গ্লোবের দাবি

করোনার টিকা বাজারে আসবে ৭ মাসের মধ্যে

  যুগান্তর রিপোর্ট ০৩ জুলাই ২০২০, ০০:০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে ভ্যাকসিন (টিকা) আবিষ্কারের দাবি করেছে গ্লোব ফার্মাসিউটিক্যালস গ্রুপ অব কোম্পানিজ লিমিটেডের সহযোগী প্রতিষ্ঠান ‘গ্লোব বায়োটেক লিমিটেড’। প্রতিষ্ঠানটি ৮ মার্চ এই টিকা আবিষ্কারে কাজ শুরু করে। টিকা তৈরির সব ধাপ যথাযথভাবে সম্পন্ন করতে পারলে আগামী ৬ থেকে ৭ মাসের মধ্যে এটি বাজারে আনবে প্রতিষ্ঠানটি।

বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এমন দাবি করেন গ্লোব বায়োটেক লিমিটেড। এই টিকা আবিষ্কারে সার্বিক তত্ত্বাবধায়নে ছিলেন প্রতিষ্ঠানের সিইও ড. কাকন নাগ এবং সিওও ড. নাজনীন সুলতানা।

সংবাদ সম্মেলনে গ্লোব বায়োটেক লিমিটেড চেয়ারম্যান মো. হারুনুর রশীদ বলেন, ৮ মার্চ ‘কোভিড-১৯’ শনাক্তকরণ কিট, টিকা এবং ‘ওষুধ’ আবিষ্কার সংক্রান্ত গবেষণা কর্মকাণ্ড শুরু করেন তারা। এই প্রেক্ষাপটে টিকাটির সুরক্ষা ও কার্যকারিতা নিরীক্ষার লক্ষ্যে আমরা ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরুর জন্য কাজ করে যাচ্ছি। এই সুরক্ষা ও কার্যকারিতা পরীক্ষায় সরকারের সহযোগিতা একান্তভাবে কামনা করছি।

তিনি বলেন, এনসিবিআই ভাইরাস ডাটাবেজ অনুযায়ী, ৩০ জুন পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী ৫ হাজার ৭৪৩টি সম্পূর্ণ জিনোম সিকোয়েন্স জমা হয়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশ থেকে জমা হয়েছে ৭৬টি। এসব সিকোয়েন্স বায়োইনফরম্যাটিক্স টুলের মাধ্যমে পরীক্ষা করে আমাদের টিকার টার্গেট নিশ্চিত করেছি।

যা যৌক্তিকভাবে এই ভৌগোলিক অঞ্চলে অধিকতর কার্যকরী হবে বলে আশা করছি। এই টার্গেটের সম্পূর্ণ কোডিং সিকোয়েন্স যুক্তরাষ্ট্রের এনসিবিআই ভাইরাস ডাটাবেজে জমা দিয়েছি, যা ইতোমধ্যেই এনসিবিআই স্বীকৃতি দিয়েছে এবং প্রকাশিত হয়েছে (accession number : MT676411)।

আমাদের গবেষণাগারে আবিষ্কৃত টিকার বিশদ বিশ্লেষণের পর ল্যাবরেটরি অ্যানিমেল মডেলে পরীক্ষামূলকভাবে প্রয়োগ করে যথাযথ এন্টিবডি তৈরিতে সন্তোষজনক ফলাফল পেয়েছি। প্রতিষ্ঠানটির ইনচার্জ রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ড. আসিফ মাহমুদ যুগান্তরকে বলেন, আমরা প্রিলিমিনারি ট্রায়াল সম্পন্ন করেছি, এরপর আবারও এনিমেল ট্রায়াল করব। তারপর আমরা ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে যাব।

আমরা একটি আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে কাজ করছি। এজন্য টিকা উৎপাদনের ক্ষেত্রে ভাইরাস কালচারের প্রয়োজন নেই। এমনকি এ কাজে আমাদের বায়োসেফিটি-৩ মানের ল্যাবেরও দরকার নেই। আমরা এ পর্যন্ত যতগুলো জিনোম সিকোয়েন্স হয়েছে সেগুলো বিশ্লেষণ করেই গবেষণা পরিচালনা করছি। যেহেতু এটি আমাদের নিজস্ব পদ্ধতিতে উদ্ভাবিত তাই আচিরেই আমরা এর পেটেন্টের জন্য আবেদন করব।

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত