বিকল্প দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানির হিড়িক
jugantor
চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে আসবে ২ সপ্তাহ পর
বিকল্প দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানির হিড়িক
২১৭টি আইপির বিপরীতে আসছে ৮০ হাজার টন

  মজুমদার নাজিম উদ্দিন, চট্টগ্রাম  

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ভারত পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে দেয়ায় বিকল্প দেশ থেকে পণ্যটি আনার হিড়িক পড়েছে। চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতিপত্র (আইপি) নিচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। ১৫ দিনে ২১৭টি আইপি নেয়া হয়েছে। এর বিপরীতে ৭৯ হাজার ৩৯০ টন পেঁয়াজ আমদানির কথা রয়েছে। ২ থেকে ৩ সপ্তাহ পর এসব পেঁয়াজ সমুদ্রপথে দেশে আসতে শুরু করবে। তবে মিয়ানমারের পেঁয়াজ আরও আগে চলে আসতে পারে।

বন্দরসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, কয়েক দিন ধরে আইপি আবেদন বেড়ে গেছে। বিশেষ করে সোমবার ভারত পেঁয়াজ রফতানি বন্ধের ঘোষণা দিলে অন্য দেশ থেকে পণ্যটির আমদানির আবেদন বেড়ে যায়। গত বছরও এ সময়ে ভারত থেকে আসা বন্ধ হয়ে গেলে পেঁয়াজের সংকট দেখা দেয়। দাম বাড়তে থাকে লাফিয়ে লাফিয়ে। ওই সময় প্রতি কেজি পেঁয়াজ সর্বোচ্চ ৩০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়েছিল খুচরা বাজারে।

গতবার সংকটকালে তড়িঘড়ি করে অনেকে আমদানি অনুমতিপত্র নিয়েছিলেন। তবে সময় স্বল্পতাসহ নানা জটিলতায় তাদের অনেকে আমদানি করতে পারেননি। গতবারের অভিজ্ঞতা থেকে এবার পেঁয়াজ পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছিলেন আমদানিকারকরা। আগেই তারা প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছিলেন। তাই ভারতীয় পেঁয়াজ আসা বন্ধ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তারা এবার বিকল্প বাজার থেকে পেঁয়াজ আনতে জোর তৎপরতা শুরু করেছেন।

চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরের উদ্ভিদ সংঘনিরোধ কেন্দ্রের (কোয়ারেন্টাইন) উপ-পরিচালক আসাদুজ্জামান বুলবুল যুগান্তরকে জানান, ভারত রফতানি বন্ধের ঘোষণা দেয়ার পর থেকে পেঁয়াজের জন্য আইপি আবেদন স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে কয়েকগুণ বেড়ে গেছে। ৩ সেপ্টেম্বর একটি আইপি ইস্যু হয়েছিল। পরের দু’দিন হয়নি। ৬ সেপ্টেম্বর ইস্যু হয় পাঁচটি। মঙ্গলবার ৬৮টি আইপি ইস্যু হয়েছে। এর বিপরীতে ৩০ হাজার ৮১২ টন পেঁয়াজ আমদানির ঘোষণা দেয়া হয়েছে। বুধবার ৪৯টি আইপির মাধ্যমে ১৭ হাজার ৫৬৬ টন পেঁয়াজ আনার অনুমতি নিয়েছেন বিভিন্ন আমদানিকারক। আর বৃহস্পতিবার ৬৭টি আইপির বিপরীতে আরও ২১ হাজার ৯১১ টন পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি নেয়া হয়েছে। ৩ সেপ্টেম্বর থেকে ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ২১৭টি আইপির বিপরীতে ৭৯ হাজার ৩৯০ টন পেঁয়াজ আমদানির অনুমতিপত্র নিয়েছেন আমদানিকারকরা।

আসাদুজ্জামান বুলবুল আরও বলেন, যারা পেঁয়াজের আইপি নিতে আসছেন, দেশের চাহিদার কথা মাথায় রেখে তাদের দ্রুত সময়ের মধ্যে অনুমতি দেয়া হচ্ছে। উদ্ভিদ সংঘনিরোধ কেন্দ্রের তথ্যমতে, এখান থেকে আইপি নেয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর বেশিরভাগই চট্টগ্রামকেন্দ্রিক। এর মধ্যে রয়েছে- ট্রেড লিংক, চৈতি এন্টারপ্রাইজ, শাহ জব্বারিয়া এন্টারপ্রাইজ, নাজ ট্রেডিং, ফরহাদ ট্রেডিং, আঁখি এন্টারপ্রাইজ। এসব প্রতিষ্ঠান চীন, মিয়ানমার, পাকিস্তান, মিসর, নেদারল্যান্ডস ও নিউজিল্যান্ড থেকে পেঁয়াজ আমদানি করতে চায়।

ভোগ্যপণ্য আমদানিকারকরা জানান, মিয়ানমার থেকে পেঁয়াজ ২ থেকে ৩ দিনের মধ্যেই আনা সম্ভব। অন্য দেশগুলোর পেঁয়াজ বাজারে আসতে ২০-২৫ দিন সময় লাগতে পারে। বিকল্প দেশ থেকে পেঁয়াজ আসা শুরু হলে সংকট থাকবে না। তাই পেঁয়াজ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই।

চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মাহবুবুল আলম যুগান্তরকে বলেন, অনেকে আতঙ্কিত হয়ে প্রয়োজনের অতিরিক্ত পেঁয়াজ কিনছেন। পণ্যটি পচনশীল। তাই যারা প্রয়োজনের বেশি কিনবেন তাদের অপচয় হবে। চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় বাজারে সৃষ্টি হয়েছে কৃত্রিম সংকট। পর্যাপ্ত পেঁয়াজ বিভিন্ন দেশ থেকে আসছে। আমদানিকারকরা তৎপর হয়ে উঠেছেন। গতবার অনেক আমদানিকারক ভারতের বিকল্প দেশ থেকে পেঁয়াজ আনতে গিয়ে হোঁচট খেয়েছিলেন। এবার তেমনটি হবে না। তাদের অভিজ্ঞতা হয়েছে। আগে থেকে প্রস্তুতি ছিল। বিদেশি রফতানিকারকদের সঙ্গে এরই মধ্যে তাদের একটা সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। তাই আশা করছি, এবার কম সময়ে বিদেশি পেঁয়াজ বাজারে আসবে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, দেশে পেঁয়াজের চাহিদার বড় একটি অংশ পূরণ হয় ভারত থেকে আমদানির মাধ্যমে। ভারতীয় পেঁয়াজ দেশে আসে স্থলবন্দরগুলো দিয়ে। জাহাজে সমুদ্রপথে পেঁয়াজ আনতে ১০-১৫ দিন সময় লাগে। এ সময়ে পচে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর দিয়ে খুব বেশি পেঁয়াজ আমদানি হয় না। চট্টগ্রামের ভোগ্যপণ্যের বৃহৎ পাইকারি বাজারে প্রতিদিন পেঁয়াজের জোগান আসে স্থলবন্দরগুলো থেকে।

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের তথ্যমতে, চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে ১ জুন থেকে ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৪ মাসে পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে ১৮ লাখ ২৪ হাজার কেজি। যার আমদানিমূল্য প্রায় ৫ কোটি টাকা। ১২টি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান এসব পেঁয়াজ এনেছে।

এদিকে চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জের পাইকারি আড়তগুলোতে এখনও বেশি দামে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে। পাইকারিতে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৫৫-৬০ টাকায়। খুচরায় বিক্রি হচ্ছে ৭৫-৮০ টাকায়।

আড়তদাররা জানান, খাতুনগঞ্জে এখনও পেঁয়াজ আসছে। আড়তগুলোতে পর্যাপ্ত পেঁয়াজ রয়েছে। সেই তুলনায় বৃহস্পতিবার ক্রেতা ছিল কম।

চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে আসবে ২ সপ্তাহ পর

বিকল্প দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানির হিড়িক

২১৭টি আইপির বিপরীতে আসছে ৮০ হাজার টন
 মজুমদার নাজিম উদ্দিন, চট্টগ্রাম 
১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ভারত পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করে দেয়ায় বিকল্প দেশ থেকে পণ্যটি আনার হিড়িক পড়েছে। চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতিপত্র (আইপি) নিচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। ১৫ দিনে ২১৭টি আইপি নেয়া হয়েছে। এর বিপরীতে ৭৯ হাজার ৩৯০ টন পেঁয়াজ আমদানির কথা রয়েছে। ২ থেকে ৩ সপ্তাহ পর এসব পেঁয়াজ সমুদ্রপথে দেশে আসতে শুরু করবে। তবে মিয়ানমারের পেঁয়াজ আরও আগে চলে আসতে পারে।

বন্দরসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, কয়েক দিন ধরে আইপি আবেদন বেড়ে গেছে। বিশেষ করে সোমবার ভারত পেঁয়াজ রফতানি বন্ধের ঘোষণা দিলে অন্য দেশ থেকে পণ্যটির আমদানির আবেদন বেড়ে যায়। গত বছরও এ সময়ে ভারত থেকে আসা বন্ধ হয়ে গেলে পেঁয়াজের সংকট দেখা দেয়। দাম বাড়তে থাকে লাফিয়ে লাফিয়ে। ওই সময় প্রতি কেজি পেঁয়াজ সর্বোচ্চ ৩০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়েছিল খুচরা বাজারে।

গতবার সংকটকালে তড়িঘড়ি করে অনেকে আমদানি অনুমতিপত্র নিয়েছিলেন। তবে সময় স্বল্পতাসহ নানা জটিলতায় তাদের অনেকে আমদানি করতে পারেননি। গতবারের অভিজ্ঞতা থেকে এবার পেঁয়াজ পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছিলেন আমদানিকারকরা। আগেই তারা প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছিলেন। তাই ভারতীয় পেঁয়াজ আসা বন্ধ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তারা এবার বিকল্প বাজার থেকে পেঁয়াজ আনতে জোর তৎপরতা শুরু করেছেন।

চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরের উদ্ভিদ সংঘনিরোধ কেন্দ্রের (কোয়ারেন্টাইন) উপ-পরিচালক আসাদুজ্জামান বুলবুল যুগান্তরকে জানান, ভারত রফতানি বন্ধের ঘোষণা দেয়ার পর থেকে পেঁয়াজের জন্য আইপি আবেদন স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে কয়েকগুণ বেড়ে গেছে। ৩ সেপ্টেম্বর একটি আইপি ইস্যু হয়েছিল। পরের দু’দিন হয়নি। ৬ সেপ্টেম্বর ইস্যু হয় পাঁচটি। মঙ্গলবার ৬৮টি আইপি ইস্যু হয়েছে। এর বিপরীতে ৩০ হাজার ৮১২ টন পেঁয়াজ আমদানির ঘোষণা দেয়া হয়েছে। বুধবার ৪৯টি আইপির মাধ্যমে ১৭ হাজার ৫৬৬ টন পেঁয়াজ আনার অনুমতি নিয়েছেন বিভিন্ন আমদানিকারক। আর বৃহস্পতিবার ৬৭টি আইপির বিপরীতে আরও ২১ হাজার ৯১১ টন পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি নেয়া হয়েছে। ৩ সেপ্টেম্বর থেকে ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ২১৭টি আইপির বিপরীতে ৭৯ হাজার ৩৯০ টন পেঁয়াজ আমদানির অনুমতিপত্র নিয়েছেন আমদানিকারকরা।

আসাদুজ্জামান বুলবুল আরও বলেন, যারা পেঁয়াজের আইপি নিতে আসছেন, দেশের চাহিদার কথা মাথায় রেখে তাদের দ্রুত সময়ের মধ্যে অনুমতি দেয়া হচ্ছে। উদ্ভিদ সংঘনিরোধ কেন্দ্রের তথ্যমতে, এখান থেকে আইপি নেয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর বেশিরভাগই চট্টগ্রামকেন্দ্রিক। এর মধ্যে রয়েছে- ট্রেড লিংক, চৈতি এন্টারপ্রাইজ, শাহ জব্বারিয়া এন্টারপ্রাইজ, নাজ ট্রেডিং, ফরহাদ ট্রেডিং, আঁখি এন্টারপ্রাইজ। এসব প্রতিষ্ঠান চীন, মিয়ানমার, পাকিস্তান, মিসর, নেদারল্যান্ডস ও নিউজিল্যান্ড থেকে পেঁয়াজ আমদানি করতে চায়।

ভোগ্যপণ্য আমদানিকারকরা জানান, মিয়ানমার থেকে পেঁয়াজ ২ থেকে ৩ দিনের মধ্যেই আনা সম্ভব। অন্য দেশগুলোর পেঁয়াজ বাজারে আসতে ২০-২৫ দিন সময় লাগতে পারে। বিকল্প দেশ থেকে পেঁয়াজ আসা শুরু হলে সংকট থাকবে না। তাই পেঁয়াজ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই।

চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মাহবুবুল আলম যুগান্তরকে বলেন, অনেকে আতঙ্কিত হয়ে প্রয়োজনের অতিরিক্ত পেঁয়াজ কিনছেন। পণ্যটি পচনশীল। তাই যারা প্রয়োজনের বেশি কিনবেন তাদের অপচয় হবে। চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় বাজারে সৃষ্টি হয়েছে কৃত্রিম সংকট। পর্যাপ্ত পেঁয়াজ বিভিন্ন দেশ থেকে আসছে। আমদানিকারকরা তৎপর হয়ে উঠেছেন। গতবার অনেক আমদানিকারক ভারতের বিকল্প দেশ থেকে পেঁয়াজ আনতে গিয়ে হোঁচট খেয়েছিলেন। এবার তেমনটি হবে না। তাদের অভিজ্ঞতা হয়েছে। আগে থেকে প্রস্তুতি ছিল। বিদেশি রফতানিকারকদের সঙ্গে এরই মধ্যে তাদের একটা সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। তাই আশা করছি, এবার কম সময়ে বিদেশি পেঁয়াজ বাজারে আসবে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, দেশে পেঁয়াজের চাহিদার বড় একটি অংশ পূরণ হয় ভারত থেকে আমদানির মাধ্যমে। ভারতীয় পেঁয়াজ দেশে আসে স্থলবন্দরগুলো দিয়ে। জাহাজে সমুদ্রপথে পেঁয়াজ আনতে ১০-১৫ দিন সময় লাগে। এ সময়ে পচে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর দিয়ে খুব বেশি পেঁয়াজ আমদানি হয় না। চট্টগ্রামের ভোগ্যপণ্যের বৃহৎ পাইকারি বাজারে প্রতিদিন পেঁয়াজের জোগান আসে স্থলবন্দরগুলো থেকে।

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের তথ্যমতে, চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে ১ জুন থেকে ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৪ মাসে পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে ১৮ লাখ ২৪ হাজার কেজি। যার আমদানিমূল্য প্রায় ৫ কোটি টাকা। ১২টি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান এসব পেঁয়াজ এনেছে।

এদিকে চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জের পাইকারি আড়তগুলোতে এখনও বেশি দামে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে। পাইকারিতে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৫৫-৬০ টাকায়। খুচরায় বিক্রি হচ্ছে ৭৫-৮০ টাকায়।

আড়তদাররা জানান, খাতুনগঞ্জে এখনও পেঁয়াজ আসছে। আড়তগুলোতে পর্যাপ্ত পেঁয়াজ রয়েছে। সেই তুলনায় বৃহস্পতিবার ক্রেতা ছিল কম।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : পেঁয়াজের বাজার আবারও অস্থির

১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০