করোনার প্রভাব মোকাবেলা: রফতানি ঋণের সীমা বাড়ল

এক দফায় ৩ কোটি ডলার ঋণ পাবেন বিটিএমএ ও বিজিএমইএ’র সদস্যরা

  যুগান্তর রিপোর্ট ১৮ মে ২০২০, ০০:০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

ফাইল ছবি

বাংলাদেশ ব্যাংকের রফতানি উন্নয়ন তহবিল (ইডিএফ) থেকে উদ্যোক্তাদের ঋণ নেয়ার সীমা আরও ৫০ লাখ ডলার বাড়ানো হয়েছে। এখন থেকে বস্ত্র ও গার্মেন্ট খাতের উদ্যোক্তারা এ তহবিল থেকে এক দফায় সর্বোচ্চ ৩ কোটি ডলার ঋণ নিতে পারবেন।

আগে নিতে পারতেন ২ কোটি ৫০ লাখ ডলার।

এ বিষয়ে রোববার বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে একটি সার্কুলার জারি করে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে। বর্ধিত এ ঋণসীমা আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বহাল থাকবে।

সার্কুলারে বলা হয়, বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ) ও বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সদস্যরা রফতানি উন্নয়ন তহবিল থেকে এ বাড়তি ঋণসুবিধা নিতে পারবেন। অন্য রফতানিকারকদের ক্ষেত্রে আগের ঋণসীমা বহাল থাকবে।

সূত্র জানায়, করোনার প্রভাবে বিশ্বব্যাপী প্রায় তিন মাস ব্যবসায়িক কার্যক্রম স্থবির থাকার পর এখন থেকে সীমিত আকারে কার্যক্রম চালু হতে শুরু করেছে।

এ কারণে বাংলাদেশের উদ্যোক্তাদের কাছে নতুন রফতানির কার্যাদেশ আসতে শুরু করেছে। ফলে রফতানির জন্য পণ্য তৈরিতে এখন কাঁচামাল আমদানি করতে হবে বেশি করে।

এজন্য খুলতে হবে ব্যাক টু ব্যাক এলসি। বড় আকারে ব্যাক টু ব্যাক এলসি খুলতে উদ্যোক্তাদের যেমন রয়েছে অর্থের সংকট, তেমনি ব্যাংকগুলোও বৈদেশিক মুদ্রায় অর্থায়ন করতে পারছে না।

কেননা বৈদেশিক মুদ্রার প্রধান উৎস রফতানি ও রেমিটেন্সে ধস নেমেছে। ফলে ব্যাংকগুলোর পাশাপাশি উদ্যোক্তাদের কাছেও বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহ কমে গেছে। যে কারণে তাদের পক্ষে এখন বড় অংকের ব্যাক টু ব্যাক এলসি খোলা সম্ভব হচ্ছে না।

এজন্য বিটিএমএ ও বিজিএমইএ’র পক্ষ থেকে এই ঋণের সীমা আরও বাড়ানোর জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে আবেদন করা হয়েছে। এর আলোকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ওই সার্কুলার জারি করেছে। ফলে ব্যাংকগুলোতে বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহ বাড়বে, কমবে সংকট।

ওই তহবিল থেকে ঋণ নিয়ে রফতানিমুখী শিল্পের কাঁচামাল আমদানি করে তা দিয়ে পণ্য তৈরির পর তা রফতানি করা হয়। রফতানির বিল দেশে এলে ঋণ সমন্বয় করা করে বাড়তি অর্থ উদ্যোক্তারা নিয়ে অন্যান্য খাতে খরচ করেন।

এ প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হতে ৩ থেকে ৪ মাস সময় লাগে। এ কারণে ওই তহবিল থেকে উদ্যোক্তাদের সাধারণত ৩ থেকে ৪ মাসের জন্য ঋণ দেয়া হয়। এভাবে প্রতিটি ব্যাক টু ব্যাক এলসির বিপরীতে উদ্যোক্তারা এ তহবিল থেকে ঋণ নিতে পারেন।

করোনার প্রভাব মোকাবেলায় উদ্যোক্তাদের এ তহবিল থেকে বেশি পরিমাণে ঋণের জোগান দিতে সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংক তহবিলে আকার আরও ১৫০ কোটি ডলার বাড়িয়েছে।

আগে এর আকার ছিল ৩৫০ কোটি ডলার। এখন তা বেড়ে হয়েছে ৫০০ কোটি ডলার। তহবিল থেকে উদ্যোক্তাদের ২ শতাংশ সুদে ঋণ দেয়া হয়। আগে সুদের হার ছিল পৌনে ৩ থেকে সোয়া ৩ শতাংশ।

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস

আরও
আরও খবর
 

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত