মাগুরায় ভুয়া কাগজপত্রে সরকারি অনুদান আত্মসাৎ
jugantor
মাগুরায় ভুয়া কাগজপত্রে সরকারি অনুদান আত্মসাৎ

  আবু বাসার আখন্দ, মাগুরা  

০৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মাগুরায় সমাজসেবা অধিদফতরের নিবন্ধিত ৭টি এনজিওর ভুয়া কাগজপত্রে প্রায় কোটি টাকার সরকারি অনুদান নিয়ে আত্মসাৎ করেছে একটি চক্র। তবে এ বিষয়ে কিছুই জানেন না ওইসব এনজিও কর্মকর্তা। তারা বলছেন, নিজস্ব অর্থায়নেই তারা মানুষকে সেবা দিয়ে আসছেন। কখনও সরকারি সাহায্যের জন্য আবেদনও করেননি। জালিয়াতির বিরুদ্ধে শিগগিরই আইনের আশ্রয় নেবেন বলে জানান তারা।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, মাগুরা ও ঝিনাইদহ জেলার ওই চক্রটি ২০১৮ সাল থেকে মাগুরা সমাজকল্যাণ সংসদ, সৃষ্টি ফাউন্ডেশন, রাজলক্ষ্মী কল্যাণ ফাউন্ডেশন, আলোর ঠিকানা ফাউন্ডেশন, ভিলেজ ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন, রুরাল ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন ও মাগুরা জেলা মানবাধিকার সংস্থার নামে সরকারি অনুদান পেয়ে আসছে।

চক্রটি ওই বছরের শুরুর দিকে মাগুরা জেলা সমাজসেবা অধিদফতরের কতিপয় কর্মকর্তা-কর্মচারীর সহায়তায় নিবন্ধিত ওইসব এনজিওর কাগজপত্র সংগ্রহ করে। একই বছরের ২৪ ও ২৬ জুন ওইসব এনজিওর নামে ঝিনাইদহে সোনালী ব্যাংকের আরাপপুর শাখায় পৃথক অ্যাকাউন্ট খোলে।

সূত্র জানায়, জালিয়াতির দ্বিতীয় ধাপে চক্রটি ওইসব এনজিওর নামে সিল ও প্যাড তৈরি করে। সেখানে নিজেদের নাম ও মোবাইল নম্বর যুক্ত করে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীন জেলার পরিবার পরিকল্পনা ও সিভিন সার্জন কার্যালয়ে অনুদানের জন্য আবেদন করে। পরিকল্পনা চূড়ান্ত করতে চক্রটি ঢাকায় মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট অসাধু কর্মকর্তাদের সহায়তা নেয় এবং নিজেদের অনুকূলে অর্থ ছাড় করিয়ে আনে।

সবশেষে ঝিনাইদহে খুলে রাখা অ্যাকাউন্টে চেক জমা দিয়ে অর্থ আত্মসাৎ করে। বিভিন্ন সময় মাগুরা পরিবার পরিকল্পনা ও সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে উল্লিখিত ৭টি এনজিওর নামে জমাকৃত ব্যাংক স্টেটমেন্ট থেকে দেখা যায়, চক্রটির ঝিনাইদহ সোনালী ব্যাংকের ভুয়া অ্যাকাউন্ট থেকে চলতি বছরের জুন পর্যন্ত ৯২ লাখ ৭৭ হাজার ৭৫৭ টাকা উত্তোলন করা হয়েছে।

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, মাগুরা সমাজকল্যাণ সংসদের বর্তমান সভাপতি জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক ফজলুর রহমান। তার নামে চলতি বছরের ৪ আগস্ট স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীন স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব বরাবর অনুদানের জন্য একটি আবেদন করা হয়েছে। কিন্তু সেখানে নিলুফার ইয়াসমিন নামে ঝিনাইদহের একটি মেয়ের মোবাইল নম্বর ব্যবহার করা হয়েছে।

রাজলক্ষ্মী কল্যাণ ফাউন্ডেশন পরিচালনা করেন মাগুরা শহরের পারলা এলাকার বাসিন্দা আওয়ামী লীগ কর্মী এবিএম মোস্তাফিজুর রহমান আকিনুর। কিন্তু নিলুফার ইয়াসমিন নিজেকে নির্বাহী পরিচালক পরিচয় দিয়ে ওই এনজিওর নামে অনুদানের আবেদন করেন।

শহরের সৃষ্টি ফাউন্ডেশনের পরিচালক অলোক বসু। তার আবেদনপত্রের নামের নিচে মাহমুদ হাসান টিপু নামে ঝিনাইদহের এক ব্যক্তির মোবাইল নম্বর ব্যবহার করা হয়েছে। মাগুরা জেলা মানবাধিকার সংস্থার পরিচালক বাহারুল ইসলাম হলেও সেখানে জাহিদ সুলতান শাওন নামে ঝিনাইদহের এক ব্যক্তি নিজের নাম মোবাইল নম্বর ব্যবহার করেছেন।

আলোর ঠিকানা ফাউন্ডেশনের পরিচালক আলমগীর শেখ। অনুদানের আবেদনে এই নামটি ঠিক রেখে মোবাইল নম্বর পরিবর্তন করে দেয়া হয়েছে। শহরের কলেজপাড়ার ভিলেজ ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন ও রুরাল ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের নামেও ভিন্ন দুটি মোবাইল নম্বর ব্যবহার করা হয়েছে।

নির্ভরযোগ্য একটি সূত্রের দাবি, জাহিদ সুলতান শাওন, মাহমুদ হাসান টিপু ও নিলুফার ইয়াসমিনসহ চক্রের সদস্যরা উল্লিখিত ৭টি ছাড়াও আরও বিভিন্ন এনজিওর নামে অনুদান নিয়ে আত্মসাৎ করেছেন।

এ বিষয়ে মাগুরা সমাজকল্যাণ সংসদের সভাপতি যুবলীগ নেতা ফজলুর রহমান বলেন, প্রতিষ্ঠার পর থেকেই নিজস্ব অর্থায়নে আমরা মানুষকে সেবা দিয়ে আসছি। সরকারি সাহায্যের জন্য অতীতে কখনই আবেদন করিনি। এই জালিয়াতির বিরদ্ধে খুব শিগগিরই আইনের আশ্রয় নেব।

অন্যদিকে রাজলক্ষ্মী কল্যাণ ফাউন্ডেশনের পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান আকিনুর জানান, জাহিদ সুলতান শাওন নামে এক ব্যক্তি বরাদ্দ এনে দেয়ার কথা বলে ৩ হাজার টাকা দাবি করেছিলেন। তিনি রাজি না হওয়ায় পরে শাওন আর যোগাযোগ করেননি। তিনি বলেন, এতবড় জালিয়াতির ঘটনা সরকারি কর্মকর্তারা জড়িত না থাকলে কোনোভাবেই সম্ভব নয়।

অভিযুক্ত নিলুফার ইয়াসমিনের সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি পরিচয় শুনেই ফোন কেটে দেন। তবে মাহমুদ হাসান টিপু বলেন, এসবের সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক নেই। শাওন কিংবা নিলুফার ওরাও ভালো মানুষ। অসহায় মানুষের লেখাপড়ার খরচ জোগানোর উদ্দেশ্যে নিষ্ক্রিয় এনজিওর কাগজপত্র নিয়ে তারা কাজ করে থাকে। আর সৃষ্টি ফাউন্ডেশনের পরিচালক অলোকের সঙ্গে সুসম্পর্কের খাতিরে তার সঙ্গে শাওনের পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলাম মাত্র। কিন্তু ওরা কেন সেখানে আমার মোবাইল নম্বর যুক্ত করেছে সেটি জানি না। তবে মাগুরার এনজিওর নামে ঝিনাইদহের ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট তৈরি করা ওদের ঠিক হয়নি।

মাগুরা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উপপরিচালক নিরঞ্জন বন্ধু দাম বলেন, অতীতে কারা কী করেছে সেটি নিয়ে কিছু করার নেই। কেননা সেগুলো মন্ত্রণালয় থেকে অনুমোদন করা হয়েছিল। তারা কার নামে কী দিয়েছে সেটি তারাই বুঝবে। কিন্তু এখন প্রতিটি আবেদনপত্র যাচাই-বাছাই করেই তালিকা পাঠানো হচ্ছে। এখানে জালিয়াতির কোনো সুযোগ থাকবে না।

মাগুরার সিভিল সার্জন ডা. প্রদীপ কুমার সাহা বলেন, জালিয়াতির মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি অর্থ উত্তেলন করেছে কি না তা খতিয়ে দেখা হবে।

মাগুরায় ভুয়া কাগজপত্রে সরকারি অনুদান আত্মসাৎ

 আবু বাসার আখন্দ, মাগুরা 
০৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মাগুরায় সমাজসেবা অধিদফতরের নিবন্ধিত ৭টি এনজিওর ভুয়া কাগজপত্রে প্রায় কোটি টাকার সরকারি অনুদান নিয়ে আত্মসাৎ করেছে একটি চক্র। তবে এ বিষয়ে কিছুই জানেন না ওইসব এনজিও কর্মকর্তা। তারা বলছেন, নিজস্ব অর্থায়নেই তারা মানুষকে সেবা দিয়ে আসছেন। কখনও সরকারি সাহায্যের জন্য আবেদনও করেননি। জালিয়াতির বিরুদ্ধে শিগগিরই আইনের আশ্রয় নেবেন বলে জানান তারা।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, মাগুরা ও ঝিনাইদহ জেলার ওই চক্রটি ২০১৮ সাল থেকে মাগুরা সমাজকল্যাণ সংসদ, সৃষ্টি ফাউন্ডেশন, রাজলক্ষ্মী কল্যাণ ফাউন্ডেশন, আলোর ঠিকানা ফাউন্ডেশন, ভিলেজ ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন, রুরাল ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন ও মাগুরা জেলা মানবাধিকার সংস্থার নামে সরকারি অনুদান পেয়ে আসছে।

চক্রটি ওই বছরের শুরুর দিকে মাগুরা জেলা সমাজসেবা অধিদফতরের কতিপয় কর্মকর্তা-কর্মচারীর সহায়তায় নিবন্ধিত ওইসব এনজিওর কাগজপত্র সংগ্রহ করে। একই বছরের ২৪ ও ২৬ জুন ওইসব এনজিওর নামে ঝিনাইদহে সোনালী ব্যাংকের আরাপপুর শাখায় পৃথক অ্যাকাউন্ট খোলে।

সূত্র জানায়, জালিয়াতির দ্বিতীয় ধাপে চক্রটি ওইসব এনজিওর নামে সিল ও প্যাড তৈরি করে। সেখানে নিজেদের নাম ও মোবাইল নম্বর যুক্ত করে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীন জেলার পরিবার পরিকল্পনা ও সিভিন সার্জন কার্যালয়ে অনুদানের জন্য আবেদন করে। পরিকল্পনা চূড়ান্ত করতে চক্রটি ঢাকায় মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট অসাধু কর্মকর্তাদের সহায়তা নেয় এবং নিজেদের অনুকূলে অর্থ ছাড় করিয়ে আনে।

সবশেষে ঝিনাইদহে খুলে রাখা অ্যাকাউন্টে চেক জমা দিয়ে অর্থ আত্মসাৎ করে। বিভিন্ন সময় মাগুরা পরিবার পরিকল্পনা ও সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে উল্লিখিত ৭টি এনজিওর নামে জমাকৃত ব্যাংক স্টেটমেন্ট থেকে দেখা যায়, চক্রটির ঝিনাইদহ সোনালী ব্যাংকের ভুয়া অ্যাকাউন্ট থেকে চলতি বছরের জুন পর্যন্ত ৯২ লাখ ৭৭ হাজার ৭৫৭ টাকা উত্তোলন করা হয়েছে।

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, মাগুরা সমাজকল্যাণ সংসদের বর্তমান সভাপতি জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক ফজলুর রহমান। তার নামে চলতি বছরের ৪ আগস্ট স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীন স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব বরাবর অনুদানের জন্য একটি আবেদন করা হয়েছে। কিন্তু সেখানে নিলুফার ইয়াসমিন নামে ঝিনাইদহের একটি মেয়ের মোবাইল নম্বর ব্যবহার করা হয়েছে।

রাজলক্ষ্মী কল্যাণ ফাউন্ডেশন পরিচালনা করেন মাগুরা শহরের পারলা এলাকার বাসিন্দা আওয়ামী লীগ কর্মী এবিএম মোস্তাফিজুর রহমান আকিনুর। কিন্তু নিলুফার ইয়াসমিন নিজেকে নির্বাহী পরিচালক পরিচয় দিয়ে ওই এনজিওর নামে অনুদানের আবেদন করেন।

শহরের সৃষ্টি ফাউন্ডেশনের পরিচালক অলোক বসু। তার আবেদনপত্রের নামের নিচে মাহমুদ হাসান টিপু নামে ঝিনাইদহের এক ব্যক্তির মোবাইল নম্বর ব্যবহার করা হয়েছে। মাগুরা জেলা মানবাধিকার সংস্থার পরিচালক বাহারুল ইসলাম হলেও সেখানে জাহিদ সুলতান শাওন নামে ঝিনাইদহের এক ব্যক্তি নিজের নাম মোবাইল নম্বর ব্যবহার করেছেন।

আলোর ঠিকানা ফাউন্ডেশনের পরিচালক আলমগীর শেখ। অনুদানের আবেদনে এই নামটি ঠিক রেখে মোবাইল নম্বর পরিবর্তন করে দেয়া হয়েছে। শহরের কলেজপাড়ার ভিলেজ ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন ও রুরাল ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের নামেও ভিন্ন দুটি মোবাইল নম্বর ব্যবহার করা হয়েছে।

নির্ভরযোগ্য একটি সূত্রের দাবি, জাহিদ সুলতান শাওন, মাহমুদ হাসান টিপু ও নিলুফার ইয়াসমিনসহ চক্রের সদস্যরা উল্লিখিত ৭টি ছাড়াও আরও বিভিন্ন এনজিওর নামে অনুদান নিয়ে আত্মসাৎ করেছেন।

এ বিষয়ে মাগুরা সমাজকল্যাণ সংসদের সভাপতি যুবলীগ নেতা ফজলুর রহমান বলেন, প্রতিষ্ঠার পর থেকেই নিজস্ব অর্থায়নে আমরা মানুষকে সেবা দিয়ে আসছি। সরকারি সাহায্যের জন্য অতীতে কখনই আবেদন করিনি। এই জালিয়াতির বিরদ্ধে খুব শিগগিরই আইনের আশ্রয় নেব।

অন্যদিকে রাজলক্ষ্মী কল্যাণ ফাউন্ডেশনের পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান আকিনুর জানান, জাহিদ সুলতান শাওন নামে এক ব্যক্তি বরাদ্দ এনে দেয়ার কথা বলে ৩ হাজার টাকা দাবি করেছিলেন। তিনি রাজি না হওয়ায় পরে শাওন আর যোগাযোগ করেননি। তিনি বলেন, এতবড় জালিয়াতির ঘটনা সরকারি কর্মকর্তারা জড়িত না থাকলে কোনোভাবেই সম্ভব নয়।

অভিযুক্ত নিলুফার ইয়াসমিনের সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি পরিচয় শুনেই ফোন কেটে দেন। তবে মাহমুদ হাসান টিপু বলেন, এসবের সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক নেই। শাওন কিংবা নিলুফার ওরাও ভালো মানুষ। অসহায় মানুষের লেখাপড়ার খরচ জোগানোর উদ্দেশ্যে নিষ্ক্রিয় এনজিওর কাগজপত্র নিয়ে তারা কাজ করে থাকে। আর সৃষ্টি ফাউন্ডেশনের পরিচালক অলোকের সঙ্গে সুসম্পর্কের খাতিরে তার সঙ্গে শাওনের পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলাম মাত্র। কিন্তু ওরা কেন সেখানে আমার মোবাইল নম্বর যুক্ত করেছে সেটি জানি না। তবে মাগুরার এনজিওর নামে ঝিনাইদহের ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট তৈরি করা ওদের ঠিক হয়নি।

মাগুরা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উপপরিচালক নিরঞ্জন বন্ধু দাম বলেন, অতীতে কারা কী করেছে সেটি নিয়ে কিছু করার নেই। কেননা সেগুলো মন্ত্রণালয় থেকে অনুমোদন করা হয়েছিল। তারা কার নামে কী দিয়েছে সেটি তারাই বুঝবে। কিন্তু এখন প্রতিটি আবেদনপত্র যাচাই-বাছাই করেই তালিকা পাঠানো হচ্ছে। এখানে জালিয়াতির কোনো সুযোগ থাকবে না।

মাগুরার সিভিল সার্জন ডা. প্রদীপ কুমার সাহা বলেন, জালিয়াতির মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি অর্থ উত্তেলন করেছে কি না তা খতিয়ে দেখা হবে।