ভ্যাকসিনের জন্য অপেক্ষা করতে হবে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
jugantor
ভ্যাকসিনের জন্য অপেক্ষা করতে হবে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

  যুগান্তর রিপোর্ট  

১৭ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিন জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারির আগে পাওয়ার সম্ভাবনা কম। অন্যদিকে চীনা ভ্যাকসিনের জন্য অপেক্ষা করতে হবে আগামী মে-জুন পর্যন্ত। তবে বালাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন পেতে ইতোমধ্যে চারটি দেশের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। এছাড়া বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও আমাদের ভ্যাকসিন দেয়ার কথা বলেছে। মঙ্গলবার রাতে সংবাদিকদের সঙ্গে এক জুম সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, কিট এলেই দেশে অ্যান্টিজেন পরীক্ষা শুরু হবে। যেখানে অর্থাৎ যেসব জেলা বা উপজেলায় আরটি পিসিআর ল্যাব নেই, যেখানে দ্রুত কোভিড-১৯ পরীক্ষা করা দরকার, সেখানেই অ্যান্টিজেন পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে।

তিনি বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশের সরকারি পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে শয্যা বেড়েছে ৪ গুণের বেশি। দু’একটি হাসপাতাল ছাড়া কোথাও সেন্ট্রাল অক্সিজেন লাইন ছিল না। কোভিড পরিস্থিতিতে দেশের প্রায় সব বড় হাসপাতালে সেন্ট্রাল অক্সিজেন লাইন স্থপান করা হয়েছে। কোভিড-১৯ রোগীদের জন্য রাতারাতি ২০ হাজার শয্যা তৈরি করা হয়েছে। করোনা পরিস্থিতি সামলাতে আমেরিকার মতো দেশে ওষুধ রেশনিং করতে হয়েছে। অথচ আমাদের দেশে ওষুধের কোনো ঘাটতি নেই। বরং পর্যাপ্ত পরিমাণ ওষুধ রফতানি করা হচ্ছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশের স্বাস্থ্য বাজেট খুবই স্বল্প। যেখানে আমেরিকার স্বাস্থ্য বাজেট তাদের জিডিপির ১৫ শতাংশ। পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতেও স্বাস্থ্য বাজেট দেশটির জিডিপির আড়াই শতাংশ। অথচ আমাদের স্বাস্থ্য বাজেট জাতীয় বাজেটের মাত্র শূন্য দশমিক ৯ শতাংশ। এই স্বল্প বাজেটে পৃথিবীর উন্নত দেশগুলোর তুলনায় আমরা ভালোভাবে কোভিড-১৯ পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে পেরেছি।

কোভিডের বর্তমান পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমাদের দেশে কোভিড পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে। মৃত্যুর হারও কমেছে। এখন দেশে গড়ে ২০ থেকে ২৫ জনের মৃত্যু ঘটছে। অথচ পার্শ্ববর্তী ভারতে দৈনিক এক হাজার থেকে ১২শ’ মানুষের মৃত্যু ঘটছে।

ভ্যাকসিনের জন্য অপেক্ষা করতে হবে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

 যুগান্তর রিপোর্ট 
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিন জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারির আগে পাওয়ার সম্ভাবনা কম। অন্যদিকে চীনা ভ্যাকসিনের জন্য অপেক্ষা করতে হবে আগামী মে-জুন পর্যন্ত। তবে বালাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন পেতে ইতোমধ্যে চারটি দেশের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। এছাড়া বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও আমাদের ভ্যাকসিন দেয়ার কথা বলেছে। মঙ্গলবার রাতে সংবাদিকদের সঙ্গে এক জুম সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, কিট এলেই দেশে অ্যান্টিজেন পরীক্ষা শুরু হবে। যেখানে অর্থাৎ যেসব জেলা বা উপজেলায় আরটি পিসিআর ল্যাব নেই, যেখানে দ্রুত কোভিড-১৯ পরীক্ষা করা দরকার, সেখানেই অ্যান্টিজেন পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে।

তিনি বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশের সরকারি পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে শয্যা বেড়েছে ৪ গুণের বেশি। দু’একটি হাসপাতাল ছাড়া কোথাও সেন্ট্রাল অক্সিজেন লাইন ছিল না। কোভিড পরিস্থিতিতে দেশের প্রায় সব বড় হাসপাতালে সেন্ট্রাল অক্সিজেন লাইন স্থপান করা হয়েছে। কোভিড-১৯ রোগীদের জন্য রাতারাতি ২০ হাজার শয্যা তৈরি করা হয়েছে। করোনা পরিস্থিতি সামলাতে আমেরিকার মতো দেশে ওষুধ রেশনিং করতে হয়েছে। অথচ আমাদের দেশে ওষুধের কোনো ঘাটতি নেই। বরং পর্যাপ্ত পরিমাণ ওষুধ রফতানি করা হচ্ছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশের স্বাস্থ্য বাজেট খুবই স্বল্প। যেখানে আমেরিকার স্বাস্থ্য বাজেট তাদের জিডিপির ১৫ শতাংশ। পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতেও স্বাস্থ্য বাজেট দেশটির জিডিপির আড়াই শতাংশ। অথচ আমাদের স্বাস্থ্য বাজেট জাতীয় বাজেটের মাত্র শূন্য দশমিক ৯ শতাংশ। এই স্বল্প বাজেটে পৃথিবীর উন্নত দেশগুলোর তুলনায় আমরা ভালোভাবে কোভিড-১৯ পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে পেরেছি।

কোভিডের বর্তমান পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমাদের দেশে কোভিড পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে। মৃত্যুর হারও কমেছে। এখন দেশে গড়ে ২০ থেকে ২৫ জনের মৃত্যু ঘটছে। অথচ পার্শ্ববর্তী ভারতে দৈনিক এক হাজার থেকে ১২শ’ মানুষের মৃত্যু ঘটছে।

 

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস