চারপাশ অন্ধকার পেঁয়াজের ঝাঁজে
jugantor
দাম নিয়ে কারসাজি : খুচরায় কেজি ৭০ টাকা
চারপাশ অন্ধকার পেঁয়াজের ঝাঁজে

  যুগান্তর রিপোর্ট  

০৭ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

পাইকারি পর্যায়ে দু’দিনের ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম কেজিতে ১০ টাকা কমলেও খুচরা বাজারে বেড়েছে। খুচরা বাজারে নতুন করে কেজিতে ১৫ টাকা বাড়ানো হয়েছে।

পাইকারি পর্যায়ে দু’দিনের ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম কেজিতে ১০ টাকা কমলেও খুচরা বাজারে বেড়েছে। খুচরা বাজারে নতুন করে কেজিতে ১৫ টাকা বাড়ানো হয়েছে।

রোববার রাজধানীর খুচরা বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে সর্বোচ্চ ৭০ টাকা। বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, খুচরা বিক্রেতারা কারসাজি করে দাম বাড়িয়ে বিক্রি করছেন। তাই বাজারে মনিটরিং জোরদার করা দরকার। মনিটরিং না বাড়ালে খুচরা বিক্রেতারা দাম আরও বাড়াবেন।

নিত্যপ্রয়োজনীয় এ পণ্যটির দাম বাড়ার চিত্র সরকারি সংস্থা ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) দৈনিক বাজার মূল্য তালিকায় দেখা গেছে। টিসিবি বলছে, এক মাসের ব্যবধানে প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজের দাম বেড়েছে ৬৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ। আর আমদানি করা পেঁয়াজের দাম বেড়েছে ৮১ দশমিক ৮২ শতাংশ।

জানতে চাইলে ভোক্তার স্বার্থ নিয়ে কাজ করা প্রতিষ্ঠান কনজ্যুমার ইয়ুথ বাংলাদেশ (সিওয়াইবি) নির্বাহী পরিচালক পলাশ মাহমুদ যুগান্তরকে বলেন, পণ্যটি নিয়ে যারা কারসাজি করছেন তাদের কঠোর শাস্তির আওতায় আনতে হবে। এছাড়া অন্যান্য নিত্যপণ্যের দামও হু হু করে বাড়ছে। সেদিকেও সংশ্লিষ্টদের নজর দিতে হবে। সঙ্গে কঠোর মনিটরিং করে দাম ভোক্তা সহনীয় করতে হবে।

রোববার রাজধানীর পাইকারি আড়ত শ্যামবাজারের পাইকারি ব্যবসায়ী ও আমদানিকারকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এদিন পাইকারি পর্যায়ে প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৪৫ টাকা; যা শুক্রবার বিক্রি হয়েছে ৪৮-৫০ টাকা। আর আমদানি করা পেঁয়াজ প্রতি কেজি বিক্রি হয়েছে ৩৫ টাকা; যা দু’দিন আগে বিক্রি হয় ৪০ টাকা।

এছাড়া রাজধানীর কারওয়ান বাজার, নয়াবাজার ও মালিবাগ কাঁচাবাজারের খুচরা বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এ দিন প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৬৫-৭০ টাকা; যা এক দিন আগে বিক্রি হয়েছে সর্বোচ্চ ৫৫ টাকা। আর আমদানি করা পেঁয়াজ প্রতি কেজি বিক্রি হয়েছে ৫৫-৬০ টাকা; যা এক দিন আগে বিক্রি হয়েছে ৫০ টাকা।

শ্যামবাজারের পাইকারি ব্যবসায়ী ও আমদানিকারক শংকর চন্দ্র ঘোষ বলেন, কয়েকটি কারণে নিত্যপ্রয়োজনীয় এ পণ্যটির সরবরাহে ঘাটতি থাকায় দাম বেড়েছে। তবে গত দু’দিন থেকে পাইকারি পর্যায়ে সরবরাহ বাড়ায় দাম কমতে শুরু করেছে। সর্বশেষ ভারত থেকে তিন হাজার টন পেঁয়াজ পাইকারি পর্যায়ে এসে পৌঁছেছে। তাই দাম আরও কমবে। তবে আজ দেখছি খুচরা বাজারে বিক্রেতারা পেঁয়াজের কেজি ৭০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করছেন। তিনি জানান, এগুলো তাদের কারসাজি। তারা যে পেঁয়াজ ৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছেন সেগুলো ৪৫-৫০ টাকা কেজি দরে কেনা।

তবে বিক্রি করছেন বাড়তি দরে যা একেবারেই ঠিক নয়। তাই বাজার মনিটরিং করে দাম কমিয়ে ভোক্তার নাগালে আনতে হবে।

খাতুনগঞ্জে অভিযান, ১০ আড়তদারকে জরিমানা : চট্টগ্রাম ব্যুরো জানায়, চট্টগ্রামের সবচেয়ে বড় ভোগ্যপণ্যের বাজার খাতুনগঞ্জে অভিযান চালিয়েছে জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত। রোববার সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত অভিযান চলে। এ সময় পেঁয়াজের অযৌক্তি মূল্য বৃদ্ধিসহ নানা অনিয়ম পাওয়ায় ১০ আড়তদারকে জরিমানা করা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শিরিন আক্তার ও উমর ফারুক অভিযানে নেতৃত্ব দেন।

বিভিন্ন অনিয়মের পাশাপাশি ও ক্রয় ইনভয়েস না রেখে নিজেদের মতো মূল্য বৃদ্ধি করায় মেসার্স বরকত ভাণ্ডারকে ১০ হাজার টাকা, মেসার্স গোপাল বাণিজ্য ভাণ্ডারকে ১০ হাজার, মেসার্স হাজী মহিউদ্দিন সওদাগরকে ১০ হাজার, মেসার্স সেকান্দার অ্যান্ড সন্সকে ১০ হাজার, মোহাম্মাদীয়া বাণিজ্যালয়কে ১০ হাজার, মোহাম্মদ জালাল উদ্দীনকে ১০ হাজার, গ্রামীণ বাণিজ্যালয়কে ৫ হাজার, আরাফাত ট্রেডার্সকে ৫ হাজার, মেসার্স বাগদারিক কর্পোরেশনকে ৫ হাজার ও শাহাদাত ট্রেডার্সকে ২ হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

অভিযানে নেতৃত্বদানকারী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উমর ফারুক জানান, আড়তদাররা ব্যবসায়িক কাগজপত্র নিজেদের কাছে রাখেন না। আমদানিকারক তাদের ফোন করে যে দামে বিক্রি করতে বলে, তারা সেই দামেই বিক্রি করেন। কোনো নিয়ম-কানুন মানা হচ্ছে না। একেকজন একেক দামে বিক্রি করছেন। দাম একেবারেই অনিয়ন্ত্রিত। কোথাও কোথাও কেজিতে ২০ টাকা পর্যন্ত দাম বাড়ানো হয়েছে। আড়তদাররা বলছেন, তারা কমিশনে পেঁয়াজ বিক্রি করে। তাই আমদানিকারক যে দাম নির্ধারণ করে দেন, সে দামেই তাদের বিক্রি করতে হয়।

তিনি বলেন, আমরা আড়তদারদের সতর্ক করেছি। পেঁয়াজের চালানের আমদানি কাগজপত্র রাখতে বলেছি। ভবিষ্যতে আরও অভিযান চালানো হবে।

সেখানকার আরও এক পাইকারি ব্যবসায়ী মো. সিদ্দিক মজুমদার জানান, খুচরা বিক্রেতারা ভেবেছেন পেঁয়াজের দাম আবারও বাড়বে। তাই গত এক সপ্তাহে পাইকারি বিক্রেতাদের কাছ থেকে সব পেঁয়াজ কিনে স্টক করেছেন বেশি দামে বিক্রির আশায়। যা একেবারে ঠিক নয়। তবে পাইকারি বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ বাড়তে শুরু করেছে। দামও কেজিতে ১০ টাকার মতো কমেছে। সামনে আরও দাম কমবে। তাই মনিটরিং জোরদার করা জরুরি।

জানতে চাইলে বাজার তদারকি সংস্থা জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের পরিচালক আবদুল জব্বার মণ্ডল বলেন, অধিদফতরের মহাপরিচালকের নির্দেশে সকাল থেকেই রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বাজার তদারকি কার্যক্রম অব্যাহত আছে। এছাড়া অন্যান্য নিত্যপণ্যের দাম ভোক্তাসহনীয় করার পাশাপাশি পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণে আনতে কঠোর ভাবে তদারকি চলছে।

তদারকি কালে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে বিনা কারণে বেশি দরে পেঁয়াজ বিক্রি করায় দায়ে একাধিক বিক্রেতাকে শাস্তির আওতায় আনা হয়েছে। এ তদারকি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

দাম নিয়ে কারসাজি : খুচরায় কেজি ৭০ টাকা

চারপাশ অন্ধকার পেঁয়াজের ঝাঁজে

 যুগান্তর রিপোর্ট 
০৭ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
পাইকারি পর্যায়ে দু’দিনের ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম কেজিতে ১০ টাকা কমলেও খুচরা বাজারে বেড়েছে। খুচরা বাজারে নতুন করে কেজিতে ১৫ টাকা বাড়ানো হয়েছে।
ফাইল ছবি

পাইকারি পর্যায়ে দু’দিনের ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম কেজিতে ১০ টাকা কমলেও খুচরা বাজারে বেড়েছে। খুচরা বাজারে নতুন করে কেজিতে ১৫ টাকা বাড়ানো হয়েছে।

রোববার রাজধানীর খুচরা বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে সর্বোচ্চ ৭০ টাকা। বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, খুচরা বিক্রেতারা কারসাজি করে দাম বাড়িয়ে বিক্রি করছেন। তাই বাজারে মনিটরিং জোরদার করা দরকার। মনিটরিং না বাড়ালে খুচরা বিক্রেতারা দাম আরও বাড়াবেন।

নিত্যপ্রয়োজনীয় এ পণ্যটির দাম বাড়ার চিত্র সরকারি সংস্থা ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) দৈনিক বাজার মূল্য তালিকায় দেখা গেছে। টিসিবি বলছে, এক মাসের ব্যবধানে প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজের দাম বেড়েছে ৬৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ। আর আমদানি করা পেঁয়াজের দাম বেড়েছে ৮১ দশমিক ৮২ শতাংশ।

জানতে চাইলে ভোক্তার স্বার্থ নিয়ে কাজ করা প্রতিষ্ঠান কনজ্যুমার ইয়ুথ বাংলাদেশ (সিওয়াইবি) নির্বাহী পরিচালক পলাশ মাহমুদ যুগান্তরকে বলেন, পণ্যটি নিয়ে যারা কারসাজি করছেন তাদের কঠোর শাস্তির আওতায় আনতে হবে। এছাড়া অন্যান্য নিত্যপণ্যের দামও হু হু করে বাড়ছে। সেদিকেও সংশ্লিষ্টদের নজর দিতে হবে। সঙ্গে কঠোর মনিটরিং করে দাম ভোক্তা সহনীয় করতে হবে।

রোববার রাজধানীর পাইকারি আড়ত শ্যামবাজারের পাইকারি ব্যবসায়ী ও আমদানিকারকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এদিন পাইকারি পর্যায়ে প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৪৫ টাকা; যা শুক্রবার বিক্রি হয়েছে ৪৮-৫০ টাকা। আর আমদানি করা পেঁয়াজ প্রতি কেজি বিক্রি হয়েছে ৩৫ টাকা; যা দু’দিন আগে বিক্রি হয় ৪০ টাকা।

এছাড়া রাজধানীর কারওয়ান বাজার, নয়াবাজার ও মালিবাগ কাঁচাবাজারের খুচরা বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এ দিন প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৬৫-৭০ টাকা; যা এক দিন আগে বিক্রি হয়েছে সর্বোচ্চ ৫৫ টাকা। আর আমদানি করা পেঁয়াজ প্রতি কেজি বিক্রি হয়েছে ৫৫-৬০ টাকা; যা এক দিন আগে বিক্রি হয়েছে ৫০ টাকা।

শ্যামবাজারের পাইকারি ব্যবসায়ী ও আমদানিকারক শংকর চন্দ্র ঘোষ বলেন, কয়েকটি কারণে নিত্যপ্রয়োজনীয় এ পণ্যটির সরবরাহে ঘাটতি থাকায় দাম বেড়েছে। তবে গত দু’দিন থেকে পাইকারি পর্যায়ে সরবরাহ বাড়ায় দাম কমতে শুরু করেছে। সর্বশেষ ভারত থেকে তিন হাজার টন পেঁয়াজ পাইকারি পর্যায়ে এসে পৌঁছেছে। তাই দাম আরও কমবে। তবে আজ দেখছি খুচরা বাজারে বিক্রেতারা পেঁয়াজের কেজি ৭০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করছেন। তিনি জানান, এগুলো তাদের কারসাজি। তারা যে পেঁয়াজ ৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছেন সেগুলো ৪৫-৫০ টাকা কেজি দরে কেনা।

তবে বিক্রি করছেন বাড়তি দরে যা একেবারেই ঠিক নয়। তাই বাজার মনিটরিং করে দাম কমিয়ে ভোক্তার নাগালে আনতে হবে।

খাতুনগঞ্জে অভিযান, ১০ আড়তদারকে জরিমানা : চট্টগ্রাম ব্যুরো জানায়, চট্টগ্রামের সবচেয়ে বড় ভোগ্যপণ্যের বাজার খাতুনগঞ্জে অভিযান চালিয়েছে জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত। রোববার সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত অভিযান চলে। এ সময় পেঁয়াজের অযৌক্তি মূল্য বৃদ্ধিসহ নানা অনিয়ম পাওয়ায় ১০ আড়তদারকে জরিমানা করা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শিরিন আক্তার ও উমর ফারুক অভিযানে নেতৃত্ব দেন।

বিভিন্ন অনিয়মের পাশাপাশি ও ক্রয় ইনভয়েস না রেখে নিজেদের মতো মূল্য বৃদ্ধি করায় মেসার্স বরকত ভাণ্ডারকে ১০ হাজার টাকা, মেসার্স গোপাল বাণিজ্য ভাণ্ডারকে ১০ হাজার, মেসার্স হাজী মহিউদ্দিন সওদাগরকে ১০ হাজার, মেসার্স সেকান্দার অ্যান্ড সন্সকে ১০ হাজার, মোহাম্মাদীয়া বাণিজ্যালয়কে ১০ হাজার, মোহাম্মদ জালাল উদ্দীনকে ১০ হাজার, গ্রামীণ বাণিজ্যালয়কে ৫ হাজার, আরাফাত ট্রেডার্সকে ৫ হাজার, মেসার্স বাগদারিক কর্পোরেশনকে ৫ হাজার ও শাহাদাত ট্রেডার্সকে ২ হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

অভিযানে নেতৃত্বদানকারী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উমর ফারুক জানান, আড়তদাররা ব্যবসায়িক কাগজপত্র নিজেদের কাছে রাখেন না। আমদানিকারক তাদের ফোন করে যে দামে বিক্রি করতে বলে, তারা সেই দামেই বিক্রি করেন। কোনো নিয়ম-কানুন মানা হচ্ছে না। একেকজন একেক দামে বিক্রি করছেন। দাম একেবারেই অনিয়ন্ত্রিত। কোথাও কোথাও কেজিতে ২০ টাকা পর্যন্ত দাম বাড়ানো হয়েছে। আড়তদাররা বলছেন, তারা কমিশনে পেঁয়াজ বিক্রি করে। তাই আমদানিকারক যে দাম নির্ধারণ করে দেন, সে দামেই তাদের বিক্রি করতে হয়।

তিনি বলেন, আমরা আড়তদারদের সতর্ক করেছি। পেঁয়াজের চালানের আমদানি কাগজপত্র রাখতে বলেছি। ভবিষ্যতে আরও অভিযান চালানো হবে।

সেখানকার আরও এক পাইকারি ব্যবসায়ী মো. সিদ্দিক মজুমদার জানান, খুচরা বিক্রেতারা ভেবেছেন পেঁয়াজের দাম আবারও বাড়বে। তাই গত এক সপ্তাহে পাইকারি বিক্রেতাদের কাছ থেকে সব পেঁয়াজ কিনে স্টক করেছেন বেশি দামে বিক্রির আশায়। যা একেবারে ঠিক নয়। তবে পাইকারি বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ বাড়তে শুরু করেছে। দামও কেজিতে ১০ টাকার মতো কমেছে। সামনে আরও দাম কমবে। তাই মনিটরিং জোরদার করা জরুরি।

জানতে চাইলে বাজার তদারকি সংস্থা জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের পরিচালক আবদুল জব্বার মণ্ডল বলেন, অধিদফতরের মহাপরিচালকের নির্দেশে সকাল থেকেই রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বাজার তদারকি কার্যক্রম অব্যাহত আছে। এছাড়া অন্যান্য নিত্যপণ্যের দাম ভোক্তাসহনীয় করার পাশাপাশি পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণে আনতে কঠোর ভাবে তদারকি চলছে।

তদারকি কালে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে বিনা কারণে বেশি দরে পেঁয়াজ বিক্রি করায় দায়ে একাধিক বিক্রেতাকে শাস্তির আওতায় আনা হয়েছে। এ তদারকি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

 

ঘটনাপ্রবাহ : পেঁয়াজের মূল্যবৃদ্ধি