সিফাত-শিপ্রার প্রাণনাশের শঙ্কা স্ট্যামফোর্ড শিক্ষার্থীদের

বামনায় পুলিশের লাঠিচার্জ

  যুগান্তর রিপোর্ট ও বামনা (বরগুনা) প্রতিনিধি ০৯ আগস্ট ২০২০, ০০:০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থী সাহেদুল ইসলাম সিফাত ও শিপ্রা রানী দেবনাথের জীবননাশের শঙ্কায় স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা। পাশাপাশি তাদের মুক্তি ও নিরাপত্তাসহ চার দফা দাবি জানিয়েছেন তারা। শনিবার রাজধানীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিদ্ধেশ্বরী ক্যাম্পাসের সামনে এক মানববন্ধন ও মিছিল থেকে এসব দাবি উঠে আসে। বিশ্ববিদ্যালয়টির ফিল্ম ও মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগ এবং স্ট্যামফোর্ড ফিল্ম স্টুডেন্ট সিনে ফোরামের উদ্যাগে এই কর্মসূচি পালিত হয়।

কক্সবাজারের টেকনাফে পুলিশের গুলিতে নিহত সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খানের তথ্যচিত্র নির্মাণের সহযোগী ছিলেন সিফাত ও শিপ্রা। ঘটনাস্থল থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। পরে দুটি মামলায় বর্তমানে তারা কারাগারে আছেন। তাদের মুক্তি দাবিতে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছেন সহপাঠীরা। এতে যোগ দিয়েছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষও।

কর্মসূচিতে তুলে ধরা চার দফা হল- আটক দুই শিক্ষার্থীর মুক্তি, মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খানের হত্যার ঘটনার সুষ্ঠু বিচার, দুই শিক্ষার্থীকে মামলা থেকে অব্যাহতি, দুই শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবারকে সামাজিকভাবে নিরাপত্তা প্রদান।

শিক্ষার্থীরা বলেন, সিফাত-শিপ্রার বিরুদ্ধে পুলিশ যেসব অভিযোগ তুলেছে তা মিথ্যা ও সাজানো গল্প। তাদের ফাঁসানো হয়েছে। তারা সেখানে একটা তথ্যচিত্র বানানোর জন্য গিয়েছিল। এই প্রজেক্টে শিপ্রা পরিচালক ও সিফাত সিনেমাটোগ্রাফার হিসেবে ছিল। বর্তমানে আমরা তাদের জীবননাশের আশঙ্কা করছি।

বামনায় মানববন্ধনে পুলিশের লাঠিচার্জ : এদিকে পুলিশের গুলিতে নিহত মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খানের গাড়িতে থাকা তার ইউটিউব চ্যানেলের ভিডিওম্যান সাহেদুল ইসলাম সিফাতের নিজ বাড়ি বরগুনার বামনা উপজেলায় সিফাতের মুক্তির দাবিতে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন তার সহপাঠীরা। এ সময় পুলিশ প্রথমে ব্যানার ও মাইক ছিনিয়ে নেয়। পরে মানববন্ধনে লাঠিচার্জ করে। এতে ৪ শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হন। আহতরা হলেন মো. রুবেল, ইমরান, রায়হান ও মিথুন।

শনিবার দুপুর ১২টায় উপজেলার কলেজ রোডে ঘণ্টাব্যাপী এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে তিনশতাধিক শিক্ষার্থী ও স্থানীয়রা অংশ নেন।

মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারী পুলিশের লাঠিচার্জে আহত মো. রুবেল বলেন, আমরা আমাদের বন্ধুর মুক্তির জন্য শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করছিলাম। এ সময় পুলিশ আমাদের ওপর লাঠিচার্জ করেন। এ ব্যাপারে বামনা থানার ওসি ইলিয়াস আলী তালুকদার দাবি করেন, অনুমতি না নিয়ে সড়কে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করায় মানববন্ধনটি বন্ধ করে দেয়া হয়।

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত