা নেতাদের মাধ্যমে উপহার দেয়ার কথা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, তবে যারা আন্দোলন করতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন, আবার কেউ গুম হয়েছিলেন তাদের বেশ কয়েকজনের নাম এ তালিকায় স্থান পায়নি। তাদের মধ্যে রয়েছেন- জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলের নয়ন বাছার (পায়ে গুলিবিদ্ধ), একই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক মিরাজ (গুম থেকে ফিরেছেন)। ঢাকা মহানগরের এ রকম আরও কয়েকজন ঈদ উপহার না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

টাকা দেয়ার নামে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সঙ্গে অমানবিক আচরণ : এক নেতা জানান, কুমিল্লার প্রত্যন্ত এলাকায় বিএনপির একটি নির্যাতিত পরিবার রয়েছে। সিএনজি ভাড়া করে কুমিল্লা সদর থেকে পরিবারের সদস্যকে ঈদ উপহার নিতে হয়েছে। টাকা হাতে পাওয়ার পর পরিবারটি কেঁদে ফেলেছে। বলেছেন, যাতায়াতের খরচের পর যা থাকবে সেই টাকা দিয়ে কী হবে? সাতক্ষীরায় বিএনপি নেতা অলি মোল্লা ক্রসফায়ারে নিহত হয়েছেন। তার স্ত্রী গ্রাম থেকে ৪০০ টাকায় ভ্যান ভাড়া করে শ্যামনগর সদর থেকে আড়াই হাজার টাকা নিয়েছেন। তার পরিবারের সদস্য সংখ্যা সাতজন। নীলফামারীর বিএনপির নেতা গোলাম রাব্বানীও ক্রসফায়ারে নিহত হন। এভাবে তার স্ত্রীও টাকা পেয়েছেন।

নীলফামারীর এক বিএনপি নেতা যুগান্তরকে বলেন, ঈদ উপহার দেয়ায় নামে তামাশা করা হয়েছে। এ টাকায় গোলাম রাব্বানীর ছয় সদস্যের পরিবারের কী হবে? তাও নেতারা টাকা দিতে গিয়ে ফটোসেশন করে তা ফেসবুকে দিচ্ছেন। পরিবারগুলোরও সম্মান আছে তা নেতারা একবারও চিন্তা করছেন না। জানতে চাইলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির এক নেতা যুগান্তরকে বলেন, কত টাকা তা বড় কথা নয়। এটি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের ঈদ উপহার। দলের নির্দেশনা ছিল নিহত, গুম, আহত ও পঙ্গু নেতাকর্মীদের বাড়িতে উপহার পৌঁছে দেয়া হবে। কিন্তু এক জায়গায় জড়ো করে ফটোসেশন করে দেয়াটা অবশ্যই ঠিক হয়নি।

জানা গেছে, নির্যাতিত নেতাকর্মীদের বাড়িতে গিয়ে ঈদ উপহার দিয়েছেন ছাত্রদল, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দল। অনেকে আবার আরও টাকা যোগ করে প্যাকেটে করে ঈদ সামগ্রী দিয়েছেন। কিন্তু অধিকাংশ জেলায় বিএনপি নেতারা হাইকমান্ডের নির্দেশনা মানেননি। নির্যাতিত পরিবারের সদস্যদের ডেকে এনে তারা ঈদ উপহারের টাকা দিয়েছেন। আবার ছবিও তুলেছেন, যা নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের অনেকে কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছে অভিযোগ করেছেন।

জেলা কমিটির নেতাদের কাছে উপহারের টাকা না দেয়ায় ক্ষোভ : বেশ কয়েকটি জেলা বিএনপির নেতাদের কাছে ঈদ উপহারের টাকা দেয়া হয়নি। এ নিয়ে ক্ষুব্ধ কয়েকটি জেলার শীর্ষ নেতারা। তারা জানান, জেলা কমিটিকে পাশ কাটিয়ে এবং বিএনপির নেতা নন এমন কাউকে উপহারের টাকা বণ্টনের দায়িত্ব দেয়া হলে আমাদের রাজনীতি কি থাকে? যাদের দিয়ে টাকা দেয়া হয়েছে তারা নিজ বলয়ের লোকদের বিতরণ করেছেন। সাতক্ষীরা, পাবনা, চাঁপাইনবাবগঞ্জসহ বেশ কয়েকটি জেলায় এমন ঘটনা ঘটেছে। আবার বরিশাল, ঝালকাঠিসহ আরও কয়েকটি জেলায় নিহত, গুম, ও পঙ্গু নেতাকর্মীদের তালিকায় আসামির নামও দেয়া হয়েছে। বরিশাল বিভাগের এক নেতা আক্ষেপ করে যুগান্তরকে বলেন, মামলার আসামির নাম এ তালিকায় থাকলে তো রাজনৈতিক মামলার আসামি কমপক্ষে কয়েক লাখ নেতাকর্মীর নাম থাকা উচিত।

জানা গেছে, সাতক্ষীরায় ঈদ উপহারের টাকা জেলা ছাত্রদল ও যুবদলকে দেয়া হলেও বিএনপি নেতাদের কাছে দেয়া হয়নি। কেন্দ্রীয় দফতর থেকে টাকা নিয়েছেন সাবেক এমপি হাবিবুল ইসলাম হাবিব। এ বিষয়ে সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সঙ্গে কোনো আলোচনা না করে পছন্দের লোক দিয়ে উপহার সামগ্রী সংশ্লিষ্টদের কাছে তিনি পৌঁছে দিয়েছেন। এ জেলায় এক ব্যক্তি ২৬ বছর আগে সড়ক দুর্ঘটনায় পা হারিয়েছেন তাকেও ঈদ উপহার দেয়া হয়েছে।

সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সৈয়দ ইফতেখার আলী যুগান্তরকে বলেন, জেলা বিএনপির মাধ্যমে বণ্টনের কথা থাকলেও তা জানানো হয়নি। এ ব্যাপারে হাবিবুল ইসলাম হাবিব যুগান্তরকে বলেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে আমি টাকা গ্রহণ করতেই পারি। স্বচ্ছভাবে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের ঈদ উপহার পৌঁছে দিয়েছি। সড়ক দুর্ঘটনায় পা হারানো ব্যক্তির নাম তালিকায় দেয়া হয়নি।

জয়পুরহাট জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নাফিজুর রহমান পলাশ যুগান্তরকে বলেন, ঈদ উপহারের টাকা আমাদের কাছে দেয়া হয়নি।

বিএনপির ‘ঈদ উপহার’ নিয়ে জেলা নেতাদের ক্ষোভ

 তারিকুল ইসলাম 
১১ মে ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আন্দোলন-সংগ্রাম করতে গিয়ে সারা দেশে যারা নিহত, গুম ও পঙ্গু হয়েছেন তাদের পরিবারকে এবারও ‘ঈদ উপহার’ দিয়েছে বিএনপি। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে এ উপহার দেয়া হয়।

তবে মাত্র আড়াই হাজার টাকার উপহার নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো হতাশা প্রকাশ করেছে। আবার টাকা ঠিকভাবে বণ্টন না করায় এবং মামলার আসামি ও সড়ক দুর্ঘটনায় আহতদের টাকা দেয়ায় জেলা নেতাদের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে। অনেক স্থানে বিএনপির জেলা কমিটির নেতাদের বাদ দিয়ে অন্যদের দিয়ে উপহার দেয়া হয়েছে। এতে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তরা বাদ পড়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাতক্ষীরা ও বরিশালসহ বেশ কয়েকটি জেলার নেতাদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।

দলীয় সূত্র জানায়, এ বছর সারা দেশে ৮৬৭ পরিবারকে ঈদ উপহার দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে বিএনপির ৩৩৩ জন, যুবদলের ২৫২ জন, ছাত্রদলের ২৩১ জন এবং স্বেচ্ছাসেবক দলের ৫১ জন রয়েছে। উপহারের টাকা বণ্টনের বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শহীদুল ইসলাম বাবুল যুগান্তরকে বলেন, ছাত্রদলের উপহার তাদের কেন্দ্রীয় নেতাদের দেয়া হয়েছে। জেলা ছাত্রদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের মাধ্যমে নিজ জেলায় উপহার দেয়া হয়েছে। একইভাবে বিএনপি ও অন্যসব অঙ্গসংগঠনেরও জেলা নেতাদের মাধ্যমে উপহার দেয়ার কথা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, তবে যারা আন্দোলন করতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন, আবার কেউ গুম হয়েছিলেন তাদের বেশ কয়েকজনের নাম এ তালিকায় স্থান পায়নি। তাদের মধ্যে রয়েছেন- জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলের নয়ন বাছার (পায়ে গুলিবিদ্ধ), একই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক মিরাজ (গুম থেকে ফিরেছেন)। ঢাকা মহানগরের এ রকম আরও কয়েকজন ঈদ উপহার না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

টাকা দেয়ার নামে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সঙ্গে অমানবিক আচরণ : এক নেতা জানান, কুমিল্লার প্রত্যন্ত এলাকায় বিএনপির একটি নির্যাতিত পরিবার রয়েছে। সিএনজি ভাড়া করে কুমিল্লা সদর থেকে পরিবারের সদস্যকে ঈদ উপহার নিতে হয়েছে। টাকা হাতে পাওয়ার পর পরিবারটি কেঁদে ফেলেছে। বলেছেন, যাতায়াতের খরচের পর যা থাকবে সেই টাকা দিয়ে কী হবে? সাতক্ষীরায় বিএনপি নেতা অলি মোল্লা ক্রসফায়ারে নিহত হয়েছেন। তার স্ত্রী গ্রাম থেকে ৪০০ টাকায় ভ্যান ভাড়া করে শ্যামনগর সদর থেকে আড়াই হাজার টাকা নিয়েছেন। তার পরিবারের সদস্য সংখ্যা সাতজন। নীলফামারীর বিএনপির নেতা গোলাম রাব্বানীও ক্রসফায়ারে নিহত হন। এভাবে তার স্ত্রীও টাকা পেয়েছেন।

নীলফামারীর এক বিএনপি নেতা যুগান্তরকে বলেন, ঈদ উপহার দেয়ায় নামে তামাশা করা হয়েছে। এ টাকায় গোলাম রাব্বানীর ছয় সদস্যের পরিবারের কী হবে? তাও নেতারা টাকা দিতে গিয়ে ফটোসেশন করে তা ফেসবুকে দিচ্ছেন। পরিবারগুলোরও সম্মান আছে তা নেতারা একবারও চিন্তা করছেন না। জানতে চাইলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির এক নেতা যুগান্তরকে বলেন, কত টাকা তা বড় কথা নয়। এটি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের ঈদ উপহার। দলের নির্দেশনা ছিল নিহত, গুম, আহত ও পঙ্গু নেতাকর্মীদের বাড়িতে উপহার পৌঁছে দেয়া হবে। কিন্তু এক জায়গায় জড়ো করে ফটোসেশন করে দেয়াটা অবশ্যই ঠিক হয়নি।

জানা গেছে, নির্যাতিত নেতাকর্মীদের বাড়িতে গিয়ে ঈদ উপহার দিয়েছেন ছাত্রদল, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দল। অনেকে আবার আরও টাকা যোগ করে প্যাকেটে করে ঈদ সামগ্রী দিয়েছেন। কিন্তু অধিকাংশ জেলায় বিএনপি নেতারা হাইকমান্ডের নির্দেশনা মানেননি। নির্যাতিত পরিবারের সদস্যদের ডেকে এনে তারা ঈদ উপহারের টাকা দিয়েছেন। আবার ছবিও তুলেছেন, যা নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের অনেকে কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছে অভিযোগ করেছেন।

জেলা কমিটির নেতাদের কাছে উপহারের টাকা না দেয়ায় ক্ষোভ : বেশ কয়েকটি জেলা বিএনপির নেতাদের কাছে ঈদ উপহারের টাকা দেয়া হয়নি। এ নিয়ে ক্ষুব্ধ কয়েকটি জেলার শীর্ষ নেতারা। তারা জানান, জেলা কমিটিকে পাশ কাটিয়ে এবং বিএনপির নেতা নন এমন কাউকে উপহারের টাকা বণ্টনের দায়িত্ব দেয়া হলে আমাদের রাজনীতি কি থাকে? যাদের দিয়ে টাকা দেয়া হয়েছে তারা নিজ বলয়ের লোকদের বিতরণ করেছেন। সাতক্ষীরা, পাবনা, চাঁপাইনবাবগঞ্জসহ বেশ কয়েকটি জেলায় এমন ঘটনা ঘটেছে। আবার বরিশাল, ঝালকাঠিসহ আরও কয়েকটি জেলায় নিহত, গুম, ও পঙ্গু নেতাকর্মীদের তালিকায় আসামির নামও দেয়া হয়েছে। বরিশাল বিভাগের এক নেতা আক্ষেপ করে যুগান্তরকে বলেন, মামলার আসামির নাম এ তালিকায় থাকলে তো রাজনৈতিক মামলার আসামি কমপক্ষে কয়েক লাখ নেতাকর্মীর নাম থাকা উচিত।

জানা গেছে, সাতক্ষীরায় ঈদ উপহারের টাকা জেলা ছাত্রদল ও যুবদলকে দেয়া হলেও বিএনপি নেতাদের কাছে দেয়া হয়নি। কেন্দ্রীয় দফতর থেকে টাকা নিয়েছেন সাবেক এমপি হাবিবুল ইসলাম হাবিব। এ বিষয়ে সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সঙ্গে কোনো আলোচনা না করে পছন্দের লোক দিয়ে উপহার সামগ্রী সংশ্লিষ্টদের কাছে তিনি পৌঁছে দিয়েছেন। এ জেলায় এক ব্যক্তি ২৬ বছর আগে সড়ক দুর্ঘটনায় পা হারিয়েছেন তাকেও ঈদ উপহার দেয়া হয়েছে।

সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সৈয়দ ইফতেখার আলী যুগান্তরকে বলেন, জেলা বিএনপির মাধ্যমে বণ্টনের কথা থাকলেও তা জানানো হয়নি। এ ব্যাপারে হাবিবুল ইসলাম হাবিব যুগান্তরকে বলেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে আমি টাকা গ্রহণ করতেই পারি। স্বচ্ছভাবে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের ঈদ উপহার পৌঁছে দিয়েছি। সড়ক দুর্ঘটনায় পা হারানো ব্যক্তির নাম তালিকায় দেয়া হয়নি।

জয়পুরহাট জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নাফিজুর রহমান পলাশ যুগান্তরকে বলেন, ঈদ উপহারের টাকা আমাদের কাছে দেয়া হয়নি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন