ঢাকায় বেড়েছে কর্মব্যস্ত মানুষের উপস্থিতি
jugantor
ঢাকায় বেড়েছে কর্মব্যস্ত মানুষের উপস্থিতি

  যুগান্তর রিপোর্ট  

১১ আগস্ট ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রাজধানী ঢাকায় কর্মব্যস্ত মানুষের উপস্থিতি বেড়েছে। বেড়েছে যানজটও। সোমবার সকাল ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত নগরীর বিভিন্ন সড়কে মাঝারি ধরনের যানজট দেখা যায়। ঈদের পর অফিস-আদালতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতি বেড়েছে। হোটেল, রেস্টুরেন্ট, দোকানপাট ও অন্যসব ব্যবসায়িক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ব্যবসায়িক কারণে ঢাকার বাইরে থেকেও মানুষজনের আসা-যাওয়া বাড়ছে।

রাজধানীতে বাইরে বের হওয়া মানুষের মাঝে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ব্যাপারে বরাবরের মতো অনাগ্রহ লক্ষ করা গেছে। সামাজিক দূরত্ব মেনে না চলায় কর্মব্যস্ত মানুষের করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যা ও মৃত্যু বেড়েছে। এসব দিক বিবেচনায় মানুষের চলাচলে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে সোমবার সরকারের পক্ষ থেকে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার ঘোষণা দেয়া হয়েছে।

সরেজমিন দেখা গেছে, সোমবার সকালে মহানগরীর সায়েন্সল্যাব, খামারবাড়ি, বিজয় সরণি, ফার্মগেট, শাহবাগ, দোয়েল চত্বর, দৈনিক বাংলার মোড়, মতিঝিল, আরামবাগ, মিরপুর-১, ২, ১০ নম্বরসহ শহরের সব এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের যানজট হয়েছে।

মালিবাগের বাসিন্দা ও কুড়িল প্রগতি সরণির বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা মনোয়ার হোসেন যুগান্তরকে বলেন, দুপুর ১২টায় তার অফিসে মিটিং ছিল। ১১টায় বাসা থেকে নির্ধারিত সময়ে বের হয়েও মিটিংয়ে অংশ নিতে পারিনি। বাসা থেকে বের হয়ে অফিসে পৌঁছাতে সড়কের যানজটে নাকাল হতে হয়েছে। সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজার ডাব বিক্রেতা আসলাম হোসেন জানান, এখানে সকাল ৯টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত হালকা থেকে মাঝারি ধরনের যানজট দেখা গেছে।

রাজধানীর প্রাণকেন্দ্র সচিবালয় এলাকাসহ পল্টন, মতিঝিল, গুলশান, বনানী, উত্তরা, কুড়িল, প্রগতি সরণি, মিরপুরসহ সর্বত্র জনসমাগম ছিল। সরকারি-বেসরকারি অফিস, দোকানপাট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং সড়ক ও ফুটপাতে ছিল কর্মব্যস্ত মানুষের সরব উপস্থিতি।

 

ঢাকায় বেড়েছে কর্মব্যস্ত মানুষের উপস্থিতি

 যুগান্তর রিপোর্ট 
১১ আগস্ট ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রাজধানী ঢাকায় কর্মব্যস্ত মানুষের উপস্থিতি বেড়েছে। বেড়েছে যানজটও। সোমবার সকাল ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত নগরীর বিভিন্ন সড়কে মাঝারি ধরনের যানজট দেখা যায়। ঈদের পর অফিস-আদালতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতি বেড়েছে। হোটেল, রেস্টুরেন্ট, দোকানপাট ও অন্যসব ব্যবসায়িক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ব্যবসায়িক কারণে ঢাকার বাইরে থেকেও মানুষজনের আসা-যাওয়া বাড়ছে।

রাজধানীতে বাইরে বের হওয়া মানুষের মাঝে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ব্যাপারে বরাবরের মতো অনাগ্রহ লক্ষ করা গেছে। সামাজিক দূরত্ব মেনে না চলায় কর্মব্যস্ত মানুষের করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যা ও মৃত্যু বেড়েছে। এসব দিক বিবেচনায় মানুষের চলাচলে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে সোমবার সরকারের পক্ষ থেকে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার ঘোষণা দেয়া হয়েছে।

সরেজমিন দেখা গেছে, সোমবার সকালে মহানগরীর সায়েন্সল্যাব, খামারবাড়ি, বিজয় সরণি, ফার্মগেট, শাহবাগ, দোয়েল চত্বর, দৈনিক বাংলার মোড়, মতিঝিল, আরামবাগ, মিরপুর-১, ২, ১০ নম্বরসহ শহরের সব এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের যানজট হয়েছে।

মালিবাগের বাসিন্দা ও কুড়িল প্রগতি সরণির বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা মনোয়ার হোসেন যুগান্তরকে বলেন, দুপুর ১২টায় তার অফিসে মিটিং ছিল। ১১টায় বাসা থেকে নির্ধারিত সময়ে বের হয়েও মিটিংয়ে অংশ নিতে পারিনি। বাসা থেকে বের হয়ে অফিসে পৌঁছাতে সড়কের যানজটে নাকাল হতে হয়েছে। সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজার ডাব বিক্রেতা আসলাম হোসেন জানান, এখানে সকাল ৯টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত হালকা থেকে মাঝারি ধরনের যানজট দেখা গেছে।

রাজধানীর প্রাণকেন্দ্র সচিবালয় এলাকাসহ পল্টন, মতিঝিল, গুলশান, বনানী, উত্তরা, কুড়িল, প্রগতি সরণি, মিরপুরসহ সর্বত্র জনসমাগম ছিল। সরকারি-বেসরকারি অফিস, দোকানপাট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং সড়ক ও ফুটপাতে ছিল কর্মব্যস্ত মানুষের সরব উপস্থিতি।