সাহেদের রিমান্ড শুনানি ১০ আগস্ট
jugantor
অর্থ আত্মসাতের মামলা
সাহেদের রিমান্ড শুনানি ১০ আগস্ট

  যুগান্তর রিপোর্ট  

০৭ আগস্ট ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

অর্থ আত্মসাতের মামলায় রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. সাহেদের রিমান্ড শুনানি ১০ আগস্ট। বৃহস্পতিবার ঢাকার সিনিয়র স্পেশাল জজ কে.এম. ইমরুল কায়েস আসামির উপস্থিতিতে রিমান্ড শুনানির এই দিন ধার্য করেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপসহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শাহজাহান মিরাজ আসামির ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়, পদ্মা ব্যাংক লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদের নির্বাহী/অডিট কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান মো. মাহবুবুল হক চিশতী, তার ছেলে মো. রাশেদুল হক চিশতী ও বকশীগঞ্জ জুট স্পিনার্স লিমিটেডের সঙ্গে রিজেন্ট হাসপাতাল লিমিটেডের কোনো ব্যবসায়িক সম্পর্ক নেই। ঋণগ্রহীতার সঙ্গে কোনো ব্যবসায়িক সম্পর্ক না থাকা সত্ত্বেও গ্রাহকের অনুকূলে মঞ্জুরিপত্র ইস্যুর আগে বকশীগঞ্জ জুট স্পিনার্স লিমিটেডের হিসাবে নগদ ৩৫ লাখ টাকা গ্রহণ এবং তা উত্তোলন করায় প্রমাণিত হয় যে, মো. রাশেদুল হক চিশতী আর্থিক সুবিধা/উৎকোচ গ্রহণ করে তার বাবা মো. মাহবুবুল হক চিশতীর মাধ্যমে গ্রাহক প্রতিষ্ঠান রিজেন্ট হাসপাতালকে অবৈধভাবে ঋণ পাইয়ে দেন। আত্মসাৎকৃত টাকার বর্তমান অবস্থান, কাকে কী উদ্দেশ্যে দেয়া হয়েছে, ভুয়া ডকুমেন্ট তৈরি এবং এর সঙ্গে সম্পৃক্তদের বের করার জন্য মো. সাহেদকে জিজ্ঞাসাবাদ করা একান্ত প্রয়োজন। শুনানি শেষে আসামির উপস্থিতিতে রিমান্ড শুনানির জন্য আদালত ওই দিন ধার্য করেন।

এর আগে ২৭ জুলাই দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে (ঢাকা-১) অর্থ পাচার আইনে মামলাটি করা হয়। মামলায় সাহেদসহ চারজনকে আসামি করা হয়। মামলায় পদ্মা ব্যাংকের এক কোটি টাকা (সুদাসলসহ দুই কোটি ৭১ লাখ টাকা) আত্মসাতের অভিযোগ করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, করোনা পরীক্ষা ও চিকিৎসার নামে প্রতারণা মামলায় ১৫ জুলাই সাতক্ষীরা সীমান্ত এলাকা থেকে সাহেদকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। পরদিন এ মামলায় তার ১০ দিনের রিমান্ডের আদেশ দেন আদালত। রিমান্ড শেষে গত ২৬ জুলাই সাহেদের ঢাকার অপর চার মামলায় ২৮ দিন ও সাতক্ষীরার এক মামলায় ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর হয়।

অর্থ আত্মসাতের মামলা

সাহেদের রিমান্ড শুনানি ১০ আগস্ট

 যুগান্তর রিপোর্ট 
০৭ আগস্ট ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

অর্থ আত্মসাতের মামলায় রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. সাহেদের রিমান্ড শুনানি ১০ আগস্ট। বৃহস্পতিবার ঢাকার সিনিয়র স্পেশাল জজ কে.এম. ইমরুল কায়েস আসামির উপস্থিতিতে রিমান্ড শুনানির এই দিন ধার্য করেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপসহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শাহজাহান মিরাজ আসামির ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়, পদ্মা ব্যাংক লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদের নির্বাহী/অডিট কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান মো. মাহবুবুল হক চিশতী, তার ছেলে মো. রাশেদুল হক চিশতী ও বকশীগঞ্জ জুট স্পিনার্স লিমিটেডের সঙ্গে রিজেন্ট হাসপাতাল লিমিটেডের কোনো ব্যবসায়িক সম্পর্ক নেই। ঋণগ্রহীতার সঙ্গে কোনো ব্যবসায়িক সম্পর্ক না থাকা সত্ত্বেও গ্রাহকের অনুকূলে মঞ্জুরিপত্র ইস্যুর আগে বকশীগঞ্জ জুট স্পিনার্স লিমিটেডের হিসাবে নগদ ৩৫ লাখ টাকা গ্রহণ এবং তা উত্তোলন করায় প্রমাণিত হয় যে, মো. রাশেদুল হক চিশতী আর্থিক সুবিধা/উৎকোচ গ্রহণ করে তার বাবা মো. মাহবুবুল হক চিশতীর মাধ্যমে গ্রাহক প্রতিষ্ঠান রিজেন্ট হাসপাতালকে অবৈধভাবে ঋণ পাইয়ে দেন। আত্মসাৎকৃত টাকার বর্তমান অবস্থান, কাকে কী উদ্দেশ্যে দেয়া হয়েছে, ভুয়া ডকুমেন্ট তৈরি এবং এর সঙ্গে সম্পৃক্তদের বের করার জন্য মো. সাহেদকে জিজ্ঞাসাবাদ করা একান্ত প্রয়োজন। শুনানি শেষে আসামির উপস্থিতিতে রিমান্ড শুনানির জন্য আদালত ওই দিন ধার্য করেন।

এর আগে ২৭ জুলাই দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে (ঢাকা-১) অর্থ পাচার আইনে মামলাটি করা হয়। মামলায় সাহেদসহ চারজনকে আসামি করা হয়। মামলায় পদ্মা ব্যাংকের এক কোটি টাকা (সুদাসলসহ দুই কোটি ৭১ লাখ টাকা) আত্মসাতের অভিযোগ করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, করোনা পরীক্ষা ও চিকিৎসার নামে প্রতারণা মামলায় ১৫ জুলাই সাতক্ষীরা সীমান্ত এলাকা থেকে সাহেদকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। পরদিন এ মামলায় তার ১০ দিনের রিমান্ডের আদেশ দেন আদালত। রিমান্ড শেষে গত ২৬ জুলাই সাহেদের ঢাকার অপর চার মামলায় ২৮ দিন ও সাতক্ষীরার এক মামলায় ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর হয়।