আসামিদের আগে তিন সাক্ষীর জবানবন্দি
jugantor
ঘোড়াঘাট ইউএনও’র ওপর হামলা
আসামিদের আগে তিন সাক্ষীর জবানবন্দি

  দিনাজপুর প্রতিনিধি  

১৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওয়াহিদা খানমের ওপর হামলার ঘটনায় করা মামলায় মঙ্গলবার দুই সাক্ষীর জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়েছে। এর আগে শনিবার আরেক সাক্ষীর জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। তবে এখন পর্যন্ত কোনো আসামির জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়নি।

পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, মঙ্গলবার দিনাজপুরের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আঞ্জুমান আরা বেগমের আদালতে সাক্ষী মুরাদ হোসেন ও আইনুল হকের জবানবন্দি ১৬৪ ধারায় রেকর্ড করা হয়। এর আগে শনিবার দিনাজপুরের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ইসমাইল হোসেনের আদালতে আরেক সাক্ষী খোকন আলীর জবানবন্দি একই ধারায় রেকর্ড করা হয়।

সাক্ষীদের জবানবন্দি রেকর্ডের বিষয়ে পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট রবিউল ইসলাম যুগান্তরকে জানান, অনেক সময় আসামির আগে আদালতে সাক্ষীদের জবানবন্দি রেকর্ড করাতে পারেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। সাক্ষী যাতে পরবর্তীতে অন্য কারও দ্বারা প্রভাবিত না হতে পারে সেজন্য জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন জানান, রিমান্ডে নেয়া আসামির দেয়া তথ্য-উপাত্ত মিলিয়ে নিতে এবং ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা থাকায় তিন সাক্ষীর জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়েছে।

ইউএনও ওয়াহিদা খানমের ওপর হামলার ঘটনায় করা মামলায় এ পর্যন্ত পাঁচ আসামিকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। তাদের মধ্যে আসাদুল ইসলামের সাতদিনের রিমান্ড শেষ হলেও আদালতে তার জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়নি। নবীরুল ইসলাম ও সান্টু কুমার দাসের সাত দিনের রিমান্ড শেষ হলেও তাদেরও জবানবন্দি নেয়া হয়নি। ইউএনও অফিসের বরখাস্ত কর্মচারী রবিউল ইসলামকে ৭ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার তার ৭ দিনের রিমান্ড শেষ হবে।

উল্লেখ্য, ২ সেপ্টেম্বর রাতে ঘোড়াঘাটের ইউএনও ওয়াহিদা খানম ও তার বাবা মুক্তিযোদ্ধা ওমর আলী শেখকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জখম করে দুর্বৃত্তরা।

ঘোড়াঘাট ইউএনও’র ওপর হামলা

আসামিদের আগে তিন সাক্ষীর জবানবন্দি

 দিনাজপুর প্রতিনিধি 
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওয়াহিদা খানমের ওপর হামলার ঘটনায় করা মামলায় মঙ্গলবার দুই সাক্ষীর জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়েছে। এর আগে শনিবার আরেক সাক্ষীর জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। তবে এখন পর্যন্ত কোনো আসামির জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়নি।

পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, মঙ্গলবার দিনাজপুরের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আঞ্জুমান আরা বেগমের আদালতে সাক্ষী মুরাদ হোসেন ও আইনুল হকের জবানবন্দি ১৬৪ ধারায় রেকর্ড করা হয়। এর আগে শনিবার দিনাজপুরের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ইসমাইল হোসেনের আদালতে আরেক সাক্ষী খোকন আলীর জবানবন্দি একই ধারায় রেকর্ড করা হয়।

সাক্ষীদের জবানবন্দি রেকর্ডের বিষয়ে পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট রবিউল ইসলাম যুগান্তরকে জানান, অনেক সময় আসামির আগে আদালতে সাক্ষীদের জবানবন্দি রেকর্ড করাতে পারেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। সাক্ষী যাতে পরবর্তীতে অন্য কারও দ্বারা প্রভাবিত না হতে পারে সেজন্য জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন জানান, রিমান্ডে নেয়া আসামির দেয়া তথ্য-উপাত্ত মিলিয়ে নিতে এবং ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা থাকায় তিন সাক্ষীর জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়েছে।

ইউএনও ওয়াহিদা খানমের ওপর হামলার ঘটনায় করা মামলায় এ পর্যন্ত পাঁচ আসামিকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। তাদের মধ্যে আসাদুল ইসলামের সাতদিনের রিমান্ড শেষ হলেও আদালতে তার জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়নি। নবীরুল ইসলাম ও সান্টু কুমার দাসের সাত দিনের রিমান্ড শেষ হলেও তাদেরও জবানবন্দি নেয়া হয়নি। ইউএনও অফিসের বরখাস্ত কর্মচারী রবিউল ইসলামকে ৭ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার তার ৭ দিনের রিমান্ড শেষ হবে।

উল্লেখ্য, ২ সেপ্টেম্বর রাতে ঘোড়াঘাটের ইউএনও ওয়াহিদা খানম ও তার বাবা মুক্তিযোদ্ধা ওমর আলী শেখকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জখম করে দুর্বৃত্তরা।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন