ধরলার ভাঙনে বিলীনের মুখে স্কুল
jugantor
ধরলার ভাঙনে বিলীনের মুখে স্কুল

  ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি  

০৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিপাত ও উজানের পাহাড়ি ঢলে ধরলার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বিভিন্ন এলাকায় নদী ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে। অব্যাহত ভাঙনে বিলীনের পথে উপজেলার মেখলির চর খন্দকারপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি।

মঙ্গলবার সকালে বিদ্যালয়টির একাংশ নদী গর্ভে চলে যায়।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুস সবুর আলী জানান, ১৯৯০ সালে স্কুলটি প্রতিষ্ঠিত হয়। ৪ জন শিক্ষক ও প্রায় ১০০ শিক্ষার্থী নিয়ে চর এলাকায় শিক্ষা বিস্তারে অবদান রেখেছে বিদ্যালয়টি। ৪ কক্ষবিশিষ্ট বিদ্যালয় ভবনটি নির্মিত হয় ২০০০ সালে। গত এক মাস মেকলি গ্রামে ধরলার ভাঙন চলছে। ৪০ থেকে ৪৫টি পরিবার ধরলার ভাঙনে গৃহহীন হয়েছে। মঙ্গলবার একাংশ ভেঙে নদী

গর্ভে চলে গেছে। উপজেলা শিক্ষা অফিসের পরামর্শে বিদ্যালয়ের চেয়ার-টেবিলসহ অন্য জিনিসপত্র সরিয়ে নেয়া হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দা বাছের আলী ও আবদার আলী জানান, বিদ্যালয়টি ছাড়াও চর মেখলি জামে মসজিদও হুমকির মুখে। উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার রাশেদুল ইসলাম মণ্ডল জানান, বিদ্যালয়ের বর্তমান অবস্থা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

ধরলার ভাঙনে বিলীনের মুখে স্কুল

 ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি 
০৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিপাত ও উজানের পাহাড়ি ঢলে ধরলার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বিভিন্ন এলাকায় নদী ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে। অব্যাহত ভাঙনে বিলীনের পথে উপজেলার মেখলির চর খন্দকারপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি।

মঙ্গলবার সকালে বিদ্যালয়টির একাংশ নদী গর্ভে চলে যায়।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুস সবুর আলী জানান, ১৯৯০ সালে স্কুলটি প্রতিষ্ঠিত হয়। ৪ জন শিক্ষক ও প্রায় ১০০ শিক্ষার্থী নিয়ে চর এলাকায় শিক্ষা বিস্তারে অবদান রেখেছে বিদ্যালয়টি। ৪ কক্ষবিশিষ্ট বিদ্যালয় ভবনটি নির্মিত হয় ২০০০ সালে। গত এক মাস মেকলি গ্রামে ধরলার ভাঙন চলছে। ৪০ থেকে ৪৫টি পরিবার ধরলার ভাঙনে গৃহহীন হয়েছে। মঙ্গলবার একাংশ ভেঙে নদী

গর্ভে চলে গেছে। উপজেলা শিক্ষা অফিসের পরামর্শে বিদ্যালয়ের চেয়ার-টেবিলসহ অন্য জিনিসপত্র সরিয়ে নেয়া হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দা বাছের আলী ও আবদার আলী জানান, বিদ্যালয়টি ছাড়াও চর মেখলি জামে মসজিদও হুমকির মুখে। উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার রাশেদুল ইসলাম মণ্ডল জানান, বিদ্যালয়ের বর্তমান অবস্থা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।