মালেকসহ ২০ জনের সম্পদের হিসাব তলব
jugantor
স্বাস্থ্যের হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা থেকে পিয়ন
মালেকসহ ২০ জনের সম্পদের হিসাব তলব

  যুগান্তর রিপোর্ট  

২২ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ যাচাই করতে স্বাস্থ্য অধিদফতর ও দেশের কয়েকটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ১২ কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং তাদের স্বামী/স্ত্রীসহ ২০ জনের সম্পদের হিসাব চেয়েছে দুদক। তালিকায় স্বাস্থ্য অধিদফতরের সাবেক মহাপরিচালক আবুল কালাম আজাদের গাড়িচালক শতকোটি টাকার মালিক আবদুল মালেকের নামও রয়েছে। দুদক পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেনের স্বাক্ষরে সোমবার তাদের ঠিকানায় চিঠি পাঠানো হয়েছে। নোটিশ পাওয়ার ২১ কার্যদিবসের মধ্যে সবাইকে তাদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের হিসাব ও পোষ্যদের নামে থাকা সম্পদের হিসাব দিতে বলা হয়েছে। বিষয়টি যুগান্তরকে নিশ্চিত করেছেন দুদকের পরিচালক (জনসংযোগ) প্রণব কুমার ভট্টাচার্য।

যাদের সম্পদের হিসাব চাওয়া হয়েছে: স্বাস্থ্য অধিদফতরের হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা মো. মজিবুল হক মুন্সি ও তার স্ত্রী রিফাত আক্তার, অধিদফতরের ডাটা এন্ট্রি অপারেটর তোফায়েল আহমেদ ভূইয়া ও তার স্ত্রী খাদিজা আক্তার, গাড়িচালক মো. আবদুল মালেক ও তার স্ত্রী নার্গিস বেগম, গোপালগঞ্জ ৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. ওবাইদুর রহমান ও তার স্ত্রী বিলকিস রহমান, ফরিদপুর মেডিকেল কলেজের স্টাফ নার্স রেহেনা আক্তার, রংপুর মেডিকের কলেজ হাসপাতালের হিসাবরক্ষক মো. ইমদাদুল হক ও তার স্ত্রী উম্মে রুমান ফেন্সী, জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের প্রশাসনিক কর্মকর্তা (চলতি দায়িত্ব) মো. মাহমুদুজ্জামান ও তার স্ত্রী সাবিনা ইয়াছমিন, গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের স্টোর অফিসার মো. নাজিম উদ্দিন ও তার স্ত্রী ফিরোজা বেগম, স্বাস্থ্য অধিদফতরের অফিস সহকারী (হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহ) কামরুল হাসান ও তার স্ত্রী ডা. উম্মে হাবিবা, গোপালগঞ্জ শেখ সায়েরা খাতুন মেডিকেল কলেজের স্টেনোগ্রাফার-কাম-কম্পিউটার অপারেটর মো. সাইফুল ইসলাম, স্বাস্থ্য অধিদফতরের বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী প্রধান পরিসংখ্যান কর্মকর্তা মীর রায়হান আলী ও রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হিসাবরক্ষক মো. আনোয়ার হোসেন। এ ২০ জনের মধ্যে গাড়িচালক আবদুল মালেককে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। তার স্বীকারোক্তি মোতাবেক ৪টি ফ্ল্যাট, ১০টি প্লট, কামারপাড়ায় ১ বিঘা জমি, ১০ কাঠা জায়গার ওপর ৭তলা বাড়ি ও ১০তলা বাণিজ্যিক ভবন, গবাদি পশুর বৃহৎ খামার, মেয়ের নামে মাছের ঘের ও পরিবহন ব্যবসা রয়েছে। এই সম্পদের পরিমাণ প্রায় শতকোটি টাকা।

দুদক পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন স্বাক্ষরিত নোটিশে বলা হয়েছে, ‘২০০৪ সালের দুর্নীতি দমন কমিশন আইনের ধারা ২৬-এর উপধারা (১) দ্বারা অর্পিত ক্ষমতাবলে তাদের নিজের এবং তাদের ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিবর্গের স্বনামে/বেনামে অর্জিত যাবতীয় স্থাবর/অস্থাবর সম্পত্তির হিসাব দিতে হবে। এছাড়া সবার দায়দেনা, আয়ের উৎস ও তা অর্জনের বিস্তারিত বিবরণী এ আদেশ প্রাপ্তির ২১ কার্যদিবসের মধ্যে নির্ধারিত ছকে দাখিল করার নির্দেশ দেয়া হল। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পদবিবরণী দাখিল করতে ব্যর্থ হলে অথবা মিথ্যা বিবরণী দাখিল করলে দুদক আইনের ২৬(২) উপধারায় তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

স্বাস্থ্যের হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা থেকে পিয়ন

মালেকসহ ২০ জনের সম্পদের হিসাব তলব

 যুগান্তর রিপোর্ট 
২২ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ যাচাই করতে স্বাস্থ্য অধিদফতর ও দেশের কয়েকটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ১২ কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং তাদের স্বামী/স্ত্রীসহ ২০ জনের সম্পদের হিসাব চেয়েছে দুদক। তালিকায় স্বাস্থ্য অধিদফতরের সাবেক মহাপরিচালক আবুল কালাম আজাদের গাড়িচালক শতকোটি টাকার মালিক আবদুল মালেকের নামও রয়েছে। দুদক পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেনের স্বাক্ষরে সোমবার তাদের ঠিকানায় চিঠি পাঠানো হয়েছে। নোটিশ পাওয়ার ২১ কার্যদিবসের মধ্যে সবাইকে তাদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের হিসাব ও পোষ্যদের নামে থাকা সম্পদের হিসাব দিতে বলা হয়েছে। বিষয়টি যুগান্তরকে নিশ্চিত করেছেন দুদকের পরিচালক (জনসংযোগ) প্রণব কুমার ভট্টাচার্য।

যাদের সম্পদের হিসাব চাওয়া হয়েছে: স্বাস্থ্য অধিদফতরের হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা মো. মজিবুল হক মুন্সি ও তার স্ত্রী রিফাত আক্তার, অধিদফতরের ডাটা এন্ট্রি অপারেটর তোফায়েল আহমেদ ভূইয়া ও তার স্ত্রী খাদিজা আক্তার, গাড়িচালক মো. আবদুল মালেক ও তার স্ত্রী নার্গিস বেগম, গোপালগঞ্জ ৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. ওবাইদুর রহমান ও তার স্ত্রী বিলকিস রহমান, ফরিদপুর মেডিকেল কলেজের স্টাফ নার্স রেহেনা আক্তার, রংপুর মেডিকের কলেজ হাসপাতালের হিসাবরক্ষক মো. ইমদাদুল হক ও তার স্ত্রী উম্মে রুমান ফেন্সী, জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের প্রশাসনিক কর্মকর্তা (চলতি দায়িত্ব) মো. মাহমুদুজ্জামান ও তার স্ত্রী সাবিনা ইয়াছমিন, গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের স্টোর অফিসার মো. নাজিম উদ্দিন ও তার স্ত্রী ফিরোজা বেগম, স্বাস্থ্য অধিদফতরের অফিস সহকারী (হাসপাতাল ও ক্লিনিকসমূহ) কামরুল হাসান ও তার স্ত্রী ডা. উম্মে হাবিবা, গোপালগঞ্জ শেখ সায়েরা খাতুন মেডিকেল কলেজের স্টেনোগ্রাফার-কাম-কম্পিউটার অপারেটর মো. সাইফুল ইসলাম, স্বাস্থ্য অধিদফতরের বরিশাল বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী প্রধান পরিসংখ্যান কর্মকর্তা মীর রায়হান আলী ও রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হিসাবরক্ষক মো. আনোয়ার হোসেন। এ ২০ জনের মধ্যে গাড়িচালক আবদুল মালেককে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। তার স্বীকারোক্তি মোতাবেক ৪টি ফ্ল্যাট, ১০টি প্লট, কামারপাড়ায় ১ বিঘা জমি, ১০ কাঠা জায়গার ওপর ৭তলা বাড়ি ও ১০তলা বাণিজ্যিক ভবন, গবাদি পশুর বৃহৎ খামার, মেয়ের নামে মাছের ঘের ও পরিবহন ব্যবসা রয়েছে। এই সম্পদের পরিমাণ প্রায় শতকোটি টাকা।

দুদক পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন স্বাক্ষরিত নোটিশে বলা হয়েছে, ‘২০০৪ সালের দুর্নীতি দমন কমিশন আইনের ধারা ২৬-এর উপধারা (১) দ্বারা অর্পিত ক্ষমতাবলে তাদের নিজের এবং তাদের ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিবর্গের স্বনামে/বেনামে অর্জিত যাবতীয় স্থাবর/অস্থাবর সম্পত্তির হিসাব দিতে হবে। এছাড়া সবার দায়দেনা, আয়ের উৎস ও তা অর্জনের বিস্তারিত বিবরণী এ আদেশ প্রাপ্তির ২১ কার্যদিবসের মধ্যে নির্ধারিত ছকে দাখিল করার নির্দেশ দেয়া হল। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পদবিবরণী দাখিল করতে ব্যর্থ হলে অথবা মিথ্যা বিবরণী দাখিল করলে দুদক আইনের ২৬(২) উপধারায় তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’