বন্যার উন্নতি হচ্ছে দ্রুত

  যুগান্তর রিপোর্ট ০৯ আগস্ট ২০২০, ০০:০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

বন্যাকবলিত জেলাগুলোতে পরিস্থিতির দ্রুত উন্নতি হচ্ছে। দেশের বাইরে থেকে বড় আকারে বানের পানি আসছে না। অপর দিকে বঙ্গোপসাগরের দিকে পানিপ্রবাহ বেড়েছে। এতে সবমিলে দুর্গত এলাকা থেকে নেমে যাচ্ছে বানের পানি।

সরকারের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র (এফএফডব্লিউসি) বলেছে, ব্রহ্মপুত্র-যমুনায় পানি হ্রাসের ধারা আরও ৭২ ঘণ্টা ও গঙ্গা-পদ্মা এবং আপার মেঘনা অববাহিকার নদ-নদীগুলো আরও ৪৮ ঘণ্টা অব্যাহত থাকতে পারে।

একই ধারায় নেমে যাচ্ছে রাজধানী ঢাকার আশপাশের নদীর পানি, যা আরও ৪৮ ঘণ্টা অব্যাহত থাকতে পারে।

সংস্থাটি আরও জানায়, বর্তমানে ১২টি জেলা বন্যাকবলিত। আগামী ২৪ ঘণ্টায় সিরাজগঞ্জ, টাঙ্গাইল, নাটোর, মানিকগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ, ফরিদপুর, মাদারীপুর, চাঁদপুর, রাজবাড়ী, শরীয়তপুর, ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে।

এফএফডব্লিউসি দেশের ১০১ স্থানে নদ-নদীর পানিপ্রবাহ পর্যবেক্ষণ করে। এর মধ্যে ৭৯ স্থানেই ২৪ ঘণ্টায় পানির সমতল হ্রাস পেয়েছে। আর বেড়েছে মাত্র ১৯ স্থানে।

বর্তমানে ১২টি নদী ১৬ স্থানে বইছে বিপদসীমার উপরে। এগুলো হচ্ছে- পদ্মা, মেঘনা, যমুনা, গুড়, আত্রাই, ধলেশ্বরী, বালু, শীতলক্ষ্যা, তুরাগ, কালিগঙ্গা, টঙ্গী খাল, বংশী ও আড়িয়াল খাঁ।

এদিকে, ভারতের পূর্বাঞ্চলে ও দেশের ভেতরে বৃষ্টিপাত অব্যাহত আছে। এফএফডব্লিউসির তথ্য অনুযায়ী, কেবল সুনামগঞ্জেই ২৪ ঘণ্টায় ১০০ মিলিমিটার ও ছাতকে ৫০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

ভারতের অরুণাচলে পাসিঘাটে ৫৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। সাধারণত এক দিনে ৫০ মিলিমিটার বৃষ্টি হলে তা স্থানীয় বন্যা আর ৩০০ মিলিমিটার বৃষ্টি হলে ১০ দিনব্যাপী বন্যা সৃষ্টি করে থাকে।

সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত