ঈদের দিন বিকালে হালকা বৃষ্টির আভাস
jugantor
ঈদের দিন বিকালে হালকা বৃষ্টির আভাস

  যুগান্তর রিপোর্ট  

৩১ জুলাই ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

শ্রাবণের অতিবৃষ্টি আর পাহাড়ি ঢলে যখন বন্যায় ভাসছে দেশের প্রায় অর্ধেক এলাকা, তখন ঈদের দিনের জন্য সুখবর দিচ্ছেন আবহাওয়াবিদরা। কাল দিনের প্রথমার্ধ থাকতে পারে বৃষ্টিমুক্ত। তবে বিকালে হালকা বৃষ্টি হতে পারে। আর সেই সম্ভাবনাও ৪০ শতাংশ। ফলে সবমিলে ঈদের দিন মোটামুটি ভারি বৃষ্টি না হওয়ার কথাই বলছেন তারা। কিন্তু ঈদের পরের দু’দিন বৃষ্টির প্রবণতা ক্রমান্বয়ে বাড়তে থাকবে। রোববার সকালের দিকে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি হতে পারে। বিকালের দিকে বৃষ্টির প্রবণতা বেড়ে যেতে পারে। আবার সোমবার সকালের দিকে হালকা এবং বিকালের দিকে বিচ্ছিন্নভাবে বৃষ্টি হতে পারে। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতর (বিএমডি) এবং যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েদারডটকম এ তথ্য জানিয়েছে। বিএমডির আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক যুগান্তরকে বলেন, ভারি বৃষ্টির প্রবণতা বৃহস্পতিবারই কমে এসেছে। এই ধারা শনিবার পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। তবে এবার মৌসুমি বায়ু বেশ সক্রিয় অবস্থায় আছে। যে কারণে ঈদের সকাল মোটামুটি বৃষ্টিমুক্ত থাকলেও দুপুর থেকে হালকা বৃষ্টি হতে পারে। বলা যায়, ঈদের দিন তুলনামূলক কম বৃষ্টি হবে। বিশেষ করে রাজধানীতে বৃষ্টি না-ও হতে পারে। রাজধানীর বাইরে রংপুর, সিলেট বিভাগে বৃষ্টি হতে পারে।

আগামীকাল ১ আগস্ট ঈদুল আজহা উদযাপন করবেন বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের মুসলমানরা। ঈদের দিন সকালে জামায়াতে দুই রাকাত নামাজ পড়া ওয়াজিব। সাধারণত ঈদগাহে এই নামাজ আদায় করতে হয়। তবে করোনাকালের পরিস্থিতি বিবেচনায় এবার এ ব্যাপারে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা আছে। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে নামাজ আদায় করা যাবে। ঈদের নামাজের পর শুরু হয় কোরবানির পশু জবাই পর্ব। আবহাওয়াবিদদের বক্তব্য অনুযায়ী, নামাজ বা পশু জবাইয়ের পর বিকালে হালকা বৃষ্টি হতে পারে। এতে অবশ্য ভোগান্তির পরিবর্তে ধরণী পরিশুদ্ধ হওয়ার ক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকাই রাখবে বলে মনে করেন তারা।

বিএমডি জানিয়েছে, বর্তমানে মৌসুমি বায়ুর অক্ষ পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ এবং বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। আর মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের উপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে দুর্বল থেকে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায়, রাজশাহী, ঢাকা ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ সহ বৃষ্টির আভাস থাকছে।

ঈদের দিন বিকালে হালকা বৃষ্টির আভাস

 যুগান্তর রিপোর্ট 
৩১ জুলাই ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

শ্রাবণের অতিবৃষ্টি আর পাহাড়ি ঢলে যখন বন্যায় ভাসছে দেশের প্রায় অর্ধেক এলাকা, তখন ঈদের দিনের জন্য সুখবর দিচ্ছেন আবহাওয়াবিদরা। কাল দিনের প্রথমার্ধ থাকতে পারে বৃষ্টিমুক্ত। তবে বিকালে হালকা বৃষ্টি হতে পারে। আর সেই সম্ভাবনাও ৪০ শতাংশ। ফলে সবমিলে ঈদের দিন মোটামুটি ভারি বৃষ্টি না হওয়ার কথাই বলছেন তারা। কিন্তু ঈদের পরের দু’দিন বৃষ্টির প্রবণতা ক্রমান্বয়ে বাড়তে থাকবে। রোববার সকালের দিকে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি হতে পারে। বিকালের দিকে বৃষ্টির প্রবণতা বেড়ে যেতে পারে। আবার সোমবার সকালের দিকে হালকা এবং বিকালের দিকে বিচ্ছিন্নভাবে বৃষ্টি হতে পারে। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতর (বিএমডি) এবং যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েদারডটকম এ তথ্য জানিয়েছে। বিএমডির আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক যুগান্তরকে বলেন, ভারি বৃষ্টির প্রবণতা বৃহস্পতিবারই কমে এসেছে। এই ধারা শনিবার পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। তবে এবার মৌসুমি বায়ু বেশ সক্রিয় অবস্থায় আছে। যে কারণে ঈদের সকাল মোটামুটি বৃষ্টিমুক্ত থাকলেও দুপুর থেকে হালকা বৃষ্টি হতে পারে। বলা যায়, ঈদের দিন তুলনামূলক কম বৃষ্টি হবে। বিশেষ করে রাজধানীতে বৃষ্টি না-ও হতে পারে। রাজধানীর বাইরে রংপুর, সিলেট বিভাগে বৃষ্টি হতে পারে।

আগামীকাল ১ আগস্ট ঈদুল আজহা উদযাপন করবেন বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের মুসলমানরা। ঈদের দিন সকালে জামায়াতে দুই রাকাত নামাজ পড়া ওয়াজিব। সাধারণত ঈদগাহে এই নামাজ আদায় করতে হয়। তবে করোনাকালের পরিস্থিতি বিবেচনায় এবার এ ব্যাপারে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা আছে। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে নামাজ আদায় করা যাবে। ঈদের নামাজের পর শুরু হয় কোরবানির পশু জবাই পর্ব। আবহাওয়াবিদদের বক্তব্য অনুযায়ী, নামাজ বা পশু জবাইয়ের পর বিকালে হালকা বৃষ্টি হতে পারে। এতে অবশ্য ভোগান্তির পরিবর্তে ধরণী পরিশুদ্ধ হওয়ার ক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকাই রাখবে বলে মনে করেন তারা।

বিএমডি জানিয়েছে, বর্তমানে মৌসুমি বায়ুর অক্ষ পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ এবং বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। আর মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের উপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে দুর্বল থেকে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায়, রাজশাহী, ঢাকা ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ সহ বৃষ্টির আভাস থাকছে।